বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬, ১৭ আষাঢ় ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬, ১৭ আষাঢ় ১৪৩৩

খালিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অভিভাবক সদস্য নির্বাচন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন, ২০২৬, ১১:৪১ অপরাহ্ণ
খালিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অভিভাবক সদস্য নির্বাচন

 

আশাশুনি প্রতিনিধি: আশাশুনি উপজেলার খাজরা ইউনিয়নের ৫৭ নং খালিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ম্যানেজিং কমিটির অভিভাবক সদস্য নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে। বুধবার (১৭ জুন) সকালে বিদ্যালয় মিলনায়তনে শিক্ষক, অভিভাবক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে এক আলোচনা সভায় সর্বসম্মতিক্রমে এ সদস্য নির্বাচন করা হয়।
নবগঠিত কমিটিতে বিদ্যোৎসাহী সদস্য (পুরুষ) হিসেবে সাংবাদিক নুরুল ইসলাম এবং বিদ্যোৎসাহী সদস্য (মহিলা) হিসেবে মোছা. সুরাইয়া খাতুন নির্বাচিত হয়েছেন। অভিভাবক সদস্য হয়েছেন মো. হাবিবুর রহমান, মো. রবিউল ইসলাম, মোছা. মনজিলা খাতুন ও রিনা পারভীন। এছাড়া পদাধিকারবলে প্রধান শিক্ষক মেহেদী হাসান সদস্য সচিব এবং সহকারী শিক্ষক মো. আয়ুব আলী শিক্ষক প্রতিনিধি হিসেবে কমিটিতে রয়েছেন। তবে দাতা সদস্য পদে দুজন দাবিদার থাকায় পদটি আপাতত অমীমাংসিত রয়েছে। পরবর্তীতে নির্বাচিত কমিটির সদস্যরা মিলে নতুন সভাপতি নির্বাচন করবেন।

Ads small one

কালিগঞ্জে ঘের ব্যবসায়ি সঞ্জীব সরকার হত্যার ঘটনায় থানায় মামলা, গ্রেপ্তার-১

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই, ২০২৬, ৪:১৫ অপরাহ্ণ
কালিগঞ্জে ঘের ব্যবসায়ি সঞ্জীব সরকার হত্যার ঘটনায় থানায় মামলা, গ্রেপ্তার-১

পত্রদূত রিপোর্ট: সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার ঠেকরা রহিমপুর গ্রামের ঘের মালিক সঞ্জীব সরকার হত্যার ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। নিহতের বাবা গোপাল সরকার বাদি হয়ে তিনজনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরো ১০ জনের বিরুদ্ধে বুধবার রাতে এ মামলা দায়ের করেন। পুলিশ ঘঁনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে নেপাল সরকার নামের একজনকে বুধবার রাতে গ্রেপ্তার করেছে।

গ্রেপ্তারকৃত নেপাল সরকার কালিগঞ্জ উপজেলার ঠেকরা রহিমপুর গ্রামের মৃত অনন্ত সরকারের ছেলে।
মামলার এজাহারভুক্ত আসামীরা হলেন, ঠেকরা রহিমপুর গ্রামের গঙ্গাধর সরকারের ছেলে আনন্দ সরকার, একই গ্রামের নেপাল সরকারের ছেলে তাপস সরকার ওরফে ডালিম ও আনন্দ সরকারের ছেলে শাওন সরকার।

সরেজমিনে বৃহষ্পতিবার সকালে ঠেকরা রহিমপুর গ্রামে গেলে মাষ্টার বিজয় সরকার জানান, তাদের শরীক গোপাল সরকার ঠেকরা বিলে ২২ বিঘা মাছের ঘের করেন। তার ছেলে সঞ্জীব সরকার আট বিঘা ঘের করেন। গোপাল সরকারের ছোট ভাই পঞ্চানন সরকার ১৫ বছর আগে মারা যাওয়ার পর তার স্ত্রী মাধবী সরকারের কাছ থেকে তাপস সরকার ওরফে ডালিম ১২ বিঘা ও সঞ্জীব সরকার তিন বিঘা জমি লীজ নিয়ে তৃতীয় বছরের জন্য মাছ চাষ করতো।

 

৪৫ হাজার টাকার মধ্যে ৩০ হাজার টাকা লীজ বাবদ তার কাকিমা মাধবীকে পরিশোধ করেছে সঞ্জীব। গত ৩১ মে রাতে সঞ্জীব সরকার তাপসের ঘের থেকে মাছ চুরি করেছে মর্মে অভিযোগ ওঠে। এক সপ্তাহ পর এনিয়ে গ্রামের পশুপতি সরকারের বাড়িতে শালিসি বৈঠক হলেও সঞ্জীবের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণ করা যায়নি। এনিয়ে তাপস সরকার, আনন্দ সরকার ও শাওন সরকারের সাথে সঞ্জীবের বিরোধ চলে আসছিলো। সঞ্জীবের বিরুদ্ধে মাদকাসক্তির অভিযোগ ছিল বলে জানান ওই শিক্ষক।

গোপাল চন্দ্র সরকার জানান, তাপসের ঘেরে চুরির অভিযোগের সত্যতা না মেলায় সঞ্জীবের উপর ক্ষোভ ছিল আনন্দ, তাপস ও শাওনের। সঞ্জীব নেশা করতো এমন কথা জানতে পেরে তিনি গত পহেলা জুন থেকে ২৯ জুন পর্যন্ত বাড়ির বাইরে যেতে দেনননি। নিজের ও ছেলের ঘের তিনি নিজেই দেখাশুনা করতেন। ৩০ জুন সঞ্জীবকে নিয়ে তিনি আবারো ঘেরে যান। খবর পেয়ে তাপসের নেতৃত্বে আনন্দ ও শাওন দা ও লাঠি নিয়ে ধাওয়া করলে সঞ্জীব দৌড়ে বাড়ির ছাঁদে উঠে জীবন বাঁচায়। বিষয়টি তিনি স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের জানান।

গোপাল সরকার আরো জানান, মঙ্গলবার বিকেলে সঞ্জীব ও তিনি নিজেদের ঘেরে ১৪টি আটল পাতেন। সঞ্জীবকে সেখানে রেখে বিলান জমির ঘেরে আটল পাততে যান তিনি। সেখান থেকে বাড়িতে এসে সঞ্জীবকে না পেয়ে রাত ৯টার দিকে তাকে খুঁজতে যান তিনি। তাকে না পেলেও ঘেরের বাসায় সঞ্জীবের পরিহিত জামা কাপড় দেখতে পান তিনি। এরপর তাকে মঙ্গলবার দিবাগত রাত একটা পর্যন্ত বিভিন্ন স্থানে খোঁজ করেন তিনি। সঞ্জীবকে খুঁজে না পাওয়ার বিষয়টি অবহিত করা হয় তার শ^শুর আশাশুনি উপজেলার হাড়িভাঙা গ্রামের হরিচাঁদ সরকারকে। বুধবার সকালে নিজের মাছের ঘেরের সরু খালের পানিতে সঞ্জীবের জুতা ভাসতে দেখেন। পরে খালের মধ্যে থাকা ঘাসের মধ্যে ছেলের লাশ দেখতে পান।

 

সঞ্জীবের বাম চোখসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে ভারী জিনিস দিয়ে আঘাতের চিহ্ন ছিল। পাশর্^বতী ঘেরের পাহারাদারসহ বিভিন্ন লোকজনের সাথে কথা বলে তিনি নিশ্চিত হয়েছেন যে, তাপস, আনন্দ ও শাওনসহ তাদের ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসীরা পরিকল্পিতভাবে মঙ্গলবার রাতে সঞ্জীবকে নির্যাতন করে হত্যার পর ক্যানেলের ঘাসের নীচে লাশ গুমের চেষ্টা করেছে।

সঞ্জীবের মা মায়া রানী ম-ল তার ছেলে ও স্ত্রী প্রিয়া ম-ল স্বামী সঞ্জীব হত্যার জন্য আনন্দ সরকার, তাপস সরকার ও শাওনকে দায়ী করেন। তারা জানান, মঙ্গলবার রাতে তাপেেসর ঘেরের বাসায় বেঁধে রেখে সঞ্জীবকে নির্যাতন করে মেরে ফেলা হয়েছে। সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের মর্গে ময়নাতদন্ত শেষে সঞ্জীবের লাশ বুধবার রাতে স্থানীয় শ্মশানে সৎকার করা হয়েছে।
এ ব্যাপারে আনন্দ সরকার ও তাপস সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

কালিগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ শহীদুল ইসলাম জানান, সঞ্জীব সরকার হত্যার ঘটনায় তার বাবা গোপাল সরকারি বাদি হয়ে আনন্দ সরকার, তাপস সরকার ও আনন্দ সরকারের ছেলে শাওনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা ৮/১০জনকে আসামী করে বুধবার রাতে থানায় একটি হত্যা ও লাশ গুমের চেষ্টার মামলা দায়ের করেছেন। রাতেই ঘঁনার সঙ্গে জড়িত থাকার পর অনন্ত সরকারের ছেলে নেপাল সরকারকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

 

গ্রেপ্তারকৃত নেপাল সরকারকে বৃহষ্পতিবার দুপুরে আদালতের মধ্যেমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালতে ৫ দিনের রিমা- আবেদন জানানো হবে। পলাতক আসামীদের গ্রেপ্তারের জন্য মামলার তদন্তকারি কর্মকর্তা উপপরিদর্শক আব্দুর রহিমকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

রোগীবান্ধব হাসপাতাল গড়তে সেবার মানোন্নয়নে গুরুত্বারোপ করলেন সদর এমপি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই, ২০২৬, ৪:০৯ অপরাহ্ণ
রোগীবান্ধব হাসপাতাল গড়তে সেবার মানোন্নয়নে গুরুত্বারোপ করলেন সদর এমপি

পত্রদূত ডেস্ক: সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালকে আধুনিক, পরিচ্ছন্ন ও রোগীবান্ধব প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরের লক্ষ্যে হাসপাতাল পরিচালনা কমিটির সভাপতি হিসেবে প্রথম সভায় সভাপতিত্ব করেছেন সাতক্ষীরা-২ আসনের সংসদ সদস্য মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) বেলা ১১টায় হাসপাতালের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত এ সভায় চিকিৎসাসেবার মানোন্নয়ন, অবকাঠামোগত উন্নয়ন, জনবল সংকট নিরসন, ওষুধ সরবরাহ, পরিচ্ছন্নতা এবং রোগীদের সার্বিক সেবার মান বাড়ানোর বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

সভার শুরুতেই হাসপাতালের বর্তমান কার্যক্রম, বিভিন্ন বিভাগে চিকিৎসাসেবার অবস্থা, রোগীর চাপ, জনবল সংকট, অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা এবং চলমান উন্নয়ন কার্যক্রম সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা পরিচালনা কমিটিকে অবহিত করেন। এরপর উপস্থিত সদস্যরা হাসপাতালের সেবার মান উন্নয়নে বিভিন্ন সুপারিশ তুলে ধরেন।

সভাপতির বক্তব্যে সংসদ সদস্য মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক বলেন, “সাতক্ষীরা সদর হাসপাতাল জেলার লাখো মানুষের চিকিৎসার প্রধান ভরসাস্থল। এখানে আগত প্রতিটি রোগী যেন সম্মানজনক ও মানসম্মত চিকিৎসাসেবা পান, তা নিশ্চিত করতে হবে। চিকিৎসক, নার্স ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দায়িত্বশীলতা, আন্তরিকতা এবং জবাবদিহিতা আরও বাড়াতে হবে।

 

হাসপাতালের যেসব সমস্যা দীর্ঘদিন ধরে রয়েছে, সেগুলো পর্যায়ক্রমে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে। সরকার জনগণের দোরগোড়ায় উন্নত স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে কাজ করছে, সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নে সবাইকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।”

তিনি আরও বলেন, “হাসপাতালের পরিচ্ছন্ন পরিবেশ, পর্যাপ্ত ওষুধ সরবরাহ, শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং রোগীদের সঙ্গে মানবিক আচরণ নিশ্চিত করতে কোনো ধরনের অবহেলা বরদাশত করা হবে না। রোগীদের অভিযোগ গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে দ্রুত সমাধানের ব্যবস্থা নিতে হবে।”

সভায় হাসপাতালের সিভিল সার্জন ডা. আব্দুস সালাম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক রিপন বিশ্বাস, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার শহিদুল ইসলাম, পৌরসভার প্রশাসনিক কর্মকর্তা, হাসপাতালের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, চিকিৎসক, বিভিন্ন বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এবং পরিচালনা কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

সভা শেষে সংসদ সদস্য ও পরিচালনা কমিটির সভাপতি মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ড পরিদর্শন করেন। তিনি চিকিৎসাধীন রোগীদের শয্যাপাশে গিয়ে তাদের শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন এবং চিকিৎসাসেবা নিয়ে তাদের মতামত শোনেন। এ সময় রোগীদের অভিযোগ ও পরামর্শ মনোযোগ দিয়ে শুনে তাৎক্ষণিকভাবে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন।

পরিদর্শনকালে হাসপাতালের ওয়ার্ডগুলোর পরিচ্ছন্নতা, চিকিৎসা সরঞ্জামের ব্যবহার, রোগীদের জন্য ওষুধের প্রাপ্যতা এবং সার্বিক সেবার পরিবেশও পর্যবেক্ষণ করেন তিনি। হাসপাতালকে আরও কার্যকর, স্বচ্ছ ও জনবান্ধব প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে পরিচালনা কমিটি নিয়মিত তদারকি ও প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে বলেও সভায় আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।

 

কৃষ্ণনগরের ইয়ার আলী, বাহার আলী ও রেজাউলের বিরুদ্ধে মানববন্ধন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই, ২০২৬, ৪:০৫ অপরাহ্ণ
কৃষ্ণনগরের ইয়ার আলী, বাহার আলী ও রেজাউলের বিরুদ্ধে মানববন্ধন

সংবাদদাতা: সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার কৃষ্ণনগর ইউনিয়নে বিভিন্ন অভিযোগে দায়ের হওয়া বিচারাধীন মামলাগুলোর দ্রুত নিষ্পত্তি, আসামিদের জামিন বাতিল এবং আদালতের রায়ের ভিত্তিতে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিতের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন সর্বস্তরের জনগণ এর ব্যানারে একদল মানুষ।

বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) দুপুরে সাতক্ষীরা জেলা ও দায়রা জজ আদালত চত্বরে এ মানববন্ধনের আয়োজন করা হয় । এতে কৃষ্ণনগর ইউনিয়নের বেশ কয়েকজন নারী-পুরুষ অংশ নেন।

মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, কৃষ্ণনগর ইউনিয়নের ইয়ার আলী, বাহার আলী ও রেজাউলের বিরুদ্ধে হত্যা, ডাকাতি, চাঁদাবাজি, জমি দখল ও মাদকসহ বিভিন্ন অভিযোগে একাধিক মামলা বিভিন্ন আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। তাদের দাবি, ইয়ার আলীর বিরুদ্ধে ৩৫টি, বাহার আলীর বিরুদ্ধে ৩১টি এবং রেজাউলের বিরুদ্ধে ৪১টি মামলা রয়েছে।

বক্তারা আরও অভিযোগ করেন, রাজগুল, আনিসুর ও পলাশ ওই চক্রের সহযোগী। তাদের মধ্যে রাজগুল ও পলাশ এখনো গ্রেপ্তার হয়নি। এ ছাড়া বিভিন্ন গ্রামে ওই চক্রের আরও সদস্য সক্রিয় রয়েছে বলেও দাবি করেন তারা।

মানববন্ধনে অংশ নেওয়া ব্যক্তিরা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে মামলাগুলোর বিচারকাজ চললেও এখনো নিষ্পত্তি না হওয়ায় ভুক্তভোগীরা ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। দ্রুত বিচার সম্পন্ন করে প্রকৃত অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তারা।

মানববন্ধন থেকে বিচারাধীন মামলাগুলোর দ্রুত নিষ্পত্তি, পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তার এবং আদালতের রায়ের ভিত্তিতে দোষীদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানানো হয়।