মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩

বিদায় নিচ্ছেন টিম কুক, অ্যাপলের সিইও পদে নতুন মুখ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৫৬ অপরাহ্ণ
বিদায় নিচ্ছেন টিম কুক, অ্যাপলের সিইও পদে নতুন মুখ

দীর্ঘ প্রায় ১৫ বছরের সফল যাত্রার অবসান ঘটিয়ে অ্যাপলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার (সিইও) পদ থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন টিম কুক। স্টিভ জবসের উত্তরসূরি হিসেবে দায়িত্ব নেওয়া কুকের অধীনে আইফোন-কেন্দ্রিক প্রবৃদ্ধির সময় কোম্পানিটির বাজারমূল্য বেড়েছে ৩.৬ ট্রিলিয়ন ডলারের বেশি। মার্কিন বার্তাসংস্থা এপি এ খবর জানিয়েছে।

আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে ৬৫ বছর বয়সী টিম কুক সিইওর দায়িত্ব হস্তান্তর করবেন অ্যাপলের হার্ডওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রধান জন টার্নাসের হাতে।

এক বিবৃতিতে টিম কুক বলেন, অ্যাপলের সিইও হিসেবে দায়িত্ব পালন করা এবং এমন একটি অসাধারণ প্রতিষ্ঠানকে নেতৃত্ব দেওয়ার সুযোগ পাওয়া আমার জীবনের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি।

তবে দায়িত্ব ছাড়লেও কুক অ্যাপলের সঙ্গে যুক্ত থাকছেন। তিনি প্রতিষ্ঠানটির এক্সিকিউটিভ চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। এর আগে আমাজনের জেফ বেজোস এবং নেটফ্লিক্সের রিড হেস্টিংসও একই ধরনের প্রক্রিয়ায় দায়িত্ব হস্তান্তর করেছিলেন।

অ্যাপলের পরবর্তী সিইও ৫০ বছর বয়সী জন টার্নাস গত ২৫ বছর ধরে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে রয়েছেন। গত পাঁচ বছর তিনি আইফোন, আইপ্যাড ও ম্যাকের প্রকৌশল কার্যক্রম তত্ত্বাবধান করেছেন, যা তাকে কুকের উত্তরসূরি হওয়ার লড়াইয়ে প্রধান প্রার্থী করে তুলেছিল। এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, অ্যাপলের লক্ষ্য এগিয়ে নেওয়ার এই সুযোগ পেয়ে আমি গভীরভাবে কৃতজ্ঞ।

অ্যাপলের এই শীর্ষ নেতৃত্ব পরিবর্তন এমন এক সময়ে ঘটছে যখন প্রযুক্তি বিশ্বে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) নিয়ে বড় ধরনের পরিবর্তন চলছে। ২০০৭ সালে প্রথম আইফোন উন্মোচনের পর শিল্পখাতে বর্তমানে এআই-এর প্রভাবে সবচেয়ে বেশি পরিবর্তন লক্ষ করা যাচ্ছে। তবে প্রতিষ্ঠানটি এআই ক্ষেত্রে শুরুর দিকে কিছুটা পিছিয়ে পড়ে। প্রায় দুই বছর আগে ঘোষিত নতুন ফিচার বাস্তবায়নে বিলম্বের পর চলতি বছর আইফোনের ভার্চুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্ট সিরি-কে আরও কার্যকর করতে গুগলের সহায়তা নিতে হয়েছে অ্যাপলকে।

স্টিভ জবসের মতো দূরদর্শিতা নিয়ে প্রশ্ন থাকলেও, তার রেখে যাওয়া উদ্ভাবন ও আইফোনের জনপ্রিয়তাকে কাজে লাগিয়ে অ্যাপলকে অভাবনীয় উচ্চতায় নিয়ে গেছেন টিম কুক। নব্বই দশকের মাঝামাঝিতে দেউলিয়া হওয়ার দ্বারপ্রান্তে থাকা অ্যাপল টিম কুকের হাত ধরে অকল্পনীয় সাফল্যের চূড়ায় পৌঁছেছে।

Ads small one

বাংলাদেশে গম পাচারের অভিযোগে নায়িকা নুসরাতকে তলব

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:২৫ অপরাহ্ণ
বাংলাদেশে গম পাচারের অভিযোগে নায়িকা নুসরাতকে তলব

বিনোদন ডেস্ক: বাংলাদেশে গম পাচারের অভিযোগ ঘিরে অভিনেত্রী ও সাবেক সংসদ সদস্য নুসরাত জাহানকে তলব করেছে ভারতের কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)।

ভারতীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, রেশন দুর্নীতি ও সীমান্ত দিয়ে খাদ্যশস্য পাচারের একটি মামলার তদন্তে তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হয়েছে। এ লক্ষ্যে তাকে নির্ধারিত দিনে কলকাতার সিজিও কমপ্লেক্সে হাজির থাকতে বলা হয়েছে।

তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, করোনা সময়কালে সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে একাধিক ট্রাক আটক করা হয়েছিল, যেগুলোতে সরকারি রেশন ব্যবস্থার গম ও চাল বাংলাদেশে পাচারের অভিযোগ ওঠে। সেই সময় বসিরহাটের সাংসদ ছিলেন নুসরাত জাহান, তাই তদন্তের অংশ হিসেবে তার ভূমিকা সম্পর্কেও জানতে চায় ইডি।

তবে এই তলব সরাসরি কোনও গ্রেপ্তারি পরোয়ানা নয়, বরং তদন্তের অংশ হিসেবে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ। এ বিষয়ে এখনো নুসরাত জাহানের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনও বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

সব মিলিয়ে, গম পাচার ও রেশন দুর্নীতির এই তদন্ত এখন নতুন করে আলোচনায় এনে দিয়েছে নুসরাত জাহানকে।

যখন ছবিটা সময় পেরিয়েও থেকে যাবে, সাফল্য তখনই: শঙ্খ দাসগুপ্ত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:২৩ অপরাহ্ণ
যখন ছবিটা সময় পেরিয়েও থেকে যাবে, সাফল্য তখনই: শঙ্খ দাসগুপ্ত

নির্মাতা শঙ্খ দাশগুপ্ত পরিচালিত চরকি অরিজিনাল ফিল্ম ‘চা গরম’ বেশ আলোচিত এবং প্রশংসা পাচ্ছে। যারা দেখেছেন, সবাই ভালো বলছেন। নির্মাতার সাফল্য হয়তো এটাই? কিন্তু না শঙ্খ দাশগুপ্তের কাছে এটাই চূড়ান্ত সাফল্য নয়। তাহলে কখন নিজেকে সফল মনে হবে শঙ্খর?

তার উত্তর, “সবাই ভালো বলছে এটা নিশ্চয়ই ভালো লাগার। কিন্তু এটাকে চূড়ান্ত সাফল্য বলব না। আমার কাছে সাফল্য তখনই, যখন ছবিটা সময় পেরিয়েও থেকে যাবে, বা কেউ আবার ফিরে এসে দেখবে। আর সবচেয়ে বড় কথা পরের কাজে নিজেকে নতুনভাবে আবিষ্কার করতে পারলে, সেটাই আসল সাফল্য।”

শঙ্খ দাশগুপ্তের কথার মিল খুঁজতে একটু পেছনে যেতে হবে। তার পরের কাজটা কী, সেটা এখনও প্রকাশিত না। কিন্তু ‘চা গরম’– এর আগের কাজ বা তার আগের কাজগুলো দেখে আসলে হয়তো শঙ্খর নিজেকে আবিষ্কারের চর্চাটি বোঝা যেতে পারে।

‘চা গরম’–এর আগে শঙ্খ নির্মাণ করেছেন তার প্রথম চলচ্চিত্র ‘প্রিয় মালতী’ তার আগে তিনি নির্মাণ করেছেন চরকি অরিজিনাল সিরিজ ‘গুটি’। এসব কনটেন্টের বিষয়বস্তু এবং নির্মাণে নির্মাতা নিজেকে ভাঙতে বা আবিষ্কার যেমন করতে চেয়েছেন আবার কিছু সাদৃশ্যও রেখে গেছেন।

‘গুটি’, ’প্রিয় মালতী’ এবং এখনকার ‘চা গরম’– তিনটি কনটেন্টেই নির্মাতা আশ্রয় করেছেন নারী চরিত্রকে। অর্থাৎ গল্পগুলো এগিয়ে নিয়ে গেছেন কোনো নারী চরিত্র বা নারী চরিত্রকে সামনে রেখে সমস্যা এবং সম্ভাবনা দেখানোর চেষ্টা আছে। এটা সচেতনভাবেই করেলন কী শঙ্খ দাশগুপ্ত?

তার উত্তর, ‘নারী চরিত্রকে সামনে আনা কোনো স্টেটমেন্ট দেয়ার চেষ্টা নয়। বাস্তবে অনেক সময় নারীরাই নীরবে সবচেয়ে বড় চাপ, দ্বন্দ্ব আর পরিবর্তনের জায়গাগুলো বহন করে। ‘গুটি’, ‘প্রিয় মালতী’ বা ‘চা গরম’-এও সেই বাস্তবতাটাই ধরতে চেয়েছি! সমস্যা যেমন আছে, সম্ভাবনাও আছে।”

নাকি শঙ্খ নারী কেন্দ্রীক বা নারীর ক্ষমতায়নের গল্প বলতে ভালোবাসেন?

“‘ওম্যান সেন্ট্রিক গল্প বলতেই হবে এমন কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। কিন্তু যদি গল্প নিজে থেকেই সেই দিকে নিয়ে যায়, আমি থামাই না। আমার কাছে চরিত্রটাই আগে, সে নারী না পুরুষ, সেটা পরে।” পরিষ্কার করলেন তিনি।

‘গুটি’, ‘প্রিয় মালতী’, ‘চা গরম’– শঙ্খর তিন কাজেই রাজনীতি ও ধর্মীয় কিছু দৃষ্টিভঙ্গি আছে। যারা দেখেছেন, বুঝতে পারবেন। নির্মাণে এসব স্পর্শকাতর বিষয় এড়িয়ে যাওয়ার প্রবণতা দেখান নি নির্মাতা। এগুলো যেহেতু বাস্তবতা সেহেতু তার নির্মাণে থাকতেই পারে। কিন্তু এটাও কি একটা প্যাটার্ন হয়ে যাচ্ছে কি না তার কাজে?

শঙ্খ মনে করেন, “রাজনীতি বা ধর্ম এগুলো আলাদা করে ঢোকানোর কিছু নেই, এগুলো আমাদের জীবনের অংশ। তাই গল্পে এলে সেটাকে এড়িয়ে যাওয়া কৃত্রিম লাগে। তবে প্যাটার্ন হয়ে যাচ্ছে কিনা এই প্রশ্নটা আমার কাছেও গুরুত্বপূর্ণ। নিজেকে বারবার ভাঙার চেষ্টা করছি।”

কিন্তু এই ভাঙার চেষ্টা করেও নিজের শেষ তিন কাজে একটা ঢং ভাঙতে পারেননি শঙ্খ দাশগুপ্ত। কোনো এক কারণে তার শেষ তিন কাজের প্রতিটিতেই মূল চরিত্রের পাশাপাশি আরেকটি চরিত্র গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। দর্শকরা তাদের অনুভূতির বহিঃপ্রকাশে অনেক সময় প্রোটাগনিস্টের চেয়ে ‘সাইড ক্যারেক্টার’–এর প্রতি রাগ বা ভালোবাসা বেশি দেখিয়েছেন।

যেমন বলা যায়, ‘গুটি’তে শাহরিয়ার নাজিম জয়, ‘প্রিয় মালতী’–তে রিজভী রিজু, শাহজাহান সম্রাট দর্শকদের নজর কেড়েছেন। ‘চা গরম’–এ রবিন চাঁদ মুর্মূ চরিত্রটি তো এক কাঠি সরেস।

শঙ্খ জানালেন, তিনি আসলে ‘হিরো’–‘নায়ক’ এসব বানাতে আগ্রহী নন। তিনি মানুষ–চরিত্র বানাতে আগ্রহী। তাই অনেক সময় মূল চরিত্র না হয়েও অন্য চরিত্রগুলো বেশি স্পেস পেয়ে যেতে পারে বা বেশি মনে থাকে। নির্মাতা বলেন, ‘জীবনেও তো তাই হয়! সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মানুষটা সবসময় কেন্দ্রের মানুষটা হয় না।’

শঙ্খ দাশগুপ্তের কাজে বিষয়বস্তু, চিত্রায়ণের পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো সংলাপ। ছোট ছোট সংলাপে খুবই গুরুত্পূর্ণ তথ্য বা ইঙ্গিত দিয়ে থাকেন তিনি। মনোযোগী দর্শক না হলে সেগুলো বের করা কঠিনই বটে। কিন্তু এই কঠিন কাজটা করতে গিয়ে পুরো বিষয়টাই গুরুগম্ভীর হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

শঙ্খ বিষয়টি যেভাবে দেখেন, “হ্যাঁ, সংলাপ নিয়ে আমি সচেতন। কারণ আমার কাছে সংলাপ শুধু তথ্য দেয় না, একটা ইমেজ তৈরি করে। তবে গুরুগম্ভীর হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে এটা ঠিক। সেই ব্যালান্সটাই খোঁজার চেষ্টা করি সবসময়।”

শেষবারের মতো ’চা–গরম’–এ ফেরা যাক। চা বাগানের থেকে, সেখানকার মানুষের সঙ্গে মিশে ‘চা গরম’ করেছেন শঙ্খ দাশগুপ্ত। চা বাগানের শ্রমিকদের নানা বিষয় জাতীয় ইস্যু হতেও দেখা গেছে। তেমন একটি বিষয় নিয়ে নির্মাণ করতে গিয়ে শঙ্খ যে পরিসরে সিনেমাটি নির্মাণ করলেন বা যে পরিমিতি তিনি দেখালেন সেটা কী পর্যাপ্ত বা ঠিক মনে হলো?

শঙ্খ দাশগুপ্ত বললেন, “জাতীয় ইস্যু বলেই আমি এটাকে বড় করে বলার চেষ্টা করিনি। বরং ছোট পরিসর, নির্দিষ্ট মানুষ আর তাদের দৈনন্দিনতার ভেতর দিয়ে বলেছি। আমার বিশ্বাস- গল্পটা যখন ব্যক্তিগত হয়, তখনই সেটা আসলে বড় হয়ে ওঠে। তাই টোনটা ইচ্ছাকৃতভাবেই সংযত।”

গত ১৪ এপ্রিল চরকিতে মুক্তি পেয়েছে ’চা গরম’ ফিল্মটি। সাইফুল্লাহ রিয়াদের গল্প ও চিত্রনাট্যে এতে অভিনয় করেছেন সাফা কবির, রেজওয়ান পারভেজ, সারাহ জেবীন অদিতি, পার্থ শেখ , এ কে আজাদ সেতু।

এসএসসির প্রথম দিনে ২৫ হাজারের বেশি অনুপস্থিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:২২ অপরাহ্ণ
এসএসসির প্রথম দিনে ২৫ হাজারের বেশি অনুপস্থিত

সারাদেশে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার প্রথম দিনেই উল্লেখযোগ্য সংখ্যক শিক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিল। মোট ২৫ হাজার ৪০৮ জন পরীক্ষার্থী এদিন পরীক্ষায় অংশ নেয়নি।

মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি এবং মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, ঢাকার চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. খন্দোকার এহসানুল কবিরের সই করা বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

৯ শিক্ষা বোর্ডে উপস্থিতি বেশি

৯টি শিক্ষা বোর্ডে মোট ১১ লাখ ৩৪ হাজার ৮৫৩ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে পরীক্ষায় অংশ নেয় ১১ লাখ ২২ হাজার ৯৬৩ জন। অনুপস্থিত ছিল ১১ হাজার ৮৯০ জন। এর মধ্যে ঢাকা বোর্ডে ২ হাজার ৭৪৬ জন, রাজশাহীতে ১ হাজার ৭৫৯ জন, কুমিল্লায় ১ হাজার ৪২৫ জন, যশোরে ১ হাজার ৪৪১ জন এবং চট্টগ্রামে ১ হাজার ৩ জন পরীক্ষায় অংশ নেয়নি।

এছাড়া সিলেটে ৬৭৪ জন, বরিশালে ৯১১ জন, দিনাজপুরে ১ হাজার ১৭৮ এবং ময়মনসিংহ বোর্ডে অনুপস্থিত ছিল ৭৫৩ জন।

মাদ্রাসা বোর্ডে অনুপস্থিতি তুলনামূলক বেশি

বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ২ লাখ ৫৪ হাজার ৯০৩ জনের মধ্যে পরীক্ষায় অংশ নেয় ২ লাখ ৪৩ হাজার ৬৯২ জন। অনুপস্থিত ছিল ১১ হাজার ২১১ জন।

কারিগরি বোর্ডের চিত্র

বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ১ লাখ ১৯ হাজার ২৫০ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১ লাখ ১৬ হাজার ৯৪৩ জন অংশ নেয়, অনুপস্থিত ছিল ২ হাজার ৩০৭ জন।