বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩

দেবহাটায় বার্ষিক পুষ্টি পরিকল্পনা প্রণয়ন সভা অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬, ৪:৫৯ অপরাহ্ণ
দেবহাটায় বার্ষিক পুষ্টি পরিকল্পনা প্রণয়ন সভা অনুষ্ঠিত

সংবাদদাতা: স্থানীয় পর্যায়ে পুষ্টি পরিস্থিতির উন্নয়ন, অপুষ্টি প্রতিরোধ ও জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে দেবহাটায় ইউনিয়ন মাল্টি-স্টেকহোল্ডার প্ল্যাটফর্মের ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বার্ষিক পুষ্টি পরিকল্পনা প্রণয়ন সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) দেবহাটা উপজেলা মডেল মসজিদের মিলনায়তনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিলন সাহা।

সভায় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা হুসাইন শওকত, পারুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান গোলাম ফারুক বাবু, সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল মতিন বকুল, সহকারী কৃষি কর্মকর্তা আফজাল হোসেন, বিভিন্ন ইউনিয়নের ইমাম এবং ইউনিয়ন পুষ্টি কমিটির সদস্যরা।

সভায় পুষ্টি উন্নয়নে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, জনপ্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনের সমন্বিত ভূমিকার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। বিশেষ করে মা ও শিশুর পুষ্টি নিশ্চিত করা, গর্ভবতী ও প্রসূতি মায়েদের পুষ্টিসেবা, শিশুদের সুষম খাদ্য গ্রহণ, নিরাপদ খাদ্যাভ্যাস এবং অপুষ্টি প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধির বিষয়ে আলোচনা হয়।

এ ছাড়া পুষ্টিসমৃদ্ধ খাদ্য উৎপাদন, পারিবারিক পুষ্টিবাগান গড়ে তোলা এবং স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত শাকসবজি ও ফলমূলের পুষ্টিগুণ সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানোর বিষয়েও গুরুত্বারোপ করা হয়।

সভাপতির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিলন সাহা বলেন, পুষ্টি উন্নয়ন একটি সমন্বিত সামাজিক উদ্যোগ। এ ক্ষেত্রে সরকারি দপ্তর, জনপ্রতিনিধি, স্বাস্থ্য ও কৃষি বিভাগসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে। পরিকল্পিত উদ্যোগ ও কার্যকর বাস্তবায়নের মাধ্যমে স্থানীয় পর্যায়ে পুষ্টি পরিস্থিতির উন্নয়ন সম্ভব।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা হুসাইন শওকত পুষ্টি উন্নয়নে কৃষি বিভাগের ভূমিকা তুলে ধরে পুষ্টিসমৃদ্ধ খাদ্য উৎপাদন ও পারিবারিক পুষ্টিবাগান সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

Ads small one

সাতক্ষীরায় মুজাহিদ কমিটির মাসিক ইজতেমা অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬, ৬:৪৭ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় মুজাহিদ কমিটির মাসিক ইজতেমা অনুষ্ঠিত

বাংলাদেশ মুজাহিদ কমিটি সাতক্ষীরা জেলা শাখার উদ্যোগে জেলা মাসিক ইজতেমা ও সবগুজারি অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) বাদ মাগরিব সাতক্ষীরা উপজেলা মসজিদে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

এতে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ মুজাহিদ কমিটির খুলনা বিভাগীয় ইমাম কাম অডিটর হযরত মাওলানা ইউসুফ। উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সাতক্ষীরা জেলা শাখার ছদর হাফেজ মাওলানা মুফতী রবিউল ইসলাম। এ ছাড়া জেলার বিভিন্ন থানা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড থেকে আগত বিপুলসংখ্যক মুসল্লি অংশ নেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি ব্যক্তিগত ও পারিবারিক জীবন পবিত্র কোরআন ও সুন্নাহর আলোকে পরিচালনা, তাকওয়া অর্জন, নৈতিক চরিত্র গঠন এবং ইসলামের বিধান অনুসরণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনে জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে ইসলামী নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি, কল্যাণ ও সমৃদ্ধি কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

শ্যামনগরে লবণাক্ততা নিরসন ও কৃষি অভিযোজনবিষয়ক প্রশিক্ষণ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬, ৬:২১ অপরাহ্ণ
শ্যামনগরে লবণাক্ততা নিরসন ও কৃষি অভিযোজনবিষয়ক প্রশিক্ষণ

সংবাদদাতা: জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে উপকূলীয় অঞ্চলে বাড়ছে মাটির লবণাক্ততা। এ পরিস্থিতি মোকাবিলা করে কৃষিকে টেকসই ও লাভজনক করার লক্ষ্যে সাতক্ষীরার শ্যামনগরে ‘লবণাক্ততা নিরসন ও উপকূলীয় কৃষি অভিযোজন’ শীর্ষক দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ ও পরিকল্পনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান বারসিকের আয়োজনে বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়নের পানখালী এগ্রোইকোলজি লার্নিং সেন্টারে এ প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়। এতে ২০ জন কৃষক ও কৃষাণী অংশ নেন। প্রশিক্ষক ছিলেন দক্ষিণ শ্রীফলকাটি এগ্রোইকোলজি লার্নিং সেন্টারের তত্ত্বাবধায়ক গোবিন্দ মণ্ডল। এতে সভাপতিত্ব করেন ঈশ্বরীপুর ইউনিয়নের ধুমঘাট-তেরকাটি গ্রামের প্রবীণ কৃষক সাধন কুমার বিশ্বাস।

প্রশিক্ষণে জোয়ারের লবণাক্ত পানি প্রবেশ এবং অপরিকল্পিত চিংড়ি ও কাঁকড়া চাষের কারণে কৃষিজমিতে লবণাক্ততা বৃদ্ধির বিষয়টি তুলে ধরা হয়। এ সংকট মোকাবিলায় লবণসহিষ্ণু ফসলের জাত সম্প্রসারণ, উন্নত সেচ ব্যবস্থাপনা এবং বৃষ্টির পানি সংরক্ষণের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

এ সময় কৃষকদের লবণসহিষ্ণু ধানের জাত, আধুনিক পদ্ধতিতে সবজি চাষ, বেড পদ্ধতি, প্রাকৃতিক মালচিং, জলপট্টি, স্যালাইন ও টাওয়ার পদ্ধতিতে চাষাবাদ সম্পর্কে হাতে-কলমে ধারণা দেওয়া হয়। পাশাপাশি স্থানীয় জাতের বীজ সংরক্ষণে কমিউনিটিভিত্তিক বীজ ব্যাংক গড়ে তোলা এবং কৃষকদের মধ্যে বীজ বিনিময় জোরদারের বিষয়ে আলোচনা হয়।

পরিকল্পনা সভার মুক্ত আলোচনায় কৃষকেরা তাঁদের মাঠপর্যায়ের সমস্যা ও অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। বক্তারা উপকূলীয় অঞ্চলে টেকসই কৃষি ব্যবস্থা গড়ে তুলতে সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি কৃষকদের সচেতনতা, স্থানীয় জ্ঞান ও সম্মিলিত প্রচেষ্টার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

কর্মশালায় আরও উপস্থিত ছিলেন বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়নের গ্রিন কোয়ালিশনের সদস্য হীরা পারভীন, পানখালী এগ্রোইকোলজি লার্নিং সেন্টারের তত্ত্বাবধায়ক কনিকা রানী ও বারসিকের মনিকা পাইকসহ স্থানীয় কৃষক ও কৃষাণীরা।

কর্মশালার শেষ পর্যায়ে উপকূলীয় অঞ্চলের খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করা ও কৃষকদের জীবনমান উন্নয়নে এ ধরনের প্রশিক্ষণ ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম নিয়মিত পরিচালনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

কালিগঞ্জে ৭ নভেম্বর পালনে কৃষকদলের প্রস্তুতি সভা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬, ৬:১৪ অপরাহ্ণ
কালিগঞ্জে ৭ নভেম্বর পালনে কৃষকদলের প্রস্তুতি সভা

সংবাদদাতা: সাতক্ষীরার কালিগঞ্জে জাতীয়তাবাদী কৃষকদলের উদ্যোগে ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালন উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) বাদ আসর কালিগঞ্জ উপজেলা কৃষকদলের অস্থায়ী কার্যালয়ে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা কৃষকদলের আহ্বায়ক রোকনুজ্জামান রোকনের সভাপতিত্বে সভায় সঞ্চালনা করেন সদস্যসচিব আরিফুর রহমান ছোটন।

সভায় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সদ্য সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আক্তারুজ্জামান বাপ্পি, সাবেক যুগ্ম সম্পাদক শেখ মনিরুজ্জামান মনি, নলতা ইউনিয়ন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ওসমান আলী, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক শাহিনুর রহমান, মথুরেশপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি আব্দুস সামাদ, তারালী ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক এনামুল হক এনাম, চাম্পাফুল ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সদস্যসচিব আবুল কালাম, উপজেলা যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম টোকন, ওলামা দলের সভাপতি হাফেজ আব্দুল মজিদ, জাসাসের আহ্বায়ক মুরশিদ আলী গাজী ও সদস্যসচিব মোস্তাফিজুর রহমানসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা।

সভা শেষে ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে কালিগঞ্জ পুরাতন ইসলামী ব্যাংক মোড় থেকে একটি মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি উপজেলার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। এতে পাঁচ শতাধিক নেতাকর্মী অংশ নেন।