শুক্রবার, ৮ মে ২০২৬, ২৫ বৈশাখ ১৪৩৩
শুক্রবার, ৮ মে ২০২৬, ২৫ বৈশাখ ১৪৩৩

তালা শিক্ষক সমিতির নির্বাচন ১৬ মে: মূল তিন পদে দ্বিমুখী লড়াই

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৮ মে, ২০২৬, ১২:১৫ পূর্বাহ্ণ
তালা শিক্ষক সমিতির নির্বাচন ১৬ মে: মূল তিন পদে দ্বিমুখী লড়াই

তালা প্রতিনিধি: তালা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির ত্রিবার্ষিক নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সরগরম হয়ে উঠেছে স্থানীয় শিক্ষাঙ্গন। আগামী ১৬ মে অনুষ্ঠিতব্য এই নির্বাচনে সংগঠনের শীর্ষ তিন পদÑসভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও কোষাধ্যক্ষ পদে হতে যাচ্ছে দ্বিমুখী লড়াই। প্রার্থীদের প্রচার-প্রচারণা আর ভোটারদের সমীকরণে পুরো উপজেলায় এখন নির্বাচনী আমেজ।

নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, এবারের নির্বাচনে উপজেলার বিভিন্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রায় ৮০০ শিক্ষক ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। আগামী ১৬ মে তালা মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভোট গ্রহণ চলবে।

এবারের নির্বাচনে সবচেয়ে বেশি আলোচনা হচ্ছে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদ নিয়ে। সভাপতি পদে লড়ছেন সুভাষিনী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শেখ রেজাউল ইসলাম এবং কপোতাক্ষ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জগদীশ কুমার হালদার। দুজনই অভিজ্ঞ এবং শিক্ষক সমাজে পরিচিত মুখ।

সাধারণ সম্পাদক পদে একই প্রতিষ্ঠানের (কুমিরা বহুমুখী মাধ্যমিক বিদ্যালয়) দুই সহকর্মী মুখোমুখি হয়েছেন। বিদায়ী সাধারণ সম্পাদক সজীবুদ্দৌলার সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন মো. জাহাঙ্গীর হোসেন।

কোষাধ্যক্ষ পদে অজয় কুমার দাশ (খলিশখালী মাগুরা কে এম এস সি কলেজিয়েট স্কুল) ও ফিরোজ কবির (ফলেয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়) এই পদের জন্য লড়ছেন।

নির্বাচনের দিন ঘনিয়ে আসায় প্রার্থীরা এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন স্কুল পরিদর্শনে। শিক্ষকদের মর্যাদা রক্ষা ও অধিকার আদায়ের নানা প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন তারা।

সভাপতি প্রার্থী শেখ রেজাউল ইসলাম বলেন, “শিক্ষকদের ন্যায্য অধিকার ও পেশাগত মান উন্নয়নই আমার মূল লক্ষ্য।” অন্যদিকে জগদীশ কুমার হালদারের অঙ্গীকার, সংগঠনকে আরও গতিশীল ও শক্তিশালী করা। সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী সজীবুদ্দৌলা তার অসমাপ্ত কাজ শেষ করার সুযোগ চান, আর জাহাঙ্গীর হোসেন চান তরুণ ও অভিজ্ঞদের সমন্বয়ে একটি জবাবদিহিমূলক নেতৃত্ব গড়ে তুলতে।

উপজেলার বিভিন্ন স্কুল ঘুরে দেখা গেছে, শিক্ষকদের বসার ঘরে এখন আলোচনার মূল বিষয় এই নির্বাচন। সাধারণ শিক্ষকরা বলছেন, যারা বিপদে-আপদে শিক্ষকদের পাশে থাকবেন এবং পেশাগত মর্যাদা রক্ষায় আপসহীন ভূমিকা পালন করবেন, তাদেরই তারা নির্বাচিত করবেন। এখন দেখার বিষয়, ১৬ মে তালা উপজেলার ৮০০ শিক্ষক প্রতিনিধি তাদের নেতৃত্বের চাবিকাঠি কার হাতে তুলে দেন।

 

 

 

 

 

 

 

Ads small one

কয়রায় গুম মামলার আসামীর সংবাদ সম্মেলন, দাবী মামলা মিথ্যা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৮ মে, ২০২৬, ৩:৪১ অপরাহ্ণ
কয়রায় গুম মামলার আসামীর সংবাদ সম্মেলন, দাবী মামলা মিথ্যা

কয়রা (খুলনা) প্রতিনিধি: খুলনার কয়রা উপজেলার মহেশ্বরীপুর ইউনিয়নের আল আমিন সরদারকে গুমের অভিযোগ এনে মামলা করেছেন তার স্ত্রী রাবেয়া খাতুন। এই মামলায় পাল্টাপাল্টি অভিযোগ উঠেছে। মামলার আসামিরা এটিকে মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলা দাবি করলেও বাদীর দাবী তার স্বামীকে পরিকল্পিতভাবে গুম করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে কয়রা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেন গুম মামলার আসামি বিল্লাল সরদার। লিখিত বক্তব্যে তিনি দাবি করেন, আল আমিন দীর্ঘদিন সুন্দরবনকেন্দ্রীক দস্যুতার সঙ্গে জড়িত ছিলেন। আত্মসমর্পণের পর আবারও তিনি দস্যুতায় ফিরে যান।

বিল্লাল সরদার জানান, গত ১৬ এপ্রিল সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আল আমিনের স্ত্রী রাবেয়া খাতুন একটি গুমের মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় বিল্লাল সরদার, তার ভাইসহ সাতজনকে আসামি করা হয়।
তার ভাষ্য, বর্তমানে আল আমিন কোথায় আছেন, সে বিষয়ে তারা কিছুই জানেন না। পরিকল্পিতভাবে তাদের বিরুদ্ধে গুমের অভিযোগ এনে মিথ্যা মামলা করা হয়েছে। এতে তারা সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন ও হয়রানির শিকার হচ্ছেন।

তিনি মামলায় মনগড়া তথ্য উপস্থাপনের অভিযোগ তুলে নিরপেক্ষ তদন্ত এবং মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানান।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত আব্দুল হান্নান দাবি করেন, কয়েক মাস আগে সুন্দরবনে মাছ ধরার সময় আল আমিন তাকে অপহরণ করে চাঁদা দাবি করেন। চাঁদা না দেওয়ায় তাকে গুলি করে আহত করা হয়। পরে কোস্ট গার্ডের সহায়তায় তিনি বাড়ি ফেরেন। এ ঘটনায় একটি মামলা চলমান রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

স্থানীয় ইউপি সদস্য আব্দুল গণি ও মিজানুর রহমান খোকন মন্তব্য করেন, বিল্লাল সরদার ও অন্য আসামিরা নিরীহ মানুষ। তাদের দাবি, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর আল আমিন আবার সুন্দরবনে গিয়ে দস্যু কর্মকান্ড শুরু করেন। হয়রানির উদ্দেশ্যে তার স্ত্রী মিথ্যা মামলা দায়ের করেছেন বলেও অভিযোগ তোলেন তারা।

অন্যদিকে মামলার বাদী রাবেয়া খাতুন দাবি করেন, তার স্বামী আল আমিন ২০১৮ সালে আত্মসমর্পণ করে স্বাভাবিক জীবনে ফেরার চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু বিল্লাল সরদার ও আব্দুল হান্নান তাকে বিভিন্নভাবে নির্যাতন করতেন। তাদের অত্যাচারের কারণেই তিনি আবার দস্যু কর্মকান্ডে জড়িয়ে পড়েন।

রাবেয়ার অভিযোগ, কয়েক মাস আগে আব্দুল হান্নানের পায়ে গুলির ঘটনার জেরে বিল্লাল ও তার ভাইসহ কয়েকজন পরিকল্পিতভাবে তার স্বামীকে গুম করেছেন।

তিনি জানান, নিখোঁজ হওয়ার এক দিন আগেও স্বামীর সঙ্গে তার কথা হয়েছিল। সন্তানদের কথা ভেবে আল আমিন আবার স্বাভাবিক জীবনে ফেরার চেষ্টা করছিলেন। এর পর থেকে তার আর কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না।

স্থানীয় সূত্র জানায়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর আল আমিন সুন্দরবনের জাহাঙ্গীর বাহিনীর সঙ্গে যুক্ত হয়ে ফের দস্যুতায় সক্রিয় হন। কয়েক মাস আগে অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার হলেও পরে জামিনে মুক্তি পান। এরপর তিনি জাহাঙ্গীর বাহিনী ছেড়ে ‘আল আমিন বাহিনী’ নামে পৃথক একটি দল গঠন করে বনজীবীদের কাছ থেকে চাঁদা আদায় শুরু করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

এক মাস আগে আল আমিনের মরদেহ নদীতে ভাসতে দেখা গেছে বলে এলাকায় গুঞ্জন ওঠে। তবে পুলিশ ও স্বজনদের খোঁজাখুঁজির পরও এখন পর্যন্ত কোনো মরদেহ উদ্ধার হয়নি।

কেশবপুর সাংবাদিক রুস্তম আলীর শ্বশুরের ইন্তেকাল

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৮ মে, ২০২৬, ২:৫৮ অপরাহ্ণ
কেশবপুর সাংবাদিক রুস্তম আলীর শ্বশুরের ইন্তেকাল

কেশবপুর (পৌর) প্রতিনিধি: যশোরের কেশবপুর সরকারি কলেজ সংলগ্ন পৌরসভার ৪ নং ওয়ার্ডের সাবেক ব্যাংকর আলহাজ্ব মোঃ লুৎফার রহমান বিশ্বাস দীর্ঘদিন বার্ধক্য জনিত কারণে অসুস্থ থাকায় শুক্রবার ভোররাতে ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, ৪ মেয়ে এক ছেলেসহ অসংখ্য গুনগ্রাহী রেখে গেছেন।

 

মরহুমের ১ম জানাজার নামাজ শুক্রবার সকাল ১০ টায় কেশবপুর সরকারি কলেজ মাঠে অনুষ্ঠিত হয়। দ্বিতীয় জানাজা নামাজ মরহুমের নিজ বাড়ি মনিরামপুর উপজেলার লেবুগাতি গ্রামে অনুষ্ঠিত হয়। পরে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়েছে।

 

শোকাহত পরিবারের প্রতি গভীর শোক প্রকাশ করেছেন কেশবপুর নিউজ ক্লাবের সভাপতি এ এইচ এম কামরুজ্জামান হোসেন সিনিয়র সহ-সভাপতি এম এ রহমান, সাধারণ সম্পাদক রুস্তম আলী, পৌর বিএনপির সহ-সভাপতি সাবেক কাউন্সিলর কুতুব উদ্দিন বিশ্বাস, আফজাল হোসেন বাবুসহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ। তিনি ছিলেন দৈনিক নোয়াপাড়া পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার রুস্তম আলীর শশুর।

তালা শিক্ষক সমিতির নির্বাচনে সভাপতি প্রার্থী শেখ রেজাউল ইসলামের গণসংযোগ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৮ মে, ২০২৬, ২:৫৪ অপরাহ্ণ
তালা শিক্ষক সমিতির নির্বাচনে সভাপতি প্রার্থী শেখ রেজাউল ইসলামের গণসংযোগ

তালা প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার তালা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির ত্রিবার্ষিক নির্বাচনকে সামনে রেখে সভাপতি পদে প্রার্থী হয়েছেন সুভাষিনী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শেখ রেজাউল ইসলাম। আগামী ১৬ মে অনুষ্ঠিতব্য এ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে তিনি উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক ভোটারদের সঙ্গে মতবিনিময় ও গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন।

সভাপতি পদপ্রার্থী শেখ রেজাউল ইসলাম বলেন, “শিক্ষকদের মর্যাদা রক্ষা, পেশাগত অধিকার আদায় এবং শিক্ষক সমিতিকে আরও গতিশীল ও কার্যকর সংগঠন হিসেবে গড়ে তুলতে আমি নির্বাচন করছি। শিক্ষক সমাজের ঐক্য, পারস্পরিক সহযোগিতা ও কল্যাণ নিশ্চিত করতে কাজ করতে চাই। সকলের দোয়া ও সমর্থন প্রত্যাশা করছি।”

তিনি আরও বলেন, “নির্বাচিত হলে শিক্ষক সমাজের দাবি-দাওয়া বাস্তবায়ন, অবসরপ্রাপ্ত ও অসুস্থ শিক্ষকদের পাশে দাঁড়ানো এবং শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।” এ সময় তিনি তালা উপজেলার সকল শিক্ষকের কাছে আন্তরিক সহযোগিতা ও সমর্থন কামনা করেন।