বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩
বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩

পাইকগাছা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স: সপ্তাহের ৬ দিন বন্ধ ওটি, নামে তালপুকুর-ঘটি ডোবেনা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:২৬ অপরাহ্ণ
পাইকগাছা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স: সপ্তাহের ৬ দিন বন্ধ ওটি, নামে তালপুকুর-ঘটি ডোবেনা

পলাশ কর্মকার, কপিলমুনি (পাইকগাছা): খুলনার পাইকগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়মিত অ্যানেস্থেশিয়া চিকিৎসক না থাকায় সপ্তাহের ছয় দিনই বন্ধ থাকছে অপারেশন থিয়েটার (ওটি)। এতে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন প্রসূতি ও জরুরি অস্ত্রোপচারের রোগীরা। জটিল পরিস্থিতিতে রোগীদের প্রায় ৬৬ কিলোমিটার দূরে খুলনা শহরের বিভিন্ন হাসপাতালে নিতে হচ্ছে। এতে দরিদ্র ও নিম্ন আয়ের মানুষের বাড়ছে চিকিৎসা ব্যয় ও ঝুঁকি।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, পাইকগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অ্যানেস্থেশিয়া চিকিৎসক হিসেবে দায়িত্বে রয়েছেন ডা. জহিরুল ইসলাম। তবে তিনি সংযুক্তিতে ফুলতলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সপ্তাহে ৪ দিন এবং কয়রা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১ দিন দায়িত্ব পালন করেন। পাইকগাছায় তিনি সপ্তাহে মাত্র ১ দিন দায়িত্ব পালন করছেন। ফলে ওই দিন ছাড়া অন্য ৬ দিন হাসপাতালে অস্ত্রোপচার বন্ধ থাকে। প্রতিদিনই অস্ত্রোপচারের জন্য রোগী আসেন। বিশেষ করে প্রসূতি রোগীদের জরুরি অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন হলেও অ্যানেস্থেশিয়া চিকিৎসক না থাকায় তাঁদের অন্যত্র পাঠাতে হচ্ছে।

গত জুলাই মাসে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটিতে প্রসূতি বিভাগে ১৫৫ জন রোগী ভর্তি হন। তাঁদের মধ্যে ১৯ জনের স্বাভাবিক প্রসব এবং ১১ জনের সিজারিয়ান অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে সন্তান প্রসব হয়। চলতি আগস্ট মাসের ২৪ তারিখ পর্যন্ত ১২৫ জন প্রসূতি ভর্তি হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে ১৫ জনের স্বাভাবিক প্রসব এবং ৮ জনের সিজারিয়ান অস্ত্রোপচার হয়েছে। জুলাই মাসে জরুরি বিভাগে ১ হাজার ৬৯৭ জন রোগী ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নেন। দৈনিক গড়ে রোগী ভর্তি হয়েছেন প্রায় ৬৮ জন। আগস্টের ২৪ তারিখ পর্যন্ত জরুরি বিভাগে ভর্তি হয়েছেন ১ হাজার ৪১৫ জন। এ সময়ে দৈনিক গড়ে ৫৯ জন রোগী ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন।

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, আগে এই হাসপাতালে প্রতি মাসে গড়ে ২০ থেকে ৩০টি অস্ত্রোপচার হতো। অ্যানেস্থেশিয়া চিকিৎসকের সংকটে বর্তমানে অস্ত্রোপচারের সংখ্যা প্রায় শূন্যের কোঠায় নেমে এসেছে।

পাইকগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপে¬ক্সের আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা (আরএমও) সাকিলা আফরোজ বলেন, এখানে প্রতিদিন অপারেশনের জন্য অনেক রোগী আসেন। কিন্তু অ্যানেস্থেশিয়া চিকিৎসক না থাকায় আমাদের নানা জটিলতার মুখে পড়তে হয়।

অ্যানেস্থেশিয়া চিকিৎসক ডা. জহিরুল ইসলাম বলেন, প্রায় আড়াই বছর ধরে তিনি পাইকগাছা হাসপাতালে দায়িত্ব পালন করছেন। বর্তমানে তাঁর স্ত্রী ও সন্তান অসুস্থ। এ কারণে খুলনা শহরের কাছাকাছি থাকার জন্য তিনি পরিচালকের কাছে আবেদন করেন। মানবিক দিক বিবেচনা করে তাঁর আবেদন অনুমোদন করা হয়েছে। এরপরও তাঁকে পাইকগাছা ও কয়রা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সপ্তাহে ১ দিন করে দায়িত্ব পালন করতে হচ্ছে।

পাইকগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আহসানারা বিনতে আহমেদ বলেন, অ্যানেস্থেশিয়া চিকিৎসক ডা. জহিরুল ইসলাম এই হাসপাতালে পদায়িত থাকলেও সংযুক্তিতে ফুলতলা হাসপাতালে ৪ দিন কাজ করছেন। তিনি পাইকগাছায় ১ দিন ও কয়রায় ১ দিন দায়িত্ব পালন করছেন। হাসপাতালে সার্বক্ষণিক একজন অ্যানেস্থেশিয়া চিকিৎসক দেওয়ার জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানিয়েছি। আশা করছি, দ্রুত সমস্যার সমাধান হবে।

এলাকাবাসীর দাবি, পাইকগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স শুধু এ উপজেলার মানুষ নয়, আশপাশের কয়রা, দাকোপ, আশাশুনি ও তালা উপজেলার অনেক মানুষও এখানে চিকিৎসা নিতে আসেন। তাই দ্রুত একজন নিয়মিত অ্যানেস্থেশিয়া চিকিৎসক পদায়ন করে অস্ত্রোপচার কার্যক্রম স্বাভাবিক করার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।

Ads small one

পাইকগাছা জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের ছাদ ঝুঁকিপূর্ণ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৪৭ অপরাহ্ণ
পাইকগাছা জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের ছাদ ঝুঁকিপূর্ণ

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি; খুলনার পাইকগাছায় সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের জরাজীর্ণ ভবনের পলেস্তারা ও ছাদ ধসে পড়ার ঘটনায় বিচারক, আইনজীবী, পুলিশ ও বিচারপ্রার্থীদের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক বিরাজ করছে। দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণ না করায় ভবনটি বর্তমানে মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে।

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) গভীর রাতে আকস্মিকভাবে কোর্টের সিএসআই অফিস কক্ষের পুরাতন ছাদের একটি বড় অংশ বিকট শব্দে ভেঙে পড়ে। গভীর রাত হওয়ায় বড় ধরনের প্রাণহানি বা হতাহতের ঘটনা এড়ানো সম্ভব হলেও এ নিয়ে তীব্র অসন্তোষ ও উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে।

 

সংশ্লিষ্টদের মতে, এই দুর্ঘটনাটি যদি দিনের বেলায় আদালত চলাকালীন কিংবা অফিস সময়ে ঘটত, তবে কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষ বড় ধরনের মারাত্মক দুর্ঘটনার শিকার হতেন। গত দুই বছর ধরে এই ঝুঁকিপূর্ণ ভবনের এজলাস কক্ষের ছাদের নিচে তাবু টানিয়ে বিচার কার্যক্রম পরিচালনা এবং অত্যন্ত সংবেদনশীল মামলার নথিপত্র সংরক্ষণ করা হচ্ছে।

খুলনা জেলা সদর থেকে প্রায় ৬৬ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত পাইকগাছায় তৎকালীন সরকারের উদ্যোগে ১৯৮৩ সালে এই সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ও সিনিয়র সহকারী জজ চৌকি আদালত প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রতিষ্ঠার পর দীর্ঘ চার দশক পেরিয়ে গেলেও ঐতিহ্যবাহী এই ভবনটির প্রয়োজনীয় সংস্কার বা আধুনিকায়ন করা হয়নি। ফলে ভবনটির বিভিন্ন পিলারে ও দেওয়ালে বড় বড় ফাটল ধরেছে এবং ছাদের বিভিন্ন অংশ দুর্বল হয়ে পড়েছে।

পাইকগাছা কোর্টের সিএসআই মোঃ তরিকুল ইসলাম জানান,গভীর রাতে এই দুর্ঘটনা ঘটায় বড় ধরনের ক্ষতি থেকে রক্ষা পাওয়া গেছে।

স্থানীয় সচেতন মহল ও আদালত প্রাঙ্গণের সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, যেকোনো মুহূর্তে পুরো ভবন ধসে পড়ে বড় ধরনের প্রাণহানির মতো বড় বিপর্যয় ঘটতে পারে। তাই বিচারক, কর্মকর্তা-কর্মচারী, আইনজীবী, পুলিশ সদস্য ও দূর-দূরান্ত থেকে আসা বিচারপ্রার্থীদের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অনতিবিলম্বে এই ঝুঁকিপূর্ণ ভবনটি সংস্কার অথবা নতুন আধুনিক ভবন নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন তারা।

একটি সুন্দর, সুখী, সমৃদ্ধ ও কল্যাণময় রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তুলতে জেলা আমিরের আহবান

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৪০ অপরাহ্ণ
একটি সুন্দর, সুখী, সমৃদ্ধ ও কল্যাণময় রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তুলতে জেলা আমিরের আহবান

সংবাদদাতা: সাতক্ষীরা শহরের নিউ মার্কেট এলাকায় জামায়াতে ইসলামীর মাসব্যাপী দাওয়াতি অভিযানের অংশ হিসেবে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের কাছে দাওয়াত পৌঁছে দিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৫টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত নিউ মার্কেট এলাকার বিভিন্ন অলিগলি, চায়ের দোকান, রিকশাচালকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে কথা বলে এ দাওয়াতি কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।

দাওয়াতি অভিযানে অংশ নেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সাতক্ষীরা জেলা শাখার আমির উপাধ্যক্ষ শহিদুল ইসলাম মুকুল, পৌর জামায়াতের সেক্রেটারি খোরশেদ আলম, স্থানীয় ৮ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের সভাপতি ও সাবেক ছাত্রনেতা আব্দুল গফুরসহ সংগঠনের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী।

অভিযানের সময় জামায়াতের নেতাকর্মীদের হাতে সংগঠনের পরিচিতিপত্র ও সহযোগী ফরম দেখা যায়। তারা পথচারী, ব্যবসায়ী, চায়ের দোকানের আড্ডায় থাকা মানুষ, রিকশাচালকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে কথা বলেন এবং জামায়াতে ইসলামের আদর্শ ও কার্যক্রম সম্পর্কে অবহিত করেন। এ সময় আগ্রহী ব্যক্তিদের জামায়াতের সহযোগী সদস্য হওয়ার আহ্বান জানানো হয়। এক রিকশাচালক আব্দুর রহিম বলেন, ‘আমাদের সঙ্গে কথা বলে তারা ইসলামের কথা বলেছেন এবং সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার আহবান জানিয়েছেন।

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সাতক্ষীরা জেলা শাখার আমির উপাধ্যক্ষ শহিদুল ইসলাম মুকুল দাওয়াতি অভিজানে অংশ নিয়ে বলেন, বাংলাদেশকে একটি সুন্দর, সুখী, সমৃদ্ধ ও কল্যাণময় রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তুলতে হলে সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে কোরআন ও ইসলামের নির্দেশনা অনুযায়ী জীবন গঠন করতে হবে। এর মাধ্যমে সমাজে শুদ্ধতা ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব বলে তিনি মনে করেন। তিনি বলেন, ‘জামায়াতে ইসলামী প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে এদেশে একটি কল্যাণকামী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে। তারই ধারাবাহিকতায় মাসব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে সাতক্ষীরার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।’

জামায়াত নেতারা বলছেন, তাদের মূল লক্ষ্য মানুষের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছে দেওয়া এবং নৈতিক ও আদর্শভিত্তিক সমাজ গঠনে মানুষকে উদ্বুদ্ধ করা। অন্যদিকে স্থানীয় রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, মাঠপর্যায়ে এ ধরনের ধারাবাহিক কর্মসূচি জামায়াতের সাংগঠনিক তৎপরতা ও জনসম্পৃক্ততা বৃদ্ধিতেও ভূমিকা রাখতে পারে।

নিউ মার্কেট এলাকায় এক ঘণ্টার এ কর্মসূচিতে জামায়াতের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মীর উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে তাদের সরাসরি কথোপকথনের মধ্য দিয়ে শেষ হয় বুধবারের দাওয়াতি অভিযান।

আশাশুনিতে কৃষি কর্মকর্তার বিভিন্ন বাজারে সারের দোকান পরিদর্শন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:৫৬ অপরাহ্ণ
আশাশুনিতে কৃষি কর্মকর্তার বিভিন্ন বাজারে সারের দোকান পরিদর্শন

আশাশুনি প্রতিনিধি: আশাশুনিতে কৃষি কর্মকর্তা আব্দুস সোবাহান বিভিন্ন বাজারে সার ডিলারের দোকান পরিদর্শন করেছেন। বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টায় উপজেলার বড়দল ইউনিয়নের গোয়ালডাঙ্গা বাজারের গাজী এন্টারপ্রাইজ, তৃষা এন্টারপ্রাইজসহ তিন দোকান ও আশাশুনি সদরের দুই দোকানসহ উপজেলার বিভিন্ন সার ডিলারের দোকান আকস্মিক পরিদর্শন করেছেন। কৃষকদের মাঝে সঠিক মূল্যে ও নিরবচ্ছিন্নভাবে সার সরবরাহ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এই পরিদর্শন পরিচালনা করেন তিনি।

পরিদর্শনকালে তিনি উপজেলার বিভিন্ন খুচরা ও পাইকারি সারের দোকান ঘুরে দেখেন, সারের স্টক রেজিস্টার যাচাই করেন এবং সরকার নির্ধারিত মূল্যে কৃষকের মাঝে সার বিক্রির নির্দেশনা প্রদান করেন। এসময় সারের কৃত্রিম সংকট রোধ এবং কোনো ধরনের অনিয়ম পেলে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার হুশিয়ারিও উচ্চারণ করেন তিনি।

পরিদর্শন শেষে কৃষি কর্মকর্তা কৃষকদের স্বার্থ সুরক্ষায় এবং ডিলারদের স্বচ্ছতা বজায় রেখে সার বিতরণে সজাগ থাকার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন বলে জানিয়েছেন কৃষি কর্মকর্তা।