বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩

কেশবপুরে কৃত্রিম সংকট দেখিয়ে চড়া মূল্যে সার বিক্রির অভিযোগ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ৬:৪৯ অপরাহ্ণ
কেশবপুরে কৃত্রিম সংকট দেখিয়ে চড়া মূল্যে সার বিক্রির অভিযোগ

কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি: যশোরের কেশবপুরে কৃষি অফিসের কর্মকর্তাদের ম্যানেজ করে বিসিআইসি ডিলাররা সিন্ডিকেট করে রাসায়নিক সারের কৃত্রিম সংকট দেখিয়ে চলতি পাট মওসুমে কৃষকদের জন্য বরাদ্দকৃত সার চড়া মূল্যে বিক্রি করছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাব ডিলারদের অভিযোগ, এসব সার বিসিআইসি ডিলারদের কাছ থেকে তাদের চড়া মূল্যে কিনতে হচ্ছে বলেই তারা কৃষকদের কাছে চড়া মূল্যেই বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন।

 

ডিলারদের অতি মুনাফা লাভের আশায় এ উপজেলায় সম্প্রতি টিএসপি, ডিএপি ও ইউরিয়া সারের সংকট দেখা দিয়েছে। ফলে পাট ও সবজি চাষীরা পড়েছেন বিপাকে। যে কারণে চলতি মওসুমে কেশবপুরে পাট চাষে সরকারি লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত না হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

উপজেলা কৃষি অধিদপ্তর সুত্রে জানা গেছে, কেশবপুরে বিসিআইসি অনুমোদিত ডিলার রয়েছেন ১৩ জন। এসব ডিলারের অধীনে উপজেলার ১১টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভায় ১০৮ জন খুচরা বিক্রেতা (সাব ডিলার) রয়েছেন। এছাড়া এ উপজেলাই বিএডিসি ডিলার রয়েছে ২৯ জন। চলতি মওসুমে কেশবপুরে পাট চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয় ৬ হাজার ৬০০ হেক্টর জমিতে।

 

এছাড়া সবজি চাষ হয়েছে ৬ শত ৮০ হেক্টর জমিতে। পাট ও অন্যান্য সকল প্রকার মওসুমি ফসলের অনুকুলে চলতি জুন মাসের মোট ইউরিয়া সারের বরাদ্দ দেয়া হয়েছে ২ শত ১৮ মেট্রিক টন, ডিএপি বরাদ্দ দেয়া হয়েছে ১ শত ৯২ মেট্রিক টন, এমওপি বরাদ্দ দেয়া হয়েছে ১ শত ১০ মেট্রিক টন, টিএসপি বরাদ্দ দেয়া হয়েছে ৭২ মেট্রিক টন। গত মে মাসে ১ শত ৩৮ মেট্রিক টন ইউরিয়া, ১ শত ৩০ মেট্রিক টন ডিএপি, ১ শত ১৫ মেট্রিক টন এমওপি ও ৫৫ মেট্রিক টন টিএসপি সারের বরাদ্দ দেয়া হয়।

 

অথচ কৃষি অফিসের কর্মকর্তাদের ম্যানেজ করে অধিকাংশ বিসিআইসি ডিলার ও সাব ডিলাররা অধিক মুনাফা লাভের আশায় কৃত্রিম সংকট দেখিয়ে কৃষকদের কাছে বেশী দামে সার বিক্রি করছেন। এর ফলে ভরা মওসুমে কৃষকরা বাধ্য হয়ে এ সার চড়া মূল্যে কিনে জমিতে প্রয়োগ করছেন।

সরেজমিনে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে দেখা গেছে, প্রতিটা দোকানে সারের সরকার নির্ধারিত মূল্য লেখা থাকলেও প্রতি কেজি ইউরিয়া ৩০ থেকে ৩৫ টাকা, ডিএপি ৩২ থেকে ৩৮ টাকা, টিএসপি ৩৫ থেকে ৪২ টাকা, এমওপি ২২ থেকে ২৬ টাকা দরে বিক্রি করছেন খুচরা সার বিক্রেতারা। তাদের অভিযোগ, কেশবপুর উপজেলার প্রত্যেক বিসিআইসি ডিলারের রয়েছে গোপন গুদাম ঘর।

 

রাতের আধারেই সেখান থেকেই চড়া মূল্যে এ সার চলে যাচ্ছে মৎস্য ব্যবসায়ীর ঘেরে। যার কারণে বিসিআইসি ডিলাররা বরাদ্দকৃত সার সাব ডিলারদের কাছে বিক্রি করতে অনিহা প্রকাশ করছেন। এভাবে বিসিআইসি ডিলাররা সারের সংকট তৈরী করে তাদের কাছে সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশী মূল্যে বিক্রি করছেন। বিধায় কৃষকদের চড়া মূল্যে সার কিনতে হচ্ছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিদ্যানন্দকাটি ইউনিয়নের এক খুচরা বিক্রেতা জানান, চলতি মাসে তার দোকানে ইউরিয়া সারের চাহিদা ১৫০ বস্তা থাকলেও পেয়েছেন মাত্র ২০ বস্তা, ডিএপি সারের চাহিদা ১৫০ বস্তা থাকলেও পেয়েছেন মাত্র ৫ বস্তা, টিএসপি সারের চাহিদা ১০০ বস্তা থাকলেও পেয়েছেন মাত্র ৫ বস্তা, এমওপি সারের চাহিদা ১০ বস্তা থাকলেও পেয়েছেন মাত্র ৩ বস্তা।

বিদ্যানন্দকাটি গ্রামের কৃষক মোকাররাম হোসেন বলেন, চলতি বছর তিনি ৬ বিঘা জমিতে পাট চাষ করেছেন। এ জমিতে সার প্রয়োগ করতে তিনি বাধ্য হয়ে কেশবপুর শহরের এক দোকান থেকে ১৫ শত টাকায় ১বস্তা ইউরিয়া ও ১৫ শত টাকায় ১বস্তা ডিএপি কিনেছেন। দোকানে স্যারের সরকার নির্ধারিত মূল্য লেখা থাকলেও সে দামে তিনি সার কিনতে পরেনি। তার অভিযোগ, কৃষি অফিসের কর্মকর্তাদের সহযোগীতায় অধিকাংশ সার ব্যবসায়ী অধিক মুনাফা লাভের আশায় কৃত্রিম সংকট দেখিয়ে কৃষকদের কাছে বেশী দামে সার বিক্রি করছেন।

উপজেলা কৃষি অফিসার আব্দুল্ল্যাহ আল মামুন সিন্ডিকেটের কথা অস্বীকার করে বলেন, সারের কোন সংকট নেই। কৃষকরা মাত্রা অতিরিক্ত সার প্রয়োগ করায় একটু সমস্যা হচ্ছে। তিনি আরো বলেন, কোন ব্যবসায়ী বেশী দামে সার বিক্রি করলে তার রশিদ থাকলে ওই ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Ads small one

মোবাইলে অব্যবহৃত ডাটার মেয়াদ ও বিমানের টিকিটের দাম নিয়ে সংসদে ক্ষোভ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ৮:২৪ অপরাহ্ণ
মোবাইলে অব্যবহৃত ডাটার মেয়াদ ও বিমানের টিকিটের দাম নিয়ে সংসদে ক্ষোভ

মোবাইল ইন্টারনেটের মেয়াদ শেষ হলে অব্যবহৃত ডাটা কেটে নেওয়া এবং সপ্তাহের শেষ দিকে বিমানের টিকিটের দাম অস্বাভাবিক বৃদ্ধির প্রতিবাদ জানিয়েছেন সংসদ সদস্য জয়নুল আবদিন ফারুক। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় ও প্রথম বাজেট অধিবেশনের ১৫তম দিন বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে তিনি এসব কথা বলেন। এ পর্যায়ে সংসদের বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।

পয়েন্ট অব অর্ডারে জয়নুল আবদিন ফারুক বলেন, ‘গতকাল ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রীর দেওয়া তথ্যে আমরা জেনেছি, চারটি টেলিফোন কোম্পানির কাছে সরকারের ১৩ হাজার ৪০০ কোটি টাকা পাওনা রয়েছে। একটি উন্নয়নশীল দেশে এটি বিশাল অঙ্কের রাজস্ব। গ্রামীণফোন, বাংলালিংক, রবি ও সরকারি প্রতিষ্ঠান টেলিটকের কাছে এই টাকা পাওনা।’

জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট আরও একটি বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করে তিনি বলেন, ‘আমরা সাধারণ মানুষ এক মাসের জন্য হয়তো ১০০০ টাকার ইন্টারনেট কিনলাম। কিন্তু মাস শেষে দেখা গেল ৪০০ বা ৫০০ টাকার ইন্টারনেট অব্যবহৃত রয়ে গেছে। নিয়ম অনুযায়ী মেয়াদ শেষ হলে সেই টাকা বা ডাটা অটোমেটিক্যালি কোম্পানিগুলোর পকেটে চলে যায়। এটা জনগণের সঙ্গে এক ধরনের অন্যায়। এই টাকা কেন তারা নিয়ে যাবে?’

বিমানের টিকিটের দাম নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে ফারুক বলেন, ‘বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার যারা যাতায়াত করেন, তাদের পকেট কাটা হচ্ছে। অন্য দিন যে টিকিটের দাম ২৮০০ বা ৩০০০ টাকা, বৃহস্পতিবার সেটি হয়ে যায় ১০ হাজার টাকা। এই বিষয়গুলো দেখা দরকার।’

জয়নুল আবদিন ফারুকের এই বক্তব্যের সঙ্গে একমত পোষণ করেন বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্য মুজিবুর রহমান। তিনি বলেন, ‘বিমানের টিকিটের ওপর যে জুলুম চলছে, সে বিষয়ে আমি আগেও নোটিশ দিয়েছিলাম। কিন্তু কোনও সমাধান হয়নি। এটি আলোচনার যোগ্য একটি বিষয়। মানুষের ওপর এই জুলুম বন্ধ হওয়া উচিত।’

মুজিবুর রহমান আরও বলেন, ‘শুধু টেলিফোন কোম্পানি নয়, সাবেক অনেক সংসদ সদস্যের কাছেও টেলিফোন বিল ও বাড়ি ভাড়া বাবদ অনেক টাকা পাওনা রয়েছে। এই জাতীয় সম্পদগুলো উদ্ধারে সংসদকে কার্যকর ভূমিকা নিতে হবে। কেউ মারা যাওয়ার আগে যেন এই ঋণের বোঝা নিয়ে না যান, সে ব্যবস্থা করা উচিত।’

সংসদ সদস্যদের বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, ‘আপনারা জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট যে বিষয়গুলো তুললেন, সেগুলোর জন্য যথাযথ বিধি মেনে নোটিশ দিন। নোটিশ দিলে আমরা অবশ্যই সংসদে এগুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনার সুযোগ দেবো।’

 

কালিগঞ্জে আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক মাসিক সভা অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ৭:৪১ অপরাহ্ণ
কালিগঞ্জে আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক মাসিক সভা অনুষ্ঠিত

বিশেষ প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার কালিগঞ্জে আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক মাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সকাল ১০ টায় উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সম্মেলন কক্ষে এ সভার আয়োজন করা হয়।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মিলন সাহার সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য রাখেন থানার নবাগত অফিসার ইনচার্জ মো. শহিদুল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক শেখ এবাদুল ইসলাম, সাবেক সদস্যসচিব শেখ শফিকুল ইসলাম বাবু, উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি সহকারী অধ্যাপক আব্দুর রউফ, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. ওয়াসিম উদ্দীন, প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. শংকর কুমার দে, সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা তৌকির আহম্মেদ, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা অর্ণা চক্রবর্তী, সমাজসেবা কর্মকর্তা শাকিল আহম্মেদ, নলতা ইউপি চেয়ারম্যান আজিজুর রহমান, বিষ্ণুপুর ইউপি চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম, ধলবাড়িয়া ইউপি চেয়ারম্যান গাজী শওকাত হোসেন, মৌতলা ইউপি চেয়ারম্যান ফেরদাউস মোড়ল, কৃষ্ণনগর ইউপি চেয়ারম্যান সাফিয়া পারভীন, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রউফ, রোকেয়া মনসুর মহিলা কলেজের সহকারী অধ্যাপক নিয়াজ কওছার তুহিন, সরকারি কালিগঞ্জ পাইলট মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ও উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্যসচিব এটিএম শরিফুল আজাদ, হাজী তফিল উদ্দীন মহিলা মাদ্রাসার সুপার শেখ শফিউল্লা, সাংবাদিক সুকুমার দাশ বাচ্চু, শেখ সাইফুল বারী প্রমুখ।

 

এ সময় উপজেলা বিভিন্ন অধিদপ্তরের কর্মকর্তা, বিজিবি প্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও জনপ্রতিনিধিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

সভায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ, সীমান্তে চোরাচালান প্রতিরোধে কঠোর নজরদারি, অনলাইন জুয়া নিয়ন্ত্রণ, বাস টার্মিনাল এলাকায় জানযট নিরসনে ব্যবস্থা গ্রহণ, শিক্ষার্থীদের অপরাধমূলক কর্মকান্ড প্রতিরোধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতা বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।

 

কালিগঞ্জে তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন বাস্তবায়ন টাস্কফোর্স কমিটির সভা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ৭:৩৮ অপরাহ্ণ
কালিগঞ্জে তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন বাস্তবায়ন টাস্কফোর্স কমিটির সভা

বিশেষ প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার কালিগঞ্জে উপজেলা তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন বাস্তবায়ন টাস্কফোর্স কমিটির সভা উপজেলা প নির্বাহী অফিসারের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) বেলা সাড়ে ১১ টায় উপজেলা প্রশাসন এ সভার আয়োজন করে। সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মিলন সাহা।

এ সময় থানার নবাগত অফিসার ইনচার্জ মো. শহিদুল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক শেখ এবাদুল ইসলাম, সাবেক সদস্যসচিব শেখ শফিকুল ইসলাম বাবু, উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি সহকারী অধ্যাপক আব্দুর রউফ, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. ওয়াসিম উদ্দীন, প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. শংকর কুমার দে, সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা তৌকির আহম্মেদ, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা অর্ণা চক্রবর্তী, সমাজসেবা কর্মকর্তা শাকিল আহম্মেদ, নলতা ইউপি চেয়ারম্যান আজিজুর রহমান, বিষ্ণুপুর ইউপি চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম, ধলবাড়িয়া ইউপি চেয়ারম্যান গাজী শওকাত হোসেন, মৌতলা ইউপি চেয়ারম্যান ফেরদাউস মোড়ল, কৃষ্ণনগর ইউপি চেয়ারম্যান সাফিয়া পারভীন, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রউফ, রোকেয়া মনসুর মহিলা কলেজের সহকারী অধ্যাপক নিয়াজ কওছার তুহিন, স্যানিটারি ইন্সপেক্টর ও নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক আব্দুস সোবহান, সরকারি কালিগঞ্জ পাইলট মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ও উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্যসচিব এটিএম শরিফুল আজাদ, হাজী তফিল উদ্দীন মহিলা মাদ্রাসার সুপার শেখ শফিউল্লা প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

 

সভায় জনাকীর্ণ স্থানে ধুমপান বন্ধ, ধুমপানের ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ব্যাপক প্রচারণা চালানো, সিগারেটসহ তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালনা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সন্নিকটে তামাকজাত পণ্য বিক্রি ও বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে আকর্ষণ সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।