বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩
বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩

দেবহাটায় উঠতি বয়সীদের মাদকাসক্তি নিয়ে উদ্বেগ: সন্তানদের নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারছেন না অভিভাবকরা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:২১ অপরাহ্ণ
দেবহাটায় উঠতি বয়সীদের মাদকাসক্তি নিয়ে উদ্বেগ: সন্তানদের নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারছেন না অভিভাবকরা

কে এম রেজাউল করিম, দেবহাটা: সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলায় উঠতি বয়সী কিশোর ও তরুণদের মাদকের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ার ঘটনায় উদ্বেগ বাড়ছে অভিভাবক ও সচেতন মহলে। অনেক পরিবারের দাবি, বয়সে ছোট ছেলেদের একটি অংশ ধীরে ধীরে মাদকের দিকে ঝুঁকে পড়ছে। সন্তানদের নিয়ন্ত্রণে রাখতে গিয়ে অনেক অভিভাবক অসহায় হয়ে পড়েছেন বলেও জানিয়েছেন।

কয়েকজন অভিভাবক কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, আমাদের ছোট ছোট ছেলেরা যেভাবে মাদকে আসক্ত হয়ে পড়ছে, আমরা অভিভাবকরা তাদের ঠেকাতে ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছি। একপর্যায়ে তারা আমাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে। প্রশাসনের কাছে অনুরোধ, আপনারা কঠোরভাবে ব্যবস্থা নিন।

অভিভাবকদের অভিযোগ, উঠতি বয়সী ছেলেদের একটি অংশ সন্ধ্যার পর বাড়ির বাইরে অবস্থান করে। তারা কোথায় যাচ্ছে, কার সঙ্গে মিশছে কিংবা কী ধরনের কর্মকান্ডে জড়াচ্ছে-অনেক ক্ষেত্রেই পরিবারের সদস্যরা তা জানতে পারছেন না। ফলে সন্তানদের মাদকের মতো ভয়াবহ আসক্তি থেকে দূরে রাখা কঠিন হয়ে পড়ছে বলে তাদের ভাষ্য।

সচেতন মহল বলছে, কিশোর বয়সে মাদকের সঙ্গে সম্পৃক্ততা শুধু একটি পরিবারের সমস্যা নয়; এটি ধীরে ধীরে সামাজিক ও আইনশৃঙ্খলার সমস্যায় রূপ নিতে পারে। তাই মাদকের বিস্তার রোধে প্রশাসনের পাশাপাশি পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, জনপ্রতিনিধি ও সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে একযোগে কাজ করতে হবে। এদিকে দেবহাটা থানার অফিসার ইনচার্জ এইচএম শাহীন জানিয়েছেন, মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণে সক্রিয় রয়েছে। মাদক সংক্রান্ত কোনো তথ্য পাওয়া গেলে তা দ্রুত পুলিশকে জানানোর জন্য স্থানীয়দের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।

পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, কোনো এলাকায় মাদক বিক্রি, সরবরাহ বা সেবনের বিষয়ে সুনির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া গেলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানালে প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা সহজ হবে।

পুলিশ ও স্থানীয় সচেতন ব্যক্তিরা অভিভাবকদেরও আরও সতর্ক হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। বিশেষ করে সন্ধ্যার পর সন্তান কোথায় যাচ্ছে, কার সঙ্গে মিশছে, কখন বাড়ি ফিরছে এবং তার চলাফেরায় কোনো অস্বাভাবিক পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে কি না-এসব বিষয়ে অভিভাবকদের খোঁজ রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

অভিভাবকদের উদ্দেশে বলা হয়েছে, সন্তানকে শুধু শাসন নয়, তার বন্ধু-বান্ধব, চলাফেরা ও দৈনন্দিন কর্মকান্ড সম্পর্কে বন্ধুত্বপূর্ণ পরিবেশে খোঁজ নেওয়া জরুরি। সন্তানদের খেলাধুলা, পড়াশোনা, সাংস্কৃতিক ও সামাজিক কর্মকান্ডে সম্পৃক্ত করার ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
স্থানীয়দের ভাষ্য, সন্ধ্যার পর বিভিন্ন নির্জন স্থান ও জনসমাগম কম এমন এলাকায় তরুণদের আড্ডা নিয়ে নজরদারি বাড়ানো প্রয়োজন। এসব স্থানে সন্দেহজনক কর্মকান্ড চোখে পড়লে স্থানীয়দের তাৎক্ষণিকভাবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানানোর আহ্বান জানানো হয়েছে।

তাদের মতে, মাদক প্রতিরোধে শুধু মাদকসেবীকে আটক করাই যথেষ্ট নয়; মাদকের উৎস, সরবরাহ ও বিক্রির সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।
দেবহাটা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, মাদকের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হলে সবাইকে একসঙ্গে এগিয়ে আসতে হবে। প্রশাসন ও পুলিশের পাশাপাশি অভিভাবক, শিক্ষক, জনপ্রতিনিধি এবং সাধারণ মানুষকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

সম্মিলিত উদ্যোগের মাধ্যমে দেবহাটাকে মাদক, সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ ও বাল্যবিবাহমুক্ত করতে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

স্থানীয়দের প্রত্যাশা, উঠতি বয়সী কিশোর-তরুণদের মাদকের ঝুঁকি থেকে রক্ষা করতে প্রশাসন ও পুলিশের নজরদারি আরও জোরদার হবে। পাশাপাশি প্রতিটি পরিবারও সন্তানের প্রতি দায়িত্বশীল ও সচেতন ভূমিকা পালন করবে।

সচেতন মহলের আহ্বান-মাদকের বিরুদ্ধে শুধু অভিযোগ নয়, পরিবার থেকে শুরু করে সমাজের প্রতিটি স্তরে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। যেখানেই মাদকের সন্ধান মিলবে, সেখানেই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করতে হবে।

 

Ads small one

কালিগঞ্জে সুমাইয়া হত্যা মামলায় গ্রেপ্তারকৃত দুই আসামীকে রিমা- শেষে আদালতে

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:২৫ অপরাহ্ণ
কালিগঞ্জে সুমাইয়া হত্যা মামলায় গ্রেপ্তারকৃত দুই আসামীকে রিমা- শেষে আদালতে

পত্রদূত ডেস্ক: সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার কাজলা-কাশিবাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণীর ছাত্রী ও কাশিবাটি গ্রামের এনামুল হকের মেয়ে ফারজানা সুলতানা হত্যার ঘটনায় জড়িত সন্দেহে সুমাইয়াকে মব সৃষ্টির মাধ্যমে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তারকৃত নূর ইসলাম ও আরিফকে এক দিনের রিমা- শেষে সোমবার বিকেলে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

এদিকে গ্রেপ্তারকৃত আসামীরা ঘটনার সঙ্গে জড়িত নয় মর্মে গত সোমবার সাতক্ষীরার প্রেসক্লাবের একাংশের অস্থায়ী কার্যালয়ে মামলার তদন্তকারি কর্মকর্তাসহ একটি মহলের বিরুদ্ধে সংবাদ সস্মেলন করেন ফারজানা হত্যা মামলার বাদি নাজমা বেগম। একইভাবে সুমাইয়া হত্যা মামলার বাদি আমিরুল ইসলাম বুধবার একইস্থানে সংবাদ সম্মেলন করে মামলার তদন্তকারি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে নিরীহ মানুষদের হয়রানি করার অভিযোগ এনেছেন।

ঘটনা ও মামলার বিবরণে জানা যায়, কাশিবাটি গ্রামের একরামুল হকের মেয়ে কাজলা-কাশিবাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণীর ছাত্রী ফারজানা সুলতানা গত ২০ জুলাই সকালে বিদ্যালয়ে এসে বাড়ি ফেরেনি। রাত সাতটার দিকে ফারজানার হাত ও পা বাঁধা লাশ একই গ্রামের আমিরুল ইসলামের ঘরের দেয়াল আলমারির ভিতর থেকে উদ্ধার করা হয়। এর কিছুক্ষণ পর পুলিশের কাছ থেকে ছাড়িয়ে নিয়ে মব সৃষ্টির মাধ্যমে আমিরুলের স্ত্রী সুমাইয়াকে ইট দিয়ে থেঁতলে হত্যা করা হয়।

ফারজানা হত্যার ঘটনায় তার মা নাজমা খাতুন বাদি হয়ে লতিফ শেখের ছেলে আব্দুল্লাহ আল মামুনের নাম উল্লেখ করে ২২ জুলাই থানায় মামলা করেন। ২৩ জুলাই ভোরে পুলিশ আল মামুনকে গ্রেপ্তার করে। বর্তমানে সে কারাগারে রয়েছে। করানো হয়েছে তার ডিএনএ টেষ্ট।
এদিকে সুমাইয়া হত্যার ঘটনায় নিহতের বাবা লতিফ শেখ বাদি হয়ে গত ২৬ জুলাই হামিদুল মোড়ল, হুসাইন খানসহ আটজনের নাম উল্লেখ করে আদালতে মামলা (সিআর-৬২১/২৬ কালিঃ) করেন। মামলার অগ্রবর্তী তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামি ১৩ নভেম্বর দিন ধার্য করেছেন সাতক্ষীরা আমলী-২ আদালতের বিচারক নূসরত জাহান।

 

২৫ জুলাই রাতে নিহত সুমাইয়ার স্বামী আমিরুল বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা (জিআর-১৬৮/২৬ কালিঃ) দায়ের করেন। মামলার সন্ধিগ্ধ আসামী হিসেবে গত ১১ সেপ্টেম্বর উপপরিদর্শক মল্লিক মনিরুজ্জামান নূর ইসলাম মীর ও আরিফকে গ্রেপ্তার করে। ১৪ সেপ্টেম্বর তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালতে সাত দিন করে রিমা- আবেদন জানানো হয়। ১৭ সেপ্টেম্বর তাদের একদিন করে রিমা- মঞ্জুর করা হয়।

 

২১ সেপ্টেম্বর তাদেরকে রিমা- শেষে আদালতে পাঠানো হয়। ওই দিন আদালতের কাঠগোড়ায় উঠে সুমাইয়ার স্বামী আমিরুল আদালতে এফিডেফিট দিয়ে নূর ইসলাম ও আরিফ ঘটনার সঙ্গে জড়িত নয় এবং যেসব নামের তালিকা তিনি তদন্তকারি কর্মকর্তাকে দিয়েছেন তাদের গ্রেপ্তার করা হচ্ছে না বলে দাবি করলেও আদালত তা আমলে নেননি। বুধবার আবারো নূর ইসলাম ও আরিফের জামিন আবেদন জানালে আদালত তা না’মঞ্জুর করেন। বুধবার দুপুরে আমিরুল ইসলাম সাতক্ষীরার একাংশের সাংবাদিকদের অস্থায়ী প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে মামলার তদন্তকারি কর্মকর্তার ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।

নাজমা খাতুন গত রবিবার সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করে বলেন, পুলিশের কাছ থেকে ছিনিয়ে নিয়ে সুমাইয়াকে হত্যা করেছে ক্ষুব্ধ জনগন। ঘটনার সঙ্গে জড়িত না থাকার পরও তার পরিবারের সদস্যসহ নিরীহ লোকজনদের পুলিশ ও একটি বিশেষ মহল হয়রানি করছে।

বিআরটিএ উদ্যোগে সাতক্ষীরায় পেশাজীবী গাড়িচালকদের প্রশিক্ষণ কর্মশালা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:১৩ অপরাহ্ণ
বিআরটিএ উদ্যোগে সাতক্ষীরায় পেশাজীবী গাড়িচালকদের প্রশিক্ষণ কর্মশালা

সংবাদদাতা: বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) সাতক্ষীরা সার্কেলের উদ্যোগে সড়ক দুর্ঘটনা রোধে পেশাজীবী গাড়িচালকদের দক্ষতা ও সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক রিফ্রেশার প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬) সকালে সাতক্ষীরা শহরের অদূরে টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজে এই কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।

এই কর্মশালার মূল উদ্দেশ্য ছিল পেশাজীবী গাড়িচালকদের মধ্যে সড়ক নিরাপত্তা সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করা। সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের সহযোগিতায় অনুষ্ঠিত এই কর্মশালায় প্রধান প্রশিক্ষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিআরটিএ খুলনা বিভাগীয় পরিচালক (অ:দা:) প্রকৌশলী তানভীর আহমেদ। তিনি সড়ক দুর্ঘটনা রোধ এবং সড়ক নিরাপত্তা বিষয়ক দিক নির্দেশনা প্রদান করেন।

প্রশিক্ষক হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন বিআরটিএ সাতক্ষীরা সার্কেলের সহকারী পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ জমির হোসেন, পুলিশ পরিদর্শক (ট্রাফিক) মোঃ আরজু হোসেন, মোটরযান পরিদর্শক মোঃ ওমর ফারুক এবং উচ্চমান সহকারী মোঃ নাসির উদ্দিন।

প্রধান প্রশিক্ষক প্রকৌশলী তানভীর আহমেদ তার বক্তব্যে বলেন, “সড়কে গাড়িচালকদের সচেতনতা এবং দক্ষতা বৃদ্ধি অপরিহার্য। সড়ক দুর্ঘটনা রোধ ও সড়কের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চালকদের নিয়মিত প্রশিক্ষণ গ্রহণৎ করার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, “পেশাজীবী গাড়িচালকদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে চালকদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি পেলে সড়ক দুর্ঘটনা অনেকাংশে কমে আসবে এবং এটি দেশের সড়ক পরিবহন ব্যবস্থাকে আরও নিরাপদ করে তুলবে।”

মোটরযান পরিদর্শক মোঃ ওমর ফারুক সমগ্র অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনায করেন। কর্মশালায় বিভিন্ন শ্রেণীর পেশাজীবী চালকগণ অংশ গ্রহণ করেন, যাদের মধ্যে অনেকেই কর্মশালা শেষে নিজেদের অভিজ্ঞতা এবং মতামত শেয়ার করেন।

এই কর্মশালার মাধ্যমে সড়ক দুর্ঘটনা রোধে চালকদের ভূমিকা এবং তাদের দায়িত্ব সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টি হয়েছে। বিআরটিএ আশা করছে যে এই ধরনের প্রশিক্ষণ কর্মশালা দেশের সড়ক নিরাপত্তা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

আইপি ইমপোর্ট পারমিট বাতিল: বেনাপোল বন্দর দিযে ভারতীয় ইলিশ আমদানি বন্ধ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:৪৭ অপরাহ্ণ
আইপি ইমপোর্ট পারমিট বাতিল: বেনাপোল বন্দর দিযে ভারতীয় ইলিশ আমদানি বন্ধ

এম এ রহিম, বেনাপোল (যশোর): আইপি বা এনওসি ইমপোর্ট পারমিট বাতিল করায় বেনাপোল স্থল বন্দর দিয়ে অনির্দিষ্টকালের জন্য ভারতীয় ইলিশ আমদানি বানিজ্য বন্ধ হয়ে গেছে। ফলে গতকাল থেকে ভারতীয় কোন ইলিশের চালান বাংলাদেশে আসেনি বলে নিশ্চিত করেছেন বেনাপোল বন্দর মৎস্য পরিদর্শক আস ওয়াদুল আলম।

মৎস্য কর্মকর্তা জানান. মঙ্গলবার বংলাদেশ মৎস্য অধিদফতর ইলিশ আমদানির ১০৩টি অনাপত্তি সনদ বাতিলের সিদ্ধান্ত কার্যকর করেন। ফলে ভারত থেকে বাংলাদেশে ইলিশ আমদানি বন্ধ হয়ে গেছে।

মৎস্য অধিদফতরের ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক ড. মো. খালেদ কনকের স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে গত ২২ সেপ্টেম্বর ১০৩টি অনাপত্তি সনদ বাতিল করা হয়। এরপর থেকেই ভারত থেকে ইলিশ আমদানির প্রক্রিয়া বন্ধ রয়েছে।

বেনাপোল আমদানি-রফতানিকারক সমিতির সাধারণ সম্পাদক জিয়াউর রহমান জিয়া জানান, ভারতীয কর্তৃপক্ষ ইলিশ রফতানিতে কোন নিষেধাজ্ঞা দেয়নি। তবে বাংলাদেশ মৎস্য অধিদফতরের একটি চিঠিতে অনেকগুলো অনাপত্তি সনদ বাতিল করা হয়েছে। এ সিদ্ধান্তে ইলিশ আমদানি বন্ধ রয়েছে। তবে অন্য সাদা মাছ আমদানি সচল থাকবে বলে জানান তিনি।

ইলিশ আমতানির সাথে সংশ্লিষ্টরা জানান, হঠাৎ করে আমদানি বন্ধ করায় বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়েছেন তারা।