বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩

খোলা কলাম: অসহায় মানুষের নির্ভরতার ঠিকানা লিগ্যাল এইড

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:৪০ পূর্বাহ্ণ
খোলা কলাম: অসহায় মানুষের নির্ভরতার ঠিকানা লিগ্যাল এইড

গাজী হাবিব
সমাজে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার অন্যতম প্রধান শর্ত হলো সবার জন্য আইনের সমান সুযোগ নিশ্চিত করা। কিন্তু বাস্তবতা হলো – অর্থনৈতিক সীমাবদ্ধতা, সামাজিক প্রভাব এবং নানা প্রতিকূলতার কারণে দেশের অসংখ্য দরিদ্র ও প্রান্তিক মানুষ দীর্ঘদিন ধরেই বিচার থেকে বঞ্চিত হয়ে আসছিলেন। এই প্রেক্ষাপটে রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে পরিচালিত লিগ্যাল এইড কার্যক্রম আজ অসহায় মানুষের জন্য এক নির্ভরযোগ্য আশ্রয়স্থলে পরিণত হয়েছে।
বাংলাদেশে সরকারি আইনগত সহায়তা কার্যক্রম প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পায় ২০০০ সালে “আইনগত সহায়তা প্রদান আইন” পাসের মাধ্যমে এবং ২০০১ সালে জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান সংস্থা প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়ে। তবে কার্যক্রমে গতিশীলতা আসে ২০০৯ সালে পুনর্গঠনের পর। জেলা পর্যায়ে অফিস স্থাপন, স্থানীয় কমিটি গঠন এবং ব্যাপক জনসচেতনতা কার্যক্রম চালুর ফলে সাধারণ মানুষের মধ্যে এ সেবা সম্পর্কে জানার আগ্রহ ও অংশগ্রহণ দ্রুত বৃদ্ধি পায়।
পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করলে এই অগ্রগতির চিত্র আরও স্পষ্ট হয়। ২০০৯ সালে যেখানে মাত্র ৯ হাজার ১৬০ জন মানুষ এই সেবা গ্রহণ করেছিলেন, সেখানে ২০১৪ সালে তা বেড়ে দাঁড়ায় ২৫ হাজারেরও বেশি। সময়ের ধারাবাহিকতায় এই সংখ্যা ক্রমাগত বৃদ্ধি পেয়ে ২০২৬ সালের মার্চ পর্যন্ত মোট ১৪ লাখ ৩৭ হাজার ৭৩৬ জনে পৌঁছেছে। শুধু সংখ্যাগত বৃদ্ধি নয়, এই তথ্য প্রমাণ করে – আইনগত সহায়তা এখন মানুষের আস্থার জায়গায় পরিণত হয়েছে। বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, সেবা গ্রহণকারীদের মধ্যে নারীর সংখ্যা ক্রমেই বৃদ্ধি পেয়েছে, যা সমাজে নারীর অধিকার সচেতনতার ইতিবাচক পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেয়।
লিগ্যাল এইড কার্যক্রমের আওতায় শুধু মামলা পরিচালনাই নয়, বরং একটি পূর্ণাঙ্গ আইনি সহায়তা ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে- বিনামূল্যে আইনগত পরামর্শ, মামলা দায়ের ও পরিচালনা, আইনজীবী নিয়োগ, মধ্যস্থতার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তি (অউজ), আদালতের খরচ বহন, ডিএনএ পরীক্ষার ব্যয় প্রদান, রায়ের অনুলিপি সরবরাহসহ আরও নানা সেবা। ফলে একজন দরিদ্র মানুষ শুধু মামলা করার সুযোগই পাচ্ছেন না, বরং পুরো বিচার প্রক্রিয়াটি নির্বিঘেœ সম্পন্ন করার জন্য প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তাও পাচ্ছেন।
এই কার্যক্রমের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো এর সহজপ্রাপ্যতা ও প্রযুক্তিনির্ভরতা। দেশের যেকোনো প্রান্ত থেকে ১৬৬৯৯ নম্বরে ফোন করে আইনি পরামর্শ গ্রহণ করা যায়। এছাড়া ‘বিডি লিগ্যাল এইড’ অ্যাপ চালুর মাধ্যমে অনলাইনেও সেবা গ্রহণের সুযোগ তৈরি হয়েছে। বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশিরাও নির্দিষ্ট নম্বরে যোগাযোগ করে এই সুবিধা নিতে পারছেন। ডিজিটাল উদ্যোগের ফলে সেবা প্রাপ্তি আরও সহজ ও দ্রুত হয়েছে।
লিগ্যাল এইড কার্যক্রমের প্রভাব বিচার ব্যবস্থায়ও দৃশ্যমান। মামলার নিষ্পত্তির হার উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। ২০০৯ সালে যেখানে মাত্র ৩ হাজার ৫২৪টি মামলা নিষ্পত্তি হয়েছিল, সেখানে ২০২৬ সালের মার্চ পর্যন্ত মোট নিষ্পত্তিকৃত মামলার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৩৩ হাজার ৬৫৫-এ। বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি পদ্ধতির ব্যবহারের ফলে অনেক ক্ষেত্রে দীর্ঘমেয়াদি মামলা এড়ানো সম্ভব হচ্ছে, যা বিচার ব্যবস্থার ওপর চাপ কমাতেও সহায়তা করছে।
কারা এই সেবা পাওয়ার যোগ্য- এ প্রশ্নের উত্তরও গুরুত্বপূর্ণ। লিগ্যাল এইড মূলত আর্থিকভাবে অসচ্ছল, সহায়-সম্বলহীন, নির্যাতিত ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য পরিচালিত হলেও, আইনগত তথ্য ও পরামর্শ সেবা যে কেউ গ্রহণ করতে পারেন। বিশেষভাবে সুবিধাপ্রাপ্তদের মধ্যে রয়েছেন- দরিদ্র নারী, শিশু, প্রতিবন্ধী ব্যক্তি, বয়স্ক ভাতা প্রাপ্ত নাগরিক, মানবপাচারের শিকার ব্যক্তি, এসিডদগ্ধ নারী-শিশু, স্বামী পরিত্যক্তা বা বিধবা নারী, বিনা বিচারে আটক অসচ্ছল ব্যক্তি এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত জনগণ। অর্থাৎ, সমাজের সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীকে আইনের সুরক্ষার আওতায় আনার জন্যই এই উদ্যোগ।
সাতক্ষীরা জেলায় লিগ্যাল এইড তার কার্যক্রম চলমান রেখেছে প্রায় শুরু থেকেই। তবে দেশের সামগ্রীক অবস্থানে এ জেলার অনেক মানুষ এখনো জানে না লিগ্যাল এইড কি? শুরুর দিকে এ সংখ্যা একেবারে শূণ্যের কাছাকাছি থাকলেও উপকূলীয় জেলা হিসেবে এখানে অনেক এনজিও সরকারের এই সেবাকে মানুষের দোরগোড়ায় কিছুটা হলেও পৌঁছাতে সক্ষম হয়েছে। তবে তার পরিমান এ জেলার মোট জনগোষ্ঠীর অর্ধেকের কাছাকাছি হবে।
এ জেলার সাতটি উপজেলার মধ্যে সব থেকে নাজুক অবস্থানে আছে- উপকূলীয় তিন উপজেলা। যে এলাকার মানুষ প্রতি পদে পদে প্রভাবশালীদের দ্বারা নির্যাতিত হয়। আর এ নির্যাতন তালিকায় দীর্ঘ সারিতে অসহায় নারীরা সবথেকে বড় স্থান দখল করে আছে। লিগ্যাল এইড সম্পর্কিত যে কোন ধরনের বিষয়ে প্রচার-প্রসারে এ অবস্থান থেকে আরো বেশি মানুষকে সরকারী সহায়তার আওতায় আনা সম্ভব।
এই কার্যক্রম বাস্তবায়নে সরকার একা নয়; আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগী সংস্থাগুলোর সহায়তাও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি), মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন এবং ইউকেএআইডি শুরু থেকেই সরকারের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করছে, যা এই উদ্যোগকে আরও কার্যকর করেছে।
তবে সব সাফল্যের মাঝেও কিছু চ্যালেঞ্জ রয়ে গেছে। এখনও অনেক মানুষ এই সেবার বিষয়ে অবগত নন। গ্রামীণ ও প্রত্যন্ত অঞ্চলে সচেতনতা আরও বাড়ানো প্রয়োজন। পাশাপাশি সেবার মান উন্নয়ন, দ্রুততা নিশ্চিত করা এবং সংশ্লিষ্টদের জবাবদিহিতা বাড়ানোও জরুরি। এক্ষেত্রে স্থানীয় সরকার তথা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানদের সরাসরি সম্পৃক্ত করে তাদের মাধ্যমে যদি ইউনিয়নের প্রতিটা ওয়ার্ডে পর্যায়ক্রমে আলোচনা সভার আয়োজন করে অসহায় মানুষের কাছে দ্রুত পৌঁছানো সম্ভব।
লিগ্যাল এইড অসহায় মানুষের ন্যায়বিচারের পথে একটি শক্তিশালী সেতুবন্ধন। রাষ্ট্র চাইলে তার সবচেয়ে দুর্বল নাগরিকের পাশেও দাঁড়াতে পারে। একসময় যে মানুষগুলো বিচার পাওয়ার আশা ছেড়ে দিয়েছিলেন, আজ তারা জানে- আইন তাদের জন্যও সমানভাবে প্রযোজ্য। আর এই বিশ্বাসই একটি ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গঠনের মূল ভিত্তি। লেখক: সাংবাদিক ও অধিকার কর্মী। লেখক: সংবাদকর্মী

Ads small one

সিসিডিবি’র উদ্যোগে শ্যামনগরে সমমনা সংস্থাগুলোর কর্মশালা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ১:২১ পূর্বাহ্ণ
সিসিডিবি’র উদ্যোগে শ্যামনগরে সমমনা সংস্থাগুলোর কর্মশালা

শ্যামনগর প্রতিনিধি: শ্যামনগরে সরকারি ও বেসরকারি সমমনা সংস্থাগুলোর অংশগ্রহণে সিসিআরসি ও আরবিএ বিষয়ক এক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত ২৪ জুন দুপুরে উপজেলা পরিষদ হলরুমে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা সিসিডিবি এই কর্মশালার আয়োজন করে।
কর্মশালার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন সিসিডিবি’র উপজেলা সমন্বয়কারী স্টিভ রায় রূপন। সিসিডিবি’র রেজিলিয়েন্স বিল্ডিং ম্যানেজার সামিউল আলিম পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে মূল বিষয়বস্তু তুলে ধরেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইউএনও শামসুজ্জামান কনক। এ সময় উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রাশেদ হোসাইন, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা সারিদ বিন শফিক, সমাজসেবা কর্মকর্তা দেলোয়ার হোসেন ও স্থানীয় সংবাদকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

জমি বিরোধে গাছ কাটার অভিযোগ, দেবহাটায় আদালতে মামলা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ১:১৮ পূর্বাহ্ণ
জমি বিরোধে গাছ কাটার অভিযোগ, দেবহাটায় আদালতে মামলা

দেবহাটা প্রতিনিধি: দেবহাটা উপজেলার বসন্তপুর গ্রামে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে গাছপালা কেটে ফেলা এবং জোরপূর্বক জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে। বসন্তপুর গ্রামের বৈদ্যনাথ দাস বাদী হয়ে শংকর দাস ও দিপঙ্কর দাসসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে সাতক্ষীরার বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এই মামলা (নং-৪০৬/২০২৬) দায়ের করেন।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, বসন্তপুর মৌজার ৫৮ শতক পৈতৃক সম্পত্তির একটি রাস্তা নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিনের বিরোধ রয়েছে, যা নিয়ে আগেও একটি মামলা আদালতে বিচারাধীন আছে। বাদীর অভিযোগ, চলমান মামলার তোয়াক্কা না করে প্রতিপক্ষ জোরপূর্বক তাঁর জমিতে প্রবেশ করে বিভিন্ন গাছগাছালি কেটে সাবাড় করেছে এবং জমি দখলের চেষ্টা চালিয়েছে। বিবাদীদের আর্থিক ও সামাজিক প্রভাবের কারণে তাঁর পরিবার এখন চরম নিরাপত্তাহীনতা ও মানবেতর জীবনযাপন করছে উল্লেখ করে তিনি প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

 

উচ্ছেদ অভিযানে নিঃস্ব হওয়ার শঙ্কা: জেলা পরিষদ প্রশাসকের হস্তক্ষেপ চান কুলিয়াবাসী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ১:১৬ পূর্বাহ্ণ
উচ্ছেদ অভিযানে নিঃস্ব হওয়ার শঙ্কা: জেলা পরিষদ প্রশাসকের হস্তক্ষেপ চান কুলিয়াবাসী

কুলিয়া (দেবহাটা) প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা-ভেটখালি মহাসড়ক উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় আলিপুর থেকে কুলিয়া বাজার পর্যন্ত অংশে সরকারি খাস জমিতে উচ্ছেদ অভিযান নিয়ে চরম উদ্বেগ তৈরি হয়েছে স্থানীয় বাসিন্দাদের মাঝে। সড়কের ‘অপ্রয়োজনীয় অংশ’ উচ্ছেদ না করে কেবল মূল কাজের জন্য যতটুকু প্রয়োজন, ততটুকু জমি ব্যবহারের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা। এ বিষয়ে গত ২৪ জুন জেলা পরিষদ প্রশাসকের কাছে একটি লিখিত স্মারকলিপি দিয়েছেন তাঁরা। আগামী ৮ ও ৯ জুলাই সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের পক্ষ থেকে মহাসড়কের দুই পাশের অবৈধ স্থাপনা অপসারণের জন্য বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে স্থানীয় সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীরা সাতক্ষীরা জেলা পরিষদ প্রশাসক ও সাবেক সংসদ সদস্য হাবিবুল ইসলাম হাবিবের কার্যালয়ে গিয়ে তাঁর হাতে আবেদনপত্রটি তুলে দেন।
এ সময় কুলিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি হামিদুল হক শামীম, সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন বাবলু, কুলিয়া বাজার কমিটির সভাপতি রুহুল আমিন, সাধারণ সম্পাদক আবু হুরাইরা এবং সমাজসেবক মোজাম্মেল হোসেনসহ (মিনু ডাক্তার) এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। জেলা পরিষদ প্রশাসক ভুক্তভোগীদের বক্তব্য গুরুত্বসহকারে শোনেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে বাস্তবসম্মত সমাধানের আশ্বাস দেন।
স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, এলাকার অর্থনৈতিক চালিকাশক্তি হিসেবে পরিচিত সাতক্ষীরা-ভেটখালি মহাসড়কের উন্নয়ন কাজকে স্থানীয়রা স্বাগত জানান। তবে সওজ-এর নকশা অনুযায়ী ঢালাওভাবে উচ্ছেদ করা হলে বহু ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী তাঁদের দোকান, পুঁজি ও জীবিকা হারিয়ে পুরোপুরি নিঃস্ব হয়ে পড়বেন। গ্রামীণ অর্থনীতি, মাছের শেড ও স্থানীয় বাজার ব্যবস্থা এতে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। এ ছাড়া সড়কের পাশে দীর্ঘদিন ধরে বসবাসকারী বহু ভূমিহীন পরিবার মাথা গোঁজার শেষ আশ্রয়টুকু হারানোর ঝুঁকিতে রয়েছে। মানবিক ও সামাজিক দিক বিবেচনা করে সড়ক উন্নয়নে যতটুকু জমি অপরিহার্য, ঠিক ততটুকু রেখে বাকি অংশ উচ্ছেদ না করার জোর দাবি জানানো হয়েছে।