বুধবার, ২৬ আগস্ট ২০২৬, ১১ ভাদ্র ১৪৩৩
বুধবার, ২৬ আগস্ট ২০২৬, ১১ ভাদ্র ১৪৩৩

‘বিশেষভাবে শক্তিশালী এল নিনো’ কবে শুরু হবে, জানাল জাতিসংঘ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:৫৭ পূর্বাহ্ণ
‘বিশেষভাবে শক্তিশালী এল নিনো’ কবে শুরু হবে, জানাল জাতিসংঘ

বিশ্বের তাপমাত্রা আবার রেকর্ড উচ্চতায় নিয়ে যেতে পারে সুপার এল নিনো। জাতিসংঘ শুক্রবার জানিয়েছে, ২০২৬ সালের মাঝামাঝিতে এল নিনো ফিরে আসতে পারে।
জাতিসংঘের আবহাওয়া ও জলবায়ু সংস্থা বলেছে, মে থেকে জুলাইয়ের মধ্যেই এল নিনোর পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা (ডব্লিউএমও) জানিয়েছে, প্রাথমিক লক্ষণ দেখে মনে হচ্ছে এবারের ঘটনাটি বিশেষভাবে শক্তিশালী হতে পারে।

এল নিনো হলো একটি প্রাকৃতিক জলবায়ু ঘটনা। এটি মধ্য ও পূর্ব প্রশান্ত মহাসাগরের বিষুবরেখা বরাবর সমুদ্রের উপরিভাগের তাপমাত্রা বাড়িয়ে দেয়। এর ফলে সারা বিশ্বে বাতাস, চাপ এবং বৃষ্টিপাতের ধরন বদলে যায়। এল নিনো সাধারণত দুই থেকে সাত বছর পর পর আসে এবং নয় থেকে বারো মাস স্থায়ী হয়।

আগের এল নিনোর কারণে ২০২৩ সাল হয়েছিল ইতিহাসের দ্বিতীয় উষ্ণতম বছর এবং ২০২৪ সাল হয়েছিল সর্বকালের সবচেয়ে গরম বছর।

ডব্লিউএমওর জলবায়ু পূর্বাভাস প্রধান উইলফ্রান মুফুমা-ওকিয়া বলেন, ‘বছরের শুরুতে কিছুটা স্বাভাবিক পরিস্থিতির পর এখন এল নিনো শুরু হওয়ার ব্যাপারে আমরা অনেকটাই নিশ্চিত, এবং এরপর এটি আরও তীব্র হবে। এটা নিশ্চিতভাবে বলা যায় যে এল নিনো শক্তিশালী হবে।’

ডব্লিউএমওর সর্বশেষ মাসিক বৈশ্বিক মৌসুমি জলবায়ু আপডেটে বলা হয়েছে, বিষুবীয় প্রশান্ত মহাসাগরের সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা দ্রুত বাড়ছে। এটি মে থেকে জুলাইয়ের মধ্যে এল নিনো ফিরে আসার ইঙ্গিত দিচ্ছে। পূর্বাভাসে বলা হচ্ছে, আগামী তিন মাসে প্রায় সারা বিশ্বের স্থলভাগের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি থাকবে।

জেনেভাভিত্তিক ডব্লিউএমও বলেছে, ‘জলবায়ু পরিবর্তন এল নিনোর ঘনঘন আসা বা তীব্রতা বাড়ায় না। তবে এটি এল নিনোর প্রভাবকে আরও বড় করে তুলতে পারে।’

সংস্থাটি ব্যাখ্যা করেছে, ২০২৪ সাল ইতিহাসের সবচেয়ে গরম বছর হয়েছিল ‘শক্তিশালী ২০২৩-২০২৪ এল নিনো এবং গ্রিনহাউস গ্যাস থেকে মানবসৃষ্ট জলবায়ু পরিবর্তনের মিলিত প্রভাবে।’

এল নিনোর সময় সাধারণত দক্ষিণ দক্ষিণ আমেরিকা, দক্ষিণ যুক্তরাষ্ট্র, আফ্রিকার হর্ন অঞ্চল এবং মধ্য এশিয়ায় বৃষ্টি বেড়ে যায়। অন্যদিকে অস্ট্রেলিয়া, ইন্দোনেশিয়া এবং দক্ষিণ এশিয়ার কিছু অংশে খরা দেখা দেয়। উষ্ণ পানি বছরের মাঝামাঝিতে মধ্য ও পূর্ব প্রশান্ত মহাসাগরে ঘূর্ণিঝড়ের শক্তি বাড়াতে পারে।

এপ্রিলের বৈশ্বিক মৌসুমি জলবায়ু আপডেটে বলা হয়েছে, মে থেকে জুলাই সময়কালে প্রায় সব জায়গায় স্থলভাগের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি থাকবে। দক্ষিণ উত্তর আমেরিকা, মধ্য আমেরিকা, ক্যারিবিয়ান অঞ্চল এবং ইউরোপ ও উত্তর আফ্রিকায় এই লক্ষণ বিশেষভাবে স্পষ্ট।

ডব্লিউএমও আশা করছে, আগাম এই সতর্কতা কৃষি, পানি ব্যবস্থাপনা, জ্বালানি ও স্বাস্থ্যের মতো জলবায়ু-সংবেদনশীল খাতগুলোকে প্রস্তুতি নিতে সাহায্য করবে।

Ads small one

সাতক্ষীরায় অসুস্থ গরু এনে মাংস বিক্রির চেষ্টার সময় ৫ জন আটক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৬, ৮:২২ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় অসুস্থ গরু এনে মাংস বিক্রির চেষ্টার সময় ৫ জন আটক

সংবাদদাতা: রোগাক্রান্ত ও পোকাধরা গরু গোপনে জবাই করে মাংস বিক্রির চেষ্টার অভিযোগে ৫ জনকে আটক করেছে সাতক্ষীরা থানা পুলিশ। এ সময় তাদের ব্যবহৃত ১টি পিকআপ ভ্যান, ১টি মোটরসাইকেল এবং ১টি অসুস্থ গরু উদ্ধার করা হয়েছে। আজ বুধবার (২৬ আগস্ট) ভোরে সাতক্ষীরা ১৩নং লাবসা ইউনিয়নের মাগুরা বৌবাজার এলাকায় এই ঘটনাটি ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোর আনুমানিক ৪টার সময় একটি লাল-কালো রঙের বোলেরো চার চাকার পিকআপ গাড়িতে (রেজিঃ নং- খুলনা-ল-১১-১৭৪১) করে একটি রোগাক্রান্ত ফ্রিজিয়ান গরু নিয়ে আসা হয়। মাগুরা বৌবাজারের রাস্তার ধারে গরুটি নামানোর সময় স্থানীয় লোকজনের সন্দেহ হয়। গরুটির মুখ দিয়ে ক্রমাগত ফেনা ও লালা ঝরছিল এবং এটি নড়াচড়ার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলেছিল। পরবর্তীতে স্থানীয় বাসিন্দারা এলাকার সমাজসেবক এম সোহেল আহমেদ মানিকসহ স্থানীয়দের খবর দেন।

খবর পেয়ে স্থানীয় লোকজন দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে মৃতপ্রায় গরুটি দেখতে পান এবং তৎক্ষণাৎ সাতক্ষীরা থানা পুলিশকে অবহিত করেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে গরু নিয়ে ব্যক্তিদের আটক করে। এ সময় তাদের কাছ থেকে ১টি বোলেরো পিকআপ এবং ১টি বাজাজ পালসার মোটরসাইকেল (রেজিঃ নং- সাতক্ষীরা-ল-১১-৭৯৪০) জব্দ করা হয়।

দুপুর ১২:৪০ মিনিটের সময় উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর, সাতক্ষীরা সদরের উপ-সহকারী প্রাণিসম্পদ অফিসার শেখ সালাহউদ্দীন সাতক্ষীরা থানায় উপস্থিত হয়ে গরুটিকে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেন এবং গরুটি মৃত বলে ঘোষণা করেন।

পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটককৃতরা স্বীকার করেছে যে, তারা পরস্পর যোগসাজশে বিভিন্ন এলাকা থেকে কম দামে মারাত্মক অসুস্থ ও রোগাক্রান্ত গরু সংগ্রহ করে। পরবর্তীতে এসব গরু গোপনে জবাই করে সুস্থ মাংস হিসেবে বাজারে বিক্রি করে সাধারণ মানুষের সাথে প্রতারণা করে বিপুল অর্থ আত্মসাৎ করে আসছিল।

আটককৃতরা হলেন সাতক্ষীরার মাছখোলা শিবতলা এলাকার আনসার আলী কারিগরের ছেলে আবুল বাশার কারিগর (৩০), একই এলাকার জিয়ারুল ইসলামের ছেলে তৈয়েবুর রহমান (১৯), একই এলাকার মৃত আরশাদ আলীর ছেলে মোঃ শাহিন ইসলাম (২০), খুলনার ডুমুরিয়া থানার সাহাপুর গ্রামের হাফিজুর শেখ এর ছেলে মোঃ ইব্রাহীম শেখ (২৫) এবং যশোরের কেশবপুর থানার মঙ্গলকোট গ্রামের মতলেব মোড়লের ছেলে মোঃ রবিউল ইসলাম (৩৫)।

এ বিষয়ে এম সোহেল আহমেদ মানিক বাদী হয়ে সাতক্ষীরা থানায় একটি লিখিত এজাহার দায়ের করেছেন। সাতক্ষীরা থানা পুলিশ জানায়, এব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

সাতক্ষীরা সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ভারতীয় মালামাল আটক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৬, ৮:০৫ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরা সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ভারতীয় মালামাল আটক

পত্রদূত ডেস্ক: মঙ্গলবার ও বুধবার (২৫ ও ২৬ আগস্ট ২০২৬) সাতক্ষীরা ৩৩ বিজিবি ব্যাটালিয়ন এর অধীনস্থ মাদরা ও কুশখালি বিওপির টহলদল দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় চোরাচালান বিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ, শাড়ি ও বাংলাদেশী পাট আটক করে।

সাতক্ষীরা ৩৩ বিজিবি ব্যাটালিয়ন জানায়, কুশখালি বিওপির আভিযানে সদর থানার চৌরঙ্গী হতে ৪ লাখ ১১ হাজার টাকার ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ আটক করে।

এছাড়াও, মাদরা বিওপির পৃথক দুইটি আভিযানে কলারোয়া থানার ভাদিয়ালি ও চান্দা হতে ১ লাখ ২০ হাজার টাকার ভারতীয় শাড়ি ও বাংলাদেশী পাট আটক করে। আটক পন্যের সর্বমোট মূল্য ৫ লাখ ৩১ হাজার টাকা।

বিজিবি আরো জানায়, চোরাকারবারী কর্তৃক বর্ণিত মালামাল শুল্ককর ফাঁকি দিয়ে অবৈধভাবে ভারত হতে বাংলাদেশে পাচার করায় জব্দ করা হয়। এভাবে ভারতীয় দ্রব্য সামগ্রী চোরাচালানের কারণে দেশীয় শিল্প ক্ষতিগ্রস্থ হবার পাশাপাশি দেশ উল্লেখযোগ্য রাজস্ব আয় হতে বঞ্চিত হচ্ছে।

 

দেশের রাজস্ব ফাঁকি রোধ করে স্থানীয় শিল্প বিকাশে বিজিবি’র এরূপ দেশপ্রেমিক ও জনস্বার্থে পরিচালিত অভিযানে উপস্থিত স্থানীয় জনগন সাধুবাদ জ্ঞাপন করে এ ধরণের অভিযান অব্যাহত রাখার জন্য অনুরোধ করেন।

 

 

সাতক্ষীরা সদরের কাশেমপুর রাস্তা জনগনের মরণফাঁদ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৬, ৭:৫৮ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরা সদরের কাশেমপুর রাস্তা জনগনের মরণফাঁদ

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা সদর উপজেলার কাশেমপুর সিটি কলেজ মোড় হতে সাংবাদিক সেলিম হোসেনের বাড়ির সামনে গুরুত্বপূর্ণ সড়কটি দীর্ঘদিন ধরে বেহাল অবস্থায় পড়ে রয়েছে। পিচ ও ইটের খোয়া উঠে গিয়ে সড়কের বিভিন্ন স্থানে সৃষ্টি হয়েছে বড় বড় গর্ত। ফলে প্রতিদিন এই সড়ক দিয়ে চলাচলকারী মানুষকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে সড়কটির সংস্কার না হওয়ায় ধীরে ধীরে এর অবস্থা আরও খারাপ হয়েছে। বর্ষা মৌসুমে গর্তে পানি জমে পথচারী ও যানবাহন চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে। বিশেষ করে মোটরসাইকেল, ইজিবাইক ও ভ্যানচালকদের প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনার আশঙ্কা নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে।

এলাকাবাসী জানান, কাশেমপুরের এই সড়কটি স্থানীয়দের পাশাপাশি শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের যাতায়াতের গুরুত্বপূর্ণ পথ। কিন্তু দীর্ঘদিন সংস্কারের অভাবে সড়কটি এখন চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ছে।

স্থানীয়রা দ্রুত সড়কটি সংস্কার করে নিরাপদ ও চলাচল উপযোগী করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

এলাকাবাসীর দাবি, দ্রুত সংস্কার করা না হলে আগামী দিনে সড়কটির দুর্ভোগ আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে। দ্রুত সংস্কারের জন্য মাননীয় সংসদ সদস্য সহ সংশ্লিষ্টদের কাছে হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী।