সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬, ৯ ভাদ্র ১৪৩৩
সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬, ৯ ভাদ্র ১৪৩৩

প্রথম ওভারেই তাসকিনের আঘাত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬, ১২:০৪ অপরাহ্ণ
প্রথম ওভারেই তাসকিনের আঘাত

প্রথম টেস্টের সংক্ষিপ্ত স্কোর

পাকিস্তান দ্বিতীয় ইনিংসে: ১ ওভারে ৩/১, লক্ষ্য ২৬৮ (আওয়াইজ ১*, ফজল ০*; ইমাম ২)

বাংলাদেশ দ্বিতীয় ইনিংসে ৭০.৩ ওভারে ২৪০/৯ ডি., লিড ২৬৭ ( এবাদত ৩*; মাহমুদুল ৫, সাদমান ১০, মুমিনুল ৫৬, মুশফিক ২২, লিটন ১১, শান্ত ৮৭, মিরাজ ২৪, তাইজুল ৩, তাসকিন ১১)

পাকিস্তান প্রথম ইনিংসে ১০০.৩ ওভারে ৩৮৬/১০ (আব্বাস ৬*; ইমাম ৪৫, আজান ১০৩, শান ৯, সৌদ ০, ফজল ৬০, রিজওয়ান ৫৯, সালমান ৫৮, নোমান ২, শাহীন ১৩, হাসান ৬)

বাংলাদেশ প্রথম ইনিংসে ১১৭.১ ওভারে ৪১৩/১০ (নাহিদ ৪*; মাহমুদুল ৮, সাদমান ১৩, শান্ত ১০১, মুমিনুল ৯১, লিটন ৩৩, মিরাজ ১০, তাইজুল ১৭, মুশফিক ৭১, এবাদত ০, তাসকিন ২৮)

বাংলাদেশের ইনিংস ঘোষণা, পাকিস্তানের লক্ষ্য ২৬৮ রান

শেষ দিকে দ্রুত উইকেট হারিয়েছে বাংলাদেশ। ৯ বলে পড়েছে ৩ উইকেট। ৭১তম ওভারে হাসান আলীর বলে তাসকিন আহমেদ আউট হতেই নবম উইকেটের পতন হয় বাংলাদেশের। সঙ্গে সঙ্গে দ্বিতীয় ইনিংসও ঘোষণা করে তারা। তখন স্কোর ছিল ৯ উইকেটে ২৪০। লিড ছিল ২৬৭ রান। তাই পাকিস্তানের সামনে লক্ষ্য দাঁড়িয়েছে ২৬৮ রানের।

এক ওভারে নোমান আলীর শিকার মিরাজ-তাইজুল

শেষ দিকে রান বাড়িয়ে নেওয়ার তাড়ায় উইকেট বিলিয়েছে বাংলাদেশ। মেহেদী হাসান মিরাজ ৬৯.১ ওভারে ক্যাচ তুলে ২৪ রানে থেমেছেন। তার পর তাসকিন আহমেদ ছক্কা মারলেও এক বল পর তাইজুল ইসলাম বোল্ড হয়ে ফিরলে অষ্টম উইকেট হারায় বাংলাদেশ। দুটি উইকেটই তুলে নেন বামহাতি স্পিনার নোমান আলী।

৮৭ রানে থামলেন শান্ত

গতকাল থেকে বাংলাদেশকে দিশা দেখাচ্ছিলেন নাজমুল হোসেন শান্ত। প্রথম ইনিংসের দুর্দান্ত সেঞ্চুরির পর দ্বিতীয় ইনিংসেও একই ইঙ্গিত দিচ্ছিলেন। দুর্ভাগ্য ৮৭ রানে থামতে হয়েছে তাকে। তাকে এলবিডাব্লিউতে ফিরিয়েছেন নোমান আলী। শান্ত রিভিউ নিয়েও রক্ষা পাননি। তার ১৫০ বলের ইনিংসে ছিল ৭টি চার।

শাহীনের শিকার লিটন

মুশফিকুর রহিমের পর বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি লিটন দাসও। ২৮ বল স্থায়ী হয়েছে তার ইনিংস। শাহীন আফ্রিদির বাউন্সারে প্রলুব্ধ হয়ে হুক করতে গিয়েছিলেন। ফলাফল বাউন্ডারি লাইনে তার ক্যাচ নেন হাসান আলী। তাতে ১১ রানে আউট হয়েছেন লিটন।

মেরে খেলার চেষ্টায় আউট মুশফিক

শেষ দিনে দ্রুত রান বাড়িয়ে নেওয়ার লক্ষ্যে সফল হননি মুশফিকুর রহিম। দিনের খেলা শুরুর পর বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি তার ইনিংস। ইন্টেন্ট দেখাতে গিয়ে শান মাসুদের কাছে ২২ রানে ক্যাচ দিয়েছেন মুশফিক। তার ৩৭ বলের ইনিংসে ছিল ৪টি চার।

শেষ দিনে ব্যাট করতে নেমেছে বাংলাদেশ

ঢাকা টেস্টে ভালো অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ। চতুর্থ দিন দ্বিতীয় ইনিংসে ১৭৯ রানের লিড নিয়ে খেলা শেষ করেছে। আলোর স্বল্পতায় চতুর্থ দিনের খেলা শেষ হওয়ার আগে দ্বিতীয় ইনিংসে স্বাগতিকদের স্কোর ছিল ৩ উইকেটে ১৫২ রান। পঞ্চম ও সর্বশেষ দিন বড় স্কোরবোর্ডের লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নেমেছে বাংলাদেশ।

২৩ রানে দ্বিতীয় উইকেট পতনের পর বাংলাদেশের ইনিংসের নিয়ন্ত্রণ নেন অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত ও মুমিনুল হক। ১০৫ রানের জুটি গড়েন তারা। মুমিনুল ৫৬ রানে ফিরলে ভাঙে জুটি। তার পর বাকি পথটা সামাল দেন নাজমুল হোসেন ও মুশফিকুর রহিম। শেষ দিন এই দুজন বড় লক্ষ্যের উদ্দেশ্যে ব্যাট করতে নেমেছে। এখন পঞ্চম দিন বাংলাদেশ পাকিস্তানকে কত রানের লক্ষ্য দেয় সেটাই দেখার।

 

Ads small one

তালায় আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৬, ২:৪৩ অপরাহ্ণ
তালায় আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত

Oplus_131072

তালা প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার তালা উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (২৪ আগস্ট) সকালে উপজেলা পরিষদ হলরুমে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জান্নাতুল আফরোজ স্বর্ণার সভাপতিত্বে সভাটি অনুষ্ঠিত হয়। সভা পরিচালনা করেন উপজেলা রিসোর্স সেন্টারের ইন্সট্রাক্টর মো. ইমান উদ্দীন।

সভায় বক্তব্য দেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) সিরাজুস সালেহীন, তালা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু বকর সিদ্দিক, পাটকেলঘাটা থানার ওসি মো. শফিকুল ইসলাম, জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর ডা. মাহমুদুল হক, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ শেখ শফিকুল ইসলাম, উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি ইদ্রিস আলী, জালালপুর ইউপি চেয়ারম্যান এম. মফিদুল হক লিটু, ইসলামকাটি ইউপি চেয়ারম্যান অধ্যাপক গোলাম ফারুক, তেঁতুলিয়া ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কালাম, খলিলনগর ইউপি চেয়ারম্যান প্রণব ঘোষ বাবলু, তালা সদর ইউপির প্যানেল চেয়ারম্যান শেখ আব্দুর রাজ্জাক, খেশরা ইউপি চেয়ারম্যান শেখ কামরুল ইসলাম লাল্টু, কুমিরা ইউপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মফিদুল ইসলাম, সরুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান শেখ মাসুদ রানা, তালা প্রেসক্লাবের সভাপতি সেলিম হায়দার, উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি আকবার হোসেন এবং পাটকেলঘাটা প্রেসক্লাবের সভাপতি আব্দুল মোমিন।

সভায় উপজেলার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, মাদক, অনলাইন জুয়া, চুরি ও অপরাধপ্রবণতা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। এসব অপরাধ নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতা বাড়ানোর পাশাপাশি সামাজিকভাবে সচেতনতা সৃষ্টির ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

সভায় বক্তারা বলেন, অপরাধ দমন এবং উপজেলার শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখতে প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, জনপ্রতিনিধি ও সাধারণ জনগণকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। পাশাপাশি মাদক ও অনলাইন জুয়ার বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানানো হয়।

এ সময় উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি এবং আইনশৃঙ্খলা কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

 

সাতক্ষীরায় গণপূর্ত কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি, দ্রুত নিয়মিতকরণের দাবি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৬, ২:৩৩ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় গণপূর্ত কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি, দ্রুত নিয়মিতকরণের দাবি

সংবাদদাতা: গণপূর্ত অধিদপ্তরের কর্মচারীদের বিভিন্ন দাবি বাস্তবায়ন ও দীর্ঘদিনের সমস্যার সমাধানের দাবিতে সাতক্ষীরায় অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছে বাংলাদেশ গণপূর্ত কর্মচারী ইউনিয়ন ১৬৪৭নং সাতক্ষীরা গণপূর্ত বিভাগ।

সোমবার (২৪ আগস্ট) বেলা ১১টায় সাতক্ষীরা গণপূর্ত ভবন প্রাঙ্গণে এ অবস্থান কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। কর্মসূচিতে গণপূর্ত বিভাগের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মচারীরা অংশ নেন।

অবস্থান কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখেন আবু দাউদ আলম, শেখ মেহদী হাসান, মো. জুবায়দুর রহমান ও মোছা. ফাতেমা খাতুন।

এ সময় বক্তারা বলেন, গণপূর্ত অধিদপ্তরের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মচারীরা দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্ব পালন করে এলেও তাদের চাকরি নিয়মিতকরণসহ বেশ কিছু দাবি এখনো বাস্তবায়ন হয়নি। সুপ্রিম কোর্টের রিভিউয়ের রায়, আইন মন্ত্রণালয়, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের প্রবিধি শাখার মতামত কর্মচারীদের নিয়মিতকরণের পক্ষে থাকার পরও বিষয়টি অর্থ মন্ত্রণালয়ের ব্যয় নিয়ন্ত্রণ শাখায় অপেক্ষমাণ রয়েছে।

তারা আরও বলেন, দীর্ঘদিন ধরে অপেক্ষমাণ থাকা নিয়মিতকরণের প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করা হলে সংশ্লিষ্ট কর্মচারীদের মধ্যে কর্মস্থলে স্থিতিশীলতা ও কর্মস্পৃহা বাড়বে। তাই কোনো ধরনের বিলম্ব না করে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে তাদের চাকরি নিয়মিত করার দাবি জানান বক্তারা।

এ ছাড়া ভাউচার, দৈনিকভিত্তিক ও মাস্টাররোল কর্মচারীদের অবিলম্বে কার্যভিত্তিক করার দাবি জানানো হয়। পাশাপাশি আউটসোর্সিং কর্মচারীদের ঠিকাদারের মাধ্যমে নিয়োগের প্রচলিত প্রথা বিলুপ্ত করে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের মাধ্যমে নিয়োগ ও কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করার দাবিও তুলে ধরেন তারা।

কর্মসূচিতে বক্তারা বলেন, কর্মচারীদের ন্যায্য দাবিগুলো দীর্ঘদিন ধরে আলোচনায় থাকলেও এখনো কার্যকর সমাধান হয়নি। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত উদ্যোগ নিয়ে দাবিগুলো বাস্তবায়ন করবে-এমন প্রত্যাশা করেন তারা।

অবস্থান কর্মসূচিতে বাংলাদেশ গণপূর্ত কর্মচারী ইউনিয়ন ১৬৪৭নং সাতক্ষীরা গণপূর্ত বিভাগের নেতৃবৃন্দ ও বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন। কর্মসূচি থেকে দ্রুত দাবি বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানানো হয়।

এক বছর বিচারকশূন্য সাতক্ষীরা নারী ও শিশু ট্রাইব্যুনাল

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৬, ১০:৪৫ পূর্বাহ্ণ
এক বছর বিচারকশূন্য সাতক্ষীরা নারী ও শিশু ট্রাইব্যুনাল
৫ হাজারের কাছাকাছি  মামলা ঝুলছে, দ্রুত বিচারক পদায়নের দাবি
বদিউজ্জামান:
সাতক্ষীরা জেলার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে দীর্ঘ আট মাস ধরে কোনো বিচারক না থাকায় বিচারপ্রার্থীদের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে। একমাত্র এই ট্রাইব্যুনালে বর্তমানে প্রায় ৫ হাজারের কাছাকাছি  মামলা বিচারাধীন রয়েছে। দীর্ঘদিন বিচারকার্য বন্ধ থাকায় মামলার জট ক্রমেই বাড়ছে। দ্রুত একজন বিচারক পদায়নের দাবি জানিয়েছেন সাতক্ষীরা জেলা আইনজীবী সমিতি সহ বিভিন্ন মানবাধিকার ও নারী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
এ বিষয়ে সাতক্ষীরা জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট মোঃ নুরুল আমিন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল বরাবর ২৩ আগস্ট একটি লিখিত আবেদন করেছেন। আবেদনে সাতক্ষীরা জেলার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে দ্রুত একজন বিচারক পদায়নের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানানো হয়েছে।
আবেদনে বলা হয়েছে, সাতক্ষীরা জেলার নারী ও শিশু নির্যাতন সংক্রান্ত মামলার বিচারকার্য পরিচালনার জন্য একমাত্র নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু প্রায় এক বছর ধরে ট্রাইব্যুনালটি বিচারকশূন্য থাকায় বিপুলসংখ্যক মামলা নিষ্পত্তির অপেক্ষায় রয়েছে। বর্তমানে সেখানে ৫ হাজারের কাছাকাছি মামলা বিচারাধীন বলে আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
এর ফলে নারী ও শিশু নির্যাতনের মতো স্পর্শকাতর মামলার বিচারপ্রার্থীদের দীর্ঘদিন অপেক্ষা করতে হচ্ছে। মামলার বাদী, ভুক্তভোগী নারী ও শিশু এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের নিয়মিত আদালতে এসে বিচারকার্যের অগ্রগতি না পাওয়ায় তাদের ভোগান্তি বাড়ছে। একই সঙ্গে বিচারপ্রার্থীদের ন্যায়বিচার পাওয়ার ক্ষেত্রে অনাকাঙ্ক্ষিত বিলম্ব সৃষ্টি হচ্ছে।
আবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, নারী ও শিশু নির্যাতন সংক্রান্ত মামলাগুলো অত্যন্ত সংবেদনশীল ও মানবিক বিষয়। এসব মামলার দ্রুত বিচার ও নিষ্পত্তি ভুক্তভোগী ও বিচারপ্রার্থীদের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু একটি মাত্র ট্রাইব্যুনালে বিপুলসংখ্যক মামলা এবং দীর্ঘদিন বিচারক না থাকায় মামলার জট নিরসন কার্যত কঠিন হয়ে পড়েছে।
সাতক্ষীরা জেলা আইনজীবী সমিতি সূত্রে জানা গেছে, সাতক্ষীরা জেলার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের জন্য একজন বিচারক পদায়নের বিষয়ে আইন মন্ত্রণালয় থেকে সুপারিশ/প্রস্তাব প্রেরণ করা হয়েছে। বিষয়টি বর্তমানে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে প্রয়োজনীয় কার্যক্রমের জন্য বিবেচনাধীন রয়েছে বলে জানা গেছে।
এ অবস্থায় সাতক্ষীরার হাজার হাজার বিচারপ্রার্থীর ন্যায়বিচারের অধিকার নিশ্চিত করতে দ্রুত একজন যোগ্য বিচারক পদায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।
সাতক্ষীরা জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট মোঃ নুরুল আমিন বলেন, “নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল দীর্ঘদিন বিচারকশূন্য থাকায় বিচারপ্রার্থীদের দুর্ভোগ বাড়ছে। বিশেষ করে নারী ও শিশুদের মামলার দ্রুত নিষ্পত্তি অত্যন্ত জরুরি। বিষয়টি মানবিক ও ন্যায়বিচারের দৃষ্টিকোণ থেকে বিবেচনা করে দ্রুত একজন বিচারক পদায়ন করা প্রয়োজন।”
আইনজীবী ও বিচারপ্রার্থীদের প্রত্যাশা, বিষয়টি বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের মাননীয় প্রধান বিচারপতির সদয় বিবেচনায় এনে দ্রুত সাতক্ষীরা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে একজন বিচারক পদায়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে। এতে দীর্ঘদিন ধরে অপেক্ষমাণ হাজার হাজার মামলার বিচারকার্য পুনরায় গতিশীল হবে এবং বিচারপ্রার্থীদের ন্যায়বিচার পাওয়ার পথ সুগম হবে।