বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩
বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩

কলারোয়ায় বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারী কল্যাণ সমিতির বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১ আগস্ট, ২০২৬, ৪:৪৩ অপরাহ্ণ
কলারোয়ায় বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারী কল্যাণ সমিতির বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত

সংবাদদাতা: কলারোয়ায় পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও সবুজের সমারোহ বৃদ্ধির লক্ষ্যে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করেছে কলারোয়া উপজেলা বেসরকারি মাধ্যমিক শিক্ষক কর্মচারী কল্যাণ সমবায় সমিতি। শনিবার বেলা সাড়ে ১১টায় কলারোয়া গার্লস পাইলট হাই স্কুল চত্বরে এই কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়।

 

বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির নেতৃত্বে ছিলেন সমিতির সাধারণ সম্পাদক শিক্ষক এস এম আব্দুল করিম। তিনি বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে একটি গাছের চারা রোপণ করে কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক সূচনা করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সমিতির যুগ্ম সম্পাদক শিক্ষক শামসুর রহমান লাল্টু, দপ্তর সম্পাদক ইব্রাহিম হোসেন, কার্যকরী সদস্য শফিকুল ইসলাম, আসাদুজ্জামান, কার্যকারী সদস্য কবিরুল ইসলাম এবং অফিস সহকারী আব্দুল জলিলসহ স্থানীয় ব্যক্তিবর্গ।

 

কর্মসূচি শেষে শিক্ষক এস এম আব্দুল করিম বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবিলায় এবং শিক্ষার্থীদের পরিবেশ সচেতন করতে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পর্যায়ক্রমে উপজেলার অন্যান্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেও এই কর্মসূচি প্রসারিত করা হবে। সংগঠনের নেতৃবৃন্দ পরিবেশ রক্ষায় সবাইকে বেশি করে গাছ লাগানোর আহ্বান জানান।

 

Ads small one

কলারোয়া ও তালায় শতাধিক পূজাম-প পরিদর্শন করলেন জেলা পরিষদ প্রশাসক হাবিব

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:১২ অপরাহ্ণ
কলারোয়া ও তালায় শতাধিক পূজাম-প পরিদর্শন করলেন জেলা পরিষদ প্রশাসক হাবিব

তালা ও কলারোয়া প্রতিনিধি: পূজার শেষ দিনে সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলায় ১৫টি পূজাম-প পরিদর্শন করেছেন জেলা পরিষদের প্রশাসক, সাবেক সংসদ সদস্য ও বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা হাবিবুল ইসলাম হাবিব। ১৭ থেকে ২১ অক্টোবর পর্যন্ত টানা পাঁচ দিনে তাঁর নিজ নির্বাচনী এলাকা তালা ও কলারোয়ায় ২৫২টি মন্দিরের মধ্যে প্রায় ১০০টি পূজাম-প পরিদর্শন করেন তিনি। এ ছাড়া জেলার অন্যান্য অঞ্চলের আরও প্রায় ২০টি পূজাম-প পরিদর্শন করেন।

২১ অক্টোবর সকাল সাড়ে ৯টায় নাঙ্গলঝাড়া ইউনিয়নের খাশপুর পূজাম-প পরিদর্শনের মধ্য দিয়ে দিনের কর্মসূচি শুরু করেন তিনি। পরে চন্দনপুর, কেরালকাতা ও কুশডাঙ্গা ইউনিয়নের বিভিন্ন পূজাম-প পরিদর্শন করেন।

পরিদর্শনকালে তিনি সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা বিনিময় করেন এবং পূজার সার্বিক আয়োজন, পরিবেশ ও নিরাপত্তাব্যবস্থার খোঁজখবর নেন। এ সময় পূজা উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দ ও উপস্থিত ব্যক্তিদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন তিনি।

হাবিবুল ইসলাম হাবিব বলেন, “এ বছর সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম বৃহৎ ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। দুর্গোৎসব নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণভাবে উদযাপনে আমরা সব সময় সার্বক্ষণিক আপনাদের পাশে ছিলাম এবং আগামীতেও থাকব।”

তিনি আরও বলেন, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রেখে শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে দুর্গাপূজা উদযাপন করতে হবে। এ সময় তিনি এলাকার মানুষের কাছে দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন কলারোয়া উপজেলা বিএনপির মুখপাত্র অধ্যক্ষ রইস উদ্দিন, চন্দনপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ফজলুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক আশরাফুজ্জামান মন্টু, ইউনিয়ন যুবদলের সদস্যসচিব শফিকুল ইসলাম শফি, কেরালকাতা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জহুরুল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির প্রচার সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক, চেয়ারম্যান প্রার্থী রাজু হোসেন, কুশডাঙ্গা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান আসাদ, বিএনপি নেতা আব্দুস সাত্তার, স্বেচ্ছাসেবক দলনেতা মুসা কারিম, মামুন কবির, যুবনেতা ইসারুল, বিএনপি নেতা আবদুস সালাম মধু, সাংবাদিক মারুফ হুসাইনসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও বিভিন্ন পূজা উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দ।

এর আগে তালা উপজেলায় তিন দিনে ৭০টি পূজাম-প পরিদর্শন করেন হাবিবুল ইসলাম হাবিব। ১৭, ১৯ ও ২০ অক্টোবর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের এসব পূজাম-প পরিদর্শনকালে তিনি সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন এবং প্রতিটি পূজাম-পের কর্তৃপক্ষকে নিজস্ব উদ্যোগে ৫ হাজার টাকা করে আর্থিক অনুদান প্রদান করেন। ২০ অক্টোবর বিকেল থেকে খলিলনগর ইউনিয়নের বিভিন্ন পূজাম-প পরিদর্শনের মধ্য দিয়ে দিনের কর্মসূচি শুরু করেন তিনি।

 

পরে তালা সদর, তেঁতুলিয়া, কুমিরা ও সরুলিয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন পূজাম-প পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনকালে তিনি পূজার সার্বিক আয়োজন, পরিবেশ ও নিরাপত্তাব্যবস্থার খোঁজখবর নেন এবং স্থানীয়দের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। পরিদর্শন শেষে তিনি প্রতিটি পূজাম-প কর্তৃপক্ষের হাতে তাঁর নিজস্ব তহবিল থেকে ৫ হাজার টাকা করে অনুদান তুলে দেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন তালা উপজেলা বিএনপির সভাপতি মৃণাল কান্তি রায়, সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ শফিকুল ইসলাম, সিনিয়র সহসভাপতি শেখ গোলাম মোস্তফা, জেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যাপক মোশারফ হোসেন, খলিলনগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান প্রণব ঘোষ বাবলু, বিএনপি নেতা আবুল কালাম বিশ্বাস, মাস্টার শাহাদাত হোসেন, শেখ জিল্লুর রহমান, তেঁতুলিয়া বিএনপির সভাপতি আবুল হোসেন, কুমিরা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক রবিউল ইসলাম, তালা প্রেসক্লাবের সভাপতি সেলিম হায়দার, সাধারণ সম্পাদক জোয়ারদার ফারুক হোসেন, বিএনপি নেতা রেজাউল ইসলাম রেজা, যুবদল নেতা আব্দুল করিম, সাংবাদিক আসাদুজ্জামান রাজু, ছাত্রদল নেতা রিপন হোসেনসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও পূজা উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দ।

 

বিসিএসে পুলিশ ক্যাডারে সপ্তম কলারোয়ার কৃতী সন্তান মো. হাবিবুল্লাহ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:১০ অপরাহ্ণ
বিসিএসে পুলিশ ক্যাডারে সপ্তম কলারোয়ার কৃতী সন্তান মো. হাবিবুল্লাহ

সংবাদদাতা: জেলার কলারোয়া উপজেলার জালালাবাদ গ্রামের কৃতী সন্তান মো. হাবিবুল্লাহ ৪৫তম বিসিএস পরীক্ষায় পুলিশ ক্যাডারে সপ্তম স্থান অর্জন করেছেন। গেজেট হওয়ার পর আগামী ১ নভেম্বর ২০২৬ তারিখে বাংলাদেশ পুলিশের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) হিসেবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে যোগদান করার কথা রয়েছে তাঁর।

মো. হাবিবুল্লাহ মো. আব্দুল হামিদ ও মনোয়ারা খাতুনের সর্বকনিষ্ঠ সন্তান। ছোটবেলা থেকেই অধ্যবসায়, কঠোর পরিশ্রম ও শিক্ষার প্রতি গভীর মনোযোগের মাধ্যমে তিনি নিজের ভবিষ্যৎ গড়ে তোলেন। তাঁর এই অসামান্য সাফল্যে পরিবার, স্বজন ও এলাকাবাসীর মধ্যে আনন্দ ও গর্বের পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে।

তিনি কলারোয়া জিকেএমকে পাইলট হাইস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং কলারোয়া সরকারি কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সম্পন্ন করেন। পরবর্তী সময়ে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগ থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন।

৪৫তম বিসিএসে পুলিশ ক্যাডারে সাফল্য অর্জনের আগে মো. হাবিবুল্লাহ বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক ও প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকে সিনিয়র অফিসার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। এ ছাড়া ৪৪তম বিসিএসের মাধ্যমে জাতীয় জনসংখ্যা ও প্রশিক্ষণ গবেষণা ইনস্টিটিউটে প্রভাষক এবং ৪৩তম বিসিএসের মাধ্যমে কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীন কালীগঞ্জ সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজে প্রশিক্ষক হিসেবে নিয়োগ লাভ করেন।

একাধিক সরকারি প্রতিষ্ঠানে কাজের অভিজ্ঞতা অর্জনের পর এবার দেশের গুরুত্বপূর্ণ ও মর্যাদাপূর্ণ পেশা বাংলাদেশ পুলিশের কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালনের নতুন অধ্যায়ে প্রবেশ করতে যাচ্ছেন তিনি।

গ্রামীণ জনপদ থেকে উঠে এসে মেধা, অধ্যবসায় ও নিরলস পরিশ্রমের মাধ্যমে জাতীয় পর্যায়ে এমন সাফল্য অর্জন নিঃসন্দেহে অনুকরণীয়। মো. হাবিবুল্লাহর এই অর্জন সাতক্ষীরা জেলা, বিশেষ করে কলারোয়া উপজেলার তরুণ প্রজন্মের কাছে অনুপ্রেরণার দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। তাঁর সাফল্যে এলাকার শিক্ষার্থীরা উচ্চশিক্ষা ও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নিজেদের যোগ্যতা প্রমাণে আরও উৎসাহিত হবে বলে আশা করছেন স্থানীয়রা।

মো. হাবিবুল্লাহর এই গৌরবময় অর্জনে তাঁকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা। তাঁর কর্মজীবনের সাফল্য, সততা ও নিষ্ঠার মাধ্যমে দেশ ও মানুষের সেবায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবেনÑএমন প্রত্যাশা সবার।

সাংবাদিকদের নিয়ে স্বাস্থ্য কর্মকর্তার ফেসবুক পোস্ট, তালা প্রেসক্লাবের নিন্দা ও প্রতিবাদ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:০৪ অপরাহ্ণ
সাংবাদিকদের নিয়ে স্বাস্থ্য কর্মকর্তার ফেসবুক পোস্ট, তালা প্রেসক্লাবের নিন্দা ও প্রতিবাদ

তালা প্রতিনিধি: সাংবাদিকদের নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া একটি পোস্টের নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে তালা প্রেসক্লাব। তালা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মিজানুর রহমানের ওই পোস্টকে কেন্দ্র করে জেলাজুড়ে বিতর্ক ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

২০ অক্টোবর রাতে নিজের ফেসবুক আইডিতে ডা. মিজানুর রহমান লিখেন, “আমার মনে হয় কেয়ামতের ময়দান থেকে সবচেয়ে বেশি জাহান্নামে যাবে মিডিয়া কর্মী।” তাঁর এ মন্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর সাংবাদিকদের মধ্যে প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। ২১ অক্টোবর সকাল থেকে তালা ও সাতক্ষীরার বিভিন্ন সাংবাদিক এ মন্তব্যের নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।

এক বিবৃতিতে তালা প্রেসক্লাবের সভাপতি সেলিম হায়দার, সিনিয়র সহ-সভাপতি গাজী জাহিদুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক জোয়ার্দ্দার ফারুকসহ ক্লাবের নেতারা এ ঘটনার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান। তাঁরা বলেন, সাংবাদিকেরা বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন এবং জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট অনিয়ম ও দুর্নীতির তথ্য তুলে ধরার মাধ্যমে সমাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। একজন দায়িত্বশীল সরকারি কর্মকর্তা ও চিকিৎসকের কাছ থেকে সাংবাদিকদের নিয়ে এমন মন্তব্য অনাকাক্সিক্ষত।

পরে ২১ অক্টোবর দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে নিজের ফেসবুক আইডিতে আরেকটি পোস্ট দিয়ে আগের বক্তব্যের ব্যাখ্যা দেন ডা. মিজানুর রহমান। সেখানে তিনি লেখেন, “কেয়ামতের ময়দান থেকে সবচেয়ে বেশি জাহান্নামে যাবে কে, একমাত্র আল্লাহই ভালো জানেন। আমার দেওয়া পোস্ট এক্সপ্লেইন করলাম। আমার পোস্টে কোনো মিডিয়াকর্মী কষ্ট পেলে আমি দুঃখিত।”

প্রতিবাদ জানানো নেতারা হলেন-তালা প্রেসক্লাবের সভাপতি সেলিম হায়দার, সিনিয়র সহ-সভাপতি গাজী জাহিদুর রহমান, সহ-সভাপতি কাজী আরিফুল হক ভুলু, আছাদুজ্জামান রাজু ও খলিলুর রহমান লিথু, সাধারণ সম্পাদক জোয়ার্দ্দার ফারুক, যুগ্ম সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান রেন্টু, সহ-সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস হোসেন ও মো. খলিলুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক জাহাঙ্গীর হোসেন, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক তরিকুল ইসলাম, অর্থ সম্পাদক মো. মুতাহিরুল হক শাহিন, দপ্তর সম্পাদক শফিকুল ইসলাম শফি, প্রচার সম্পাদক সেকেন্দার আবু জাফর বাবলু, উপ-প্রচার সম্পাদক আরিফ বিল্লাহ, সাহিত্য সম্পাদক অর্জুন বিশ্বাস, সমাজকল্যাণ সম্পাদক আজমল হোসেন জুয়েল, ক্রীড়া সম্পাদক কাজী লিয়াকত হোসেন এবং তথ্য ও প্রযুক্তি সম্পাদক রিয়াদ হোসেন।

এ ছাড়া নির্বাহী সদস্য প্রণব ঘোষ বাবলু, রোকনুজ্জামান টিপু, কে এম শাহিনুর রহমান, এস এম নাহিদ হাছান, শিরিনা সুলতানা, জয়দেব চক্রবর্তী, আজিজুর রহমান ও মো. ইমরান হোসেন এবং সদস্য নূর ইসলাম, তপন চক্রবর্তী, সব্যসাচী মজুমদার বাপ্পী, সরদার মশিয়ার রহমান, আব্দুল্লাহ আল ফারুক (সাগর), মুকুল হোসেন, তাপস সরকার, এস. কে. রায়হান, সুমন রায় গণেশ, মীর ইমরান মাহমুদ হিল্লোল, তাজমুল ইসলাম, সৈয়দ মারুফ হোসেন, সন্তোষ ঘোষ, শেখ বিল্লাল হোসেন, মো. কামাল হোসেন, আব্দুল্লাহ আল-মামুন (সৈকত), রফিকুল ইসলাম নয়ন, শামীম হোসেন, মোস্তাফিজুল রহমান মোখলেস, খায়রুল আলম, সেলিম হোসেন, শাহিনুর ইসলাম ও হারুন অর রশিদ।