কলারোয়া ফুটবল মাঠ ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠন
কেশবপুর যশোর প্রতিনিধি: যশোরের কেশবপুর উপজেলার সন্ন্যাসগাছা মানপাড়া গ্রামে বাবার মৃত্যুর পর তাঁর লাশ বাড়ির বারান্দায় রেখেই পৈতৃক সম্পত্তির জমিজমা নিয়ে দুই ভাইয়ের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (২৪ আগস্ট) সকালে এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সন্ন্যাসগাছা মানপাড়া গ্রামের মাহবুর ও আছাবুর নামের দুই ভাইয়ের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে পৈতৃক সম্পত্তির জমিজমা ভাগাভাগি নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন সময়ে এলাকাবাসী ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা পারিবারিকভাবে মীমাংসার চেষ্টা করলেও বিরোধের স্থায়ী সমাধান হয়নি। এ নিয়ে দুই ভাইয়ের পরিবারের মধ্যেও সম্পর্কের অবনতি ঘটে।

এরই মধ্যে সোমবার সকালে তাদের বাবা মারা যান। বাবার মৃত্যুর পর তাঁর লাশ বাড়ির বারান্দায় রাখা অবস্থায়ই জমিজমার ভাগ-বাটোয়ারা নিয়ে দুই ভাইয়ের মধ্যে তর্ক-বিতর্ক শুরু হয়। একপর্যায়ে বিষয়টি হাতাহাতি ও মারামারিতে গড়ায়। বাবার লাশ সামনে রেখেই দুই ভাইয়ের এমন আচরণে উপস্থিত স্বজন ও স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ও বিস্ময়ের সৃষ্টি হয়।
স্থানীয়দের দাবি, পৈতৃক সম্পত্তির অংশীদারিত্ব নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধের কারণেই এ ঘটনার সূত্রপাত। দাফনের আগে জমিজমার হিসাব-নিকাশ ও ভাগ-বাটোয়ারা নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে স্থানীয় এলাকাবাসী এগিয়ে এসে দুই ভাইকে নিবৃত্ত করার চেষ্টা করেন এবং বিষয়টি শান্তিপূর্ণভাবে মীমাংসার উদ্যোগ নেন।
ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা মনে করছেন, পারিবারিক বিরোধ দ্রুত মীমাংসা না হলে ভবিষ্যতে আরও বড় ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটতে পারে। পরবর্তীতে গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে লাশ দাফন করা হয়।
সুন্দরবনাঞ্চল (শ্যামনগর) প্রতিনিধি: শ্যামনগর উপজেলায় দরিদ্র ও অসহায় নারীদের স্বাবলম্বী করার লক্ষ্যে ছাগল বিতরণ করা হয়েছে। সোমবার সকালে উপজেলা পরিষদ চত্বরে বাংলাদেশ এনজিও ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় ও নকশীকাঁথা মহিলা সংগঠনের বাস্তবায়নে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে শ্যামনগর ইউনিয়নের ফুলবাড়ী গ্রামের ১৩ জন নারীর মাঝে দুটি করে মোট ২৬টি ছাগল বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. রিফাত হোসাইন।
বিশেষ অতিথি ছিলেন সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. তৌহিদ হাসান, উপজেলা মহিলাবিষয়ক কর্মকর্তা শারিদ বিন শফিক ও উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. সুব্রত কুমার বিশ্বাস। এ ছাড়া সিডিওর নির্বাহী পরিচালক গাজী আল ইমরান, সামসের নির্বাহী পরিচালক কৃষ্ণপদ মু-া, নকশীকাঁথার পরিচালক চন্দ্রিকা ব্যানার্জী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এন্ডোস্কোপি ও কোলনস্কোপি পরীক্ষার যন্ত্র দীর্ঘদিন ধরে নষ্ট থাকায় রোগীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, হাসপাতালে স্বল্পমূল্যে নানা ধরনের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করার সুযোগ থাকলেও কর্মকর্তাদের অবহেলার কারণে তারা কাঙ্ক্ষিত সেবা পাচ্ছেন না। বেসরকারি ক্লিনিকে এন্ডোস্কোপি ও কোলনস্কোপি করতে যেখানে এক হাজার ছয় শ থেকে দুই হাজার টাকা খরচ হয়, সেখানে হাসপাতালে মাত্র ৫০০ টাকায় এ পরীক্ষা করা সম্ভব। তবে দীর্ঘদিন ধরে দুটি যন্ত্রই বিকল হয়ে পড়ে আছে।
হাসপাতালের রোগীদের স্বজনেরা জানান, যন্ত্র দুটি প্রায়ই নষ্ট হয়ে যায়, কিন্তু কর্তৃপক্ষ দ্রুত মেরামতের উদ্যোগ নেয় না। এ বিষয়ে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক জানান, হাসপাতালের কোনো যন্ত্র নষ্ট হলে তা ঢাকার কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে মেরামত করা হয়। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে ইতিমধ্যে অবহিত করা হয়েছে।