বুধবার, ২৬ আগস্ট ২০২৬, ১১ ভাদ্র ১৪৩৩
বুধবার, ২৬ আগস্ট ২০২৬, ১১ ভাদ্র ১৪৩৩

শ্যামনগরে যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্য অধিকার বিষয়ক সভা অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২৬, ৪:১১ অপরাহ্ণ
শ্যামনগরে যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্য অধিকার বিষয়ক সভা অনুষ্ঠিত

এম এ হালিম, উপকূলীয় অঞ্চল (শ্যামনগর): যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্য ও অধিকার (এসআরএইচআর) বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং যুব নেতৃত্ব বিকাশের লক্ষ্যে সাতক্ষীরার শ্যামনগরে অনুষ্ঠিত হয়েছে জেলা পর্যায়ের দিকনির্দেশনা অধিবেশন ও যুব নেটওয়ার্ক গঠন সভা।

সোমবার (২৭ এপ্রিল ২০২৬) শ্যামনগর উপজেলা পাবলিক লাইব্রেরিতে সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। ‘ইয়ুথ শেয়ার-নেট’ প্রকল্প-এর আওতায় দলিত-এর বাস্তবায়নে সম্পন্ন হয়। প্রকল্পটি সাতক্ষীরাসহ খুলনা বিভাগের খুলনা, যশোর, নড়াইল ও বাগেরহাট জেলায় বাস্তবায়িত হচ্ছে।

আয়োজকরা জানান, বাংলাদেশে যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্য ও অধিকার এখনও একটি সংবেদনশীল ও অনেকাংশে উপেক্ষিত বিষয়। সামাজিক রক্ষণশীলতা, কুসংস্কার এবং তথ্যের অভাবের কারণে বিশেষ করে দলিত ও প্রান্তিক তরুণ-তরুণীরা প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা ও তথ্য থেকে বঞ্চিত হন। এ বাস্তবতায় তরুণদের জ্ঞান ও সক্ষমতা বাড়িয়ে একটি শক্তিশালী যুব নেটওয়ার্ক গড়ে তোলাই এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।

সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত অনুষ্ঠিত এ ওরিয়েন্টেশন কর্মসূচিতে সাতক্ষীরার শ্যামনগরের বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা ২০ জন তরুণ-তরুণী অংশগ্রহণ করেন। অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থী, স্থানীয় যুব ক্লাবের সদস্য এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

কর্মসূচিতে যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্য অধিকার বিষয়ে মৌলিক ধারণা, শারীরিক স্বায়ত্তশাসন, ব্যক্তিগত নিরাপত্তা, সামাজিক কলঙ্ক ও বাধা মোকাবেলার কৌশল এবং যুব নেতৃত্ব ও যোগাযোগ দক্ষতা বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। পাশাপাশি অংশগ্রহণমূলক আলোচনা, দলীয় কাজ, অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং উপস্থাপনার মাধ্যমে বিষয়গুলোকে সহজ ও বাস্তবমুখীভাবে তুলে ধরা হয়।

আয়োজকদের মতে, এই দিকনির্দেশনা অধিবেশনের মাধ্যমে একটি জেলা পর্যায়ের যুব নেটওয়ার্ক গঠিত হবে, যা ভবিষ্যতে এই উদ্যোগের মূল চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করবে। প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ২০ জন যুবক নিজ নিজ এলাকায় ছোট ছোট দল গঠন করে প্রায় ২০০ জন প্রান্তিক তরুণ-তরুণীর মধ্যে সচেতনতা ছড়িয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীদের মাঝে যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্য ও অধিকার (এসআরএইচআর) বিষয়ক ধারণা দেন দলিত-এর ‘ইয়ুথ শেয়ার-নেট’ প্রকল্পের প্রকল্প ব্যবস্থাপক শাকিকুরুন আক্তার। এ সময় কর্মসূচিতে অংশ নেন দলিত-এর ‘ইয়ুথ শেয়ার-নেট’ প্রকল্পের অর্থ কর্মকর্তা প্রতাপ কুমার দাস ও প্রোগ্রাম অফিসার রতিকান্ত মুন্ডা।

এসময় বক্তারা বলেন, যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্য অধিকার বিষয়ে নীরবতা ভাঙতে হবে এবং তরুণদের জন্য একটি নিরাপদ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক পরিবেশ তৈরি করতে হবে, যেখানে তারা নির্ভয়ে নিজেদের মতামত প্রকাশ করতে পারে। একইসঙ্গে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে যুবকদের সক্রিয় ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

অংশগ্রহণকারীরা জানান, এ ধরনের আয়োজন তাদের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়েছে এবং নিজেদের অধিকার সম্পর্কে সচেতন করেছে। তারা ভবিষ্যতে নিজ নিজ এলাকায় সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
আয়োজকদের আশা, ‘ইয়ুথ শেয়ার-নেট’ প্রকল্পের মাধ্যমে গড়ে ওঠা এই যুব নেটওয়ার্ক উপকূলীয় অঞ্চলে যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্য অধিকার বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

ওরিয়েন্টেশনের সমাপনী পর্যায়ে উপজেলা ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টার (ওসিসি) কর্মকর্তা প্রণব বিশ্বাস বক্তব্য রাখেন। তিনি বলেন, যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্য অধিকার নিশ্চিত করতে হলে শুধু সচেতনতা নয়, প্রয়োজন প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তা ও সহজলভ্য সেবা নিশ্চিত করা। তিনি তরুণদের উদ্দেশ্যে বলেন, যে কোনো ধরনের সহিংসতা, নির্যাতন বা হয়রানির ঘটনায় নির্ভয়ে আইনি সহায়তা নেওয়া এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের সাথে যোগাযোগ করা জরুরি। একই সঙ্গে তিনি পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সমাজের সব স্তরে এ বিষয়ে ইতিবাচক মনোভাব গড়ে তোলার আহ্বান জানান।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, যুব সমাজই পারে সমাজের বিদ্যমান কুসংস্কার ভাঙতে এবং একটি নিরাপদ, সচেতন ও মানবিক সমাজ গড়ে তুলতে অগ্রণী ভূমিকা রাখতে। তাই প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত তরুণদের নিজ নিজ এলাকায় সক্রিয় হয়ে কাজ করার মাধ্যমে এই উদ্যোগকে এগিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

 

Ads small one

সাতক্ষীরায় আওয়ামী লীগ নেতা রাজ্যেশ্বর দাশ গ্রেপ্তার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৬, ১২:০৬ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় আওয়ামী লীগ নেতা রাজ্যেশ্বর দাশ গ্রেপ্তার

পত্রদূত ডেস্ক: সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামী লীগের অর্থ বিষয়ক সম্পাদক রাজ্যেশ্বর দাসকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) রাত সাড়ে ৯টার দিকে আশাশুনি উপজেলার সরাফপুর গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

আওয়ামী লীগ নেতা রাজ্যেশ্বর দাশ (৬৫) সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার শোভনালী ইউনিয়নের সরাফপুর গ্রামের মৃত কাত্তিক চন্দ্র দাসের ছেলে।

তিনি কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাতক্ষীরা জেলা কমিটির অর্থ বিষয়ক সম্পাদক।
আশাশুনি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. জাহাঙ্গীর আরিফ বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের জেলা কমিটির অর্থ বিষয়ক সম্পাদক রাজ্যেশ্বর দাশ আশাশুনি থানায় দায়ের করা একটি নিয়মিত মামলার পলাতক আসামি ছিলেন।

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে সরাফপুর গ্রামের নিজের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে। আজ বুধবার আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে প্রেরণ করা হবে বলে জানান ওই পুলিশ কর্মকর্তা।

আজ পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.)

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৬, ১২:২৯ পূর্বাহ্ণ
আজ পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.)

ন্যাশনাল ডেস্ক: আজ ১২ রবিউল আউয়াল পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.)। আল্লাহর প্রিয় নবী ও রসুল হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জন্মদিন। এ ছাড়া ৬৩২ খ্রিস্টাব্দের এই দিনে তিনি ৬৩ বছর বয়সে ওফাত লাভ করেন। সারা বিশ্বের মুসলমান এ দিনটি পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) হিসেবে পালন করেন। আখেরি নবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) আল্লাহর একাত্মবাদের দাওয়াত দিয়ে সত্য-ন্যায়, শান্তি ও মানবতার ধর্ম ইসলাম প্রতিষ্ঠা করেন। আল্লাহ রাব্বুল আলামিন তাঁকে সৃষ্টি করেছিলেন ‘রহমাতুল্লিল আলামিন’ হিসেবে। মহান আল্লাহ তাঁর ওপর নাজিল করেন পবিত্র কোরআন। মুসলিম উম্মাহ দিনটি ঈদে মিলাদুন্নবী হিসেবে উদ্যাপন করে থাকে। এ দিনে ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত, বেশি বেশি দরুদ পাঠ, দান-খয়রাতসহ নফল ইবাদতে মগ্ন থাকেন। অনেকে নফল রোজা রাখেন। পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান পৃথক বাণী দিয়েছেন। রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে জশনে জলুস (আনন্দ শোভাযাত্রা), আলোচনা সভা, মিলাদ ও দোয়া মাহফিলের কর্মসূচি নিয়েছে ইসলামিক ফাউন্ডেশনসহ নানা ধর্মীয়, রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠন। এ ছাড়া ইসলামিক ফাউন্ডেশন (ইফা) আলোচনা সভা, মিলাদ মাহফিলসহ নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। পাশাপাশি চট্টগ্রাম, সিলেট, খুলনা ও রাজশাহীর মতো প্রধান শহরগুলোয় সুষ্ঠু ও নিরাপদে শোভাযাত্রা নিশ্চিতে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েছে সরকার।

সম্পাদকীয়/ পবিত্র ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সা.): বিশ্ব মানবতার মুক্তি ও সম্প্রীতির বার্তা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৬, ১২:২৭ পূর্বাহ্ণ
সম্পাদকীয়/ পবিত্র ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সা.): বিশ্ব মানবতার মুক্তি ও সম্প্রীতির বার্তা

বিশ্বমানবতার পরম বন্ধু, শান্তি, সাম্য ও ইনসাফের প্রতীক সর্বশেষ ও সর্বশ্রেষ্ঠ নবী ও রাসুল হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর পবিত্র জন্ম ও ওফাতের স্মৃতিবিজড়িত মাহান্বিত দিনÑপবিত্র ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সা.)। ১২ই রবিউল আউয়াল শুধু মুসলিম জাহানের জন্যই নয়, বরং সমগ্র বিশ্বের ইতিহাসেই এক অনন্য ও বৈপ্লবিক মাইলফলক। যে সময়ে আরব সমাজ চরম অজ্ঞতা, অরাজকতা, সহিংসতা ও অমানবিকতার অন্ধকারে নিমজ্জিত ছিলÑইতিহাসে যা ‘আইয়ামে জাহিলিয়াত’ বা অন্ধকার যুগ হিসেবে পরিচিতÑঠিক সেই প্রাক্কালে আল-আমিন বা পরম বিশ্বাসী হিসেবে আবির্ভূত হয়ে মহানবী (সা.) বিশ্ববাসীকে মুক্তির আলো দেখিয়েছিলেন। আল্লাহ তাআলা পবিত্র কোরআনে এরশাদ করেছেন, “আমি আপনাকে সমগ্র বিশ্বের জন্য রহমত হিসেবে প্রেরণ করেছি।” রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর জীবন ও আদর্শ কেবল একটি নির্দিষ্ট ধর্ম বা গোত্রের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, বরং বিশ্বজগতের সব জাতি ও মানুষের জন্য সার্বজনীন হেদায়েতের মশাল। তিনি তাঁর আদর্শ ও চরিত্র দিয়ে হিংসা-বিদ্বেষে জর্জরিত সমাজকে ভালোবাসার বন্ধনে আবদ্ধ করেছিলেন। প্রতিষ্ঠা করেছিলেন ন্যায়বিচার, মানবাধিকার এবং নারী ও শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার। ‘মদিনা সনদ’-এর মাধ্যমে তিনি বিশ্বকে উপহার দিয়েছিলেন ধর্মীয় সহাবস্থান ও অসাম্প্রদায়িক রাষ্ট্র কাঠামোর কালজয়ী দলিল।
বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে, যখন সারা বিশ্বে হিংসা, পরশ্রীকাতরতা, যুদ্ধ, অন্যায় এবং সামাজিক অস্থিতিশীলতা ছড়িয়ে পড়েছে, তখন মহানবী (সা.)-এর শিক্ষাকে নতুন করে লালন করা অত্যন্ত জরুরি হয়ে পড়েছে। শুধু বাহ্যিক আনুষ্ঠানিকতা বা মিলাদ মাহফিলের মধ্যে ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী-এর তাৎপর্যকে সীমাবদ্ধ রাখলে চলবে না। আসল উদ্যাপন লুকিয়ে আছে তাঁর রেখে যাওয়া সুন্নাহ ও নীতি-আদর্শকে দৈনন্দিন জীবনের সর্বক্ষেত্রে বাস্তবায়নের মাধ্যমে।
সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা: ব্যক্তি ও জাতীয় জীবনে সৎ, আমানতদার ও ইনসাফভিত্তিক আচরণের চর্চা করা।
সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি: অন্য ধর্মের মানুষের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ এবং শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের পরিবেশ তৈরি করা।
মানবিক সেবা: সমাজে দুস্থ, এতিম, অসহায় ও বঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে মানবতার সেবা নিশ্চিত করা।
পবিত্র ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সা.) আমাদের আত্মশুদ্ধি, ভ্রাতৃত্ববোধ ও পারস্পরিক ভালোবাসার শিক্ষা দেয়। প্রিয় নবী (সা.)-এর মহান আদর্শকে হৃদয়ে ধারণ করে ব্যক্তিগত, সামাজিক ও জাতীয় জীবন থেকে সব ধরনের অন্যায়, বৈষম্য ও হিংসা দূর করাই হোক আজকের দিনের দৃঢ় অঙ্গীকার। মহান আল্লাহ আমাদের সবাইকে মহানবী (সা.)-এর সুন্নাহ মেনে চলে দুনিয়া ও আখেরাতে শান্তিময় জীবন গড়ার তৌফিক দান করুন।