মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ১৫ বৈশাখ ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ১৫ বৈশাখ ১৪৩৩

বজ্রের আঘাতে মৃত্যু: সতর্কতার অভাব, নাকি নীরব দুর্যোগ?

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৫:০৮ অপরাহ্ণ
বজ্রের আঘাতে মৃত্যু: সতর্কতার অভাব, নাকি নীরব দুর্যোগ?

সচ্চিদানন্দ দে সদয়

বাংলাদেশের গ্রামাঞ্চলে বৈশাখের আকাশ যখন হঠাৎ কালো হয়ে ওঠে, দূরে কোথাও মেঘ গর্জে ওঠে, তখন প্রকৃতির এই স্বাভাবিক দৃশ্যই মুহূর্তের মধ্যে পরিণত হতে পারে মৃত্যুফাঁদে। বজ্রপাত-যা একসময় ছিল বিচ্ছিন্ন ও অপ্রত্যাশিত একটি প্রাকৃতিক ঘটনা-এখন ক্রমেই রূপ নিচ্ছে নিয়মিত এক দুর্যোগে।

 

সাম্প্রতিক সময়ে দেশের বিভিন্ন জেলায় একদিনেই একাধিক প্রাণহানির ঘটনা আমাদের মনে করিয়ে দেয়, এই সংকট আর উপেক্ষা করার মতো নয়। প্রশ্ন উঠছে-এই মৃত্যু কি শুধুই নিয়তির নির্মমতা, নাকি আমাদের প্রস্তুতির ঘাটতির ফল? এক দিনের চিত্র: বহু জীবনের অবসানসম্প্রতি দেশের অন্তত সাতটি জেলায় বজ্রপাতে ১৪ জনের মৃত্যুর ঘটনা সামনে এসেছে। গাইবান্ধা, সিরাজগঞ্জ, জামালপুর, ঠাকুরগাঁও, বগুড়া, নাটোর ও পঞ্চগড়-এই বিস্তৃত ভূগোল যেন একটাই বার্তা দেয়: বজ্রপাত এখন আর কোনো নির্দিষ্ট অঞ্চলের সমস্যা নয়, এটি জাতীয় সংকটে পরিণত হয়েছে।

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে একসঙ্গে তিন তরুণের মৃত্যু, মাঠে কাজ করতে গিয়ে কৃষকের প্রাণহানি, নদীর চরে গরু চরাতে গিয়ে বজ্রাঘাতে মৃত্যুবরণ-এই ঘটনাগুলো কেবল সংখ্যা নয়, এগুলো বাংলাদেশের প্রান্তিক মানুষের জীবনসংগ্রামের নির্মম প্রতিচ্ছবি। তাদের অধিকাংশই তখন জীবিকার প্রয়োজনে খোলা আকাশের নিচে ছিলেন-যেখানে বজ্রপাতের ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি। বজ্রপাতে নিহতদের একটি সাধারণ বৈশিষ্ট্য রয়েছে-তারা প্রায় সবাই কৃষক, দিনমজুর, জেলে বা শ্রমজীবী মানুষ। অর্থাৎ যারা দেশের অর্থনীতি ও খাদ্য নিরাপত্তার ভিত্তি, তারাই সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে। এটি কেবল একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগের চিত্র নয়; এটি সামাজিক বৈষম্যেরও প্রতিফলন।

 

শহরের মানুষ যখন দালানকোঠায় নিরাপদে থাকেন, তখন গ্রামাঞ্চলের কৃষক খোলা মাঠে কাজ করতে বাধ্য হন। তাদের জন্য কোনো নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্র নেই, নেই তাৎক্ষণিক সতর্কবার্তা পাওয়ার কার্যকর ব্যবস্থা। বিজ্ঞানীদের মতে, বজ্রপাত বৃদ্ধির পেছনে জলবায়ু পরিবর্তন একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ হতে পারে। বৈশ্বিক উষ্ণায়ন বাড়ার ফলে বায়ুম-লে তাপমাত্রা ও আর্দ্রতার পরিবর্তন ঘটে, যা বজ্রঝড়ের সম্ভাবনা বাড়ায়।

 

গবেষণায় দেখা গেছে, তাপমাত্রা প্রতি ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস বাড়লে বজ্রপাতের সম্ভাবনা প্রায় ১০ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেতে পারে। বাংলাদেশ, যা জলবায়ু পরিবর্তনের অন্যতম ঝুঁকিপূর্ণ দেশ, সেখানে এই প্রভাব আরও বেশি দৃশ্যমান হওয়াই স্বাভাবিক। এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন উঠে আসে: যদি বজ্রপাত বৃদ্ধির পেছনে মানবসৃষ্ট জলবায়ু পরিবর্তন দায়ী হয়, তাহলে এই মৃত্যু কি সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক? নাকি এটি আংশিকভাবে মানবসৃষ্ট দুর্যোগ? ২০১৬ সালে বাংলাদেশ সরকার বজ্রপাতকে প্রাকৃতিক দুর্যোগ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।

 

এর আগে বজ্রপাতে মৃত্যুর কোনো সরকারি হিসাবও রাখা হতো না। এই স্বীকৃতির ফলে অন্তত বিষয়টি রাষ্ট্রীয় গুরুত্ব পেয়েছে।কিন্তু বাস্তবতা হলো, এই স্বীকৃতির পরও মাঠপর্যায়ে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন খুব একটা দৃশ্যমান নয়। বজ্রনিরোধক টাওয়ার স্থাপন, গ্রামভিত্তিক নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ, আর্থিং ব্যবস্থার প্রসার-এসব উদ্যোগের কথা শোনা গেলেও এর কার্যকর বাস্তবায়ন সীমিত। বিশেষজ্ঞরা বারবার বলছেন, বজ্রপাতে মৃত্যুর বেশিরভাগ ঘটনাই প্রতিরোধযোগ্য।

 

কিছু সাধারণ সতর্কতা মানলেই অনেক প্রাণ বাঁচানো সম্ভব:বজ্রপাতের সময় খোলা মাঠে না থাকা, উঁচু গাছ বা বিদ্যুতের খুঁটির নিচে আশ্রয় না নেওয়া, পানিতে অবস্থান না করা, দ্রুত দালান বা ঘরের ভেতরে আশ্রয় নেওয়া, ঘরের ভেতরে ধাতব বস্তু স্পর্শ না করা, এই নির্দেশনাগুলো সহজ, কিন্তু সমস্যা হলো-এগুলো অনেক ক্ষেত্রেই ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর কাছে পৌঁছায় না। বিশেষ করে গ্রামীণ এলাকায় সচেতনতার ঘাটতি এখনো বড় বাধা। বজ্রপাত প্রতিরোধে তালগাছ লাগানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

 

ধারণা করা হয়, উঁচু গাছ বজ্রকে মাটিতে নামিয়ে দিতে সাহায্য করে। কিন্তু একটি তালগাছ বড় হতে ১৫-২০ বছর সময় লাগে। এই দীর্ঘ সময়ে কীভাবে বর্তমান ঝুঁকি মোকাবিলা করা হবে? অন্যদিকে বজ্রনিরোধক টাওয়ার স্থাপন একটি কার্যকর সমাধান হতে পারে। কিন্তু এটি ব্যয়বহুল এবং পরিকল্পিত বাস্তবায়ন প্রয়োজন। এখনো দেশের অধিকাংশ গ্রামে এ ধরনের কোনো অবকাঠামো নেই। বজ্রপাতে মৃত্যুর সঠিক পরিসংখ্যান এখনো নির্ভরযোগ্য নয়। গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরের ওপর ভিত্তি করে তথ্য সংগ্রহ করা হয়, ফলে অনেক ঘটনাই অজানা থেকে যায়।

 

এছাড়া আহত হয়ে পরে মারা যাওয়া বা মানসিক ট্রমার কারণে মৃত্যুর ঘটনাগুলোও পরিসংখ্যানে অন্তর্ভুক্ত হয় না। ফলে সমস্যার প্রকৃত গভীরতা আমরা পুরোপুরি উপলব্ধি করতে পারি না। বর্তমান সময়ে প্রযুক্তির ব্যবহার করে বজ্রপাতের আগাম সতর্কতা দেওয়া সম্ভব। আবহাওয়া অধিদপ্তর ও বিভিন্ন অ্যাপের মাধ্যমে বজ্রঝড়ের পূর্বাভাস দেওয়া হয়। কিন্তু এই তথ্য কি মাঠপর্যায়ের কৃষকের কাছে পৌঁছায়? মোবাইলভিত্তিক সতর্কবার্তা, স্থানীয় পর্যায়ে সাইরেন বা মাইকিং ব্যবস্থা-এসব উদ্যোগ গ্রহণ করা গেলে প্রাণহানি অনেক কমানো সম্ভব। বজ্রপাত মোকাবিলায় রাষ্ট্রের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কেবল নীতিনির্ধারণ নয়, তার কার্যকর বাস্তবায়নই আসল চ্যালেঞ্জ।

 

গ্রামভিত্তিক নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ, বজ্রনিরোধক টাওয়ার স্থাপন, আর্থিং ব্যবস্থা বাধ্যতামূলক করা, সচেতনতা বৃদ্ধি কর্মসূচি জোরদার করা, কৃষকদের জন্য বিশেষ সতর্কতা ব্যবস্থা চালু করা, এসব পদক্ষেপ গ্রহণ করা হলে পরিস্থিতির উন্নতি সম্ভব। বাংলাদেশে বজ্রপাতে মৃত্যু প্রায়ই ‘নিয়তি’ বলে মেনে নেওয়া হয়। কিন্তু বাস্তবতা হলো, এই মৃত্যুর বড় অংশই প্রতিরোধযোগ্য। প্রকৃতি তার নিয়মে চলবে, কিন্তু মানুষের দায়িত্ব হলো সেই ঝুঁকি কমানো। পরিকল্পনার অভাব, সচেতনতার ঘাটতি এবং অবকাঠামোগত দুর্বলতা-এই তিনটির সমন্বয়েই বজ্রপাত এখন প্রাণঘাতী হয়ে উঠছে। বজ্রপাতের শক্তিকে কাজে লাগানোর স্বপ্ন বিজ্ঞানীরা দেখছেন-এটি নিঃসন্দেহে ইতিবাচক।

 

কিন্তু তার আগে প্রয়োজন এই দুর্যোগ থেকে মানুষের জীবন রক্ষা করা। প্রতিটি প্রাণহানি একটি পরিবারকে ধ্বংস করে দেয়, একটি অর্থনৈতিক ভিত্তি নষ্ট করে দেয়। তাই বজ্রপাতকে আর অবহেলা করার সুযোগ নেই। এখনই সময় এটিকে একটি অগ্রাধিকার জাতীয় ইস্যু হিসেবে বিবেচনা করা, এবং সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে প্রতিরোধ গড়ে তোলা। না হলে প্রতি বৈশাখে আকাশের গর্জনের সঙ্গে আমাদের শুনতে হবে আরও অনেক মৃত্যুর খবর-যা আসলে ছিল প্রতিরোধযোগ্য।

লেখক: সংবাদকর্মী

 

Ads small one

তালায় ১৫ বছর শিকলবন্দী তরুণীর পাশে দাঁড়ালো উপজেলা প্রশাসন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:৩৩ অপরাহ্ণ
তালায় ১৫ বছর শিকলবন্দী তরুণীর পাশে দাঁড়ালো উপজেলা প্রশাসন

শহিন আলম, খলিষখালী (পাটকেলঘাটা): সাতক্ষীরার তালা উপজেলার খলিলনগর ইউনিয়নের প্রসাদপুর গ্রামের মোড়লপাড়ায় ২৪ বছর বয়সী মিতু নামের এক তরুণী গত প্রায় ১৫ বছর ধরে পায়ে শিকল ও বেড়ি দিয়ে বাঁধা অবস্থায় জীবন কাটাচ্ছে। এনিয়ে সম্প্রতি “তালায় ১৫ বছর ধরে শিকলবন্দী তরুণী, চিকিৎসা পেলে সুস্থতার আশা” শিরোনামে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর বিষয়টি প্রশাসনের নজরে আসে।

 

সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মিস আফরোজা আখতার এর নির্দেশে তালা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) রাহাত খান তালা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. খালিদ হাসান নয়নকে সঙ্গে নিয়ে মিতুর বাড়িতে সরেজমিন পরিদর্শনে যান। এ সময় তারা মিতুর শারীরিক ও মানসিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ করেন।

পরিদর্শন শেষে চিকিৎসক জানান, যথাযথ চিকিৎসা পেলে মিতুর সুস্থ হওয়ার যথেষ্ট সম্ভাবনা রয়েছে। এ আশ্বাসে পরিবারের মধ্যে কিছুটা স্বস্তি ফিরে আসে।

এ সময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিতুর মায়ের হাতে কিছু শুকনো খাবার ও নগদ অর্থ তুলে দেন। পাশাপাশি তিনি মিতুর সম্পূর্ণ চিকিৎসার দায়িত্ব নেওয়ার আশ্বাস দেন এবং উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করানোর কথা জানান।

সাতক্ষীরায় সড়কের পাশে মরা গরু ফেলে রাখায় জনদুর্ভোগ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:২২ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় সড়কের পাশে মরা গরু ফেলে রাখায় জনদুর্ভোগ

ইব্রাহিম খলিল: সাতক্ষীরা সদর উপজেলার বিনেরপোতা সংলগ্ন বাইপাস সড়কের পাশে একটি মরা গরু ফেলে রাখার ঘটনায় জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হয়েছে। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) দুপুরের দিকে মরা গরুটিকে সেখানে ফেলে রেখে যায় বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

এলাকাবাসী জানান, জনবহুল সড়কের পাশে এভাবে মরা প্রাণী ফেলে রাখা অত্যন্ত দায়িত্বজ্ঞানহীন কাজ। সময় যত গড়াচ্ছে, ততই গরুটি পচে তীব্র দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এতে পথচারী ও আশপাশের বাসিন্দারা চরম ভোগান্তিতে পড়তে পারেন। স্থানীয়রা জানান, প্রতিনিয়ত সড়কের পাশে এভাবে বিভিন্ন মৃত পশু ফেলে রাখা হয়। এতে পরিবেশ দূষণের পাশাপাশি জনস্বাস্থ্যের ওপর মারাত্মক ক্ষতিকর প্রভাব পড়ছে।

এলাকার বাসিন্দা আব্দুল জলিল বলেন, রাস্তার পাশে এভাবে মরা গরু ফেলে রাখায় আমরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছি। কিছু সময় পরই দুর্গন্ধ ছড়াবে, তখন চলাচল করাই কঠিন হয়ে যাবে। দ্রুত এটি অপসারণ করা দরকার। এ ঘটনায় দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য স্থানীয়রা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। পাশাপাশি দায়ীদের শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিও জানিয়েছেন তারা।

এ বিষয়ে সাতক্ষীরা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অর্ণব দত্ত বলেন, উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসকে বিষয়টি জানানো হয়েছে। দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে মরা গরুটি অপসারণ করা হবে। জনস্বার্থে বিষয়টি দ্রুত সমাধানে প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী।

কলারোয়ায় আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:১০ অপরাহ্ণ
কলারোয়ায় আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা

কলারোয়া প্রতিনিধি: কলারোয়ায় আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে উপজেলা নির্বাহী অফিসার আরিফুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ সভায় আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক আলোচনা ও সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সভায় মাদক ও সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে চলমান পদক্ষেপ আরো জোরদার করা এবং শহরের যানজট, পরিচ্ছন্নতা, ট্রাক টার্মিনাল ও সড়ক সংস্কারসহ বিভিন্ন বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

 

অতিথি ছিলেন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আরএমও ডা. বাপ্পী কুমার দাশ, থানার অফিসার ইনচার্জ এইচএম শাহীন, উপজেলা বিএনপির মুখপাত্র সাবেক অধ্যক্ষ রইছ উদ্দিন, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শেখ শরিফুজ্জামান তুহিন, পৌর জামায়াতের আমির সহকারী অধ্যাপক ইউনুস আলী বাবু, মাওলানা আহম্মদ আলি, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডঃ আব্দুল্লাহ আল মামুন, সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা সাইদুর রহমান রেজা, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা নূরে আলম নাহিদ, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা নুরুন নাহার আক্তার, উপজেলা সহকারী প্রোগ্রামার মোতাহার হোসেন, ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন কমান্ডার হুমায়ুন কবির, ইউপি চেয়ারম্যান মোয়াজ্জেম হোসেন, মাহবুবুর রহমান মফে, বিশাখা তপন সাহা, কলারোয়া প্রেসক্লাবের যুগ্ম আহবায়ক এমএ সাজেদ, সাংবাদিক শেখ জুলফিকারুজ্জামান জিল্লু, কাজী সিরাজ, জাহিদুল ইসলাম, দেলোয়ার হোসেন প্রমুখ।