শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২০ ভাদ্র ১৪৩৩
শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২০ ভাদ্র ১৪৩৩

মৃত্যুকে নয়, আমরা আসলে অসমাপ্ত জীবনকেই ভয় পাই

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:০৩ অপরাহ্ণ
মৃত্যুকে নয়, আমরা আসলে অসমাপ্ত জীবনকেই ভয় পাই

মোঃ আবু সাঈদ সরদার
আমরা সারা জীবন মৃত্যুকে খুব বড় একটি নাটকীয় ঘটনা মনে করি। ভাবি-মৃত্যু আসবে ধামাকা করে, আকাশ ভেঙে পড়বে, চারপাশ থমথমে হয়ে যাবে। অথচ মৃত্যু বোধহয় খুবই সাদামাটা একটি ঘটনা।
একদিন সকালে সূর্য উঠবে। রিকশাওয়ালা বেল বাজাবে। পাশের বাসার মহিলা হয়তো কাজের মেয়েকে বকা দেবেন। পাড়ার দোকান খুলবে, চায়ের কাপে ধোঁয়া উঠবে। পৃথিবী তার নিজস্ব নিয়মেই চলতে থাকবে শুধু আমি থাকব না। ব্যস, এতটুকুই। পৃথিবীর তাতে খুব বেশি কিছু এসে যাবে না।
অথচ যে বিষয়টি নিশ্চিত, যা একদিন না একদিন ঘটবেই এবং যার সময়ের ওপর আমার-আপনার কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই, সেই মৃত্যুর কথা ভেবে মানুষের রাতের ঘুম হারাম হয়ে যায়।
তবুও কিছু কিছু রাতে চোখের পাতা দুটোকে একসঙ্গে করার চেষ্টা করাটাই যেন এক মহাযুদ্ধ।
বাইরে নিঝুম অন্ধকার। নিশাচর কোনো অচেনা পাখির ডাক মাঝেমধ্যে সেই অন্ধকার কেটে দিয়ে যায়। ঘরের কোণে টিকটিকিটা ক্ষণে ক্ষণে ডেকে ওঠে মনে হয়, ঘরের ভেতরের সময়টাকেও যেন টুকরো টুকরো করে কেটে দিচ্ছে। বিছানায় এপাশ-ওপাশ করতে করতে হঠাৎ প্রশ্ন জাগে মৃত্যুর দিন-তারিখ অজানা হলেও তার আগমন যে নিশ্চিত, তা আমরা জানি। তাহলে মানুষ সারা রাত জেগে থাকে কেন?
জীবনের এই অনির্দিষ্ট অস্থিরতা, এই না-পাওয়ার দোলাচল এ কি কখনো কখনো মৃত্যুর শেষ নিঃশ্বাসের চেয়েও বেশি যন্ত্রণাদায়ক হয়ে ওঠে? মৃত্যুর যন্ত্রণা হয়তো এক মুহূর্তের ঠান্ডা বাতাস। কিন্তু জীবনের অস্থিরতা হলো দীর্ঘ এক পথচলা, যেখানে প্রতিটি পদক্ষেপে মানুষ কখনো কখনো নিজের ছায়াকেও শত্রু মনে করে। মানুষ হয়তো আসলে মৃত্যুকে ভয় পায় না; সে ভয় পায় জীবনের অসমাপ্তিগুলোকে।
একটি ছোট্ট গল্প মনে পড়ে। এক গ্রামে কবির আহমদ নামে এক বৃদ্ধ বাস করতেন। জীবনের সবচেয়ে বড় আক্ষেপ ছিলÑতাঁর মেজো ছেলে বাড়ি ছেড়ে ইউরোপ চলে যাওয়ার পর তাকে শেষবারের মতো জড়িয়ে ধরতে পারেননি। বৃদ্ধ বয়সে রোগশয্যায় শুয়ে কবির আহমদ মৃত্যুর ভয়ে জেগে থাকতেন না। তিনি রাত জেগে থাকতেন একটি অসম্ভব প্রত্যাশায়।
যদি আজ রাতেই ছেলেটা দরজা ঠেলে ঘরে ঢোকে? যদি হঠাৎ সে এসে বলে “বাবা, আমি এসেছি!”
কবির আহমদ জানতেন, মৃত্যু একদিন আসবেই। কিন্তু তাঁর অস্থিরতা মৃত্যুকে নিয়ে ছিল না। তাঁর ছটফটানি ছিল জীবনের একটি অসম্পূর্ণ পাতা পূর্ণ করার জন্য। জীবনের মূল যন্ত্রণাটা বোধহয় এখানেই।
মৃত্যু একটি পরিচ্ছেদে পূর্ণচ্ছেদ দিয়ে বই বন্ধ করে দেয়। আর জীবন? জীবন প্রতিদিন অসংখ্য প্রশ্নবোধক চিহ্ন এঁকে যায়। রাতের বেলা যখন চারপাশের সব কোলাহল থেমে যায়, তখন আমাদের ভেতরের ভেজা স্মৃতিগুলো আস্তে আস্তে মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে। যে কথাগুলো কাউকে বলা হয়নি, যে ক্ষমাটা চাওয়া হয়নি, যে ভুলটি না করলেও পারতাম তারা সবাই অন্ধকার ঘরের ভেতর ছায়ার মতো হেঁটে বেড়ায়।
দিনের ব্যস্ততায় আমরা তাদের আড়াল করে রাখতে পারি। মানুষের ভিড়, কাজের চাপ, রাস্তাঘাটের কোলাহল, চায়ের কাপের টুংটাং শব্দÑসবকিছুর আড়ালে জীবনের ছোট ছোট দীর্ঘশ্বাসগুলো চাপা পড়ে থাকে। কিন্তু রাত বড় চতুর। রাত এসে যখন সমস্ত কোলাহল কেড়ে নেয়, তখন যেন নিঃশব্দে প্রশ্ন করেÑ
“এবার বলো, তোমার বুকের ভেতরের সেই পুরনো ব্যথাটার খবর কী?”
তখনই ঘুম চটে যায়। মাঝে মাঝে গভীর রাতে জানালাটা খুলে বাইরের অন্ধকারের দিকে তাকালে নিজেকে খুব তুচ্ছ মনে হয়। মনে হয়, এই পৃথিবী কত হাজার বছর ধরে একই নিয়মে রাত নামিয়েছে, মানুষ ঘুমিয়েছে, ভোর হয়েছে, আবার দিন শুরু হয়েছে। কত মানুষ এসেছে, কত মানুষ চলে গেছে। পৃথিবী তার নিজের গতিতেই ঘুরে চলেছে। শুধু মানুষের বুকের ভেতরটাই কখনো কখনো সারারাত ছাইচাপা আগুনের মতো জ্বলতে থাকে। ঘুম যে আসে না, তার মূল কারণ হয়তো মৃত্যু নয়। আমরা মৃত্যুকে ভেবে জেগে থাকি না; আমরা বেঁচে থাকার না-মেলা হিসাবগুলো মেলাতে গিয়ে জেগে থাকি।
একটি শূন্য ডায়েরির পাতা নিয়ে বসে থেকে রাত পার করে দেওয়া সহজ। কিন্তু যে ডায়েরির পাতায় পাতায় ভুলের দাগ, কাটাকুটি আর অর্ধেক লেখা বাক্য জমে আছে, সেটি বন্ধ করা বড় কঠিন।
আমাদের জীবনটাও যেন তেমনই একটি ডায়েরি। শেষ পাতায় কোথাও একটি ফুলস্টপ অপেক্ষা করছে আমরা তা জানি। তবু বারবার ফিরে যাই মাঝের পাতাগুলোয়। কোথায় ভুল হয়েছিল, কোন কথাটি বলা হয়নি, কোন মানুষটি হারিয়ে গেল, কোন স্বপ্নটি অসম্পূর্ণ থেকে গেলÑসেসবের হিসাব মেলাতে মেলাতে আমরা শেষ পাতাটির কথা ভুলে থাকি। তাহলে কি জীবনের এই অস্থিরতা মৃত্যুর চেয়েও বেশি যন্ত্রণাদায়ক? হয়তো। মৃত্যু একটি চূড়ান্ত সত্যÑযেখানে পৌঁছালে জীবনের সব বিভ্রান্তি, দ্বিধা ও অপেক্ষার অবসান ঘটে। আর জীবন হলো এক দীর্ঘ নাটক, যেখানে প্রতিটি অঙ্কে দৃশ্য বদলায়। চরিত্র বদলায়। সম্পর্ক বদলায়। স্বপ্ন বদলায়। অথচ শেষ দৃশ্যটি কেমন হবে, তা কেউ জানে না। এই না-জানাটাই হয়তো জীবনের সবচেয়ে বড় সৌন্দর্য, আবার সবচেয়ে বড় যন্ত্রণাও। মৃত্যু শেষ পেরেকটি ঠুকে দেয়। আর জীবন সেই পেরেক ঠোকার আগের প্রতিটি মুহূর্তকে অনিশ্চয়তার চাবুক দিয়ে আঘাত করতে থাকে। তবু জীবনের প্রতি আমাদের এত অভিযোগ কেন? জীবন এত চঞ্চল, এত অস্থির বলেই তো দিনশেষের বৃষ্টিতে ভিজতে ভালো লাগে। জোছনার আলোয় একা দাঁড়িয়ে থাকতে ভালো লাগে। কোনো প্রিয় মানুষের কণ্ঠ শুনলে বুকের ভেতর হঠাৎ আলো জ্বলে ওঠে। বহুদিন পর কারও সঙ্গে দেখা হলে মনে হয় এখনো কিছু পাওয়া বাকি আছে। জীবনের এই যন্ত্রণাটুকু না থাকলে মৃত্যুর শান্তিরই বা কী মূল্য থাকত?
সম্ভবত জীবনের সৌন্দর্য এখানেই আমরা জানি, একদিন সব শেষ হবে; তবু প্রতিদিন নতুন করে শুরু করি। যে মানুষ রাতের পর রাত জীবনের না-পাওয়ার হিসাব কষেছে, যে মানুষ হারানোর ব্যথা বয়ে নিয়ে ভোর পর্যন্ত জেগে থেকেছে, সেই মানুষই ভোরের প্রথম একচিলতে রোদ জানালার ফাঁক দিয়ে ঘরে ঢুকতে দেখে সবচেয়ে গভীরভাবে বলতে পারে-“আহা, আর একটা দিন তো অন্তত বেঁচে থাকা গেল!”
(মোঃ আবু সাঈদ সরদার, সংবাদকর্মী)

Ads small one

ভক্তদের কৌতূহল: সমুদ্রপাড়ে নতুন লুকে দীঘি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:২২ পূর্বাহ্ণ
ভক্তদের কৌতূহল: সমুদ্রপাড়ে নতুন লুকে দীঘি

অভিনেত্রী প্রার্থনা ফারদিন দীঘির নীল জলরাশি, বিস্তীর্ণ বালুচর আর সমুদ্রের নির্মল বাতাস- কক্সবাজারের এমন মনোরম পরিবেশে হঠাৎই দেখা মিলল । সমুদ্র সৈকত থেকে নিজের কয়েকটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করতেই ভক্তদের মধ্যে শুরু হয়েছে নানা জল্পনা। তবে নিছক ঘুরতে নয়, শুটিংয়ের কাজেই কক্সবাজারে অবস্থান করছেন এই অভিনেত্রী।

সম্প্রতি নিজের ফেসবুক পেজে দুটি ছবি শেয়ার করেন দীঘি। ছবিতে সমুদ্রের পাড়ে স্বাভাবিক ও ছিমছাম সাজে দেখা গেছে তাকে। সাগরের নীল জল আর বালুচরের আবহে অভিনেত্রীর নতুন লুকও নজর কেড়েছে নেটিজেনদের। ছবির ক্যাপশনে দীঘি লিখেছেন, ‘আমি এসেছি সাগর পাড়ে ‘গো প্লান’-এর সাথে।’ এরপর থেকেই তার কক্সবাজার সফরের কারণ নিয়ে কৌতূহল তৈরি হয়েছে ভক্তদের মধ্যে। কমেন্ট বক্সে অনেকেই অভিনেত্রীর প্রশংসা করার পাশাপাশি জানতে চেয়েছেন, সেখানে নতুন কোনো কাজের শুটিং করছেন কি না।

দীঘি অবশ্য বিষয়টি এখনই খোলাসা করতে চাইছেন না। জানা গেছে, শুটিংয়ের কাজে বর্তমানে কক্সবাজারে রয়েছেন তিনি। তবে ঠিক কোন প্রজেক্টের জন্য সেখানে গেছেন, সেটি আপাতত গোপনই রাখছেন অভিনেত্রী। নতুন কাজ সম্পর্কে জানতে চাইলে দীঘি বলেন, ‘অপেক্ষা করুন, সময় হলে জানতে পারবেন।’ ফলে তার নতুন কাজটি সিনেমা, ওয়েব কনটেন্ট নাকি অন্য কোনো ধরনের প্রজেক্ট এ বিষয়ে এখনো কোনো স্পষ্ট তথ্য জানা যায়নি।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিয়মিতই নিজের কাজ ও ব্যক্তিজীবনের নানা মুহূর্তের ছবি-ভিডিও শেয়ার করেন দীঘি। এবার কক্সবাজারের সমুদ্রপাড় থেকে প্রকাশ করা ছবিগুলোও মুহূর্তেই ছড়িয়ে পড়ে ভক্তদের মধ্যে। ছবির পাশাপাশি নতুন কাজের রহস্যই যেন বাড়িয়ে দিয়েছে তাদের আগ্রহ।

শিশুশিল্পী হিসেবে চলচ্চিত্রে অভিষেকের পর থেকেই দর্শকের কাছে আলাদা পরিচিতি পেয়েছেন দীঘি। ছোটবেলায় অভিনয় করে জনপ্রিয়তা পাওয়ার পর বড় পর্দায় নায়িকা হিসেবেও নিজের জায়গা তৈরি করেছেন তিনি। এখন নতুন এই কাজ দিয়ে দর্শকদের সামনে কী চমক নিয়ে হাজির হন, সেটিই দেখার অপেক্ষা।

 

ক্রিকেটারদের ম্যাচ ফি বাড়াল বিসিবি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:১৫ পূর্বাহ্ণ
ক্রিকেটারদের ম্যাচ ফি বাড়াল বিসিবি

বিপিএল স্থগিত হওয়ায় দেশের ক্রিকেটারদের আয়ে বড় ধাক্কা লাগার আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল। সেই পরিস্থিতিতে ঘরোয়া ক্রিকেটারদের জন্য বড় সিদ্ধান্ত নিল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। এক লাফে বড় অঙ্কে বাড়ানো হলো ম্যাচ ফি। তবে বিসিবির সভাপতি তামিম ইকবালের দাবি, এটি শুধু বিপিএল না হওয়ার ক্ষতি পুষিয়ে দেওয়ার সাময়িক উদ্যোগ নয়; বরং ঘরোয়া ক্রিকেটারদের আয় দীর্ঘমেয়াদে বাড়ানোর লক্ষ্যেই এই সিদ্ধান্ত।
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বিসিবির কার্যনির্বাহী কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলন বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবাল এ ঘোষণা দেন।

নতুন ম্যাচ ফি কাঠামো অনুযায়ী, পুরুষ ক্রিকেটাররা এখন প্রতিটি প্রথম-শ্রেণির ম্যাচের জন্য ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা পাবেন, যা আগে ছিল ৭০ হাজার টাকা। বিসিবির অ্যাডহক কমিটির প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার সময় তামিম নিজেই এই ফি বাড়িয়ে ১ লাখ টাকা করেছিলেন।

‘লিস্ট এ’ ম্যাচের ফি-ও দ্বিগুণ করা হয়েছে। এখন খেলোয়াড়রা প্রতি ম্যাচের জন্য ১ লাখ টাকা পাবেন, যা আগে ছিল ৫০ হাজার টাকা। এছাড়া ঘরোয়া টি-টোয়েন্টি ম্যাচের ফি ৪০ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ৮০ হাজার টাকা করা হয়েছে।

নারীদের চার দিনের ম্যাচের ফি ২০ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ৪০ হাজার টাকা করা হয়েছে। একদিনের ম্যাচের ক্ষেত্রে তা ১৫ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ৩০ হাজার টাকা করা হয়েছে। এছাড়াও টি-টোয়েন্টি ম্যাচের ফি ১০ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০ হাজার টাকা করা হয়েছে।

তামিম ইকবাল বলেন, খেলোয়াড়দের পক্ষ থেকে এক দুটি প্রস্তাব এসেছিল। শেষ পর্যন্ত আমরা আসলে আমি এটাকে দুটি পক্ষ হিসেবে দেখি না। পক্ষ একটাই, আমরা সবাই এক। ক্রিকেটার, ক্রিকেট বোর্ড, পরিচালক, সভাপতি সবাই আমরা এক।

তিনি আরও বলেন, আমরা সবাই মিলে যা সিদ্ধান্ত নিয়েছি বিপিএলে সব মিলিয়ে ৫০, ৬০, ৬৫ বা ৭০ জন স্থানীয় ক্রিকেটার খেলবেন। কিন্তু বাংলাদেশের ক্রিকেটের সামগ্রিক প্রেক্ষাপটে যদি তাকান ফার্স্ট-ক্লাস, লিস্ট ‘এ’ ও টি-টোয়েন্টি মিলিয়ে প্রায় ১৫০ থেকে ২০০ জন ক্রিকেটারের সম্পৃক্ততা রয়েছে। এখন ঢাকা লিগ থেকে তারা দুই-তিন বছর আগে যে আয় করতেন, তা হয়তো কমে গেছে। তার ওপর, এ বছর বিপিএল অনুষ্ঠিত না হওয়ায় এর ফলে আর্থিক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

বিসিবি সভাপতি বলেন, আমি কখনোই খেলোয়াড়দের জন্য কেবল এক বছরের কোনো সমাধান চাইনি। আমি এমন একটি সমাধান চেয়েছিলাম, যা ক্রিকেটাররা বছরের পর বছর উপকূত হয়। তিনি আরও উল্লেখ করেন, এই পদক্ষেপের ফলে ক্রিকেটাররা কেবল বিসিবি-র টুর্নামেন্ট খেলেই আর্থিকভাবে স্থিতিশীল থাকতে পারবেন, কারণ তারা মাসে প্রায় ৩ লাখ টাকা আয় করবেন।

সাবেক এই ক্রিকেটার মতে, সবকিছুর খরচই ১০০ শতাংশ বা তার বেশি বেড়েছে। আর এর সুফল কী? সেটাই আসল প্রশ্ন। এখন একজন ঘরোয়া ক্রিকেটার যদি পুরো মৌসুম খেলেন, তবে বেতনসহ আমার হিসাব যদি ভুল না হয় তারা বছরে ৩৫ থেকে ৪০ লাখ টাকা আয় করবেন। এটাকে ১২ দিয়ে ভাগ করলে দেখা যায়, একজন খেলোয়াড়ের মাসিক আয় ৩ লাখ টাকারও বেশি হবে। পরিবার চালানোর জন্য তাদের আর কোনো দুশ্চিন্তা করতে হবে না বলেই আমার মনে হয়। এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। সেই সঙ্গে তিনি যোগ করেন, এখন তিনি খেলোয়াড়দের কাছ থেকে পেশাদারিত্ব আশা করছেন।

প্রীতি জিনতা প্রতিদিন ১৮ ঘণ্টা শুটিং করেন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:১০ পূর্বাহ্ণ
প্রীতি জিনতা প্রতিদিন ১৮ ঘণ্টা শুটিং করেন

ভারতীয় চলচ্চিত্র বলিউডে দীর্ঘ শিফটে কাজ করা নিয়ে একের পর এক বিতর্ক চলছে বেশ কিছু দিন ধরেই। এ নিয়ে দীপিকা পাড়ুকোনসহ বেশ কয়েকজন তারকা প্রতিবাদমুখর হয়ে ওঠেন। এই বিতর্কের মধ্যেই বলিউডের ‘ডিম্পল গার্ল’ প্রীতি জিনতা টানা দীর্ঘ সময় শুটিং করে আলোচনায় এসেছেন।

সম্প্রতি ‘বাটওয়ারা ১৯৪৭’ সিনেমা দিয়ে প্রায় এক দশকের বিরতি ভাঙেন বলিউডে এক সময়ের পর্দা কাঁপানো অভিনেত্রী প্রীতি জিনতা। এবার তাকে দেখা যাবে কুনাল খেমুর পরিচালনায় ‘ভাইব’ সিনেমায়। সিনেমাটির শুটিং করতে গিয়ে প্রতিদিন ১৮ ঘণ্টার মতো কাজ করেছেন বলে জানিয়েছেন অভিনেত্রী নিজেই। ২ সেপ্টেম্বর মুম্বাইয়ে ভাইব’র জমকালো ট্রেলার প্রকাশ অনুষ্ঠান হয়।

এ সময় বলিউডে দীর্ঘ কর্মঘণ্টা নিয়ে চলমান বিতর্ক প্রসঙ্গে কথা বলেন প্রীতি। সেখানে তিনি জানান, শুটিং দ্রুত শেষ করে যুক্তরাষ্ট্রে সন্তানদের কাছে ফিরতেই প্রতিদিন লম্বা সময় কাজ করেছেন। প্রীতি জিনতার ভাষ্য অনুযায়ী, ভাইব’র শুটিংয়ের সময় প্রতিদিনই দীর্ঘ শিফটে কাজ করতে হয়েছে। তবে এ নিয়ে তার কোনো আক্ষেপ নেই। অভিনেত্রী জানান, তিনি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য ভারতে এসেছিলেন।

তাই যত দ্রুত সম্ভব কাজ শেষ করে যুক্তরাষ্ট্রে সন্তানদের কাছে ফিরতে চেয়েছিলেন। বলিউডে অভিনেতাদের কর্মঘণ্টা নিয়ে বিতর্ক নতুন নয়। গত বছর দীপিকা পাড়ুকোনের ‘স্পিরিট’ সিনেমা থেকে সরে যাওয়ার খবরের পর বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় আসে। এমনকি তিনি ‘কালকি’র মতো বড় সিনেমায় বাদ দেন। দৈনিক ৮ ঘণ্টার বেশি কাজ না করার শর্ত নিয়ে নির্মাতাদের সঙ্গে তার মতবিরোধের খবর প্রকাশ পেয়েছিল।

ভাইব সিনেমাটিতে প্রীতি জিনতার পাশাপাশি অভিনয় করেছেন ‘লাপাত্তা লেডিজ’ খ্যাত স্পর্শ শ্রীবাস্তব, বংশিকা ধীর, যশপাল শর্মা ও দিনেশ লাল যাদব। ড্রঙ্গো ফিল্মসের ব্যানারে কুনাল খেমু ও চিরাগ নিহালানি প্রযোজিত সিনেমাটি অ্যামাজন এমজিএম স্টুডিওসের।