বুধবার, ১ জুলাই ২০২৬, ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩
বুধবার, ১ জুলাই ২০২৬, ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩

সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ মোড় সংলগ্ন সরদার পাড়ায় ড্রেনেজ সংস্কার কাজের উদ্বোধন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১ জুলাই, ২০২৬, ৩:৪৮ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ মোড় সংলগ্ন সরদার পাড়ায় ড্রেনেজ সংস্কার কাজের উদ্বোধন

সংবাদদাতা: সাতক্ষীরা পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের সরকারি কলেজ মোড় সংলগ্ন সরদার পাড়া এলাকায় ড্রেনেজ সংস্কার কাজের উদ্বোধন করা হয়েছে। বুধবার (১ জুলাই) সকাল সাড়ে ৭টায় সাতক্ষীরা জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি ও পৌর মেয়র প্রার্থী প্রভাষক ওমর ফারুক এ উন্নয়নকাজের উদ্বোধন করেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্থানীয় ওয়ার্ড জামায়াতের সভাপতি শফিকুল ইসলামসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
জানা যায়, স্থানীয় সংসদ সদস্য মুহাদ্দিস আব্দুল খালেকের সরকারি বাজেট বরাদ্দের অংশ হিসেবে পৌর এলাকার বিভিন্ন স্থানে ড্রেনেজ সংস্কার ও অন্যান্য উন্নয়নমূলক কাজ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় সরদার পাড়া এলাকায় দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা ও দুর্ভোগ নিরসনে এ সংস্কার কাজ শুরু হয়েছে।

উদ্বোধনকালে প্রভাষক ওমর ফারুক বলেন, জনগণের প্রয়োজনকে অগ্রাধিকার দিয়ে উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে পৌরসভার বিভিন্ন এলাকায় অবকাঠামোগত উন্নয়ন অব্যাহত থাকবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

স্থানীয় বাসিন্দারা এ উদ্যোগে সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, বিগত বছরগুলোতে সংসদ সদস্যের বরাদ্দে এ ধরনের উন্নয়নমূলক কাজ তারা তেমন দেখেননি। বর্তমান উদ্যোগে এলাকার দীর্ঘদিনের সমস্যা সমাধানের আশা করছেন তারা।

এদিকে একই সময়ে পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ফুলতলা বাজার এলাকায় আরও একটি ড্রেনেজ সংস্কার কাজের উদ্বোধন করেন স্থানীয় কাউন্সিলর প্রার্থী ও ওয়ার্ড জামায়াতের সেক্রেটারি আমিরুর ইসলাম।

Ads small one

পাইকগাছায় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ ও সরকারি কর্মকর্তাদের সাথে এমপির মতবিনিময়

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১ জুলাই, ২০২৬, ৭:১১ অপরাহ্ণ
পাইকগাছায় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ ও সরকারি কর্মকর্তাদের সাথে এমপির মতবিনিময়

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি: পাইকগাছার বিভিন্ন প্রতিষ্টানে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ ও সরকারি কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময় করেছেন সংসদ সদস্য মাওলানা আবুল কালাম আজাদ। তিনি ১ জুলাই বুধবার সকালে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ এবং সরকারি কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময় করেন। অনুষ্ঠানে ২০২৫-২৬ অর্থ বছরে এডিপির (৪র্থ কিস্তির অতিরিক্ত বরাদ্দ) অর্থায়নে উপজেলার ৩৫ টি শিক্ষা ও ক্রীড়া প্রতিষ্ঠানে বিভিন্ন খেলাধুলার সামগ্রী বিতরণ করা হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্বে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ওয়াসিউজ্জামান চৌধুরী। উপজেলা প্রকৌশলী শাফিন শোয়েবের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন জেলা জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য মাওলানা এস এম আমিনুল ইসলাম, উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা সাঈদুর রহমান, নায়েবে আমীর মাওলানা জিএম বুলবুল আহমেদ, সেক্রেটারি মাওলানা আলতাফ হোসেন, সহকারী সেক্রেটারি মাওলানা আব্দুল খালেক, পৌর আমীর ডাঃ আছাদুল হক, জামায়াত নেতা অ্যাডভোকেট মোর্তজা জামান আলমগীর রুলু, অ্যাডভোকেট রুহুল আমিন।

পরে সরকারি কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময় সভায় এমপি আবুল কালাম আজাদ বিভিন্ন সমস্যা, সম্ভাবনা এবং সেবার মানোন্নয়নে সরকারি কর্মকর্তাদের বিভিন্ন দিকনির্দেশনা দেন। এ সময় সংসদ সদস্য কর্মকর্তাদের বক্তব্য মনোযোগ সহকারে শোনেন এবং সরকারি সেবাকে আরও কার্যকর, গতিশীল ও জনমুখী করতে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা এবং সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের আশ্বাস দেন।

 

মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ আহসানারা বিনতে আহমদ, সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সৈকত মল্লিক, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ পার্থ প্রতিম রায়, উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক হাসিবুর রহমান, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের সহকারী প্রকৌশলী প্রশান্ত কুমার পাল, এসএফডিএফ কর্মকর্তা জি. এম. জাকারিয়া, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সঞ্জয় দেবনাথ, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা রেশমা আক্তার ও উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা অনাথ কুমার বিশ্বাসসহ সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা।

কলারোয়া সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ছয় লক্ষাধিক টাকার মালামাল আটক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১ জুলাই, ২০২৬, ৭:০৭ অপরাহ্ণ
কলারোয়া সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ছয় লক্ষাধিক টাকার মালামাল আটক

পত্রদূত রিপোর্ট: বুধবার (০১ জুলাই ২০২৬) সাতক্ষীরা ৩৩ বিজিবি ব্যাটালিয়ন এর অধীনস্থ কাকডাঙ্গা, মাদরা ও হিজলদী বিওপির টহলদল দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় চোরাচালান বিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ ও ঔষধ আটক করেছে।

সাতক্ষীরা ৩৩ বিজিবি ব্যাটালিয়ন জানায়, কাকডাঙ্গা বিওপির আভিযানে কলারোয়া থানার বালিয়ারি হতে ৪ লাখ ৫৫ হাজার টাকার ভারতীয় ঔষধ আটক করে। মাদরা বিওপির আভিযানে কলারোয়া থানার রাজপুর হতে ১ লাখ ০৫ হাজার টাকার ভারতীয় ঔষধ আটক করে।

এছাড়াও, হিজলদী বিওপির আভিযানে কলারোয়া থানার বড়ালি হতে ৩০ হাজার টাকার ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ আটক করে। আটক পন্যের সর্বমোট ৬ লাখ ৫০ হাজার টাকা।

বিজিবি আরো জানায়, চোরাকারবারী কর্তৃক বর্ণিত মালামাল শুল্ককর ফাঁকি দিয়ে অবৈধভাবে ভারত হতে বাংলাদেশে পাচার করায় জব্দ করা হয়। এভাবে ভারতীয় দ্রব্য সামগ্রী মাদক চোরাচালানের কারণে দেশীয় শিল্প ক্ষতিগ্রস্থ হবার পাশাপাশি দেশ উল্লেখযোগ্য রাজস্ব আয় হতে বঞ্চিত হচ্ছে। দেশের রাজস্ব ফাঁকি রোধ করে স্থানীয় শিল্প বিকাশে বিজিবি’র এরূপ দেশপ্রেমিক ও জনস্বার্থে পরিচালিত অভিযানে উপস্থিত স্থানীয় জনগন সাধুবাদ জ্ঞাপন করে এ ধরণের অভিযান অব্যাহত রাখার জন্য অনুরোধ করেন।

সাগরদাঁড়ী দত্তবাড়ির প্রাচীন স্থাপত্য সংস্কার না করায় জৌলুস হারাচ্ছে মধুপল্লী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১ জুলাই, ২০২৬, ৬:৫৯ অপরাহ্ণ
সাগরদাঁড়ী দত্তবাড়ির প্রাচীন স্থাপত্য সংস্কার না করায় জৌলুস হারাচ্ছে মধুপল্লী

এম আব্দুল করিম, কেশবপুর (যশোর): যশোরের কেশবপুর উপজেলার সাগরদাঁড়ীতে কপোতাক্ষ তীরে অবস্থিত মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের স্মৃতি বিজড়িত প্রাচীন স্থাপত্য নিদর্শনগুলো দীর্ঘদিন সংস্কার না করায় জৌলুস হারাচ্ছে মধুপল্লী, আর সরকার হারাচ্ছে লক্ষ লক্ষ টাকার রাজস্ব।

প্রায় ৪ একর ৩৩ শতক জমির ওপর অবস্থিত মধুকবির জমিদার বাড়ির বিভিন্ন স্থাপত্য ও নিদর্শন নিয়ে স্থাপিত মধুপল্লী নানাবিধ সংকটে নিজের জৌলুস হারাতে বসেছে। পর্যটকদের বিনোদনের খোরাক মেটাতে এখানকার ছোট-বড় একাধিক স্থাপনা, মন্দির ও পুকুর ঘাট সংস্কার করা জরুরী হয়ে পড়েছে। ১৮৬৫ সালে তৎকালিন সরকার কবি ভক্তদের থাকার জন্যে চার শয্যা বিশিষ্ট একটি রেস্টহাউজ নির্মাণ করে। এই রেস্ট হাউজের একটি রুমেই করা হয় পাঠাগার।

 

১৯৬৬ সালে কবির বাড়িটি প্রতœতত্ত্ব বিভাগের কাছে সরকার ন্যস্ত করে। প্রতœতত্ত্ব বিভাগ জমিদার বাড়ি, পুকুর সংস্কারসহ পুরো এলাকাটি পাঁচিল দিয়ে ঘিরে ফেলে। ১৯৯৮ সালে এর পুনঃসংস্কার কাজ শুরু হয়ে ২০০১ সালে শেষ হয়। এরপর দীর্ঘ দিনে দত্তবাড়ি, মন্দিরসহ প্রাচীন নিদর্শনগুলো সংস্কার না হওয়ায় এর জানালা, দরজা ভেঙে যাচ্ছে। ছাদেও ফাটল ধরেছে। নষ্ট হয়ে যাচ্ছে সংরক্ষিত আসবাবপত্রগুলো। কবির প্রসূতিস্থান খ্যাত ঘরটি এখন তুলসি গাছের ঠিকানা।

মধুপল্লীর উন্নয়নে ১০ জুন ২০১৮ সালে বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নিখিল রঞ্জন রায় স্বাক্ষরিত বিটিবি যশোর-পর্যটন/২০১৮(৬৪২)/১৯৮০ নং স্মারকে ১ কোটি টাকা অর্থ বরাদ্দ দেয়া হয়। কিন্তু অজানা কারনে বরাদ্ধ বাস্তবায়ন হয়নি। ৬/৭ মাস আগে মধুমেলাকে সামনে রেখে নামে মাত্র ঘষামাজার কাজ হলেও সংশ্লিষ্টদের নজর নেই মুল স্থাপনায়। যার ফলে জরাজীর্ণ এই স্থাপত্য শুধু সৌন্দয্যই হারাচ্ছে না সাথে সরকার, হারাচ্ছে লক্ষ-লক্ষ টাকার রাজস্ব। তাই দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলের সরকারি রাজস্ব আয়ের একমাত্র পর্যটন কেন্দ্রটি অতি দ্রুত সংস্কারের দাবি এই অঞ্চলের মানুষের।

মধুপল্লীর কাস্টডিয়ান হাসানানুজ্জামান বলেন, মধুমেলায় প্রতি বছর ৫ থেকে ৬ লাখ দর্শণার্থীর আগমন ঘটে থাকে। এছাড়া সারা বছরজুড়ে দেশী বিদেশী পর্যটকরা মধুপল্লী ভ্রমণ করে থাকে। নানা সমস্যার কারণে পর্যটকরা দিনের আলো থাকতেই ফিরে যেতে বাধ্য হয়। দর্শণার্থীদের বিনোদন মেটাতে ও সরকারি রাজস্ব বাড়াতে মধুপল্লীর উন্নয়ন খুব জরুরী।

প্রতœতত্ত্ব অধিদপ্তরের রিজিওনাল ডাইরেক্টর (আরডি) মহিদুল ইসলাম বলেন, যশোরের সাগরদাঁড়ি মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাড়ি প্রতি বছরেই জন্ম জয়ন্তীর আগে কিছু কাজ করা হয় তবে সাগরদাঁড়িতে যে ভবনগুলো রয়েছে ২০২৬-২০২৭ অর্থ বছরে সেগুলাতে সব ধরনের সংস্কার কাজ করা হবে, এছাড়া মধুপল্লীতে একটি প্রকল্প গ্রহণের কাজ অব্যহত রয়েছে, আশা করি এই মেঘা প্রকল্পের মাধ্যমে এর ব্যপক উন্নয়ন করা সম্ভব হবে।