শুক্রবার, ৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩
শুক্রবার, ৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩

সঞ্চয়পত্রের মুনাফায় সংসার চলে যাদের, তাদের জন্য সুখবর নাকি দুঃসংবাদ?

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৭ নভেম্বর, ২০২৬, ১:০২ পূর্বাহ্ণ
সঞ্চয়পত্রের মুনাফায় সংসার চলে যাদের, তাদের জন্য সুখবর নাকি দুঃসংবাদ?

সঞ্চয়পত্র কিনে সেই বিনিয়োগের মুনাফা দিয়ে সংসার চালান অনেক অবসরপ্রাপ্ত ব্যক্তি, প্রবীণ নাগরিক ও সীমিত আয়ের মানুষ। মাসে বা তিন মাস পর পর মুনাফার টাকা তুলে তাদের সংসারের খরচ মেটাতে হয়। এত দিন সঞ্চয়পত্রের মুনাফা দেওয়ার সময় ১০ শতাংশ হারে কর কেটে রাখার পর করের হিসাব শেষ হয়ে যেতো। অর্থাৎ ওই মুনাফার ওপর আর বাড়তি কর দিতে হতো না। আবার বেশি কর কাটা হলেও সেই টাকা ফেরত পাওয়ার সুযোগ ছিল না।

কিন্তু চলতি অর্থবছর থেকে নিয়ম বদলেছে। এখন সঞ্চয়পত্রের মুনাফার ওপর কেটে রাখা করকে আর চূড়ান্ত কর হিসেবে ধরা হবে না। এটি জমা থাকবে অগ্রিম কর হিসেবে। বছর শেষে একজন ব্যক্তির সব আয়ের হিসাব করে প্রকৃত কর নির্ধারণ করা হবে। আগে বেশি কর কাটা হলে অতিরিক্ত টাকা ফেরত পাওয়া যাবে। আর নির্ধারিত করের চেয়ে কম কাটা হলে বাকি টাকা পরিশোধ করতে হবে।

প্রশ্ন হচ্ছে, যারা শুধু সঞ্চয়পত্র কিনে সেই মুনাফা দিয়ে সংসার চালান, তাদের জন্য এই পরিবর্তন সুখবর, নাকি দুঃসংবাদ?

সহজ উত্তর হলো, যাদের অন্য কোনও আয় নেই বা মোট আয় করমুক্ত সীমার মধ্যে, তাদের জন্য এটি সুখবর। কারণ, সঞ্চয়পত্রের মুনাফা থেকে কেটে রাখা করের পুরোটা বা একটি অংশ ফেরত পাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে। তবে সেই টাকা ফেরত পেতে আয়কর রিটার্ন জমা দিতে হবে।

সঞ্চয়পত্রের মুনাফার কর নিয়ে কী বদলেছে

এত দিন সঞ্চয়পত্রের মুনাফা দেওয়ার সময় টিআইএনধারীদের কাছ থেকে ১০ শতাংশ এবং টিআইএন না থাকলে ১৫ শতাংশ হারে উৎসে কর কেটে রাখা হতো। এই করকেই চূড়ান্ত কর হিসেবে বিবেচনা করা হতো। ফলে মুনাফা থেকে কর কেটে নেওয়ার পর আর কোনও হিসাব করতে হতো না।

নতুন নিয়মে সেই ব্যবস্থা থাকছে না। এখন সঞ্চয়পত্রের মুনাফা একজন ব্যক্তির অন্যান্য আয়ের সঙ্গে যোগ হবে। এরপর তার মোট বার্ষিক আয় কত, সেই অনুযায়ী কর নির্ধারণ করা হবে।

ব্যক্তির আয় অনুযায়ী ১০, ১৫, ২০, ২৫ ও ৩০ শতাংশ হারে কর প্রযোজ্য হতে পারে। সঞ্চয়পত্রের মুনাফা থেকে আগে যে কর কেটে রাখা হয়েছে, তা মোট করের সঙ্গে সমন্বয় করা হবে।

যাদের অন্য আয় নেই, তাদের জন্য সুখবর

ধরা যাক, একজন অবসরপ্রাপ্ত ব্যক্তি তার সারা জীবনের সঞ্চয় দিয়ে সঞ্চয়পত্র কিনেছেন। এই সঞ্চয়পত্র থেকে পাওয়া মুনাফাই তার সংসার চালানোর একমাত্র অবলম্বন। বছরে তিনি এক লাখ টাকা মুনাফা পেলেন। এ জন্য ১০ শতাংশ হারে তার কাছ থেকে ১০ হাজার টাকা কর কেটে রাখা হলো।

এখন যদি তার অন্য কোনও আয় না থাকে এবং সব মিলিয়ে তার বার্ষিক আয় করমুক্ত সীমার মধ্যে থাকে, তাহলে তার প্রকৃত আয়কর শূন্য হতে পারে। সে ক্ষেত্রে আগে কেটে রাখা ১০ হাজার টাকাই ফেরত পাওয়ার দাবি করতে পারবেন তিনি।

অর্থাৎ যারা শুধু সঞ্চয়পত্রের মুনাফার ওপর নির্ভর করে চলেন এবং যাদের মোট আয় করমুক্ত সীমার মধ্যে, তাদের জন্য নতুন নিয়মে আর্থিক সুবিধা পাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে।

তবে মনে রাখতে হবে, মুনাফার টাকা থেকে কর কেটে নেওয়ার পর স্বয়ংক্রিয়ভাবে সেই অর্থ ফেরত আসবে না। এ জন্য টিআইএন নিয়ে আয়কর রিটার্ন জমা দিতে হবে।

অন্য আয় থাকলে কী হবে

যাদের সঞ্চয়পত্রের পাশাপাশি বেতন, বাড়িভাড়া, ব্যবসা বা অন্য কোনও উৎস থেকে আয় রয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে হিসাবটি ভিন্ন হবে।

ধরা যাক, একজন ব্যক্তি বছরে সঞ্চয়পত্র থেকে ১ লাখ টাকা মুনাফা পেলেন। এ জন্য তার কাছ থেকে ১০ হাজার টাকা কর কাটা হয়েছে। অন্যদিকে, চাকরি বা অন্য কোনও উৎস থেকে তার আয় সাড়ে ৩ লাখ টাকা।

সব মিলিয়ে তার বার্ষিক আয় দাঁড়াল সাড়ে ৪ লাখ টাকা। উদাহরণ অনুযায়ী, প্রথম ৪ লাখ টাকা করমুক্ত হলে বাকি ৫০ হাজার টাকার ওপর ১০ শতাংশ হারে কর হবে ৫ হাজার টাকা।

কিন্তু সঞ্চয়পত্রের মুনাফা থেকে তিনি আগেই ১০ হাজার টাকা কর দিয়েছেন। ফলে তার প্রকৃত করের চেয়ে ৫ হাজার টাকা বেশি কাটা হয়েছে। আয়কর রিটার্ন জমা দিয়ে এই ৫ হাজার টাকা ফেরত চাইতে পারবেন তিনি।

যাদের আয় বেশি, তাদের বাড়তে পারে করের চাপ

নতুন নিয়মে সবার কর কমবে, বিষয়টি এমন নয়। যাদের মোট আয় বেশি এবং যাদের প্রকৃত করহার ১০ শতাংশের বেশি, তাদের বাড়তি কর দিতে হতে পারে।

ধরা যাক, একজন ব্যক্তি বছরে সঞ্চয়পত্র থেকে ৫ লাখ টাকা মুনাফা পেলেন। এ জন্য তার কাছ থেকে ৫০ হাজার টাকা কর কেটে রাখা হয়েছে। এর বাইরে বেতন বা অন্য উৎস থেকে তার আয় ৪ লাখ টাকা।

সব মিলিয়ে তার বার্ষিক আয় দাঁড়াল ৯ লাখ টাকা। উদাহরণ অনুযায়ী, প্রথম ৪ লাখ টাকা করমুক্ত থাকার পর পরবর্তী ৩ লাখ টাকার ওপর ১০ শতাংশ হারে ৩০ হাজার টাকা এবং পরের ২ লাখ টাকার ওপর ১৫ শতাংশ হারে আরও ৩০ হাজার টাকা কর নির্ধারিত হবে। অর্থাৎ মোট করের পরিমাণ দাঁড়াবে ৬০ হাজার টাকা।

কিন্তু সঞ্চয়পত্রের মুনাফা থেকে আগেই ৫০ হাজার টাকা কেটে রাখা হয়েছে। ফলে তাকে আরও ১০ হাজার টাকা কর দিতে হবে। অর্থাৎ যাদের আয় বেশি, তাদের জন্য নতুন নিয়মে করের বোঝা বাড়তে পারে।

কীভাবে ফেরত পাবেন কেটে রাখা টাকা

সঞ্চয়পত্রের মুনাফা থেকে কেটে রাখা করের পরিমাণ প্রকৃত করের চেয়ে বেশি হলে অতিরিক্ত টাকা ফেরত পাওয়ার সুযোগ রয়েছে। তবে এ জন্য কয়েকটি কাজ করতে হবে।

প্রথমত, টিআইএন থাকতে হবে। দ্বিতীয়ত, নির্ধারিত সময়ে আয়কর রিটার্ন জমা দিতে হবে। রিটার্নে সঞ্চয়পত্র থেকে পাওয়া মুনাফা, অন্যান্য আয় এবং আগে কেটে রাখা করের তথ্য দিতে হবে। পাশাপাশি কর কেটে রাখার প্রমাণপত্র জমা দিতে হবে।

রিটার্নে ব্যাংক হিসাবের তথ্য দিয়ে অতিরিক্ত কর ফেরতের দাবি জানাতে হবে। কর বিভাগ যাচাই-বাছাই করে প্রাপ্য অর্থ ১২০ দিনের মধ্যে ব্যাংক হিসাবে ফেরত দেওয়ার কথা।

সংসার চালানো মানুষের জন্য আসল হিসাব

সঞ্চয়পত্রের মুনাফার ওপর নির্ভরশীল মানুষের জন্য নতুন নিয়মের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো, এখন থেকে তাদের কাছ থেকে কেটে রাখা পুরো করই সরকারের কাছে চূড়ান্তভাবে চলে যাবে না। প্রকৃত আয়কর যতটুকু হবে, শেষ পর্যন্ত তাদের ততটুকুই দিতে হবে। অতিরিক্ত কাটা টাকা ফেরত পাওয়ার সুযোগ থাকবে।

তবে এই সুবিধা পেতে আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার বিষয়টি এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই। যাদের কোনও করযোগ্য আয় নেই, তাদেরও কেটে রাখা টাকা ফেরত পেতে রিটার্ন জমা দিতে হবে।

তাই যারা সঞ্চয়পত্রের মুনাফা দিয়ে সংসার চালান, তাদের জন্য নতুন নিয়মটি একদিকে স্বস্তির খবর। বিশেষ করে যাদের অন্য আয় নেই, তাদের জন্য এটি বাড়তি অর্থ ফেরত পাওয়ার সুযোগ। অন্যদিকে, যাদের সঞ্চয়পত্রের মুনাফার পাশাপাশি উল্লেখযোগ্য আয় রয়েছে, তাদের কারও কারও করের পরিমাণ বাড়তে পারে।

শেষ পর্যন্ত সুখবর নাকি দুঃসংবাদ, তা নির্ভর করবে একজন বিনিয়োগকারীর সঞ্চয়পত্রের মুনাফা নয়, তার সারা বছরের মোট আয়ের ওপর।

Ads small one

শ্যামনগরে যুবলীগের মশাল মিছিলের ভিডিও প্রকাশ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৭ নভেম্বর, ২০২৬, ১:৩১ পূর্বাহ্ণ
শ্যামনগরে যুবলীগের মশাল মিছিলের ভিডিও প্রকাশ

পত্রদূত ডেস্ক: সাতক্ষীরার শ্যামনগরে কার্যক্রম নিষিদ্ধ যুবলীগের ব্যানারে মশাল মিছিলের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় উপজেলার ভুরুলিয়া ইউনিয়নের রাহাতুল্লার মোড় থেকে মিছিলটি বের হয়ে স্থানীয় বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে বলে জানা গেছে।

শুক্রবার (৬ নভেম্বর) রাত ৮টার দিকে যুবলীগের নেতাকর্মীরা ফেসবুকে মিছিলের ভিডিও পোস্ট করেন।

শ্যামনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাফিউল ইসলাম পাটোয়ারী সাংবাদিকদের বলেন, তিনি ছুটিতে রয়েছেন। বিষয়টি শুনেছেন। অনেক সময় পুরোনো ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করা হয়। মিছিলটি সাম্প্রতিক সময়ে হয়ে থাকলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সাতক্ষীরায় পেঁয়াজের দাম কমেছে কেজিতে ১০ টাকা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৭ নভেম্বর, ২০২৬, ১:২৫ পূর্বাহ্ণ
সাতক্ষীরায় পেঁয়াজের দাম কমেছে কেজিতে ১০ টাকা

পত্রদূত ডেস্ক: সাতক্ষীরার বাজারে এক সপ্তাহের ব্যবধানে পেঁয়াজের দাম কেজিতে ৮ থেকে ১০ টাকা কমেছে। সরবরাহ বাড়ায় পাইকারি ও খুচরা—উভয় পর্যায়ে দাম কমেছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ী ও আড়তদাররা।

সুলতানপুর বড় বাজারে গত সপ্তাহে প্রতি কেজি পেঁয়াজ খুচরা বিক্রি হয়েছে ৪০ টাকায়। এক সপ্তাহ আগে এ দাম ছিল ৪৮ থেকে ৫০ টাকা। বাজারের পাইকারি মসলা বিক্রির আড়ত মেসার্স মামা-ভাগ্না ভাণ্ডারে প্রতি মণ পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ১ হাজার ৪০০ টাকায়। এক সপ্তাহ আগে দাম ছিল ১ হাজার ৮০০ টাকা।

বিক্রেতারা জানান, বাজারে পেঁয়াজের সরবরাহ বাড়ায় পাইকারি পর্যায়ে দাম কমেছে। এর প্রভাব পড়েছে খুচরা বাজারেও।

সাতক্ষীরা জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের ভারপ্রাপ্ত উপপরিচালক ইকবাল আহমেদ জানান, চলতি মৌসুমে জেলায় ৬৫০ হেক্টর জমিতে ৭ হাজার ৮০০ টন পেঁয়াজ উৎপাদিত হয়েছে।

দেবহাটায় যুব ঐক্য পরিষদের ২১ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি গঠন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৭ নভেম্বর, ২০২৬, ১:০৭ পূর্বাহ্ণ
দেবহাটায় যুব ঐক্য পরিষদের ২১ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি গঠন

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার দেবহাটায় বাংলাদেশ যুব ঐক্য পরিষদের কর্মী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (৬ নভেম্বর) বিকেল ৩টায় উপজেলার পারুলিয়া সাগরহাট মাধ্যমিক বিদ্যালয় (সাইক্লোন সেন্টার) প্রাঙ্গণে এ সমাবেশ হয়।

সমাবেশে সংগঠনের কার্যক্রম গতিশীল করার লক্ষ্যে দীপংকর ঘোষকে আহ্বায়ক ও বাপ্পা দাসকে সদস্যসচিব করে ২১ সদস্যের উপজেলা আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়।

বাংলাদেশ যুব ঐক্য পরিষদ দেবহাটা উপজেলা শাখার উদ্যোগে আয়োজিত সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন সংগঠনের সাতক্ষীরা জেলা শাখার আহ্বায়ক অমিত কুমার ঘোষ। উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ দেবহাটা উপজেলা শাখার সভাপতি চন্দ্রকান্ত মল্লিক। প্রধান বক্তা ছিলেন যুব ঐক্য পরিষদের জেলা শাখার সদস্যসচিব অরবিন্দ কর্মকার।

এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক অজয় কুমার ঘোষ, সাংগঠনিক সম্পাদক অসীম কুমার ঘোষ, বিপ্লব কান্তি মণ্ডল, গোপাল কুমার সরকার, গাজীরহাট দুর্গা মন্দির কমিটির সাধারণ সম্পাদক অলোক সরকারসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, সাতক্ষীরা হবে সম্প্রীতি, শান্তি, ন্যায়বিচার ও সহাবস্থানের জনপদ। চাঁদাবাজি, ভূমিদখল, সন্ত্রাস, বৈষম্য ও সাম্প্রদায়িক অপশক্তির বিরুদ্ধে যুবসমাজকে ঐক্যবদ্ধ ভূমিকা রাখতে হবে।

প্রধান অতিথি অমিত কুমার ঘোষ বলেন, যুব ঐক্য পরিষদ বিভেদ বা বিদ্বেষে বিশ্বাস করে না; সংগঠনটি ন্যায়, মানবিকতা, অধিকার ও সম্প্রীতির পক্ষে কাজ করে। সব ধর্মের মানুষের নিরাপত্তা, ধর্মীয় অধিকার, সম্পদ ও সামাজিক মর্যাদা রক্ষায় সংগঠনটি সোচ্চার থাকবে। অন্যায়, দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও ভূমিদখলের বিরুদ্ধে শান্তিপূর্ণ, গণতান্ত্রিক ও আইনসম্মতভাবে কাজ করার অঙ্গীকারও ব্যক্ত করেন তিনি।

নবগঠিত কমিটির নেতারা জানান, দেবহাটায় যুবসমাজকে সংগঠিত করে সামাজিক উন্নয়ন, মানবিক কর্মকাণ্ড, অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো, ধর্মীয় সম্প্রীতি রক্ষা এবং অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে সম্মিলিতভাবে কাজ করবেন তারা।