মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩

খোলা কলাম/ শিক্ষার দুই ধারার সেতুবন্ধন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১১ জুন, ২০২৬, ১০:০৮ অপরাহ্ণ
খোলা কলাম/ শিক্ষার দুই ধারার সেতুবন্ধন

মোহাম্মদ মুজাহিদ

শিক্ষা একটি জাতির মেরুদন্ড। ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্রের উন্নয়নের মূল ভিত্তি হলো সুশিক্ষা। তবে শিক্ষা কেবল তথ্য ও জ্ঞান অর্জনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; এর মাধ্যমে একজন মানুষের নৈতিকতা, মূল্যবোধ, মানবিকতা এবং কর্মদক্ষতার বিকাশ ঘটে। বর্তমান বিশ্বায়নের যুগে ধর্মীয় ও আধুনিক শিক্ষার মধ্যে বিভাজন সৃষ্টি না করে বরং এই দুই ধারার সমন্বয় ঘটানো সময়ের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রয়োজন হয়ে দাঁড়িয়েছে।

 

বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরেই ধর্মীয় শিক্ষা ও সাধারণ শিক্ষাকে দুটি পৃথক ধারায় পরিচালনা করা হচ্ছে। একদিকে মাদ্রাসাভিত্তিক ধর্মীয় শিক্ষা, অন্যদিকে স্কুল-কলেজভিত্তিক আধুনিক শিক্ষা। ফলে অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায়, ধর্মীয় শিক্ষায় শিক্ষিত একজন ব্যক্তি আধুনিক জ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পর্কে পিছিয়ে থাকেন, আবার আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত অনেকেই ধর্মীয় মূল্যবোধ ও নৈতিক শিক্ষার পর্যাপ্ত চর্চা থেকে বঞ্চিত হন। এই ব্যবধান দূর করার জন্য দুই ধারার শিক্ষার মধ্যে কার্যকর সমন্বয় অত্যন্ত জরুরি। ধর্মীয় শিক্ষা মানুষের নৈতিক চরিত্র গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

 

ইসলামসহ সব ধর্মই মানুষকে সত্যবাদিতা, সততা, ন্যায়পরায়ণতা, সহনশীলতা ও মানবকল্যাণের শিক্ষা দেয়। একটি সমাজে শান্তি, কৃঙ্খলা ও সামাজিক সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠার জন্য এসব মূল্যবোধ অপরিহার্য। ধর্মীয় শিক্ষার মাধ্যমে একজন মানুষ আত্মশুদ্ধি ও নৈতিক উন্নয়নের পথ খুঁজে পায়, যা তাকে অন্যায়, দুর্নীতি ও অপরাধ থেকে দূরে রাখতে সহায়তা করে।অন্যদিকে আধুনিক শিক্ষা একজন মানুষকে বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, চিকিৎসা, প্রকৌশল, অর্থনীতি ও বৈশ্বিক জ্ঞানের সঙ্গে পরিচিত করে। আধুনিক বিশ্বের প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে এবং দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে অবদান রাখতে আধুনিক শিক্ষার বিকল্প নেই।

 

বর্তমান যুগ তথ্যপ্রযুক্তির যুগ। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ডিজিটাল প্রযুক্তি, গবেষণা ও উদ্ভাবনের এই সময়ে আধুনিক জ্ঞান ছাড়া ব্যক্তি ও জাতির অগ্রগতি কল্পনা করা যায় না। তাই একটি আদর্শ শিক্ষা ব্যবস্থা হতে পারে এমন, যেখানে ধর্মীয় মূল্যবোধের সঙ্গে আধুনিক জ্ঞান ও প্রযুক্তির সমন্বয় ঘটবে। একজন শিক্ষার্থী যেমন কোরআন, হাদিস, নৈতিক শিক্ষা ও ধর্মীয় মূল্যবোধ সম্পর্কে জানবে, তেমনি বিজ্ঞান, গণিত, ইংরেজি, তথ্যপ্রযুক্তি ও সমসাময়িক বিশ্ব সম্পর্কেও সমান দক্ষতা অর্জন করবে।

 

এতে সে একদিকে হবে নৈতিক ও আদর্শবান মানুষ, অন্যদিকে আধুনিক বিশ্বের চাহিদা পূরণে সক্ষম দক্ষ নাগরিক। বর্তমানে দেশের আলিয়া মাদ্রাসাগুলোতে ধর্মীয় ও আধুনিক শিক্ষার সমন্বয়ের একটি প্রচেষ্টা দেখা যায়। তবে এ ব্যবস্থাকে আরও যুগোপযোগী ও কার্যকর করতে হবে। পাশাপাশি হিফজ, কওমি ও অন্যান্য ধর্মীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেও পর্যায়ক্রমে আধুনিক শিক্ষার বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া উচিত। একইভাবে সাধারণ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতেও নৈতিক ও ধর্মীয় শিক্ষার মান উন্নয়ন করা প্রয়োজন।

 

অভিভাবকদের মধ্যেও এ বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি জরুরি। অনেক সময় দেখা যায়, সন্তানকে হয় শুধুমাত্র ধর্মীয় শিক্ষা অথবা শুধুমাত্র আধুনিক শিক্ষার দিকে পরিচালিত করা হয়। কিন্তু বর্তমান বাস্তবতায় একজন শিশুর জন্য উভয় ধরনের শিক্ষার সমন্বয়ই অধিক উপকারী। কারণ সমাজ ও রাষ্ট্রের নেতৃত্ব দিতে হলে যেমন ধর্মীয় মূল্যবোধের প্রয়োজন, তেমনি আধুনিক জ্ঞান ও দক্ষতারও প্রয়োজন রয়েছে। বিশ্বের বিভিন্ন উন্নত দেশেও নৈতিক শিক্ষা ও আধুনিক শিক্ষার সমন্বয়ের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। কারণ প্রযুক্তিগত উন্নয়ন তখনই মানবকল্যাণে কাজে আসে, যখন তা নৈতিকতা ও মানবিক মূল্যবোধ দ্বারা পরিচালিত হয়।

 

অন্যথায় জ্ঞান ও প্রযুক্তি সমাজের জন্য হুমকির কারণও হয়ে উঠতে পারে। বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে দক্ষ, সৎ, মানবিক ও দেশপ্রেমিক নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে ধর্মীয় ও আধুনিক শিক্ষার সমন্বয়ের কোনো বিকল্প নেই। এই সমন্বয় একজন শিক্ষার্থীকে যেমন আত্মিকভাবে সমৃদ্ধ করবে, তেমনি তাকে কর্মজীবনে সফল হওয়ার জন্যও প্রস্তুত করবে। একটি আদর্শ, উন্নত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনের লক্ষ্যে আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থাকে এমনভাবে সাজাতে হবে, যেখানে ধর্মীয় মূল্যবোধ ও আধুনিক জ্ঞানের মধ্যে সুন্দর ভারসাম্য বজায় থাকবে।

 

পরিশেষে বলা যায়, ধর্মীয় শিক্ষা মানুষকে ভালো মানুষ হতে শেখায়, আর আধুনিক শিক্ষা তাকে দক্ষ মানুষ হতে সাহায্য করে। একজন মানুষ তখনই পরিপূর্ণ হয়ে ওঠে, যখন সে ভালো মানুষ এবং দক্ষ মানুষ উভয় গুণে সমৃদ্ধ হয়। তাই ধর্মীয় ও আধুনিক শিক্ষার সমন্বয় শুধু একটি শিক্ষানীতি নয়, বরং একটি উন্নত জাতি গঠনের অপরিহার্য ভিত্তি।

 

Ads small one

কয়রায় সাংবাদিককে হত্যার হুমকি, সাংবাদিকদের নিন্দা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬, ১২:০৯ পূর্বাহ্ণ
কয়রায় সাংবাদিককে হত্যার হুমকি, সাংবাদিকদের নিন্দা

কপিলমুনি (খুলনা) প্রতিনিধি: সংবাদ প্রকাশের জেরে দৈনিক পত্রদূতের কয়রা প্রতিনিধি জি এম রিয়াজুল আকবরকে প্রকাশ্যে হত্যার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। মো. হাফিজুর রহমান মন্টু ও মো. লতিফুর রহমান লাল্টু নামের দুই ব্যক্তি এই হুমকি দেন বলে জানা গেছে।
সাংবাদিককে দেওয়া এই হুমকির তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন কপিলমুনি সিটি প্রেস ক্লাবের সাংবাদিকেরা। তাঁরা অবিলম্বে হুমকিদাতাদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।
এক যৌথ বিবৃতিতে কপিলমুনি সিটি প্রেস ক্লাবের সভাপতি এম আজাদ হোসেন, কার্যকরী সহ-সভাপতি মো. রফিকুল ইসলাম খান, সহ-সভাপতি জি এম এমদাদ, সাধারণ সম্পাদক পলাশ কর্মকার, সহ-সাধারণ সম্পাদক এস কে আলীম, কোষাধ্যক্ষ জগদীশ দে, সাংগঠনিক সম্পাদক পলাশ মজুমদারসহ অন্য সদস্যরা এ ঘটনার প্রতিবাদ জানান। পৃথক বিবৃতিতে অন্যান্য স্থানীয় সাংবাদিক সংগঠনের নেতারাও দোষীদের দ্রুত শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

জাতীয় যুবনীতি হালনাগাদে খুলনায় তরুণদের মতামত গ্রহণ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬, ১২:০৮ পূর্বাহ্ণ
জাতীয় যুবনীতি হালনাগাদে খুলনায় তরুণদের মতামত গ্রহণ

সংবাদদাতা: জাতীয় যুবনীতি ২০১৭ হালনাগাদ করে সময়োপযোগী, আধুনিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক নতুন নীতি প্রণয়নের লক্ষ্যে তরুণদের সরাসরি মতামত নেওয়া হচ্ছে। এই উদ্দেশ্যে খুলনায় অনুষ্ঠিত বিভাগীয় পরামর্শ কর্মশালায় সরকারি কর্মকর্তা, উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা এবং উপকূলীয় এলাকার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার যুব প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) খুলনার নূরনগরে বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয় সংলগ্ন কৃষি বিপণন ভবনে দিনব্যাপী এই বিভাগীয় কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।
নতুন নীতি প্রণয়ন কার্যক্রমে নেতৃত্ব দিচ্ছেন সাবেক সচিব ড. আবুল হোসেন। এতে আরও অংশ নেন যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উপপরিচালক মরিয়ম আক্তার, খুলনার উপপরিচালক মো. মোস্তাক উদ্দীন, জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিলের (ইউএনএফপিএ) টেকনিক্যাল অফিসার হাবিবুর রহমান এবং ভিএসও বাংলাদেশের প্রকল্প সমন্বয়কারী অনুপ গুন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. আবুল হোসেন বলেন, দেশ গড়ার মূল কারিগর তরুণ সমাজ। দেশের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ জনগোষ্ঠীই যুবসমাজ। পরিবর্তনশীল বৈশ্বিক প্রেক্ষাপট ও জলবায়ু সংকটের মতো বাস্তব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় তরুণদের চাহিদাকেই নতুন জাতীয় যুবনীতির মূল ভিত্তি হিসেবে গ্রহণ করা হচ্ছে।
কর্মশালায় বক্তারা পরিবেশবান্ধব দক্ষতা উন্নয়ন, কর্মসংস্থান, শিক্ষা, নতুন উদ্যোক্তা তৈরি, মানসিক স্বাস্থ্য, ডিজিটাল সক্ষমতা, সামাজিক সুরক্ষা এবং উপকূলীয় জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত মোকাবিলার বিষয়গুলোকে নতুন নীতিতে প্রাধান্য দেওয়ার তাগিদ দেন।
কর্মশালায় উপস্থিত তরুণরা দলীয় আলোচনা ও মুক্ত মতবিনিময়ের মাধ্যমে তাঁদের নানা প্রস্তাবনা নীতি-নির্ধারকদের সামনে তুলে ধরেন। খুলনা বিভাগের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলার দপ্তরপ্রধান এবং বেসরকারি খাতের প্রতিনিধিরাও এতে উপস্থিত ছিলেন। যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উপপরিচালক মরিয়ম আক্তার জানান, দেশের আটটি বিভাগ থেকে প্রাপ্ত সুপারিশগুলো জাতীয় পর্যায়ে সমন্বয় করে একটি আধুনিক ও টেকসই জাতীয় যুবনীতি প্রণয়ন করা হবে।

চেয়ারম্যানের তদারকিতে শৈলকুর বিলের পানি নিষ্কাশনের কাজ শুরু

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬, ১২:০৪ পূর্বাহ্ণ
চেয়ারম্যানের তদারকিতে শৈলকুর বিলের পানি নিষ্কাশনের কাজ শুরু

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা সদর উপজেলার লাবসা ইউনিয়নের মাগুরা-তালতলা ও কৈখালীসহ আশপাশের এলাকার দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা নিরসনে শৈলকুর বিলের পানি অপসারণের কাজ শুরু হয়েছে। সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অর্ণব দত্তের দিকনির্দেশনা ও লাবসা ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল আলিমের তদারকিতে বিভিন্ন মৎস্যঘেরের মালিকেরা পানি চলাচলের পথ উন্মুক্ত করছেন।
এর আগে জলাবদ্ধতার কারণে প্রায় ১০ হাজার বাসিন্দার দুর্ভোগ দেখে ইউপি চেয়ারম্যান গত ২৬ জুলাই বিকেলে মাগুরা পূর্বপাড়া জামে মসজিদের সামনে মৎস্যঘেরের মালিক ও স্থানীয় বাসিন্দাদের নিয়ে আলোচনা সভা করেন। সেখান থেকে পানি নিষ্কাশনের স্বার্থে ঘেরমালিকদের তিন দিনের সময় বেঁধে দেওয়া হয়। পরদিন ২৭ জুলাই বিকেল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত পুরো এলাকায় মাইকিং করে ঘেরমালিকদের পুনরায় সতর্ক করা হয়।
মঙ্গলবার সকালে সরেজমিনে দেখা যায়, শৈলকুর বিলের পানি বের করতে বিভিন্ন মৎস্যঘেরের মালিকেরা শ্রমিক নিয়োগ করে পাইপ বসানো ও নেট-পাটা সরিয়ে পানি চলাচলের পথ তৈরি করছেন। তবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা পর্যন্ত বেশ কয়েকটি ঘেরে এ ধরনের কোনো কার্যক্রম চোখে পড়েনি।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, শৈলকুর বিলের ঘেরগুলোর বেড়িবাঁধ উন্মুক্ত করে দিলে কাটিয়া কাস্টমস গোডাউন মোড়সংলগ্ন স্টাফ কোয়ার্টার, মিলবাজার আবহাওয়া অফিস, মিলগেট, মাগুরা কর্মকারপাড়া, দাসপাড়া, কৈখালী মাদ্রাসা মোড় ও তালতলাসহ বিস্তীর্ণ এলাকার জমে থাকা বৃষ্টির পানি নিষ্কাশন হবে। এই বিলের কাটাখাল দিয়ে পানি সরাসরি বেতনা নদীতে গিয়ে পড়বে।
কামরুজ্জামান নামের এক মৎস্যঘের ব্যবসায়ী জানান, জলাবদ্ধতা দূর করতে দ্রুত বাঁধ কেটে ও পাইপ বসিয়ে পানি বের করে দেওয়ার জোর তাগিদ দেওয়া হয়েছে। সে অনুযায়ী বেশ কিছু ঘেরের আইল কেটে পথ তৈরি করা হয়েছে। প্রয়োজনীয় সংস্কারকাজ শেষ হলে দ্রুত এলাকার পানি নেমে যাবে।
এ বিষয়ে লাবসা ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল আলিম স্পষ্ট জানান, পানি আটকে রেখে ঘের পরিচালনা করলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। পানি নিষ্কাশনের পথ উন্মুক্ত হলে হাজার হাজার মানুষ ও গবাদিপশু জলজট থেকে রক্ষা পাবে।