মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬, ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬, ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩

কলারোয়ায় কৃষি ব্যাংকের ঋণ বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ, ভোগান্তিতে কৃষক-ব্যবসায়ীরা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩০ জুন, ২০২৬, ৬:১৩ অপরাহ্ণ
কলারোয়ায় কৃষি ব্যাংকের ঋণ বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ, ভোগান্তিতে কৃষক-ব্যবসায়ীরা

পত্রদূত ডেস্ক: সাতক্ষীরার কলারোয়া বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক শাখায় কৃষি ঋণ বিতরণে অনিয়ম, স্বজনপ্রীতি ও গ্রাহক হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় কৃষক ও ব্যবসায়ীদের দাবি, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেওয়ার পরও অনেক যোগ্য আবেদনকারী ঋণ পাচ্ছেন না। অন্যদিকে প্রভাবশালী একটি চক্রের মাধ্যমে কিছু ব্যক্তি সহজেই বড় অঙ্কের ঋণ পাচ্ছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, শাখার কয়েকজন কর্মকর্তা ও তাদের ঘনিষ্ঠদের মাধ্যমে ঋণ বিতরণে প্রভাব বিস্তার করা হচ্ছে। এতে প্রকৃত কৃষক ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের অনেকেই প্রয়োজনীয় ঋণ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।
জয়নগর এলাকার কৃষক মুজিবার রহমান বলেন, প্রয়োজনীয় সব কাগজপত্র জমা দিয়েও দীর্ঘদিন ধরে ঋণের জন্য ঘুরছেন। এখনো তিনি ঋণ পাননি।

কলারোয়া পৌরসভার ব্যবসায়ী গোলাম রসুলের অভিযোগ, প্রকৃত প্রয়োজন থাকা অনেক আবেদনকারীকে নানা অজুহাতে অপেক্ষা করানো হচ্ছে। এতে সাধারণ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।
লাঙ্গলঝাড়া এলাকার মাহবাবুর রহমান বলেন, যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও অনেক কৃষক সময়মতো ঋণ পাচ্ছেন না। এর প্রভাব কৃষি উৎপাদনের ওপরও পড়ছে।

জালাবাদের হাবিবুর রহমানের ভাষ্য, নিয়ম মেনেই আবেদন করলেও ঋণ অনুমোদনের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতার অভাব রয়েছে বলে তাঁর মনে হয়েছে।
হেলাতলার আব্দুল্লাহ আল মামুন অভিযোগ করেন, কৃষকদের সঙ্গে বৈষম্যমূলক আচরণের কারণে অনেকেই হতাশ হয়ে পড়ছেন।

কুশোডাঙ্গার বাবলু ইসলাম বলেন, অনেক প্রকৃত কৃষক ও ব্যবসায়ী ঋণ না পেলেও তুলনামূলক কম সম্পদ দেখিয়ে কিছু ব্যক্তি বড় অঙ্কের ঋণ পাচ্ছেন বলে এলাকায় আলোচনা রয়েছে। বিষয়টি তদন্ত হওয়া উচিত।

ভুক্তভোগীদের দাবি, শতাধিক কৃষক ও ব্যবসায়ী তাদের যোগ্যতা অনুযায়ী ঋণ পাচ্ছেন না। কয়েকজন কর্মকর্তার নাম উল্লেখ করে তাদের বিরুদ্ধে ঋণ নবায়ন ও বিতরণের অভিযোগ করেছেন তারা। অভিযোগে বলা হয়েছে, ঘুষ ছাড়া অনেক ক্ষেত্রে ঋণ অনুমোদন করা হয় না। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র থাকার পরও বিভিন্ন অজুহাতে আবেদনকারীদের মাসের পর মাস ঘোরানো হয়।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন কলারোয়া বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক শাখার মুখ্য কর্মকর্তা মো. জালাল উদ্দীন। তিনি বলেন, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। যারা ঋণের জন্য আবেদন করেছেন, তাদের কাগজপত্র ঠিক থাকলে নিয়ম অনুযায়ী ঋণ দেওয়া হয়েছে। ব্যক্তিগত সম্পর্কের ভিত্তিতে কাউকে ঋণ দেওয়া হয় না।

 

 

Ads small one

নতুন গুঞ্জন হাওয়ায়, প্রেম করছেন কেয়া পায়েল!

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩০ জুন, ২০২৬, ৭:৪২ অপরাহ্ণ
নতুন গুঞ্জন হাওয়ায়, প্রেম করছেন কেয়া পায়েল!

ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী কেয়া পায়েলের ব্যক্তিজীবন নিয়ে আলোচনা নতুন নয়। অতীতেও একাধিকবার তার প্রেমের গুঞ্জন শোনা গেছে। তবে এসব বিষয়ে তিনি কখনোই প্রকাশ্যে কিছু বলেননি। এবার মালদ্বীপে তার অবকাশযাপনের একটি ভিডিওকে কেন্দ্র করে আবারও আলোচনার জন্ম দিয়েছে সামাজিকমাধ্যম।

ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, মালদ্বীপে এক তরুণের সঙ্গে সময় কাটাচ্ছেন কেয়া পায়েল। কখনও তাদের গল্প করতে, আবার কখনও একটি রেস্তোরাঁয় ওই তরুণকে নিজের হাতে খাবার খাওয়াতে দেখা যায়। ভিডিওটি প্রকাশের পর থেকেই নেটিজেনদের মধ্যে শুরু হয়েছে নানা জল্পনা—কে এই তরুণ এবং তাঁর সঙ্গে অভিনেত্রীর সম্পর্ক কী?

অভিনেত্রীর ঘনিষ্ঠ একাধিক সূত্রের দাবি, ওই তরুণের নাম প্রাচুর্য। তাদের পরিচয় দীর্ঘদিনের এবং সময়ের সঙ্গে সম্পর্ক আরও ঘনিষ্ঠ হয়েছে বলেও দাবি করা হচ্ছে। সূত্রগুলোর ভাষ্য, এর আগেও তাদের যুক্তরাজ্যে একসঙ্গে সময় কাটাতে দেখা গেছে।

 

এমনকি ঘনিষ্ঠজনদের মতে, কেয়া পায়েল ও প্রাচুর্য দীর্ঘদিন ধরে প্রেমের সম্পর্কে রয়েছেন এবং বিষয়টি দুই পরিবারও জানে। ভবিষ্যতে বিয়ের পরিকল্পনা নিয়েও আলোচনা রয়েছে বলে দাবি করা হলেও এ বিষয়ে কোনোপক্ষ থেকেই আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ মেলেনি।

এদিকে মালদ্বীপের ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর ভক্তদের কৌতূহল আরও বেড়েছে। অনেকেই মনে করছেন, দীর্ঘদিনের গুঞ্জনের পর হয়তো এবার নিজের ব্যক্তিজীবন নিয়ে প্রকাশ্যে আসতে পারেন এই অভিনেত্রী। তবে এখন পর্যন্ত কেয়া পায়েল বা তার পরিবারের পক্ষ থেকে কোনও মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ইনুর ১০ বছরের কারাদণ্ড

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩০ জুন, ২০২৬, ৭:৪০ অপরাহ্ণ
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ইনুর ১০ বছরের কারাদণ্ড

জুলাই গণআন্দোলন চলাকালে কুষ্টিয়ায় ছয় জনকে হত্যাসহ আট অভিযোগে করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) সভাপতি হাসানুল হক ইনুকে ১০ বছরের কারাদণ্ডাদেশ ও ১ লাখ টাকা জরিমানার আদেশ দিয়ে রায় ঘোষণা করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন বিচারিক প্যানেলে এই রায় ঘোষণা করেন।

এর আগে গত ১৪ মে এই মামলায় উভয়পক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে মামলাটি যে কোনোদিন রায়ের জন‍্য অপেক্ষমাণ (সিএভি) রেখেছিলেন ট্রাইব্যুনাল।

সেদিন ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশন পক্ষে উপস্থিত ছিলেন প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ, মঈনুল করিম, আবদুস সোবহান তরফদারসহ অন্যরা। অপরদিকে ইনুর পক্ষে যুক্তিতর্ক শেষ করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মুনসুরুল হক চৌধুরী। মোট ৯ দিন নিজেদের যুক্তি উপস্থাপন করে আসামিপক্ষ। শুনানিতে আসামির পক্ষে বিভিন্ন আইনি দিক তুলে ধরেন তিনি। একই সঙ্গে ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় ইনু সংসদ সদস্য ছিলেন না বলেও দাবি করা হয়।

মুনসুরুল হক বলেন, “কুষ্টিয়ায় ছয় জনকে হত্যার ঘটনায় ইনুর কোনও সম্পৃক্ততা নেই। মামলার সাক্ষীরাও স্বীকার করেছেন, হত্যাকাণ্ডের সময় তিনি কুষ্টিয়ায় উপস্থিত ছিলেন না।”

প্রসঙ্গত, জুলাই-আগস্ট আন্দোলন ঘিরে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট কুষ্টিয়া শহরের বিভিন্ন স্থানে ছাত্র-জনতার ওপর গুলি চালানো হয়। তাদের গুলিতে শহীদ হন শ্রমিক আশরাফুল ইসলাম, সুরুজ আলী বাবু, শিক্ষার্থী আবদুল্লাহ আল মুস্তাকিন, উসামা, ব্যবসায়ী বাবলু ফরাজী ও চাকরিজীবী ইউসুফ শেখ। আহত হন বহু নিরীহ মানুষ। এর পরিপ্রেক্ষিতে ইনুর বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মামলা হয়। পরে তদন্ত সংস্থার প্রতিবেদন অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে আটটি অভিযোগ এনে ফরমাল চার্জ (আনুষ্ঠানিক অভিযোগ) জমা দেয় প্রসিকিউশন।

ইনুর বিরুদ্ধে আটটি অভিযোগ আনা হয়। এর মধ্যে তিন নম্বর অভিযোগে তাকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দেন ট্রাইব্যুনাল। একইসঙ্গে ৬ ও ৭ নম্বর অভিযোগে এক লাখ করে দুই লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ এবং উভয় চার্জে ১০ বছর করে দণ্ড দেওয়া হয়। এছাড়া ১, ২, ৪, ৫ ও ৮ নম্বর অভিযোগে খালাস দেন আদালত।

তবে আলাদা আলাদা দণ্ড হলেও ট্রাইব্যুনাল বলেন, তাকে ১০ বছরের সাজা ভোগ করতে হবে।

কাতারে অনিশ্চয়তায় যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩০ জুন, ২০২৬, ৭:২৫ অপরাহ্ণ
কাতারে অনিশ্চয়তায় যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনা

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে স্থায়ী যুদ্ধবিরতি এবং হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি সচল করার লক্ষ্য নিয়ে মঙ্গলবারে কাতারে পৌঁছানোর কথা রয়েছে শীর্ষ মার্কিন দূতদের। তবে এই কূটনৈতিক আলোচনার সময় ও আলোচ্যসূচি নিয়ে তৈরি হওয়া চরম অনিশ্চয়তা ইরান যুদ্ধ স্থায়ীভাবে থামানোর চেষ্টাকে বড় ধরনের প্রশ্নের মুখে ফেলেছে।

গত সপ্তাহান্তে দুই দেশের মধ্যে ঘটে যাওয়া পাল্টাপাল্টি হামলার পরই এই কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু হলো। ওই হামলা গত ১৭ জুনের অন্তর্বর্তীকালীন চুক্তিকে বড় পরীক্ষার মুখে ফেলেছে। ১৪ দফার ওই চুক্তিতে স্থায়ী যুদ্ধবিরতি এবং ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির ভবিষ্যৎসহ বিভিন্ন জটিল বিষয়ের সমাধানের জন্য দুই পক্ষকে ৬০ দিন সময় দেওয়া হয়েছিল।

উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার মাধ্যমে এই সংঘাতের সূত্রপাত হয়। এই যুদ্ধ বিশ্বব্যাপী তেল ও অন্যান্য পণ্যের বাণিজ্য ব্যাহত করেছে, উপসাগরীয় দেশগুলোকে ইরানের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঝুঁকিতে ফেলেছে এবং মূলত ইরান ও লেবাননে হাজার হাজার মানুষের প্রাণ কেড়ে নিয়েছে।

হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার এবং তার দূত স্টিভ উইটকফ উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে অংশ নিতে মঙ্গলবার দোহায় পৌঁছাবেন বলে আশা করা হচ্ছে। পাশাপাশি এর পাশাপাশি অন্যান্য কারিগরি বৈঠকও চলবে।

তবে ইরান চলতি সপ্তাহে কাতারে একটি কারিগরি প্রতিনিধি দল পাঠালেও দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র এসমাইল বাঘেই বলেছেন, মার্কিনীদের সফরের সঙ্গে এর ‘কোনও সম্পর্ক নেই’ এবং দুই পক্ষের মধ্যে কোনও বৈঠকের সূচি নির্ধারিত হয়নি।

বাঘেই স্পষ্ট করে বলেন, আগামী দিনগুলোতে মার্কিন পক্ষের সঙ্গে কোনও পর্যায়েই আমাদের কোনও আলোচনার বৈঠক হবে না।

ইরানের একজন সিনিয়র কর্মকর্তাও জানিয়েছেন, দোহায় এই বৈঠক কেবল হরমুজ প্রণালি ব্যবস্থাপনা এবং উত্তেজনা হ্রাসের আলোচনার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে। অবশ্য রবিবারের পর উত্তেজনা কিছুটা কমায় মঙ্গলবার বিশ্ববাজারে তেলের দাম আরও কমেছে, যা ২০২০ সালের কোভিড-১৯ মহামারির পর সবচেয়ে বড় ত্রৈমাসিক দরপতনের রেকর্ড গড়তে যাচ্ছে।

চার মাস আগে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর হরমুজ প্রণালি দিয়ে নৌ যোগাযোগ কার্যত স্থবির হয়ে পড়ে। অথচ এই রুট দিয়ে আগে বিশ্বের মোট তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) প্রায় এক-পঞ্চমাংশ পরিবাহিত হতো। এরপর থেকে ইরান এই জলপথের অপর প্রান্তে থাকা ওমানের সঙ্গে মিলে প্রণালিটির ওপর নিজেদের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করছে। তারা ঘোষণা করেছে যে এই পথ ব্যবহারের জন্য জাহাজগুলোর কাছ থেকে ফি নেওয়া হবে এবং নির্ধারিত পথের বাইরে যাওয়া জাহাজগুলোর গতিবিধি ব্যাহত করছে।
বৃহস্পতিবার থেকে যুক্তরাষ্ট্রের অভিযোগ, ইরান ক্ষেপণাস্ত্র বা ড্রোন দিয়ে অন্তত দুটি বাণিজ্যিক জাহাজে আঘাত করেছে এবং এর জবাবে যুক্তরাষ্ট্রও ইরানের সামরিক স্থাপনায় বোমা হামলা চালিয়েছে। এর প্রতিক্রিয়ায় গত রবিবার কুয়েত ও বাহরাইনে থাকা মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালায় ইরান। দুই পক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের অভিযোগ এনেছে।

এই যুদ্ধ বিশ্বজুড়ে মূল্যস্ফীতি বাড়িয়ে দিয়েছে, যা আগামী নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে দেশের ভেতরে ট্রাম্পকে তীব্র রাজনৈতিক চাপে ফেলেছে। এই নির্বাচনের মাধ্যমেই নির্ধারিত হবে মার্কিন কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ কার হাতে থাকবে। এই পরিস্থিতিতে সোমবার হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, মরক্কো থেকে ফসফেট সার আমদানির ওপর কিছু শুল্ক সাময়িকভাবে স্থগিত করার অনুমোদন দিয়েছেন ট্রাম্প। কারণ হরমুজ প্রণালি দিয়ে সারের সরবরাহ যুদ্ধ-পূর্ববর্তী অবস্থায় ফিরতে আরও সময় লাগবে, যার দরুন মার্কিন কৃষকেরা তীব্র সার সংকটে ভুগছেন।

দোহা বৈঠক নিয়ে ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের ট্রাম্প বলেন, দোহা বৈঠকটি হয়তো গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে, আবার নাও হতে পারে। আমরা শিগগিরই তা জানতে পারবো।

এদিকে ইরানের ভেতরে, দেশটির ধর্মীয় নেতৃত্ব যুদ্ধ থেকে টিকে গেলেও বিপর্যস্ত অর্থনীতির কারণে জনগণের তীব্র ক্ষোভের মুখে রয়েছে। এর মধ্যেই দেশটির পশ্চিমাঞ্চলীয় একটি প্রদেশে ‘সন্ত্রাসীদের’ গুলিতে এলিট ফোর্স রেভল্যুশনারি গার্ডসের দুই সদস্য নিহত হয়েছেন বলে বাহিনীটি জানিয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার এই অন্তর্বর্তীকালীন চুক্তিতে ইসরায়েল এবং লেবাননের ইরান-সমর্থিত গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর মধ্যকার সংঘাতের অবসানের বিধানও রাখা হয়েছে। তবে হিজবুল্লাহর মিত্র ও লেবাননের শক্তিশালী পার্লামেন্ট স্পিকার নাবিহ বেরি ওই যুদ্ধ বন্ধে লেবানন ও ইসরায়েলের মধ্যে মার্কিন-মধ্যস্থতায় হওয়া আলাদা একটি ফ্রেমওয়ার্ক চুক্তি নিয়ে গভীর সন্দেহ প্রকাশ করেছেন। বিশ্লেষকদের মতে, এই চুক্তিটি দক্ষিণ লেবানন থেকে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহারকে হিজবুল্লাহর নিরস্ত্রীকরণের সঙ্গে জুড়ে দেওয়ায় সংকটকে আরও দীর্ঘস্থায়ী ও অচল করার ঝুঁকিতে ফেলছে।

সূত্র: রয়টার্স