মঙ্গলবার, ৯ জুন ২০২৬, ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ৯ জুন ২০২৬, ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

শিকড় কাটা প্রগতি: প্রযুক্তি আসুক, তবে মানবিকবিদ্যাকে খুন করে নয়

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬, ১২:৪৪ পূর্বাহ্ণ
শিকড় কাটা প্রগতি: প্রযুক্তি আসুক, তবে মানবিকবিদ্যাকে খুন করে নয়

‎তারিক ইসলাম
‎রাষ্ট্র বা সমাজের আধুনিকায়নের প্রধান শর্ত যদি হয় শিক্ষার রূপান্তর, তবে সেই রূপান্তরের অভিমুখ কোন দিকে, তা নিয়ে ভাবার সময় এসেছে। সম্প্রতি দেশের উচ্চশিক্ষা ক্ষেত্রে এক চরম উদ্বেগজনক সিদ্ধান্তের আভাস পাওয়া যাচ্ছে। বাংলা, ইতিহাস ও দর্শনের মতো মৌলিক ও ঐতিহ্যবাহী অনার্স কোর্সগুলো বাতিল করে সম্পূর্ণভাবে এআই (অৎঃরভরপরধষ ওহঃবষষরমবহপব), সাইবার সিকিউরিটি, আউটসোর্সিং ও অন্যান্য প্রযুক্তি-নির্ভর বিষয় চালুর রূপরেখা তৈরি হচ্ছে। আপাতদৃষ্টিতে এই সিদ্ধান্তকে অত্যন্ত ‘স্মার্ট’ এবং ‘বাজারমুখী’ মনে হলেও, গভীর বিশ্লেষণে এর ভেতরে লুকিয়ে থাকা এক ভয়াবহ সাংস্কৃতিক ও মেধাভিত্তিক দেউলিয়াত্বের রূপ স্পষ্ট হয়ে ওঠে।
‎বিশ্ববিদ্যালয় কোনো বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান বা কেবলই ‘চাকরিজীবী তৈরির কারখানা’ নয়; এটি জ্ঞান সৃষ্টি, মুক্তচিন্তা এবং মানবিক মূল্যবোধের প্রসূতিগৃহ। আউটসোর্সিং বা সাইবার সিকিউরিটির মতো বিষয়গুলো শিক্ষার্থীদের দ্রুত আয়ের পথ দেখাতে পারে, যা সামষ্টিক অর্থনীতির জন্য হয়তো লোভনীয়। কিন্তু একটি রাষ্ট্র কি কেবল জিডিপি (এউচ) দিয়ে পরিমাপ করা যায়?
‎বাংলা কেবল একটি ভাষা নয়, এটি আমাদের হাজার বছরের সংস্কৃতি, জাতিগত সত্তা ও সৃজনশীলতার আধার। একে বাদ দেওয়া মানে নিজের শিকড়কে কেটে ফেলা।
‎ইতিহাস মানুষকে অতীত ও বর্তমানের মেলবন্ধন শেখায়। ইতিহাসহীন জাতি অন্ধের মতো চলে, যারা বারবার পুরোনো ভুলের পুনরাবৃত্তি করে।
‎দর্শন মানুষকে প্রশ্ন করতে শেখায়, ভালো-মন্দের তফাত বোঝায় এবং নৈতিকতার মানদন্ড গড়ে দেয়।
‎এই বিষয়গুলোকে উচ্চশিক্ষা থেকে নির্বাসনে পাঠানো মানে একটি সংবেদনশীল ও বিবেকবান সমাজ ব্যবস্থার কফিনে শেষ পেরেকটি ঠুকে দেওয়া। আমরা হয়তো একদল প্রযুক্তি-দক্ষ ‘শ্রমিক’ পাব, কিন্তু একটি আদর্শ ‘মানুষ’ বা ‘সমাজ’ গড়ার কারিগর চিরতরে হারিয়ে ফেলব।
‎বিশ্বজুড়ে এখন সবচেয়ে বড় বিতর্ক কী নিয়ে? তা হলো-কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা অও-এর নৈতিক ব্যবহার। প্রযুক্তি যত শক্তিশালী হচ্ছে, তার অপব্যবহারের ঝুঁকি তত বাড়ছে।
‎একটি এআই অ্যালগরিদম যেন মানববিদ্বেষী বা বৈষম্যমূলক না হয়, তা নির্ধারণের জন্য প্রযুক্তিবিদের চেয়ে একজন সমাজবিজ্ঞানী বা দার্শনিকের প্রজ্ঞা বেশি প্রয়োজন। সাইবার অপরাধ প্রতিরোধের জন্য শুধু কোডিং জানাই যথেষ্ট নয়, অপরাধীর মনস্তত্ত্ব ও সামাজিক প্রেক্ষাপট বুঝতে ইতিহাসের পাঠ আবশ্যক।
‎উন্নত বিশ্ব যেখানে বিজ্ঞান ও কলার সমন্বয়ে ‘ঝঞঊঅগ’ (ঝপরবহপব, ঞবপযহড়ষড়মু, ঊহমরহববৎরহম, অৎঃং, ধহফ গধঃযবসধঃরপং) মডেলের দিকে ঝুঁকছে, সেখানে আমরা মানবিকবিদ্যাকে পুরোপুরি উপড়ে ফেলার মতো বিপরীতমুখী ও আত্মঘাতী পথে হাঁটছি।
‎সংস্কার হোক সমন্বিত, ধ্বংসাত্মক নয়।সময়ের প্রয়োজনে প্রযুক্তির সংযোজন অবশ্যই অনস্বীকার্য। কিন্তু তার অর্থ এই নয় যে, নতুনকে জায়গা দিতে গিয়ে পুরনো স্তম্ভগুলোকে ভেঙে ফেলতে হবে। আমাদের প্রয়োজন ছিল একটি দূরদর্শী শিক্ষানীতি:
‎সমন্বয়: বাংলা, ইতিহাস বা দর্শনের অনার্স কোর্সগুলো বহাল রেখে তার সাথে বাধ্যতামূলকভাবে ‘ডিজিটাল হিউম্যানিটিজ’, ‘এআই ইথিক্স’ কিংবা ফ্রিল্যান্সিং-এর মৌলিক কারিগরি কোর্স যুক্ত করা যেত।
‎বাজারের স্থায়িত্ব: মনে রাখতে হবে, প্রযুক্তির বাজার অত্যন্ত পরিবর্তনশীল। আজকের যে প্রযুক্তির জন্য আমরা পাগল, পাঁচ বছর পর তা হয়তো সেকেলে হয়ে যাবে। কিন্তু ইতিহাস, দর্শন ও সাহিত্যের উপযোগিতা চিরন্তন। কেবল নির্দিষ্ট প্রযুক্তি শেখা একটি প্রজন্ম বাজারের সামান্য পরিবর্তনেই খেই হারিয়ে ফেলবে।
‎ইতিহাস ও দর্শনহীন সমাজ হয়ে পড়ে স্মৃতিশক্তিহীন ও বিবেকহীন। আর নিজের ভাষা ও সংস্কৃতির চর্চা না থাকলে সেই সমাজ আত্মপরিচয়হীন এক জনসমষ্টিতে পরিণত হয়। প্রযুক্তি আমাদের জীবনকে গতিশীল ও স্বাচ্ছন্দ্যময় করতে পারে, কিন্তু জীবনকে অর্থপূর্ণ করে তোলে সাহিত্য ও শিল্প।
‎বাজারের অন্ধ স্্েরাতে গা ভাসিয়ে আমরা যেন আমাদের মেধা ও মননের আত্মাকে বিসর্জন না দিই। নীতিনির্ধারকদের প্রতি অনুরোধ-প্রযুক্তিকে অবশ্যই বরণ করুন, তবে তা মানবিকবিদ্যাকে কবর দিয়ে নয়, বরং তার পরিপূরক হিসেবে। ভারসাম্যপূর্ণ উচ্চশিক্ষাই কেবল একটি প্রগতিশীল ও আত্মমর্যাদাশীল জাতি উপহার দিতে পারে। ‎লেখক: তারিক ইসলাম, ‎সভাপতি, সাতক্ষীরা বোটানিক্যাল সোসাইটি

 

Ads small one

কপোতাক্ষ নদে বজ্রপাতে নিখোঁজ জেলের মরদেহ ২৯ ঘণ্টা পর উদ্ধার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬, ১:০১ পূর্বাহ্ণ
কপোতাক্ষ নদে বজ্রপাতে নিখোঁজ জেলের মরদেহ ২৯ ঘণ্টা পর উদ্ধার

 

আশাশুনি প্রতিনিধি: আশাশুনি উপজেলার প্রতাপনগর ইউনিয়নের চাকলা এলাকায় কপোতাক্ষ নদে মাছ ধরার সময় বজ্রপাতে নিখোঁজ হওয়া জেলে মো. আরিফ হাসানের (৩৫) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নিখোঁজ হওয়ার প্রায় ২৯ ঘণ্টা পর মঙ্গলবার রাত ৯টা ৪০ মিনিটের দিকে চাউলখোলা খুটিকাটা লঞ্চঘাট সংলগ্ন নদ থেকে তাঁর ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
মৃত আরিফ হাসান চাকলা গ্রামের মৃত আব্দুল হাই সানার ছেলে। এর আগে গত সোমবার বিকেল আনুমানিক ৫টার দিকে চাকলা গ্রামের কপোতাক্ষ নদে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় বাসিন্দা ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, আরিফ হাসান প্রতিদিনের মতো সোমবার বিকেলে একা একটি নৌকা নিয়ে কপোতাক্ষ নদে মাছ ধরতে যান। বিকেলের দিকে আকাশ মেঘাচ্ছন্ন হয়ে বজ্রসহ বৃষ্টি শুরু হলে একপর্যায়ে তাঁর নৌকার ওপর বজ্রপাত হয়। এতে তিনি নৌকা থেকে ছিটকে নদে পড়ে নিখোঁজ হন এবং নৌকাটি ডুবে যায়।
ঘটনার পর স্থানীয় জেলে, স্বজন ও এলাকাবাসী মিলে ডুবে যাওয়া নৌকাটি উদ্ধার করতে পারলেও আরিফের কোনো সন্ধান পাননি। পরবর্তীতে ফায়ার সার্ভিসের উদ্ধারকারী দল ও ডুবুরিরা নদে তল্লাশি অভিযান শুরু করে। অবশেষে মঙ্গলবার রাতে দুর্ঘটনাস্থল থেকে কয়েক কিলোমিটার দূরে চাউলখোলা খুটিকাটা লঞ্চঘাটের পাশে নদে তাঁর মরদেহ ভাসতে দেখে স্থানীয়রা উদ্ধার করেন। পরে পরিবারের সদস্যরা গিয়ে আরিফ হাসানের মরদেহ শনাক্ত করেন।
এ ঘটনায় নিহতের পরিবার ও পুরো এলাকাজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্বজনদের আহাজারিতে চিলতে ওই গ্রামের পরিবেশ ভারী হয়ে উঠেছে।
প্রতাপনগর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য আব্দুর রউফ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, বজ্রপাতে নিখোঁজ হওয়ার পর থেকেই নদের বিভিন্ন পয়েন্টে তল্লাশি চালানো হচ্ছিল। মঙ্গলবার রাতে স্থানীয়দের সহায়তায় তাঁর মরদেহটি উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।

সম্পাদকীয়/ ডিজিটাল সেবার নামে এনালগ ভোগান্তি বন্ধ হোক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬, ১:০০ পূর্বাহ্ণ
সম্পাদকীয়/ ডিজিটাল সেবার নামে এনালগ ভোগান্তি বন্ধ হোক

প্রযুক্তিভিত্তিক আধুনিক ও সহজ গ্রাহকসেবা নিশ্চিতের লক্ষ্য নিয়ে দেশে প্রিপেইড বিদ্যুৎ মিটার ব্যবস্থা চালু করা হয়েছিল। উদ্দেশ্য ছিল গ্রাহকেরা ঘরে বসেই অনায়াসে রিচার্জ করতে পারবেন এবং বিদ্যুৎ ব্যবহারের হিসাব রাখতে পারবেন। কিন্তু সাতক্ষীরায় ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের (ওজোপাডিকো) প্রিপেইড মিটারের বর্তমান চিত্রটি ঠিক এর উল্টো। গত এক মাস ধরে মোবাইল ব্যাংকিং সেবা বিকাশ, রকেট বা নগদের মাধ্যমে রিচার্জ করতে না পেরে শত শত গ্রাহককে তীব্র গরমের মধ্যে ওজোপাডিকো কার্যালয়ে এসে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে। সেবা সহজ করার আধুনিক এই মাধ্যমটি এখন গ্রাহকদের জন্য নতুন ভোগান্তি, এমনকি কারও কারও ভাষায় ‘গলার কাঁটা’ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
পত্রদূত পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, সাতক্ষীরা শহরের পাকাপোল এলাকার ওজোপাডিকোর গ্রাহকসেবা কেন্দ্রে সকাল থেকেই নারী, পুরুষ, প্রবীণ ব্যক্তি ও শিক্ষার্থীদের উপচে পড়া ভিড় জমছে। অনেক বাড়িতে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ায় তীব্র গরমে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন বাসিন্দারা। একদিকে ডিজিটাল রিচার্জ ব্যবস্থা অচল, অন্যদিকে ওজোপাডিকো কার্যালয়ে বিপুল সংখ্যক গ্রাহকের জন্য কাউন্টার সংখ্যা অপ্রতুল। ফলে মাত্র একটি বা দুটি কাউন্টারের সামনে ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে দিনমজুর থেকে শুরু করে অসুস্থ মানুষকেও। যেখানে সাধারণ মানুষের কর্মঘণ্টা নষ্ট হচ্ছে, সেখানে সেবার নামে এমন এনালগ ও কষ্টদায়ক ব্যবস্থা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।
ওজোপাডিকোর আওতাধীন সাতক্ষীরা বিদ্যুৎ সরবরাহ দপ্তরের গ্রাহক সংখ্যা ৪৫ হাজারের বেশি। এত বিপুল সংখ্যক গ্রাহকের সেবা সচল রাখতে কারিগরি ত্রুটি দ্রুত সমাধান করা কর্তৃপক্ষের প্রথম দায়িত্ব ছিল। অথচ এক মাস ধরে এই সংকট চললেও এখন পর্যন্ত মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে নিরবচ্ছিন্ন রিচার্জ সুবিধা চালু করা সম্ভব হয়নি। বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মকর্তাদের পক্ষ থেকে কাউন্টার বাড়ানোর যে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে, তা সাময়িক উপশম মাত্র, স্থায়ী সমাধান নয়।
আমরা মনে করি, আধুনিক সেবার মূল শর্তই হলো তা হয়রানিমুক্ত ও সহজলভ্য হতে হবে। ডিজিটাল বাংলাদেশের যুগে এসে সামান্য রিচার্জের জন্য মানুষকে কাজ ফেলে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হওয়া প্রশাসনের সমন্বয়হীনতা ও দূরদর্শিতার অভাবকেই স্পষ্ট করে। অবিলম্বে মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাপগুলোর কারিগরি জটিলতা দূর করে ঘরে বসে রিচার্জের ব্যবস্থা সচল করতে হবে। একই সঙ্গে এই অন্তর্বর্তীকালীন সময়ে ওজোপাডিকো কার্যালয়ে কাউন্টার ও লোকবল বাড়িয়ে লাইনে দাঁড়ানো মানুষের কষ্ট লাঘব করা জরুরি। আমরা আশা করি, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আর কালক্ষেপণ না করে দ্রুত বাস্তবমুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করবে এবং গ্রাহকদের নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সেবা নিশ্চিত করবে।

প্রতাপনগরে বজ্রপাতে নৌকা থেকে পড়ে জেলে নিখোঁজ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬, ১২:৫৫ পূর্বাহ্ণ
প্রতাপনগরে বজ্রপাতে নৌকা থেকে পড়ে জেলে নিখোঁজ

 

আশাশুনি প্রতিনিধি: আশাশুনি উপজেলার প্রতাপনগর ইউনিয়নের চাকলায় কপোতাক্ষ নদে মাছ ধরার সময় বজ্রপাতে আরিফ হোসেন (৩৫) নামে এক মৎস্যজীবি নৌকা থেক পড়ে নিখোঁজ রয়েছে। সোমবার (৮ জুন) বিকাল ৫ টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। ডুবে যাওয়া নৌকা উদ্ধার হলেও আরিফের সন্ধান পাওয়া যায়নি।
স্থানীয় ইউপি সদস্য আব্দুর রউফ জানান, চাকলা গ্রামের মৃত্যু আব্দুল হাই সানার ছেলে আরিফ হোসেন প্রতিদিনের ন্যায় নদীতে নৌকায় মাছ ধরার কাজে করছিল। হঠাৎ মেঘের গর্জন ও হাল্কা বৃষ্টিপাতের একপর্যায়ে নৌকায় বজ্রপাতে ঘটলে নৌকায় থাকা একমাত্র আরিফ হোসেন ছিটকে কপোতাক্ষ নদে পড়ে যায় এবং নৌকটিও নদীতে ডুবে যায়। স্থানীয়দের সহযোগিতায় নৌকাটি উদ্ধার করা গেলেও আরিফ এখনো নিখোঁজ রয়েছেন। নিখোঁজ আরিফ হোসেনের উদ্ধারে অভিযান চালিয়ে যাচ্ছেন আত্মীয় স্বজন, এলাকাবাসী ও মৎস্যজীবীরা।
আশাশুনি উপজেলা নির্বাহী অফিসার শ্যামানন্দ কুন্ডু জানান, ঘটনাটি আমি শুনেছি, কয়রা থেকে ফায়ার সার্ভিসের টিম সদস্য ও ডুবুরীরা উদ্ধার কাজ শুরু করেছে।
আশাশুনি ফায়ার সার্ভিসের সদস্য জাকির হোসেন জানান, কয়রা থেকে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা উদ্ধার কাজে গিয়েছে।