বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬, ১৭ আষাঢ় ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬, ১৭ আষাঢ় ১৪৩৩

কেশবপুরে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই, ২০২৬, ১০:০৮ অপরাহ্ণ
কেশবপুরে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন

কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি: যশোরের কেশবপুরে শিশুদের পুষ্টি ও স্বাস্থ্য সুরক্ষায় জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন-২০২৬ এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ব্যবস্থাপনায় শনিবার সকালে এই কার্যক্রমের সূচনা হয়।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স চত্বরে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাইয়ে ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রেকসোনা খাতুন।

কেশবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রেহনেওয়াজের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ডা. সমরেশ কুমার দত্ত ও ডা. তরিকুল ইসলামসহ স্বাস্থ্য বিভাগের মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তা ও কর্মীরা।

উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ জানায়, ক্যাম্পেইনের আওতায় উপজেলার ৬ মাস থেকে ৫ বছর বয়সী সব শিশুকে এই পুষ্টি ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। শিশুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে এবং অন্ধত্ব দূরীকরণে এই ক্যাম্পেইন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

Ads small one

সাতক্ষীরায় নজরুল বর্ষ ২০২৬-২৭ উদ্বোধন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩ জুলাই, ২০২৬, ১২:৩৮ পূর্বাহ্ণ
সাতক্ষীরায় নজরুল বর্ষ ২০২৬-২৭ উদ্বোধন

নিজস্ব প্রতিনিধি: প্রধানমন্ত্রীর আনুষ্ঠানিক ঘোষণার সাথে সাথে সাতক্ষীরাতে ও যথাযোগ্য মর্যাদা ও উৎসবমুখর পরিবেশে সাতক্ষীরায় নজরুল বর্ষ ২০২৬-২৭-এর উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক কাউসার আজিজ, জেলা পরিষদের প্রশাসক হাবিবুল ইসলাম হাবিব, জেলা জামায়াতের আমীর উপাধ্যক্ষ শহিদুল ইসলাম মুকুল, প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের প্রতিনিধিবৃন্দ, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, শিক্ষাবিদ এবং গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের জীবন, সাহিত্য ও অসাম্প্রদায়িক চেতনা তুলে ধরে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। পাশাপাশি নজরুলের সাহিত্য, সংগীত ও আদর্শ নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
জেলা প্রশাসন জানায়, নজরুল বর্ষ উপলক্ষে জেলার বিভিন্ন স্থানে বছরব্যাপী সাহিত্য, সাংস্কৃতিক ও শিক্ষামূলক নানা কর্মসূচি পালন করা।

সাতক্ষীরা ডে-নাইট কলেজ কেন্দ্রে চরম গাফিলতি: ভুল প্রশ্নে পরীক্ষা দিয়ে শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ হুমকির মুখে

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩ জুলাই, ২০২৬, ১২:১৫ পূর্বাহ্ণ
সাতক্ষীরা ডে-নাইট কলেজ কেন্দ্রে চরম গাফিলতি: ভুল প্রশ্নে পরীক্ষা দিয়ে শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ হুমকির মুখে

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা ডে-নাইট কলেজ পরীক্ষা কেন্দ্রে (কেন্দ্র কোড: সাতক্ষীরা- ২৬২) এক নজিরবিহীন ও চরম দায়িত্বজ্ঞানহীনতার ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার ২ জুলাই থেকে শুরু হওয়া এইচএসসি পরীক্ষার প্রথম দিনেই ২০২৬ সালের নিয়মিত এক পরীক্ষার্থীকে ২০২৫ সালের সিলেবাস অনুযায়ী প্রণীত প্রশ্নপত্রে বাংলা প্রথম পত্র (বিষয় কোড: ১০১) পরীক্ষা নেওয়ার গুরুতর অভিযোগ পাওয়া গেছে।
প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়, যশোর বোর্ডের অধীনে সাতক্ষীরা সিটি কলেজের নিয়মিত বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র মো: এজাজ আহমেদ (রোল নং: ৫২০০৮০, রেজিস্ট্রেশন নং: ২১১৩৩১৫২৬৬, সেশন: ২০২৪-২০২৫) সাতক্ষীরা ডে-নাইট কলেজ কেন্দ্রে পরীক্ষা দিতে বসেন। পরীক্ষার্থীর প্রবেশপত্র পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, তিনি একজন সম্পূর্ণ নিয়মিত পরীক্ষার্থী। অথচ পরীক্ষার হলে তাকে ২০২৬ সালের নিয়মিত সিলেবাসের পরিবর্তে [২০২৫ সালের সিলেবাস অনুযায়ী] মুদ্রিত ‘ঘ’ সেটের প্রশ্নপত্র সরবরাহ করা হয়।
এদিকে শিক্ষা বোর্ডের জরুরি নির্দেশনাবলী সম্বলিত অফিসিয়াল বিজ্ঞপ্তিতে পরিষ্কারভাবে উল্লেখ ছিল যে নিয়মিত (সেশন: ২০২৪-২০২০) পরীক্ষার্থীরা ২০২৬ সালের অনুমোদিত পূর্ণাঙ্গ সিলেবাস অনুযায়ী প্রণীত প্রশ্নপত্রে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করবে। অনিয়মিত/মানোন্নয়ন (সেশন: ২০২৩-২০২৪ ও পূর্বের) পরীক্ষার্থীরাই কেবল ২০২৫ সালের সিলেবাস অনুযায়ী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করবে।
কিন্তু কেন্দ্র কর্তৃপক্ষের চরম গাফিলতির কারণে নিয়মিত পরীক্ষার্থীর হাতে অনিয়মিতদের জন্য নির্ধারিত প্রশ্নপত্র তুলে দেওয়া হয়।
অভিভাবক আবুল কালাম বলেন, বোর্ডের এত কড়া নির্দেশনার পরও কেন্দ্র সচিব আর হল পরিদর্শকরা কীভাবে এত বড় ভুল করলেন, তা আমাদের মাথায় আসছে না। আমার ছেলের পুরো বছরের কষ্ট, পড়াশোনা আর ভবিষ্যৎ এখন এই চরম দায়িত্বজ্ঞানহীনতার কারণে হুমকির মুখে পড়েছে। আমরা এখন তীব্র উদ্বেগের মধ্যে আছি। আমরা যশোর শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানের কাছে জোরালো দাবি জানাচ্ছি, এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে আমার ছেলের খাতা যেন বিশেষ বিবেচনায় সঠিকভাবে মূল্যায়ন করা হয়।
এই বিষয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের একজন শিক্ষক বলেন, শিক্ষার্থীর পরীক্ষা হয়তো পুরোটা বাতিল হবে না, তবে ফলাফল প্রকাশের ক্ষেত্রে মারাত্মক জটিলতা তৈরি হবে। যেহেতু সে নিয়মিত শিক্ষার্থী, তাই নিয়মানুযায়ী বোর্ডের কম্পিউটারে তার উত্তরপত্র ২০২৬ সালের নিয়মিত সিলেবাসের সেট কোড অনুযায়ী মূল্যায়ন করা হবে। কিন্তু তার পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে ২০২৫ সালের সিলেবাসের প্রশ্নে। দুই সিলেবাসের মধ্যে বেশ কিছু অধ্যায়ের পার্থক্য রয়েছে, যার কারণে ২০২৬ সালের উত্তরপত্রের সমাধানের সাথে তার দেওয়া উত্তর মিলবে না। ফলে ফলাফল বিপর্যয় ঘটার আশঙ্কা শতভাগ।
তিনি আরও বলেন, এখানে সরাসরি কেন্দ্র সংশ্লিষ্টদের গাফিলতি রয়েছে। তবে এই মুহূর্তে পরীক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ রক্ষায় দ্রুত বোর্ডে যোগাযোগ করতে হবে। সাতক্ষীরা সিটি কলেজের অধ্যক্ষ এবং সাতক্ষীরা ডে-নাইট কলেজের কেন্দ্র সচিবের মাধ্যমে দ্রুত যশোর শিক্ষা বোর্ডে লিখিতভাবে বিষয়টি জানাতে হবে। পরীক্ষার্থীর রোল, রেজিস্ট্রেশন নম্বর এবং খাতার নম্বর উল্লেখ করে কলেজের অফিসিয়াল প্যাডে বোর্ড কর্তৃপক্ষকে অবহিত করতে হবে যে, অনিচ্ছাকৃত ভুলের কারণে এই শিক্ষার্থী ২০২৫ সালের সিলেবাসের প্রশ্নে পরীক্ষা দিয়েছে। বোর্ডকে আগে থেকে লিখিতভাবে না জানালে রেজাল্ট প্রকাশের সময় এটি আর সংশোধন করা সম্ভব হবে না।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে সাতক্ষীরা ডে-নাইট কলেজের অধ্যক্ষ একেএম সফিকুজ্জামান বলেন, পরীক্ষার হলে ভুল প্রশ্নপত্র বিতরণের বিষয়টি আমাকে আগে জানানো হয়নি। এ ধরনের ক্ষেত্রে যদি কোনো কক্ষ পরিদর্শক ভুলক্রমে ভুল সিলেবাসের প্রশ্ন দিয়েও থাকেন, তবে পরীক্ষার্থীর নিজেরই তো সবার আগে বোঝার কথা। কারণ, পরীক্ষার শুরুতে কক্ষ পরিদর্শকদের পক্ষ থেকে স্পষ্ট করে জানতে চাওয়া হয় যে, কারা কোন সিলেবাসের পরীক্ষার্থী এবং সেই অনুযায়ীই প্রশ্নপত্র বিতরণ করা হয়। একই বেঞ্চে দুই সিলেবাসের শিক্ষার্থী পাশাপাশি বসে পরীক্ষা দেওয়ার সময় কোনো শিক্ষার্থী ভুল প্রশ্ন পেলে তাৎক্ষণিকভাবেই তার পরিদর্শককে জানানো উচিত ছিল যে সে এই সিলেবাসের শিক্ষার্থী নয়।
পরীক্ষা শেষে এখন কেন্দ্র কর্তৃপক্ষের আর কিছু করার নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন, পরীক্ষার্থীর প্রশ্নপত্র পাওয়ার পর ২-১০ মিনিটের মধ্যেই ভুলটি বুঝে ওঠার কথা ছিল। এখন পরীক্ষা শেষ হয়ে যাওয়ার পর আমাদের আসলে কিছু করার নেই। এটি পরীক্ষার্থীর অসচেতনতা ও ত্রুটি হিসেবেই গণ্য হবে। পরীক্ষা হয়ে যাওয়ার পর কেন্দ্র কর্তৃপক্ষের পক্ষে এখন এই ভুল সংশোধন বা পরিবর্তনের কোনো সুযোগ নেই। তবে আগামী দিনের পরীক্ষাগুলোতে যাতে এ ধরনের ভুল আর না ঘটে, সে ব্যাপারে আমরা কক্ষ পরিদর্শক ও শিক্ষকদের আরও বেশি সতর্ক থাকার নির্দেশ দেব।

 

 

 

কলারোয়ায় বিদ্যালয়ের জমি উদ্ধার ও রেকর্ড সংশোধনের দাবি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩ জুলাই, ২০২৬, ১২:০৭ পূর্বাহ্ণ
কলারোয়ায় বিদ্যালয়ের জমি উদ্ধার ও রেকর্ড সংশোধনের দাবি

সংবাদদাতা: কলারোয়া উপজেলার পিছলাপোল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নামে নিবন্ধিত ৯ শতক জমি বিদ্যালয়ের অনুকূলে রেকর্ড ও দখল বুঝিয়ে দেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অ্যাডহক কমিটির সভাপতি বরাবর লিখিত আবেদন করেছেন বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক।

আবেদনপত্র সূত্রে জানা গেছে, বিদ্যালয়টির মোট জমির পরিমাণ ৭৩ শতক। এর মধ্যে ৫৮ শতক জমি ২ নম্বর খতিয়ানে এবং ১৫ শতক জমি ২/১ নম্বর খতিয়ানের অন্তর্ভুক্ত। ১৯৭৩ সালে দুটি পৃথক নিবন্ধিত দলিলের মাধ্যমে ১৫ শতক জমি ক্রয় করা হয়, যা বর্তমানে প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগের অনুকূলে নিবন্ধিত রয়েছে।

অভিযোগে বলা হয়েছে, পরবর্তী সময়ে আরএস রেকর্ড প্রকাশের সময় ২/১ নম্বর খতিয়ানের ৯৬৫ নম্বর দাগের ১৫ শতক জমির মধ্যে ৯ শতক জমি ভুলবশত ‘পিছলাপোল ঈদগাহ ময়দান’-এর নামে রেকর্ড করা হয়। অথচ দলিল অনুযায়ী এই জমির প্রকৃত মালিক বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। এই রেকর্ড সংশোধন বিধিসম্মতভাবে করার দাবি জানানো হয়েছে।

ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক গোলাম মোস্তফা আবেদনপত্রে উল্লেখ করেন, বিদ্যালয় চত্বরের প্রায় মাঝখানে ঈদগাহ ময়দান থাকায় কোমলমতি শিক্ষার্থীদের চলাচল ও খেলাধুলায় নানা সমস্যা হচ্ছে। বিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার স্বার্থে এই জমি পুনরুদ্ধার করা প্রয়োজন।

উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. রফিকুল ইসলাম আবেদনপত্রটি পর্যালোচনা করে জমি উদ্ধারের পক্ষে সুপারিশ করেছেন।