বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩
বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩

সাংবাদিক তরিকুল ইসলামের মায়ের ইন্তেকাল

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই, ২০২৬, ৬:৫৮ অপরাহ্ণ
সাংবাদিক তরিকুল ইসলামের মায়ের ইন্তেকাল

খুলনা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক, সময়ের খবর সম্পাদক ও প্রকাশক মো. তরিকুল ইসলামের মা আর নেই। বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সকাল ১০টার দিকে নগরীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

মরহুমের নামাজের জানাজা আজ বাদ আসর পূর্ব বানিয়া খামার বড় মসজিদে অনুষ্ঠিত হবে।

 

Ads small one

যুক্তরাষ্ট্র বংশোদ্ভূত ৬ ফুট ৪ ইঞ্চির সাইফকে স্বাগত জানালেন জামাল ভূঁইয়া

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:০৪ অপরাহ্ণ
যুক্তরাষ্ট্র বংশোদ্ভূত ৬ ফুট ৪ ইঞ্চির সাইফকে স্বাগত জানালেন জামাল ভূঁইয়া

ফিফা এশিয়ান কাপকে সামনে রেখে জার্মান কোচ টমাস ডুলির অধীনে ২৮ ফুটবলারকে নিয়ে চলছে বাংলাদেশ দলের অনুশীলন। সবার শেষে যোগ দিয়েছেন গোলকিপার মিতুল মারমা। এবার দলে নতুন করে আসা বিদেশে বেড়ে ওঠা ফুটবলারদেরও পরখ করে দেখছেন বাংলাদেশের কোচ।

সেই নতুনদের একজন সাইফ কেরাওয়ালা। ৬ ফুট ৪ ইঞ্চি উচ্চতার এই দীর্ঘদেহী গোলরক্ষক কয়েক দিন ধরে জাতীয় দলের সঙ্গে অনুশীলন করছেন।

২৯ বছর বয়সী সাইফের বাবা বাংলাদেশি, মা আমেরিকান। যুক্তরাষ্ট্রে বেড়ে ওঠা এই গোলরক্ষক এখন লাল-সবুজের জার্সি গায়ে জড়ানোর স্বপ্নে ঘাম ঝরাচ্ছেন। জাতীয় দলে জায়গা করে নিতে অনুশীলনে নিজের সামর্থ্যের প্রমাণ দেওয়ার চেষ্টা করছেন তিনি।

নতুন সতীর্থকে স্বাগত জানিয়েছেন বাংলাদেশ অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়াও। গোলকিপারদের সঙ্গে সাইফের একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করে তিনি লিখেছেন, ‘গোলকিপারদের এবং আমাদের নতুন সতীর্থ সাইফ কেরাওয়ালার সঙ্গে একটি ছবি। তিনি ওয়াশিংটন থেকে এসেছেন। দলে স্বাগতম।’

এদিকে নতুন ফুটবলারদের ট্রায়াল প্রসঙ্গে টমাস ডুলি স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, পারফরম্যান্সই হবে দলে জায়গা পাওয়ার প্রধান মাপকাঠি।

বাংলাদেশের জার্মান কোচ বলেছেন, ‘ট্রায়ালে যারা ভালো করবে, তাদের দলে নেওয়া হবে। পারফরম্যান্সই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এখানে কোনো এজেন্ট বা অন্য কে কী বললো, সেটি দেখার বিষয় নয়। সাইফ এসেছে। আরও কয়েকজনের আসার কথা রয়েছে।’

 

মেয়ের পড়াশোনার খরচ জোগাতে খালি পায়ে ম্যারাথন জিতলেন মা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:০৩ অপরাহ্ণ
মেয়ের পড়াশোনার খরচ জোগাতে খালি পায়ে ম্যারাথন জিতলেন মা

গায়ে শাড়ি, পায়ে চটি। দৌড় শুরু করেই বুঝলেন, চটি নিয়ে আর এগোনো যাবে না। এক মুহূর্তও না থেমে পায়ের চটি খুলে ফেললেন। এরপর খালি পায়েই ছুটলেন। প্রতিপক্ষদের পায়ে যেখানে পেশাদার রানিং শু, সেখানে ৪৭ বছর বয়সী এক মা খালি পায়ে সবাইকে পেছনে ফেলে ছুঁলেন ফিনিশিং লাইন।

মহারাষ্ট্রের বীড জেলার আম্বাজোগাইয়ের রামাবাই রানভীরের এই গল্প এখন সেখানকার মানুষের মুখে মুখে। মেয়েদের পড়াশোনা ও বই-খাতার খরচ জোগাতে পুরস্কারের টাকা পাওয়ার লক্ষ্যেই স্থানীয় ম্যারাথনে অংশ নিয়েছিলেন তিনি।

স্থানীয়ভাবে ‘অমৃত দৌড়’ নামে পরিচিত এই প্রতিযোগিতাটি শহরের একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কমপ্লেক্সের অমৃত মহোৎসব উদ্‌যাপনের অংশ হিসেবে আয়োজন করা হয়। ছত্রপতি শিবাজি মহারাজ চক থেকে ভাগ্যনগর চক পর্যন্ত প্রায় ৩ কিলোমিটার পথের এই দৌড়ে বিভিন্ন বয়সী প্রতিযোগীরা অংশ নেন।

রামাবাই সাধারণ শাড়ি ও চটি পরে দৌড় শুরু করেছিলেন। কিন্তু দৌড়ের গতি বাড়তেই বিপত্তি বাধে। রাস্তার ওপর বারবার পা থেকে চটি সরে যাচ্ছিল। এতে তার দৌড়ের ছন্দ নষ্ট হচ্ছিল।

হাল ছাড়েননি রামাবাই। চটি খুলে রাস্তার পাশেই রেখে দেন। এরপর খালি পায়েই শুরু করেন দৌড়।

সামনে তখন তরুণ প্রতিযোগীরা। যাদের পরনে ট্র্যাকস্যুট, পায়ে পেশাদার রানিং শু। কিন্তু বয়স কিংবা জুতার অভাব, কোনোটিই রামাবাইয়ের গতি থামাতে পারেনি। নিজের ছন্দ ধরে রেখে একে একে সবাইকে পেছনে ফেলেন তিনি। শেষ পর্যন্ত সবার আগে ফিনিশিং লাইন অতিক্রম করে জয় তুলে নেন।

রামাবাইয়ের এই অপ্রত্যাশিত জয় মুহূর্তেই দর্শক ও অন্য প্রতিযোগীদের নজর কাড়ে। অনেকেই তার সাহস ও দৃঢ়তার প্রশংসা করেন।

তবে রামাবাইয়ের কাছে এই দৌড়টা শুধু জয় পাওয়ার জন্য ছিল না। তার চোখ ছিল পুরস্কারের অর্থের দিকে। যে টাকা দিয়ে মেয়েদের পড়াশোনার প্রয়োজনীয় জিনিস কিনবেন তিনি।

প্রতিযোগিতায় প্রথম পুরস্কার হিসেবে নির্ধারিত ছিল ৩ হাজার রুপি। কিন্তু রামাবাইকে দেওয়া হয়েছে ৫ হাজার রুপি। আর সেই টাকা মেয়েদের পড়াশোনার কাজে ব্যয় করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি।

দ্য টাইমস অব ইন্ডিয়াকে রামাবাই বলেন, ‘৩ হাজারের বদলে ৫ হাজার রুপি দিয়েছে, এতে আমি খুব খুশি। মেয়ে পূজার জন্য খাতা ও কলম কিনেছি। বাকি টাকা আরতির জন্য রাখবো।’

লোগো বদলালেই কি বদলে যাবে বিটিভি, যা বলছেন সংস্কৃতিজনরা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:৫৮ অপরাহ্ণ
লোগো বদলালেই কি বদলে যাবে বিটিভি, যা বলছেন সংস্কৃতিজনরা

বাংলাদেশ টেলিভিশনের (বিটিভি) সাড়ে পাঁচ দশকের পুরনো ঐতিহ্যবাহী লাল-সবুজ লোগো পরিবর্তনের সাম্প্রতিক উদ্যোগকে কেন্দ্র করে দেশের সংস্কৃতি অঙ্গনে বিতর্ক ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। আগস্টের শেষের দিকে বিটিভির ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে ‘ফিরছে নতুন রূপে বিটিভি’ শিরোনামে একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে। সেখানে সাধারণ নাগরিকদের কাছ থেকে নতুন লোগোর ডিজাইন ও আইডিয়া আহ্বান করা হয়। এরপরই এই বিতর্কটি সামনে আসে।

দেশের সংস্কৃতিকর্মীদের একটাই প্রশ্ন লোগো বদলালেই কি বদলে যাবে বিটিভি? দেখে নেওয়া যাক সংস্কৃতিজনদের কে কী বলেছেন-

খ.ম. হারূন (সাবেক উপমহাপরিচালক ও নন্দিত টেলিভিশন ব্যক্তিত্ব)

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে তিনি লেখেন, ‘বিটিভির স্বর্ণালী সময়ের একটি আবেগ এখনও টিকে আছে, সেটি হলো বিটিভির লোগো। এই লোগোকে আরও আকর্ষণীয় করা যেতে পারে, কিন্তু সেটা হতে হবে ঐতিহাসিক ‘লোগো’টিকে টিকিয়ে রেখে।’

তিনি আরও লেখেন, ‘এখন এনালগ থেকে ডিজিটাল মাধ্যমে রূপান্তরিত হয়ে গেছে বিটিভি। প্রতিদিন প্রযুক্তি আরও আধুনিক হচ্ছে। কিন্তু আমরা আমাদের সম্প্রচার কর্মীদের সেভাবে প্রস্তুত করতে পারিনি এটা আমাদের ব‍্যর্থতা।’

আবুল হায়াত (অভিনেতা)

বিটিভির লোগো পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত আমার কাছে পাগলামি মনে হয়। এটা একটা হাস্যকর বিষয়। কাউকে দামি পোশাক পরালে কি সে কখনো জ্ঞানী হয়? এর আগেও আমরা বেশ কিছু প্রতিষ্ঠানের নাম পরিবর্তন করতে দেখেছি, পোশাক পরিবর্তন করতে দেখেছি। কিন্তু নাম ও পোশাক পরিবর্তনের মধ্যে দিয়ে কী আমরা ভালো কিছু পেয়েছি?

বিটিভির কর্তৃপক্ষের উচিত দর্শক কেন বিটিভি থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে আছে, কেন দর্শকের বিটিভির ওপর আস্থা নেই এসব বিষয় নিয়ে কাজ করা। লোগো নিয়ে পড়ে না থেকে অনুষ্ঠান বা কনন্টের মান বাড়ানো উচিত বিটিভির। এই লোগো যদি গত ৫০ বছর থাকতে পারে তাহলে আগামীতে থাকতে সমস্যা কোথায়? লোগোর মধ্যে তো আমরা কোনও সমস্যা দেখি না। যেসব বিষয়ে সমস্যা আছে সেগুলো চিহিৃত করে ঠিক করতে পারলেই মানুষ বিটিভিমুখী হবে আমি মনে করি।

ডলি জহুর (অভিনেত্রী)

আমার প্রশ্ন হলো এই লোগো কেন পরিবর্তন করতে হবে। বিটিভি কর্তৃপক্ষ যদি এই কেন প্রশ্নের সঠিক উত্তর দিতে পারে তাহলে পরিবর্তন নিয়ে আমার আপত্তি নেই। লোগো পরিবর্তনের মধ্যে দিয়ে তো বিটিভির অন্য কিছুতে পরিবর্তন হবে না। বিটিভির মানহীন অনুষ্ঠান থেকে শুরু করে আরও অনেক কিছু পরিবর্তনের সুযোগ আছে। আমি মনে করি কর্তৃপক্ষকে সে সব বিষয়ের দিকে মনোযোগ দেওয়া প্রয়োজন। বিটিভিকে দর্শকমুখী করার জন্য লোগোর পরিবর্তনের প্রয়োজন নেই। দর্শক কী চায় সেই বিষয়গুলো সঠিকভাবে কর্তৃপক্ষ বুঝতে পারলেই চলবে।

শেখ সাদী খান (সংগীত পরিচালক ও সুরকার)

সামাজিক যোগামযোগমাধ্যম ফেসবুকে তিনি লিখেছেন, ‘একটা কিছু না করলে নাম থাকবে কেমন করে? এ ধরনের নতুন কিছু করতে গেলে প্রথমে একটা বিজ্ঞ কমিটি গঠন প্রয়োজন! সেই কমিটির যুক্তি মতামতকে প্রাধান্য দিয়েই সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত! এটা তো কারও ব্যক্তিগত সংসার না। এসব চিন্তা ছেড়ে মান সম্মত অনুষ্ঠান এবং সুস্থ সমাজ গড়ার দিকে নজর দিলে দেশ ও জাতির মঙ্গল হবে! সবচেয়ে আগে বিটিভির স্বচ্ছতা প্রয়োজন। অভিশপ্ত জাতির মঙ্গল হোক।’

আশরাফ বাবু (গীতিকার ও সুরকার)

লোগো চেঞ্জ করে কি বিটিভির মান ঠিক করা যাবে? আবার আরেক সরকার এসেই লোগো আবার চেঞ্জ করবে। বরং সাধারণ জনগণ থেকে আইডিয়া নিতে পারে কি ধরনের কি মানের প্রোগ্রাম তারা দেখতে চায় । বিটিভিরমান পরিবর্তনে অনেক কিছু করণীয় দরকার।

যা বললেন বিটিভির বর্তমান মহাপরিচালক

এদিকে তীব্র সমালোচনার মুখে বিটিভির বর্তমান মহাপরিচালক কাজী জেসিন বিষয়টির ব্যাখ্যা দিয়ে আশ্বস্ত করার চেষ্টা করেছেন। তিনি গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, লোগো পরিবর্তনের কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনও নেওয়া হয়নি। কেবল তরুণ প্রজন্ম (জেন-জি) এবং সাধারণ দর্শকদের দৃষ্টিভঙ্গি ও আইডিয়া জানতেই এই বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ‘লোগো পরিবর্তনের উদ্যোগটি বিটিভির সার্বিক আধুনিকীকরণ প্রক্রিয়ার একটি অংশ মাত্র। এর পাশাপাশি নতুন কনটেন্ট তৈরি, আর্কাইভ আধুনিকায়ন, কর্মীদের সম্মানী কাঠামো এবং বিলিং পলিসিতেও বড় ধরনের সংস্কারের কাজ চলছে।’