সরকার ক্রস-বর্ডার বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করছে: শিক্ষামন্ত্রী
শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, সরকার ক্রস-বর্ডার বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করছে। দেশের চাহিদা অনুযায়ী নতুন বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের পাশাপাশি বিদ্যমান বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর কলেবরও বৃদ্ধি করা হবে। বিএনপি সরকার থাকাকালে ২০০৩ সালে দেশের চারটি বিআইটিকে বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরের ঐতিহাসিক ঘোষণা দেওয়া হয়। সেই ধারাবাহিকতায় খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) যাত্রা শুরু হয়।
তিনি আজ (মঙ্গলবার) দুপুরে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ^বিদ্যালয় (কুয়েট) এর ২৩তম বর্ষপূর্তি উপলক্ষ্যে বিশ^বিদ্যালয় দিবস উদযাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, বিশ্ব র্যাংকিংয়ে ভালো অবস্থান অর্জন করতে হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা ও অ্যালামনাই কার্যক্রম আরও উন্নত করতে হবে। বিশ্ব প্রতিযোগিতায় আমরা মেধার কারণে নয়, বরং যথাযথ প্রচেষ্টা ও সিস্টেমের সঠিক প্রয়োগের অভাবে পিছিয়ে পড়ছি। ইউরোপ-আমেরিকার মানুষের মতো একই উপাদান দিয়ে সৃষ্টিকর্তা আমাদেরও সৃষ্টি করেছেন। তাই নিজেদের সক্ষমতা কাজে লাগিয়ে আরও বেশি লেখাপড়া ও গবেষণালব্ধ জ্ঞান অর্জন করতে হবে।
প্রধান অতিথি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, নিজের, মা-বাবা, দেশ তথা পুরো জাতির জন্য অবদান রাখতে হলে সিরিয়াসভাবে লেখাপড়া করতে হবে। একই সঙ্গে গবেষণার প্রতি মনোনিবেশ করে নিজেদের দক্ষ ও যোগ্য হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের হুইপ রকিবুল ইসলাম বকুল বলেন, সরকার সময়োপযোগী, আধুনিক ও কর্মমুখী শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে কাজ করছে। শিক্ষার্থীরা লেখাপড়া ও গবেষণার মাধ্যমে জ্ঞান অর্জন করে দেশ ও জাতির সেবায় নিয়োজিত হবে, এটাই সরকারের প্রত্যাশা। তিনি বলেন, এআইয়ের যুগে প্রযুক্তির সঙ্গে তাল মিলিয়ে নিজেদের দক্ষ করে গড়ে তুলতে হবে। যুগের পরিবর্তনকে মেনে নিয়ে প্রযুক্তির সঙ্গে সমন্বয় করে এগিয়ে যেতে হবে।
খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ^বিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মুহাম্মদ মাছুদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন কুয়েটের ইনস্টিটিউট অফ ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্টের পরিচালক প্রফেসর ড. মুহাম্মদ শাজাহান আলী ও ছাত্রকল্যাণ পরিষদের পরিচালক প্রফেসর ড. মো: হাসান আলী। অনুষ্ঠানে সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, বিশ^বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, জনপ্রতিনিধি ও গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী প্রীতি সমাবেশ, আনন্দ র্যালি এবং বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে যোগদান করেন। তথ্যবিবরণী












