বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬, ১৭ আষাঢ় ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬, ১৭ আষাঢ় ১৪৩৩

রোনালদো নাকি মদরিচ, কার বিদায় আজ?

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই, ২০২৬, ৮:১০ অপরাহ্ণ
রোনালদো নাকি মদরিচ, কার বিদায় আজ?

ফুটবল বিশ্বের দুই কিংবদন্তি লুকা মদরিচ ও ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। বয়সের ভারে দুজনই ক্যারিয়ারের শেষ প্রান্তে। চলতি বিশ্বকাপে ক্রোয়েশিয়া ও পর্তুগালের শেষ ষোলোর লড়াই তাই শুধু কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার নয়, বরং দুই মহাতারকার একজনের বিশ্বকাপ অধ্যায়ের ইতি টানার মঞ্চও। ম্যাচটা মাঠে গড়াবে আজ রাত ৩টায়। দেখাবে টি স্পোর্টস।

পর্তুগালের মিডফিল্ডার ভিতিনহা ম্যাচের আগে সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, ‘মদরিচ ও রোনালদো বিশ্ব ফুটবলের দুই অসাধারণ আইকন। ক্রিস্টিয়ানোর সঙ্গে একই ড্রেসিংরুম ভাগাভাগি করার সৌভাগ্য হয়েছে, যা আমার জন্য দারুণ অভিজ্ঞতা। মদরিচের সঙ্গেও আরও বেশি সময় কাটানোর ইচ্ছা ছিল। যতটুকু দেখেছি, তিনি ভীষণ ভদ্র ও আন্তরিক একজন মানুষ। কিন্তু আগামীকাল একজনের যাত্রা শেষ হবেই। আমি চাই, সেটি যেন মদরিচের হয়।’

ক্রমশ সময় ফুরিয়ে আসছে দুই তারকার আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার। ৪১ বছর বয়সী মদরিচ এবং ৪০ বছর বয়সী রোনালদোর এটি শেষ বিশ্বকাপ হওয়ার সম্ভাবনাই সবচেয়ে বেশি। ফলে বৃহস্পতিবারের ম্যাচটি একজনের জন্য হয়ে উঠতে পারে বিশ্বকাপের শেষ অধ্যায়।

বিশ্বকাপের ইতিহাসে দুজন মিলে খেলেছেন ৪৭টি ম্যাচ। ২০০৮ থেকে ২০১৮ সালের মধ্যে তাদের ঝুলিতে উঠেছে মোট ছয়টি ব্যালন ডি’অর, যার পাঁচটিই রোনালদোর। আর ২০১২ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত রিয়াল মাদ্রিদে একসঙ্গে খেলতে গিয়ে জিতেছেন চারটি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ শিরোপা।

পর্তুগাল কোচ রবার্তো মার্তিনেজও দুই কিংবদন্তির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেছেন, ‘তারা জনমতের ঊর্ধ্বে থাকা ফুটবলার। এত দীর্ঘ সময় ধরে সর্বোচ্চ পর্যায়ে নিজেদের ধরে রাখা-ই তাদের বিশেষ করে তুলেছে। ৪০ পেরিয়েও মদরিচ নিয়মিত খেলছেন এবং দলের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একই কথা আমাদের অধিনায়ক রোনালদোর ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। বয়স কেবল একটি সংখ্যা। আসল বিষয় হলো, তারা মাঠে কী দিচ্ছেন এবং ড্রেসিংরুমে কী ধরনের উদাহরণ তৈরি করছেন।’

এবারের বিশ্বকাপেও দুজনই নিজেদের উপস্থিতি জানান দিয়েছেন। তবে বয়সের ছাপ যে তাদের পারফরম্যান্সে পড়েছে, সেটিও স্পষ্ট।

পর্তুগালের হয়ে এখন পর্যন্ত তিনটি ম্যাচেই পুরো ২৭০ মিনিট খেলেছেন রোনালদো। করেছেন দুটি গোলও। তবে সতীর্থদের জন্য কোনো সুযোগ তৈরি করতে পারেননি। ২৫০ মিনিটের বেশি খেলা ফরোয়ার্ডদের মধ্যে বল স্পর্শ, বল দখল, প্রগ্রেসিভ পাস এবং দ্বৈরথে অংশ নেওয়ার পরিসংখ্যানে তিনি পিছিয়ে রয়েছেন।

অন্যদিকে মদরিচ খেলেছেন ২২৯ মিনিট। একটি অ্যাসিস্টসহ পাঁচটি সুযোগ তৈরি করেছেন তিনি। তবে ২২৫ মিনিটের বেশি খেলা মিডফিল্ডারদের মধ্যে বল দখল ও দ্বৈরথের পরিসংখ্যানে তিনিও অনেকটাই নিচের দিকে।

তাই ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণে দুই কিংবদন্তির চেয়ে তাদের সতীর্থদের ভূমিকাই হতে পারে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে মাঝমাঠের লড়াইকে দুই কোচই ম্যাচের সবচেয়ে বড় নিয়ামক হিসেবে দেখছেন।

এই জায়গায় পর্তুগালের শক্তি নিঃসন্দেহে চোখে পড়ার মতো। ভিতিনহা, ব্রুনো ফার্নান্দেজ, জোয়াও নেভেস, বের্নার্দো সিলভা ও রুবেন নেভেস—প্রত্যেকেই নিজ নিজ অবস্থানে বিশ্বের সেরাদের একজন।

অন্যদিকে অভিজ্ঞ মদরিচ ও মাতেও কোভাচিচের পাশাপাশি উদীয়মান পেতার সুচিচকে নিয়ে ভারসাম্যপূর্ণ একটি মিডফিল্ড গড়ে তুলেছে ক্রোয়েশিয়া।

ক্রোয়েশিয়ার কোচ জ্লাতকো দালিচও মনে করছেন, ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ হবে মাঝমাঠেই। তার ভাষায়, ‘নিঃসন্দেহে এটি হবে বিশাল এক লড়াই। সম্ভবত মধ্যমাঠের আধিপত্যই ঠিক করে দেবে ম্যাচের ফল।’

Ads small one

‘গরুর স্কুল’ তকমায় শিক্ষার্থী নেমেছে ২৪ জনে, পরিবেশ রক্ষায় প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই, ২০২৬, ১০:৪৫ অপরাহ্ণ
‘গরুর স্কুল’ তকমায় শিক্ষার্থী নেমেছে ২৪ জনে, পরিবেশ রক্ষায় প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি

সংবাদদাতা: বিদ্যালয়ের প্রবেশদ্বারে নিয়মিত গরু-ছাগল বেঁধে রাখা, গোবর ও আবর্জনা ফেলা এবং উন্মুক্ত ড্রেন তৈরির কারণে শিক্ষার পরিবেশ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার সোনাটিকারী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। নোংরা ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের কারণে স্থানীয় মহলে এটি ‘গরুর স্কুল’ হিসেবে তকমা পেয়েছে। যার প্রভাবে বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী কমতে কমতে এখন মাত্র ২৪ জনে এসে দাঁড়িয়েছে।

এই পরিস্থিতিতে বিদ্যালয়ের পরিবেশ রক্ষা ও শিক্ষার পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে প্রশাসনিক ও পুলিশি হস্তক্ষেপ চেয়ে বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বরাবর চিঠি দিয়েছেন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা দীপক কুমার বিশ্বাস।

শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, জেলা ও উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাদের একাধিক পরিদর্শন এবং বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের দেওয়া লিখিত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

ইউএনওকে দেওয়া চিঠিতে অভিযোগ করা হয়, বিদ্যালয়ের উত্তর পাশের বাসিন্দা শহিদুল ইসলাম নিয়মকানুন উপেক্ষা করে বিদ্যালয়ের সামনে গরু-ছাগল বেঁধে রাখেন। মাঠের মধ্যে গোবর, খড়কুটা, গাছের পাতা ও পরিত্যক্ত আসবাবপত্র ফেলে রাখা হয়। এমনকি তাঁর বাড়ির বর্জ্য নিষ্কাশনের জন্য বিদ্যালয়ের সামনে একটি উন্মুক্ত ড্রেন তৈরি করা হয়েছে। এতে পুরো ক্যাম্পাস

 

দুর্গন্ধময় ও নোংরা হয়ে পড়েছে। শিক্ষকেরা ও শিক্ষা কর্মকর্তারা একাধিকবার নিষেধ ও সতর্ক করলেও তিনি তা আমলে নেননি।
স্থানীয় কয়েকজন অভিভাবক ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, চারপাশের এমন নোংরা পরিবেশের কারণে তাঁরা সন্তানদের এই বিদ্যালয়ে ভর্তি করাতে চাচ্ছেন না। এছাড়া বিদ্যালয়ের সীমানা ঘেঁষে থাকা প্রতিবেশীদের বাঁশঝাড়ের কারণে শ্রেণিকক্ষে পর্যাপ্ত আলো-বাতাস প্রবেশ করতে পারছে না। বাঁশঝাড় সরানোর অনুরোধ করলেও কোনো কাজ হয়নি।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা দীপক কুমার বিশ্বাস চিঠিতে উল্লেখ করেছেন, বিদ্যালয়ের স্বাভাবিক শিক্ষার পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে এবং সরকারি সম্পত্তির পবিত্রতা রক্ষায় জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনি ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।

কলারোয়ায় মিষ্টান্নের দোকানে ৮ হাজার টাকা জরিমানা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই, ২০২৬, ১০:৪২ অপরাহ্ণ
কলারোয়ায় মিষ্টান্নের দোকানে ৮ হাজার টাকা জরিমানা

কলারোয়া প্রতিনিধি: কলারোয়ায় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের অভিযানে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ ও নানা অব্যবস্থাপনার কারণে দুলালের মিষ্টির দোকান ও রাজ হোটেলকে ৮ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) বেলা ১১ টার দিকে কলারোয়ার বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের অভিযানে ওই দুই প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করা হয়।

জানা গেছে, বৃহস্পতিবার সকাল থেকে সাতক্ষীরা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মেহেদী হাসান তানভীরের নেতৃত্বে ভোক্তা অধিকারের একটি টিম কলারোয়া পৌর শহরের বিভিন্ন খাবারের প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালায়। এ সময় খাদ্য প্রস্তুত ও পরিবেশনের ক্ষেত্রে স্বাস্থ্যবিধি না মানা, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য সংরক্ষণ এবং অন্যান্য ভোক্তা অধিকারবিরোধী অনিয়মের অভিযোগে কলারোয়া উপজেলা মোড়ের রাজ হোটেলের স্বত্বাধিকারী সাগর হোসেনকে ৩ হাজার টাকা এবং দুলালের মিষ্টির দোকানের স্বত্বাধিকারী সুভাষ ঘোষকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

 

একই সঙ্গে ভবিষ্যতে এ ধরনের অনিয়ম থেকে বিরত থাকার জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের কঠোরভাবে সতর্ক করা হয়। সাতক্ষীরা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মেহেদী হাসান তানভীর ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে সাংবাদিকদের জানান, নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করা এবং সাধারণ ভোক্তাদের স্বার্থ রক্ষায় এ ধরনের অভিযান চলমান থাকবে।

শ্যামনগরে তিন দিনব্যাপী ‘নজরুল বর্ষ’ উদযাপনের সূচনা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই, ২০২৬, ১০:৪০ অপরাহ্ণ
শ্যামনগরে তিন দিনব্যাপী ‘নজরুল বর্ষ’ উদযাপনের সূচনা

শ্যামনগর প্রতিনিধি: “সংস্কৃতি মানুষের মনন গঠনে সহায়ক। সাম্য, অসাম্প্রদায়িকতা ও দ্রোহের চেতনা বিলিয়ে দিয়ে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম নির্যাতিত মানুষকে পথ দেখিয়েছেন।” প্রধানমন্ত্রীর এই আহ্বানের মধ্য দিয়ে সাতক্ষীরার শ্যামনগরে বর্ণাঢ্য আয়োজনে শুরু হয়েছে ‘নজরুল বর্ষ’ উদযাপন। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সকাল ১০টায় মন্ত্রিপরিষদ সচিবালয় থেকে অনলাইন প্ল্যাটফর্মে যুক্ত হয়ে দেশব্যাপী এই আয়োজনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে দেশের ৬৪টি জেলা ও নির্ধারিত ৭৩টি উপজেলার মতো শ্যামনগরেও এ উপলক্ষে তিন দিনব্যাপী নানা কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।

উদ্বোধনী বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, শিক্ষা যেমন জাতির মেরুদ-, তেমনি সংস্কৃতি মানুষের ভেতরের মননকে বিকশিত করে। নজরুলের সাহিত্য ও সৃষ্টিকে যদি নতুন প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়া না যায়, তবে তারা বাঙালি সংস্কৃতির এক বিশাল অধ্যায় থেকে বঞ্চিত হবে। উদ্বোধনী বক্তৃতায় তিনি জাতীয় কবির জীবন ও কর্ম নিয়ে আরও বেশি গবেষণা ও চর্চা বাড়ানোর তাগিদ দেন।

ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে উদ্বোধনের পর শ্যামনগর উপজেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শামসুজ্জাহান কনকের সভাপতিত্বে সভায় উপজেলার তিন দিনব্যাপী কর্মসূচির বিস্তারিত তুলে ধরা হয় এবং সর্বস্তরের মানুষকে এতে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।

উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. রাশেদ হোসাইনের সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য দেন:
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (ইউএইচএফপিও) ডা. জিয়াউর রহমান, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ওয়ালিউল ইসলাম, বিএনপি নেতা আব্দুল ওয়াহেদ ও সোলায়মান কবির, অধ্যাপক আবু সাইদ, শ্যামনগর প্রেসক্লাবের সভাপতি সামিউল মনির, শিক্ষক প্রতিনিধি লাভলু, আজহারুল ইসলাম এবং এস কে সিরাজ।

আলোচনা সভার শুরুতে জাতীয় কবির জীবন, সাহিত্য ও দর্শনের ওপর একটি তথ্যসমৃদ্ধ প্রবন্ধ পাঠ করেন শ্যামনগর সরকারি মহসীন কলেজের বাংলা বিভাগের প্রভাষক সচ্চিদানন্দ অমল।

বক্তারা বলেন, নজরুলের অসাম্প্রদায়িক চেতনা ও বৈষম্যহীন সমাজ গঠনের বার্তা আজও সমানভাবে প্রাসঙ্গিক। তিন দিনব্যাপী এই আয়োজনে উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের অংশগ্রহণে কবির গান, কবিতা ও জীবনভিত্তিক নানা প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে, যা স্থানীয় পর্যায়ে সাংস্কৃতিক জাগরণ তৈরি করবে।