কলারোয়ায় নৈতিক শিক্ষায় গুরুত্বারোপ জেলা প্রশাসক কাউসার আজিজের
চীনের মকিতে কাল শুক্রবার থেকে শুরু হচ্ছে অনূর্ধ্ব-২০ এশিয়া কাপ হকি। নিজেদের প্রথম ম্যাচে শক্তিশালী স্বাগতিক চীনের মুখোমুখি হতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। ম্যাচটি শুরু হবে বাংলাদেশ সময় বেলা ৩টায়।
এশিয়া কাপ খেলে জুনিয়র হকি বিশ্বকাপে কোয়ালিফাই করার লক্ষ্য বাংলাদেশের। দলের অধিনায়ক মাহমুদ হাসান চীন থেকে বলেছেন, ‘সবার টার্গেট একটাই, জিততে হবে, ওয়ার্ল্ড কাপ কোয়ালিফাই করতে হবে। এখন চীনের সঙ্গে যদি জিততে পারি, দেখা যাবে যে আমাদের পরের ম্যাচগুলা একটু সুবিধা হবে। আমাদের কোয়ালিফাইং যে স্টেজটা পড়বে, সেটাতে একটু আমরা সহজ দল পাবো। তো আমাদের সবার টার্গেট একটাই যে, আমরা কালকে জিতে বের হবো।’
টুর্নামেন্ট সামনে রেখে কদিন আগেই চীনে পৌঁছেছে বাংলাদেশ দল। মকির মাঠের পরিবেশ ও কন্ডিশনের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেছে তারা।
স্কোয়াডের সবাই সম্পূর্ণ ফিট আছেন এবং দলে কোনো ইনজুরি সমস্যা নেই। স্বাগতিকদের বিপক্ষে মাঠে নামার আগে দলের প্রস্তুতি, শক্তির পার্থক্য এবং টুর্নামেন্টের বাস্তবসম্মত সম্ভাবনা নিয়ে বিস্তারিত কথা বলেছেন দলের দক্ষিণ আফ্রিকান প্রধান কোচ জাইলস বোনেট ও অধিনায়ক মাহমুদ হাসান।
বাংলাদেশ অধিনায়ক বলেছেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ, আমাদের প্রথম ম্যাচের প্রিপারেশন ভালো। জাপানের সাথে একটা ম্যাচ খেলার সুযোগ পেয়েছি। সেখানে আমাদের ছেলেরা যারা আছে, তারা সবাই নিজেদেরকে আরেকটু প্রস্তুত করে নিতে পারছে।’
টুর্নামেন্টে সেরা ছয়ে থাকতে পারলে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২০ হকি বিশ্বকাপে খেলবে। বাংলাদেশের জন্য যা মোটেও সহজ হবে না বলে মানছেন কোচ গিলস বোনেট। তারপরও দলের উন্নতিতে সন্তুষ্ট তিনি। চীন থেকে পাঠানো ভিডিও বার্তায় আগামীকালের ম্যাচ নিয়ে বলেছেন, ‘অন্যান্য দলের তুলনায় আমাদের প্রস্তুতি একেবারেই ভিন্ন। তাই ম্যাচটি খুবই কঠিন হতে যাচ্ছে। চীন এসেছে এই টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন হতে, আর আমরা এসেছি কোয়ালিফাই করতে। ভালো ফলাফল পেতে আমাদের নিজেদের দলগত কাঠামোর ওপর পুরোপুরি নির্ভর করতে হবে। চীনের বিপক্ষে যত দীর্ঘ সময় সম্ভব লড়াই বজায় রাখার চেষ্টা করবো আমরা।’
চীনের বিপক্ষে নিজেদের ‘আন্ডারডগ’ মানছেন বাংলাদেশ কোচ। তার ভাষায়, ‘স্বাভাবিক সমীকরণ অনুযায়ী চীনেরই জেতা উচিত। সেটাই স্বাভাবিক। যদি ভাবেন বাংলাদেশ এক লাফেই বড় ফল পেয়ে যাবে, তবে সেটা হবে চরম অবাস্তব ভাবনা। এশিয়ায় আমাদের র্যাঙ্কিং ৭ম। র্যাঙ্কিং পয়েন্টের দিক থেকে আমরা মালয়েশিয়া, পাকিস্তান ও চীনের পেছনে আছি। তাই আমরা এই ম্যাচে ‘আন্ডারডগ’ বা পিছিয়ে থাকা দল হিসেবেই নামছি। আমরা মাঠে লড়াই করতে চাই, তবে আমাদের বাস্তববাদী হতে হবে।’
দুই মামলায় নায়ক রিয়াজ উদ্দিন আহমেদ সিদ্দিকের জামিন আবেদন ফেরত দিয়েছেন হাইকোর্ট।
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) সশরীরে হাজির হয়ে জামিন আবেদনের পর বিচারপতি কে এম জাহিদ সারওয়ার ও বিচারপতি শেখ আবু তাহেরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন।
আদালতে আবেদনের পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মোতাহার হোসেন সাজু। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মঞ্জুরুল আলম সুজন।
পরে আদেশের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মঞ্জুরুল আলম সুজন।
স্বাস্থ্য ডেস্ক: পরিবারে কারো চলাফেরায় সহায়তার প্রয়োজন হলে হুইলচেয়ার একটা অপরিহার্য সরঞ্জাম হয়ে দাঁড়ায়। তবে কেনার আগে ফোল্ডেবল নাকি ফিক্সড, এই সিদ্ধান্তটা ব্যবহারের সুবিধা-অসুবিধায় বড় পার্থক্য তৈরি করে।
ফোল্ডেবল হুইলচেয়ারের সুবিধা
ফোল্ডেবল হুইলচেয়ার সহজে ভাঁজ করে গাড়ির ট্রাংকে বা সংকীর্ণ জায়গায় রাখা যায়, যা নিয়মিত বাইরে যাতায়াত করতে হলে বিশেষভাবে সুবিধাজনক। বাসায় জায়গার সীমাবদ্ধতা থাকলেও ব্যবহার শেষে সহজে গুটিয়ে রাখা যায়।
ফিক্সড হুইলচেয়ারের সুবিধা
ফিক্সড ফ্রেমের হুইলচেয়ার সাধারণত বেশি মজবুত ও স্থিতিশীল হয়, যা দীর্ঘক্ষণ ব্যবহারে বেশি আরামদায়ক। যাদের বাসাতেই বেশিরভাগ সময় হুইলচেয়ার ব্যবহার করতে হয়, বহন করার প্রয়োজন কম, তাদের জন্য ফিক্সড মডেল বেশি টেকসই বিকল্প হতে পারে।
কোন পরিস্থিতিতে কোনটা বেছে নেবেন
নিয়মিত হাসপাতাল, বাজার বা বাইরে যাতায়াতের প্রয়োজন হলে ফোল্ডেবল হুইলচেয়ার সুবিধাজনক। অন্যদিকে দীর্ঘমেয়াদী বাসা-কেন্দ্রিক ব্যবহারের জন্য ফিক্সড মডেল আরামের দিক থেকে এগিয়ে থাকতে পারে।
কেনার আগে আরও যা যাচাই করবেন
শুধু ফোল্ডেবল নাকি ফিক্সড তা নয়, ব্যবহারকারীর ওজন অনুযায়ী চেয়ারের সহনক্ষমতা, সিটের প্রশস্ততা, চাকার মান ও হাতল ধরে ঠেলার সুবিধা আছে কিনা তাও যাচাই করা উচিত। দীর্ঘক্ষণ বসে থাকতে হলে কুশনযুক্ত সিট আরামের দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ।
প্রয়োজন অনুযায়ী নতুন বা ব্যবহৃত হুইলচেয়ার তুলনা করে দেখা যায় BDStall-এর মতো মার্কেটপ্লেসে, যেখানে একাধিক ভেরিফায়েড বিক্রেতার পণ্য পাশাপাশি পাওয়া যায়।
ফোল্ডেবল নাকি ফিক্সড, এই সিদ্ধান্ত নির্ভর করে ব্যবহারকারীর জীবনযাত্রা ও চলাফেরার ধরনের ওপর। সঠিক ধরন বেছে নিলে দৈনন্দিন জীবন অনেকটাই সহজ হয়ে যায়।