বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩

বাজারের ৩৪টি টুথপেস্টের ২৬টিতেই মিলেছে মাইক্রোপ্লাস্টিক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৬, ৪:৩৭ অপরাহ্ণ
বাজারের ৩৪টি টুথপেস্টের ২৬টিতেই মিলেছে মাইক্রোপ্লাস্টিক

দেশের বাজারে বিক্রি হয়, এমন ৩৪টি টুথপেস্টের মধ্যে ২৬টিতেই (৭৬ দশমিক ৫ শতাংশ) মাইক্রোপ্লাস্টিকের উপস্থিতি পাওয়া গেছে বলে দাবি করেছে এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (ইএসডিও)। সংস্থাটির গবেষণায় প্রতি ১০০ গ্রাম টুথপেস্টে ২০ থেকে ৩২০টি পর্যন্ত মাইক্রোপ্লাস্টিক কণা শনাক্ত হয়েছে। এ অবস্থায় জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় টুথপেস্টে মাইক্রোপ্লাস্টিকের জন্য জাতীয় মানদণ্ড প্রণয়ন এবং কঠোর নজরদারির আহ্বান জানিয়েছে সংস্থাটি।

রবিবার (২৬ জুলাই) গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ করে ইএসডিও।

গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশে টুথপেস্টে মাইক্রোপ্লাস্টিক নিয়ে আগে কোনো বৈজ্ঞানিক গবেষণা, নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা বা নিয়মিত নজরদারি ছিল না। এ প্রেক্ষাপটে ২০২৫ সালের জুলাই থেকে ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত দেশব্যাপী গবেষণাটি পরিচালনা করা হয়। এতে ভোক্তা জরিপ, ল্যাবরেটরি পরীক্ষা এবং নিয়ন্ত্রক ও বৈজ্ঞানিক বিশেষজ্ঞদের সাক্ষাৎকার অন্তর্ভুক্ত ছিল।

গবেষণায় দেশের বিভিন্ন এলাকার ২ হাজার ৭৬০ জন ভোক্তার ওপর জরিপ চালানো হয়। পাশাপাশি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের ‘এনভায়রনমেন্টাল হেলথ অ্যান্ড ইকোটক্সিকোলজি (ইএইচই)’ ল্যাবরেটরিতে ১৯টি ব্র্যান্ডের ৩৪টি টুথপেস্টের নমুনা স্টিরিওমাইক্রোস্কোপি ও ফুরিয়ার ট্রান্সফর্ম ইনফ্রারেড স্পেকট্রোস্কোপি (এফটিআইআর) প্রযুক্তি ব্যবহার করে পরীক্ষা করা হয়।

এসডোর দাবি, পরীক্ষা করা ৩৪টি টুথপেস্টের মধ্যে ২৬টিতে মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া গেছে। বাকি আটটি নমুনায় কোনো মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া যায়নি। প্রতি ১০০ গ্রাম টুথপেস্টে ২০ থেকে ৩২০টি পর্যন্ত মাইক্রোপ্লাস্টিক কণা শনাক্ত হয়েছে।

ইএসডিও
ইএসডিওর গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ অনুষ্ঠান

গবেষণায় পরীক্ষা করা টুথপেস্টগুলো বাংলাদেশ, ভারত, থাইল্যান্ড ও ভিয়েতনামে উৎপাদিত। চারটি দেশের উৎপাদিত টুথপেস্টেই মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া গেছে। বাংলাদেশের ২৫টি নমুনার মধ্যে ২২টিতে, ভারতের পাঁচটির মধ্যে একটিতে, থাইল্যান্ডের দুইটির মধ্যে একটিতে এবং ভিয়েতনামের দুইটির দুটিতেই মাইক্রোপ্লাস্টিক শনাক্ত হয়েছে। একটি টুথপেস্টে প্রতি ১০০ গ্রামে সর্বোচ্চ ৩২০টি মাইক্রোপ্লাস্টিক কণা পাওয়া গেছে।

উদ্বেগের বিষয় হিসেবে ইএসডিও জানিয়েছে, শিশুদের জন্য বিক্রি হওয়া ছয়টি টুথপেস্টের মধ্যে চারটিতেই (৬৬ দশমিক ৭ শতাংশ) মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া গেছে। এসব টুথপেস্টে প্রতি ১০০ গ্রামে ২০ থেকে ১৪০টি পর্যন্ত মাইক্রোপ্লাস্টিক কণা শনাক্ত হয়েছে। বাকি দুটি নমুনায় কোনো মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া যায়নি।

গবেষণায় আরও দেখা গেছে, পরীক্ষা করা কোনো টুথপেস্টের মোড়ক বা লেবেলে মাইক্রোপ্লাস্টিক বা কৃত্রিম পলিমার ব্যবহারের তথ্য উল্লেখ ছিল না। ফলে ভোক্তারা যেমন জানতে পারছেন না তারা কী ব্যবহার করছেন, তেমনি নিয়ন্ত্রক সংস্থার জন্যও এসব পণ্য কার্যকরভাবে পর্যবেক্ষণ করা কঠিন হয়ে পড়ছে।

এ ছাড়া জরিপে অংশ নেওয়া প্রায় সবাই নিয়মিত টুথপেস্ট ব্যবহার করলেও ৪১ দশমিক ৯ শতাংশ মানুষ জানতেন না যে টুথপেস্টের মতো মুখের পরিচর্যার পণ্যেও মাইক্রোপ্লাস্টিক থাকতে পারে। মাত্র ২৬ দশমিক ৯ শতাংশ উত্তরদাতা এ বিষয়ে সচেতন বলে জানিয়েছেন।

ইএসডিও জানিয়েছে, এই গবেষণার উদ্দেশ্য কোনো নির্দিষ্ট ব্র্যান্ড বা উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানকে দায়ী করা নয়। বরং বাংলাদেশে টুথপেস্টে মাইক্রোপ্লাস্টিক নিয়ে জাতীয় মানদণ্ড, গ্রহণযোগ্য সীমা, পরীক্ষার নির্দেশিকা বা লেবেলে তথ্য প্রকাশের বাধ্যবাধকতা না থাকায় বর্তমান পরিস্থিতি বৈজ্ঞানিকভাবে তুলে ধরাই ছিল গবেষণার মূল লক্ষ্য।

গবেষণায় আরও বলা হয়েছে, দেশে টুথপেস্টে মাইক্রোপ্লাস্টিক নিয়ন্ত্রণে জাতীয় মানদণ্ডের অভাব, নিয়মিত বাজার তদারকির সীমাবদ্ধতা এবং পরীক্ষাগারের সক্ষমতার ঘাটতি রয়েছে। এসব ঘাটতি দূর করতে বৈজ্ঞানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং বিদ্যমান ভোক্তা সুরক্ষা ও পণ্যের মান নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার সঙ্গে মাইক্রোপ্লাস্টিক বিষয়টি যুক্ত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

ইএসডিও সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থা, নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষ, গবেষণা প্রতিষ্ঠান, প্রস্তুতকারক ও ভোক্তা অধিকার সংগঠনগুলোর প্রতি বিজ্ঞানভিত্তিক জাতীয় মানদণ্ড প্রণয়ন, নিয়মিত বাজার তদারকি, পরীক্ষাগারের সক্ষমতা বৃদ্ধি, পণ্যের লেবেলে উপাদানের স্বচ্ছ তথ্য নিশ্চিত করা এবং এ বিষয়ে আরও গবেষণার আহ্বান জানিয়েছে।

Ads small one

ম্যামনগরে ১৬ বছরের কিশোরীকে ২২ দিন ধরে প্রেমিকের বাড়িতে আটকে রাখার অভিযোগ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:১২ অপরাহ্ণ
ম্যামনগরে ১৬ বছরের কিশোরীকে ২২ দিন ধরে প্রেমিকের বাড়িতে আটকে রাখার অভিযোগ

শ্যামনগর প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার শ্যামনগরে ১৬ বছরের এক কিশোরীকে ২২ দিন ধরে প্রেমিকের বাড়িতে আটকে রাখার অভিযোগ উঠেছে। আবু সাঈদ নামে এক বখাটে প্রেমের ফাঁদে ফেলে বাড়ি থেকে ফুঁসলিয়ে নিয়ে যেয়ে তাকে আটকে দিয়েছে বলে অভিযোগ পরিবারের।

অপ্রাপ্ত বয়স্ক কন্যাকে উদ্ধারে উদ্বীগ্ন পিতা-মাতা শুরুতে থানা-পুলিশের দারস্থ হলেও প্রভাবশালীদের ভয়ে এখন তারা ‘টু’ শব্দ করার সাহস পাচ্ছে না। একমাত্র কিশোরী কন্যার অনিশ্চিত ভবিষ্যতের শংকায় তাই অসহায় পিতা-মাতা বর্তমানে চরম উৎকন্ঠার মধ্যে দিন কাটাচ্ছে বলে জানিয়েছে।

শ্যামনগর উপজেলার খোসালখালী গ্রামের কিশোরীর পিতার ভাষ্য গত ১৯ আগষ্ট বেলা ১১টার দিকে বাড়ি থেকে তার মেয়ে নিখোঁজ হয়। সন্ধান না পেয়ে রাতে শ্যামনগর থানায় ১১৬০ নম্বর সাধারণ ডায়েরী করেন তিনি। পরবর্তীতে পুলিশ ২২ আগষ্ট কিশোরীকে আবু সাঈদের কব্জা থেকে উদ্ধারের পর রাত ন’টার দিকে থানায় নিয়ে তার হাতে উঠিয়ে দেয়। আইনী প্রক্রিয়া শেষে রাতে বাড়ি ফেরার পথে আবু সাঈদ ও তার লোকজন কিশোরীকে পুনরায় তার সামনে থেকে উঠিয়ে নিয়ে যায়।

কিশোরীর পিতার অভিযোগ মেয়ের সন্ধানে আবু সাঈদের বাড়ির সামনে গেলেই তাদেরকে মারতে উদ্যত হচ্ছে। দ্বিতীয়বার থানা পুলিশ করলে মেয়ের লাশ মিলবে না বলেও হুমকি দিচ্ছে আবু সাঈদের লোকজন। তিনি আরও জানান গোটা বাড়ি সিসি ক্যামেরা দিয়ে মুড়িয়ে রেখে সেখানে যাওয়া লোকজনের গতিবিধি নজরদারীতে রাখা হচ্ছে। একমাত্র মেয়েকে খুঁজে বের করার আবেদন জানিয়ে আজ ৯ সেপ্টেম্বর তিনি জেলা পুলিশ সুপারের নিকট লিখিত আবেদন জানিয়েছে।

অভিযোগের বিষয়ে আবু সাঈদ জানান কিশোরীকে তিনি বিয়ে করেছেন। নিজের বাড়িতে রেখে ঘর সংসার করছেন। এসময় সাঈদের নিকট থেকে মোবাইল নিয়ে তার পিতা নুর ইসলাম জানান, তিনি কিশোরীর সাথে তার ছেলেকে কোর্টের মাধ্যমে বিয়ে দিয়েছেন। এসময় অপ্রাপ্ত বয়স্ক কিশোরীকে বিয়ে দেয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে অপর প্রান্ত থেকে এক নারী উত্তেজিত হয়ে উঠে ফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।

শ্যামনগর থানার অফিসার ইনচার্জ সাফিউল ইসলাম জানান, প্রথম দফায় মেয়েটিকে তারা উদ্ধার করে পিতার হাতে উঠিয়ে দিয়েছে। কিন্তু পরে আবার মিসিং নিয়ে কিশোরীর পিতা কিংবা পরিবারের কেউ কোন ধরনের অভিযোগ করেনি। প্রভাবশালীদের ভয়ে অসহায় পরিবারটি থানা পুলিশ পর্যন্ত পৌছাতে পারছে না- বলে জানানো হলে তিনি বলেন বিষয়টি তিনি এখনই খোঁজ নিচ্ছেন।

তালায় এক বিদ্যালয়ের ১৩ ছাত্রীর বাল্যবিবাহ, প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:০১ অপরাহ্ণ
তালায় এক বিদ্যালয়ের ১৩ ছাত্রীর বাল্যবিবাহ, প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞা

নিজস্ব প্রতিনিধি: বিদ্যালয়ে বই-খাতা নিয়ে শ্রেণিকক্ষে থাকার বয়সেই সংসার জীবনে পা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তালার ইসলামকাটি মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের ১৩ ছাত্রীর বিরুদ্ধে। একই প্রতিষ্ঠানের ৯ম ও ১০ম শ্রেণির এসব ছাত্রীর বাল্যবিবাহের খবর প্রশাসনের নজরে আসার পর সংশ্লিষ্ট অভিভাবকদের ডেকে সতর্ক করা হয়েছে। একই সঙ্গে বাল্যবিবাহর উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে ছাত্রীদের বিদ্যালয়ে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টার দিকে তালা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে সংশ্লিষ্ট ছাত্রী ও তাদের অভিভাবকদের উপস্থিত করা হয়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জান্নাতুল আফরোজ স্বর্ণা তাদের সঙ্গে কথা বলেন এবং বাল্যবিবাহের বিষয়ে নিষেধাজ্ঞা জারি করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা নাজমুন নাহার, মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের একাডেমিক সুপারভাইজার প্রভাস কুমার দাস, জেলা বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ কমিটির প্রশাসনিক প্রধান সাকিবুর রহমান, তালা থানার এসআই তৌহিদুজ্জামান, ইসলামকাটি মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবু তালেব, তালা রিপোর্টার্স ক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক জুলফিকার রায়হান, তালা প্রেসক্লাবের প্রচার সম্পাদক জহর হাসান সাগরসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার ব্যক্তিরা।

উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা নাজমুন নাহার জানান, ইসলামকাটি মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের ৯ম ও ১০ম শ্রেণির ১৩ ছাত্রীর বাল্যবিবাহের বিষয়টি প্রশাসনের নজরে আসে। এর মধ্যে ১১ জন ছাত্রী ও তাদের অভিভাবককে নোটিশ দেওয়া হয়েছে। বাকি দুজনের নোটিশ প্রদানের প্রক্রিয়া চলছে।

তিনি জানান, নোটিশের পর নির্ধারিত সময়ে আটজন ছাত্রীসহ ১১ জনের অভিভাবক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে উপস্থিত হন। পরে তাদের সঙ্গে কথা বলে বাল্যবিবাহের বিষয়ে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জান্নাতুল আফরোজ স্বর্ণা বলেন, একই প্রতিষ্ঠানের ১৩ ছাত্রীর বাল্যবিবাহের বিষয়ে তাদের বাবা-মাকে ডেকে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। আপাতত তারা যেন সংসারে ফিরে না গিয়ে বিদ্যালয়ে ফিরে আসে, সে বিষয়ে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীলদের ছাত্রীদের বিষয়ে আরও সজাগ থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

তালায় উপকারভোগীদের সাথে সরকারি দপ্তরসমূহের পরিচিতি সভা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:৫৭ অপরাহ্ণ
তালায় উপকারভোগীদের সাথে সরকারি দপ্তরসমূহের পরিচিতি সভা

তালা প্রতিনিধি: বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) সকালে উত্তরণের তালার জাতপুর ব্রাঞ্চ অফিসে ‘সরকারি সহায়তা ও সেবা প্রাপ্তির লক্ষ্যে ক্যালো উপকারভোগীদের সাথে সরকারি দপ্তরসমূহের পরিচিতিকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

 

সভায় উপস্থিত ছিলেন তালা উপজেলা কৃষি অফিসার হাজিরা খাতুন, ভেটেরিনারি সার্জন ডাঃ তৌহিদ কামাল, সহকারী যুব উন্নয়ন অফিসার আমিরুল ইসলাম, উত্তরণের প্রকল্প অফিসার তানিয়া সুলতানা, ফিল্ড অফিসার মাসুম শেখ ও রিজিয়া খাতুন প্রমুখ। এ সময় সংগঠনের ২০ জন উপকারভোগী সদস্য উপস্থিত ছিলেন।