মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩

খুলনায় নারীদের মাসিক স্বাস্থ্যবিধি ব্যবস্থাপনা কৌশলপত্র বাস্তবায়নে কর্মশালা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল, ২০২৬, ৪:২৪ অপরাহ্ণ
খুলনায় নারীদের মাসিক স্বাস্থ্যবিধি ব্যবস্থাপনা কৌশলপত্র বাস্তবায়নে কর্মশালা

নারীদের জন্য জাতীয় মাসিক স্বাস্থ্যবিধি ব্যবস্থাপনা কৌশলপত্র বাস্তবায়নের উদ্দেশ্যে আর্থিক প্রাক্কলনসহ কর্মপরিকল্পনা ২০২৫ বাস্তবায়ন ও অবহিতকরণের লক্ষ্যে কর্মশালা আজ (মঙ্গলবার) খুলনা বিভাগীয় কমিশনারের সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। কর্মশালায় প্রধান অতিথি ছিলেন স্থানীয় সরকার বিভাগের যুগ্মসচিব মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম মজুমদার।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি বলেন, জাতীয় মাসিক স্বাস্থ্যবিধি ব্যবস্থাপনা কৌশলপত্র বাস্তবায়ন কর্মপরিকল্পনা একটি চলমান প্রক্রিয়া। এক্ষেত্রে সরকারের একার পক্ষে সবকিছু করা সম্ভব নয়। সরকারের পাশাপাশি বিভিন্ন বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, উন্নয়ন সংস্থা ও জনগণকে সমন্বিতভাবে এগিয়ে আসতে হবে। তিনি আরও বলেন, স্যানিটারী ন্যাপকিন উৎপাদন ও আমদানিতে ভ্যাট-ট্যাক্স মওকুফ করার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। সরকারি-বেসরকারি দপ্তর সংস্থার নিজস্ব উদ্যোগে নারীদের জন্য প্রয়োজনীয় সকল সুযোগ-সুবিধাসহ পৃথক ওয়াশরুমের ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। প্রত্যেক দপ্তরের সেবা গ্রহণকারী নারীদের মাঝে মাসিক স্বাস্থ্যবিধি ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি করাও জরুরি।

প্রচার-প্রচারণার মাধ্যমে সচেতনতা বৃদ্ধি, সকল স্কুলে মেয়েদের জন্য পরিবর্তন রুম নামে আলাদা কক্ষ, স্যানিটারী ন্যাপকিন উৎপাদন, আমদানি ও সরবরাহ’র ক্ষেত্রে ভ্যাট-ট্যাক্স কমানো/ফ্রি করা, স্বল্পমূল্যে স্যানিটারী ন্যাপকিন বিতরণসহ বিভিন্ন পরামর্শ কর্মশালায় উঠে আসে।

খুলনা বিভাগীয় কমিশনার (ভারপ্রাপ্ত) মোহাম্মদ নাজমুল হকের সভাপতিত্বে কর্মশালায় অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (রাজস্ব) সিফাত মেহনাজ, জেলা প্রশাসক হুরে জান্নাত, খুলনা ইউনিসেফ এর চীফ মোঃ কাওসার হোসেন প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। স্বাস্থ্যবিধি ব্যবস্থাপনা কৌশলপত্র বিষয়ে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিশেষজ্ঞ মোঃ মনিরুজ্জামান। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন স্থানীয় সরকার বিভাগের উপসচিব সুয়ে মেন জো। ইউনিসেফ-এর সহযোগিতায় স্থানীয় সরকার বিভাগ এ কর্মশালার আয়োজন করে।

কর্মশালায় সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা ও এনজিও প্রতিনিধিরা অংশ নেন। তথ্যবিবরণী

 

Ads small one

সাতক্ষীরায় বিজিবির অভিযানে প্রায় আট লক্ষ টাকার ভারতীয় মালামাল আটক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:২৫ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় বিজিবির অভিযানে প্রায় আট লক্ষ টাকার ভারতীয় মালামাল আটক

পত্রদূত রিপোর্ট: মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল ২০২৬) সাতক্ষীরা ৩৩ বিজিবি ব্যাটালিয়ন এর অধীনস্থ তলুইগাছা, মাদরা ও বৈকারী বিওপি এর টহলদল দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় চোরাচালান বিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ঔষধ, শাড়ি ও মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ আটক করে।

সাতক্ষীরা ৩৩ বিজিবি ব্যাটালিয়ন জানায়, তলুইগাছা বিওপির আভিযানে সাতক্ষীরা সদর থানার নটিজঙ্গল হতে ১ লাখ ৪০ হাজার টাকার ভারতীয় ঔষধ আটক করে। মাদরা বিওপির আভিযানে কলারোয়া থানার উত্তর ভাদিয়ালী হতে ৬ লাখ ৩৯ হাজার ২০০ টাকার ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ আটক করে ।

এছাড়াও, বৈকারী বিওপির আভিযানে সদর থানার নতুন পাড়া হতে ১৫ হাজার টাকার ভারতীয় শাড়ি আটক করে। আটক পন্যের সর্বমোট মূল্য ৭ লাখ ৯৪ হাজার ২০০ টাকা।

বিজিবি আরো জানায়, চোরাকারবারী কর্তৃক বর্ণিত মালামাল শুল্ককর ফাঁকি দিয়ে অবৈধভাবে ভারত হতে বাংলাদেশে পাচার করায় জব্দ করা হয়। এভাবে ভারতীয় দ্রব্য সামগ্রী চোরাচালানের কারণে দেশীয় শিল্প ক্ষতিগ্রস্থ হবার পাশাপাশি দেশ উল্লেখযোগ্য রাজস্ব আয় হতে বঞ্চিত হচ্ছে। দেশের রাজস্ব ফাঁকি রোধ করে স্থানীয় শিল্প বিকাশে বিজিবি’র এরূপ দেশপ্রেমিক ও জনস্বার্থে পরিচালিত অভিযানে উপস্থিত স্থানীয় জনগন সাধুবাদ জ্ঞাপন করে এ ধরণের অভিযান অব্যাহত রাখার জন্য অনুরোধ করেন।

 

বাংলাদেশে গম পাচারের অভিযোগে নায়িকা নুসরাতকে তলব

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:২৫ অপরাহ্ণ
বাংলাদেশে গম পাচারের অভিযোগে নায়িকা নুসরাতকে তলব

বিনোদন ডেস্ক: বাংলাদেশে গম পাচারের অভিযোগ ঘিরে অভিনেত্রী ও সাবেক সংসদ সদস্য নুসরাত জাহানকে তলব করেছে ভারতের কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)।

ভারতীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, রেশন দুর্নীতি ও সীমান্ত দিয়ে খাদ্যশস্য পাচারের একটি মামলার তদন্তে তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হয়েছে। এ লক্ষ্যে তাকে নির্ধারিত দিনে কলকাতার সিজিও কমপ্লেক্সে হাজির থাকতে বলা হয়েছে।

তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, করোনা সময়কালে সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে একাধিক ট্রাক আটক করা হয়েছিল, যেগুলোতে সরকারি রেশন ব্যবস্থার গম ও চাল বাংলাদেশে পাচারের অভিযোগ ওঠে। সেই সময় বসিরহাটের সাংসদ ছিলেন নুসরাত জাহান, তাই তদন্তের অংশ হিসেবে তার ভূমিকা সম্পর্কেও জানতে চায় ইডি।

তবে এই তলব সরাসরি কোনও গ্রেপ্তারি পরোয়ানা নয়, বরং তদন্তের অংশ হিসেবে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ। এ বিষয়ে এখনো নুসরাত জাহানের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনও বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

সব মিলিয়ে, গম পাচার ও রেশন দুর্নীতির এই তদন্ত এখন নতুন করে আলোচনায় এনে দিয়েছে নুসরাত জাহানকে।

যখন ছবিটা সময় পেরিয়েও থেকে যাবে, সাফল্য তখনই: শঙ্খ দাসগুপ্ত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:২৩ অপরাহ্ণ
যখন ছবিটা সময় পেরিয়েও থেকে যাবে, সাফল্য তখনই: শঙ্খ দাসগুপ্ত

নির্মাতা শঙ্খ দাশগুপ্ত পরিচালিত চরকি অরিজিনাল ফিল্ম ‘চা গরম’ বেশ আলোচিত এবং প্রশংসা পাচ্ছে। যারা দেখেছেন, সবাই ভালো বলছেন। নির্মাতার সাফল্য হয়তো এটাই? কিন্তু না শঙ্খ দাশগুপ্তের কাছে এটাই চূড়ান্ত সাফল্য নয়। তাহলে কখন নিজেকে সফল মনে হবে শঙ্খর?

তার উত্তর, “সবাই ভালো বলছে এটা নিশ্চয়ই ভালো লাগার। কিন্তু এটাকে চূড়ান্ত সাফল্য বলব না। আমার কাছে সাফল্য তখনই, যখন ছবিটা সময় পেরিয়েও থেকে যাবে, বা কেউ আবার ফিরে এসে দেখবে। আর সবচেয়ে বড় কথা পরের কাজে নিজেকে নতুনভাবে আবিষ্কার করতে পারলে, সেটাই আসল সাফল্য।”

শঙ্খ দাশগুপ্তের কথার মিল খুঁজতে একটু পেছনে যেতে হবে। তার পরের কাজটা কী, সেটা এখনও প্রকাশিত না। কিন্তু ‘চা গরম’– এর আগের কাজ বা তার আগের কাজগুলো দেখে আসলে হয়তো শঙ্খর নিজেকে আবিষ্কারের চর্চাটি বোঝা যেতে পারে।

‘চা গরম’–এর আগে শঙ্খ নির্মাণ করেছেন তার প্রথম চলচ্চিত্র ‘প্রিয় মালতী’ তার আগে তিনি নির্মাণ করেছেন চরকি অরিজিনাল সিরিজ ‘গুটি’। এসব কনটেন্টের বিষয়বস্তু এবং নির্মাণে নির্মাতা নিজেকে ভাঙতে বা আবিষ্কার যেমন করতে চেয়েছেন আবার কিছু সাদৃশ্যও রেখে গেছেন।

‘গুটি’, ’প্রিয় মালতী’ এবং এখনকার ‘চা গরম’– তিনটি কনটেন্টেই নির্মাতা আশ্রয় করেছেন নারী চরিত্রকে। অর্থাৎ গল্পগুলো এগিয়ে নিয়ে গেছেন কোনো নারী চরিত্র বা নারী চরিত্রকে সামনে রেখে সমস্যা এবং সম্ভাবনা দেখানোর চেষ্টা আছে। এটা সচেতনভাবেই করেলন কী শঙ্খ দাশগুপ্ত?

তার উত্তর, ‘নারী চরিত্রকে সামনে আনা কোনো স্টেটমেন্ট দেয়ার চেষ্টা নয়। বাস্তবে অনেক সময় নারীরাই নীরবে সবচেয়ে বড় চাপ, দ্বন্দ্ব আর পরিবর্তনের জায়গাগুলো বহন করে। ‘গুটি’, ‘প্রিয় মালতী’ বা ‘চা গরম’-এও সেই বাস্তবতাটাই ধরতে চেয়েছি! সমস্যা যেমন আছে, সম্ভাবনাও আছে।”

নাকি শঙ্খ নারী কেন্দ্রীক বা নারীর ক্ষমতায়নের গল্প বলতে ভালোবাসেন?

“‘ওম্যান সেন্ট্রিক গল্প বলতেই হবে এমন কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। কিন্তু যদি গল্প নিজে থেকেই সেই দিকে নিয়ে যায়, আমি থামাই না। আমার কাছে চরিত্রটাই আগে, সে নারী না পুরুষ, সেটা পরে।” পরিষ্কার করলেন তিনি।

‘গুটি’, ‘প্রিয় মালতী’, ‘চা গরম’– শঙ্খর তিন কাজেই রাজনীতি ও ধর্মীয় কিছু দৃষ্টিভঙ্গি আছে। যারা দেখেছেন, বুঝতে পারবেন। নির্মাণে এসব স্পর্শকাতর বিষয় এড়িয়ে যাওয়ার প্রবণতা দেখান নি নির্মাতা। এগুলো যেহেতু বাস্তবতা সেহেতু তার নির্মাণে থাকতেই পারে। কিন্তু এটাও কি একটা প্যাটার্ন হয়ে যাচ্ছে কি না তার কাজে?

শঙ্খ মনে করেন, “রাজনীতি বা ধর্ম এগুলো আলাদা করে ঢোকানোর কিছু নেই, এগুলো আমাদের জীবনের অংশ। তাই গল্পে এলে সেটাকে এড়িয়ে যাওয়া কৃত্রিম লাগে। তবে প্যাটার্ন হয়ে যাচ্ছে কিনা এই প্রশ্নটা আমার কাছেও গুরুত্বপূর্ণ। নিজেকে বারবার ভাঙার চেষ্টা করছি।”

কিন্তু এই ভাঙার চেষ্টা করেও নিজের শেষ তিন কাজে একটা ঢং ভাঙতে পারেননি শঙ্খ দাশগুপ্ত। কোনো এক কারণে তার শেষ তিন কাজের প্রতিটিতেই মূল চরিত্রের পাশাপাশি আরেকটি চরিত্র গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। দর্শকরা তাদের অনুভূতির বহিঃপ্রকাশে অনেক সময় প্রোটাগনিস্টের চেয়ে ‘সাইড ক্যারেক্টার’–এর প্রতি রাগ বা ভালোবাসা বেশি দেখিয়েছেন।

যেমন বলা যায়, ‘গুটি’তে শাহরিয়ার নাজিম জয়, ‘প্রিয় মালতী’–তে রিজভী রিজু, শাহজাহান সম্রাট দর্শকদের নজর কেড়েছেন। ‘চা গরম’–এ রবিন চাঁদ মুর্মূ চরিত্রটি তো এক কাঠি সরেস।

শঙ্খ জানালেন, তিনি আসলে ‘হিরো’–‘নায়ক’ এসব বানাতে আগ্রহী নন। তিনি মানুষ–চরিত্র বানাতে আগ্রহী। তাই অনেক সময় মূল চরিত্র না হয়েও অন্য চরিত্রগুলো বেশি স্পেস পেয়ে যেতে পারে বা বেশি মনে থাকে। নির্মাতা বলেন, ‘জীবনেও তো তাই হয়! সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মানুষটা সবসময় কেন্দ্রের মানুষটা হয় না।’

শঙ্খ দাশগুপ্তের কাজে বিষয়বস্তু, চিত্রায়ণের পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো সংলাপ। ছোট ছোট সংলাপে খুবই গুরুত্পূর্ণ তথ্য বা ইঙ্গিত দিয়ে থাকেন তিনি। মনোযোগী দর্শক না হলে সেগুলো বের করা কঠিনই বটে। কিন্তু এই কঠিন কাজটা করতে গিয়ে পুরো বিষয়টাই গুরুগম্ভীর হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

শঙ্খ বিষয়টি যেভাবে দেখেন, “হ্যাঁ, সংলাপ নিয়ে আমি সচেতন। কারণ আমার কাছে সংলাপ শুধু তথ্য দেয় না, একটা ইমেজ তৈরি করে। তবে গুরুগম্ভীর হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে এটা ঠিক। সেই ব্যালান্সটাই খোঁজার চেষ্টা করি সবসময়।”

শেষবারের মতো ’চা–গরম’–এ ফেরা যাক। চা বাগানের থেকে, সেখানকার মানুষের সঙ্গে মিশে ‘চা গরম’ করেছেন শঙ্খ দাশগুপ্ত। চা বাগানের শ্রমিকদের নানা বিষয় জাতীয় ইস্যু হতেও দেখা গেছে। তেমন একটি বিষয় নিয়ে নির্মাণ করতে গিয়ে শঙ্খ যে পরিসরে সিনেমাটি নির্মাণ করলেন বা যে পরিমিতি তিনি দেখালেন সেটা কী পর্যাপ্ত বা ঠিক মনে হলো?

শঙ্খ দাশগুপ্ত বললেন, “জাতীয় ইস্যু বলেই আমি এটাকে বড় করে বলার চেষ্টা করিনি। বরং ছোট পরিসর, নির্দিষ্ট মানুষ আর তাদের দৈনন্দিনতার ভেতর দিয়ে বলেছি। আমার বিশ্বাস- গল্পটা যখন ব্যক্তিগত হয়, তখনই সেটা আসলে বড় হয়ে ওঠে। তাই টোনটা ইচ্ছাকৃতভাবেই সংযত।”

গত ১৪ এপ্রিল চরকিতে মুক্তি পেয়েছে ’চা গরম’ ফিল্মটি। সাইফুল্লাহ রিয়াদের গল্প ও চিত্রনাট্যে এতে অভিনয় করেছেন সাফা কবির, রেজওয়ান পারভেজ, সারাহ জেবীন অদিতি, পার্থ শেখ , এ কে আজাদ সেতু।