বিশ্বকাপের সেরা গোলকিপার হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে কে?
বিশ্বকাপে সোনালি ট্রফির পাশাপাশি গোল্ডেন বল, বুট ও গ্লাভসেরও লড়াই হয়ে থাকে। এবারের বিশ্বকাপেও ব্যক্তিগত অর্জনের লড়াইগুলো জমে উঠেছে। গোল্ডেন বল ও বুটের জন্য লিওনেল মেসি ও কিলিয়ান এমবাপ্পের মধ্যে লড়াই চললেও গোল্ডেন গ্লাভসের রেসেও রয়েছে বেশ কিছু গোলকিপার। চলুন দেখে নেওয়া যাব এবার এই পুরষ্কারটি কার হাতে উঠছে।
কাতার বিশ্বকাপে এই পুরস্কারটি পেয়েছিলেন চ্যাম্পিয়ন দল আর্জেন্টিনার গোলকিপার এমিলিয়ানো মার্টিনেজ। সেবার বিশ্বকাপে তার পারফরম্যান্স ছিল অনবদ্য। আর্জেন্টিনাকে দুটি পেনাল্টি শুটআউটে জিতিয়েছেন। তবে এবার সেই ফর্মে নেই তিনি। নকআউটের প্রতিটি ম্যাচেই গোল হজম করতে হয়েছে।
এবার এখন পর্যন্ত ৭ ম্যাচ খেলে এখন পর্যন্ত গোল হজম করেছেন ৭টি। মোট সেভ দিয়েছেন ৯টি। বক্সের ভেতরে ও বাইরে বলে টাচে অন্য গোলকিপারদের চেয়ে বেশ পিছিয়ে তিনি। তার এবার পুরস্কারটি জেতার সম্ভাবনা অনেক কম।
সেমিফাইনাল পর্যন্ত এই পুরস্কারের জন্য তুমুল লড়াই চলেছে স্পেনের গোলরক্ষক উনাই সিমন, ফ্রান্সের মাইগান ও ইংল্যান্ডের জর্ডান পিকফোর্ডের মধ্যে। তবে উনাই সিমন ফাইনালে ওঠায় তিনি কিছুটা এগিয়ে গেছেন।
এই বিশ্বকাপে স্পেন গোলরক্ষকের অনবদ্য পারফরম্যান্স দেখা যাচ্ছে। ৭ ম্যাচে গোল হজম করেছেন মাত্র একটি। এর মধ্যে ফ্রান্স ও পর্তুগালের ম্যাচেও দলকে ক্লিনশিট এনে দিয়েছেন। ৭ ম্যাচে সেভ দিয়েছেন ১৪টি। যদিও ফিফার ওয়েবসাইটে দেওয়া হিসাব অনুযায়ী তার চেয়ে ভালো করেছেন আরও ২০ গোলকিপার। কিন্তু তার দল ফাইনালে যাওয়ার পেছনে তার অবদান অতুলনীয়। পাশাপাশি তিনি ৬ ম্যাচে ক্লিনশিট রেখেছেন। সে জায়গা থেকে এবার এই পুরস্কারটি তার হাতে ওঠার সম্ভাবনা অনেকে বেশি।
বিশ্বকাপে ৭ ম্যাচে ৯ গোল হজম করলেও এবারের টুর্নামেন্টে ইংলিশ গোলকিপার জর্ডান পিকফোর্ডের পারফরম্যান্স ছিল অসাধারণ। এখন পর্যন্ত তিনি ১৯টি সেভ দিয়েছেন। বিশ্বকাপে শট সেভের তালিকায় তিনি পাঁচ নম্বরে রয়েছেন। তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে তিনি দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দিতে পারলে গোল্ডেন গ্লাভসের দাবিদার তিনিও থাকবেন।
৭ ম্যাচে ৪ ক্লিনশিট রেখে গোল্ডেন গ্লাভসের দৌড়ে রয়েছেন ফরাসি গোলরক্ষক মাইগানও। তবে মাত্র ১১টি সেভ দিয়েছেন তিনি। যা উনাই সিমন ও পিকফোর্ডের তুলনায় কম।
এদিকে এবারের বিশ্বকাপে একক গোলকিপার হিসেবে সর্বোচ্চ সেভ দিয়েছেন প্যারাগুয়ের ওরলান্ডো গিল। যদিও রাউন্ড অব সিক্সটিনে ফ্রান্সের সঙ্গে ১-০ গোলে হেরে তার দল বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নেয়।









