মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩

ফুল কোর্ট রেভারেন্সে অ্যাড. মোতাহারুজ্জামানকে শ্রদ্ধা নিবেদন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:০৭ অপরাহ্ণ
ফুল কোর্ট রেভারেন্সে অ্যাড. মোতাহারুজ্জামানকে শ্রদ্ধা নিবেদন

 

পত্রদূত রিপোর্ট: সাতক্ষীরা জেলা আইনজীবী সমিতির সিনিয়র সদস্য, বিশিষ্ট আইনজীবী মরহুম অ্যাড. খন্দকার মোহাম্মদ মোতাহারুজ্জামানের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের এজলাস কক্ষে এক ফুল কোর্ট রেভারেন্স সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (২৬ এপ্রিল) বেলা ১১টায় আয়োজিত এ সভায় সভাপতিত্ব করেন সাতক্ষীরার সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম।
সভায় জেলা জজ মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম তাঁর বক্তব্যে বলেন, “মরহুম খন্দকার মোতাহারুজ্জামান ছিলেন অত্যন্ত সৎ, নিষ্ঠাবান ও পেশাদারিত্বে উজ্জ্বল একজন আইনজীবী। তিনি ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় আজীবন কাজ করে গেছেন। তাঁর মৃত্যুতে বিচার অঙ্গন একজন অভিজ্ঞ ও মানবিক আইনজীবীকে হারালো, যা অপূরণীয় ক্ষতি।”
আইনজীবী সমিতির আহবায়ক কমিটির সদস্য সচিব অ্যাড. নুরুল আমিনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় আরও বক্তব্য রাখেন সমিতির আহবায়ক বি এম মিজানুর রহমান পিন্টু, সাবেক সভাপতি অ্যাড. আব্দুল মজিদ, পাবলিক প্রসিকিউটর শেখ আব্দুস সাত্তার, অ্যাড মোস্তফা আসাদুজ্জামান দিলু, অ্যাড. শহিদুল ইসলাম পিন্টু, অ্যাড. শফিউল ইসলাম শফি এবং অ্যাড. শেখ মিজানুর রহমান।
সভায় মরহুমের জীবন বৃত্তান্ত পাঠ করে শোনানো হয় এবং তাঁর স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।
উল্লেখ্য, খন্দকার মোহাম্মদ মোতাহারুজ্জামান সাতক্ষীরা জেলা আইনজীবী সমিতির একজন জ্যেষ্ঠ সদস্য হিসেবে দীর্ঘদিন সততা ও সুনামের সঙ্গে আইন পেশায় নিয়োজিত ছিলেন। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি ছিলেন সজ্জন, বিনয়ী ও সমাজসেবামূলক কর্মকা-ে সক্রিয় একজন মানুষ। তাঁর মৃত্যুতে আইন অঙ্গনসহ সর্বস্তরের মানুষ শোকাহত।
গত ২৫ এপ্রিল সকাল ৮ টা ৫০ মিনিটের সময় তিনি সাতক্ষীরা শহরের নিজ বাসায় ইন্তেকাল করেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন) । ঐদিন মরহুমের গ্রামের বাড়ি সাতক্ষীরা সদরের চাঁদপুর গ্রামে দাফন সম্পন্ন করা হয়। মরহুমের মৃত্যুতে জেলা আইনজীবী সমিতিতেও এক শোক সভার আয়োজন করা হয়।

পালকির দোলায় অমলিন প্রেম: শিকড়ে ফেরার এক অনন্য উপাখ্যান
মো. সিরাজুল ইসলাম: আকাশের কোণে রোদের ঝিলিক আর বাতাসে বসন্তের শেষ বিকেলের মাতাল হওয়াÑসব মিলিয়েই দিনটি ছিল যেন কোনো ধ্রুপদী গল্পের ফ্রেম। সাতক্ষীরা শহরের পিচঢালা রাজপথ আজ সাক্ষী হলো এক বিস্মৃত ইতিহাসের প্রত্যাবর্তনের। আধুনিক যান্ত্রিকতার এই যুগে যখন দামী গাড়ির গর্জন আর আলোকসজ্জার চাকচিক্যই বিয়ের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে, তখন এক তরুণ আইনজীবী বেছে নিলেন ইতিহাসের ধূলোবালি মাখা সেই ধ্রুপদী বাহনÑপালকি।
রোববার বিকেলে শহরের সুলতানপুর সদ্দারপাড়া এলাকায় সৃষ্টি হয় এক অভূতপূর্ব দৃশ্যের। সুসজ্জিত পঙ্খীরাজ পালকিতে চড়ে কনের বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হন অ্যাডভোকেট শিমুল ইসলাম। আটজন বেহারার কাঁধে তাল মিলিয়ে চলা পালকির সেই ছন্দময় দুলুনি যেন অনেক কাল আগের কোনো গ্রাম্য উপন্যাসের পাতা থেকে উঠে আসা দৃশ্য।
দেবহাটা উপজেলার পূর্বকুলিয়া বাঁধের মুখ এলাকার লামিয়া আরেফিন শোভার সঙ্গে পরিণয়সূত্রে আবদ্ধ হতে যাওয়ার এই যাত্রায় ছিল না কোনো গাড়ির হর্ন, বরং ছিল শেকড়ের টান। বিয়ে শেষে একইভাবে পালকির ওড়না টেনে নববধূকে নিয়ে যখন শিমুল নিজের আঙিনায় ফেরেন, তখন চারপাশের বাতাসে যেন ফিরে এসেছিল হারিয়ে যাওয়া সেই ম ম গন্ধ।
রাস্তার দু’পাশে ভিড় জমিয়েছিলেন উৎসুক জনতা। ছোটদের চোখে কৌতূহল আর প্রবীণদের চোখে ছিল ফেলে আসা যৌবনের দীর্ঘশ্বাস। কেউ সেলফি তুলছিলেন, কেউ বা ভিড়ের মাঝে দাঁড়িয়ে দেখছিলেন বেহারাদের সেই মাপা কদম।
উল্লসিত এলাকাবাসী বলেনÑ“পালকি তো কেবল কাঠের একটা কাঠামো নয়; এ তো আমাদের সংস্কৃতির স্পন্দন। আজ এই দৃশ্য দেখে মনে হলো আমরা আবারও আমাদের সত্তাকে খুঁজে পেলাম।”
সময়ের বিবর্তনে পালকি আজ কেবল যাদুঘরের জড় বস্তু। কিন্তু অ্যাডভোকেট শিমুল ইসলামের এই ব্যতিক্রমী আয়োজন নতুন প্রজন্মের কাছে এক নীরব বার্তা পৌঁছে দিয়েছেÑসভ্যতা এগিয়ে চললেও শিকড়কে ভুলে যাওয়া মানেই শূন্যতা। স্থানীয়দের মতে, এই ধরনের শৌখিন ও ঐতিহ্যবাহী উদ্যোগ আমাদের হাজার বছরের কৃষ্টিকে নতুন করে জীবন দান করবে।
সাতক্ষীরার এই বিয়ে কেবল দুটি হৃদয়ের মিলন হয়ে থাকল না, এটি হয়ে উঠল হারিয়ে যাওয়া বাংলার গ্রামীণ ঐতিহ্যের এক পপ-আপ আর্ট, যা আগামী অনেক দিন এলাকাবাসীর মনে এক টুকরো অমলিন স্মৃতি হয়ে বেঁচে থাকবে।

 

 

 

 

 

 

Ads small one

সাতক্ষীরায় এলবিডব্লিউএফ-এর ব্যবসায়ী সমাবেশ অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৪৫ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় এলবিডব্লিউএফ-এর ব্যবসায়ী সমাবেশ অনুষ্ঠিত

সংবাদদাতা: সুদমুক্ত ও ইসলামী নীতিমালা অনুসরণ করে ব্যবসা পরিচালনায় ব্যবসায়ীদের উদ্বুদ্ধ করতে সাতক্ষীরায় ইন্ডাস্ট্রিয়ালিস্টস অ্যান্ড বিজনেসমেন ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন (এলবিডব্লিউএফ)-এর ব্যবসায়ী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) দুপুর ২টায় সাতক্ষীরার আল কুরআন একাডেমি অডিটোরিয়ামে জেলার বিশিষ্ট ব্যবসায়ীদের অংশগ্রহণে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

আইবিডব্লুউএফ সাতক্ষীরা জেলা শাখার সভাপতি মো. মহিউদ্দীন মাহমুদের সভাপতিত্বে এবং আবুল কাশেমের সঞ্চালনায় সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, কেন্দ্রীয় সভাপতি মুহম্মদ শহিদুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন কেন্দ্রীয় সহকারী জেনারেল সেক্রেটারি ইঞ্জিনিয়ার কাজী আবিদ হাসান। সমাবেশে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ও ব্লিস হাসপাতালের এমডি মো. আবু হাসান, আইবিডব্লুউএফের জেলা সেক্রেটারী কামাল হোসেন, ব্যবসায়ি মনিরুজ্জামান মনির, ইকরামুল কবির, সাইফুল্লাহ, আব্দুর হামিদ, কাজী সালাউদ্দিন, আবদুল্লাহ আল মাহমুদ, মোস্তাফিজুর রহমান প্রমুখ।

সমাবেশে ব্যবসার ক্ষেত্রে ইসলামী মূল্যবোধ, সততা, আমানতদারি ও সুদমুক্ত অর্থনৈতিক ব্যবস্থার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়। আয়োজকরা ব্যবসায়ীদের হালাল উপায়ে ব্যবসা পরিচালনা এবং সমাজ ও দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে আয়োজকদের পক্ষ থেকে ‘মাত্র ১০ হাজার টাকায় ব্যবসার দ্বার খুলবে’ শীর্ষক উদ্যোগের কথাও তুলে ধরা হয়।

 

 

সাতক্ষীরায় ইসলামী ব্যাংকের সচেতন গ্রাহক সমাবেশ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৪০ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় ইসলামী ব্যাংকের সচেতন গ্রাহক সমাবেশ

সংবাদদাতা: ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি-এর বর্তমান সংকট নিরসন, একচ্ছত্র সিদ্ধান্ত ও ব্যর্থতার বিরুদ্ধে এবং সততা, দক্ষতা ও পেশাদারিত্বের ভিত্তিতে পূর্ণাঙ্গ পরিচালনা পর্ষদ গঠনের দাবিতে সাতক্ষীরায় সচেতন গ্রাহক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় সাতক্ষীরায় ইসলামী ব্যাংকের মূল শাখার সামনে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।
ইসলামী ব্যাংক সচেতন গ্রাহক ফোরামের উদ্যোগে আয়োজিত সমাবেশে ব্যাংককে অনিয়ম ও দুর্নীতির হাত থেকে রক্ষা, গ্রাহকদের স্বার্থ সংরক্ষণ এবং ব্যাংকের সুষ্ঠু পরিচালনার দাবি জানানো হয়।

সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন অ্যাডভোকেট আবু তালেব। বক্তব্য রাখেন গ্রাহক জযনাল আবেদিন, এসকে মুনছুর আলী, বেলাল হোসেন ও সেলিম হোসেন।

বক্তারা ইসলামী ব্যাংকের বর্তমান সংকট নিরসনে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানান। একই সঙ্গে যোগ্য, সৎ ও দক্ষ ব্যক্তিদের সমন্বয়ে পূর্ণাঙ্গ ও স্বাধীন পরিচালনা পর্ষদ গঠনের আহ্বান জানান তারা।

সমাবেশ থেকে ইসলামী ব্যাংক সচেতন গ্রাহক ফোরামের পক্ষ থেকে ছয় দফা দাবি তুলে ধরা হয়। দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছেÑ১. বর্তমান চেয়ারম্যান জহির হোসেনকে পদত্যাগ বা অপসারণ করতে হবে। ২. ইসলামী অর্থনীতি ও ব্যাংকিংয়ে দক্ষ, যোগ্য, সৎ ও নিরপেক্ষ ব্যক্তিদের সমন্বয়ে পূর্ণাঙ্গ স্বাধীন পরিচালনা পর্ষদ গঠন করতে হবে। ৩. এস আলমের অবৈধভাবে অর্জিত ৮২ শতাংশ শেয়ার ও পাচারকৃত সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করে ব্যাংকের দায় শোধ এবং মূল উদ্যোক্তা ও আদি মালিকদের কাছে মালিকানা হস্তান্তরের ব্যবস্থা করতে হবে। ৪. ব্যাংকের পরিচালনায় স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে আগামী দুই বছর কোনো ঊর্ধ্বতন নির্বাহীকে চাকরি থেকে অব্যাহতি না দেওয়া এবং অভিজ্ঞ কর্মকর্তাদের চুক্তিভিত্তিক মেয়াদ নবায়ন করতে হবে। ৫. ব্যাংকের অভ্যন্তরে সক্রিয় এস আলমের চিহ্নিত দালাল ও সুবিধাভোগী কর্মকর্তাদের শনাক্ত করে বহিষ্কার করতে হবে। ৬. ব্যাংক লুটেরাদের বিচারে বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠন, পাচারকৃত অর্থ উদ্ধার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।

পূবালী ব্যাংক পিএলসির ক্যাশলেস ও কার্ড ব্যাংকিং ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৩৫ অপরাহ্ণ
পূবালী ব্যাংক পিএলসির ক্যাশলেস ও কার্ড ব্যাংকিং ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত

সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে পূবালী ব্যাংক পিএলসি, কার্ড বিজনেস ডিভিশন (প্রধান কার্যালয়, ঢাকা)-এর উদ্যোগে “ক্রেডিট কার্ড, ক্যাশলেস ও অন্যান্য ব্যাংকিং প্রডাক্টস ক্যাম্পেইন-২০২৬” অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১ টার অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পূবালী ব্যাংক খুলনা আঞ্চলিক কার্যালয়ের উপ-মহাব্যবস্থাপক ও অঞ্চল প্রধান শেখ মো. শামসুদ্দোহা।

এসময় সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজের মূল ফটক এবং হাসপাতাল প্রবেশদ্বারে ফিতা কেটে পূবালী ব্যাংকের দুটি বিশেষ বুথ ও স্টল উদ্বোধন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ড. কাজী আরিফ আহমেদ।

 

বিশেষ অতিথি ছিলেন পূবালী ব্যাংক কার্ড বিজনেস বিভাগের উপ-মহাব্যবস্থাপক ও বিভাগীয় প্রধান এন. এম. ফিরোজ কামাল এবং সম্মানীয় অতিথি ছিলেন হাসপাতালের উপ-পরিচালক ড. এস. এম. মনিরুজ্জামান। এছাড়া মঞ্চে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে আসন গ্রহণ করেন সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজের একাডেমিক কোঅর্ডিনেটর ড. হরষিত চক্রবর্তী এবং পূবালী ব্যাংক সাতক্ষীরা শাখার ব্যবস্থাপক ও সিনিয়র প্রিন্সিপাল অফিসার মো. ইকবাল হোসেন। পরবর্তীতে কলেজের শিক্ষার্থীরা অতিথিদের ফুল ও ক্রেস্ট দিয়ে বরণ করে নেন।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরআন থেকে তেলাওয়াত করেন কলেজ ও হাসপাতাল কেন্দ্রীয় মসজিদের পেশ ইমাম আব্দুস সালাম এবং পবিত্র শ্রীমদ্ভগবদ্গীতা থেকে পাঠ করেন পূবালী ব্যাংক পিএলসি., সাতক্ষীরা শাখার সিনিয়র অফিসার (সাপোর্ট ইঞ্জিনিয়ার) সুমন সাহা। প্রেসবিজ্ঞপ্তি