মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩

সাতক্ষীরায় নিরাপদ অভিবাসন নিশ্চিত করতে সচেতনতা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:৩৪ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় নিরাপদ অভিবাসন নিশ্চিত করতে সচেতনতা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত

পত্রদূত ডেস্ক: সাতক্ষীরায় মানবপাচার প্রতিরোধ, নিরাপদ অভিবাসন নিশ্চিতকরণ এবং বিদেশগামী কর্মীদের দালালচক্রের প্রতারণা থেকে রক্ষায় সচেতনতা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে জেলা অভিবাসন সমন্বয় কমিটি। একই সঙ্গে অবৈধ অভিবাসনসংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ, সরকারি নির্দেশনা অনুসরণ, দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ এবং বিকল্প কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

গত ১১ অক্টোবর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত জেলা অভিবাসন সমন্বয় কমিটির সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক কাউসার আজিজ। সভায় সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরের কার্যক্রম পর্যালোচনা করে নিরাপদ অভিবাসন নিশ্চিত করতে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণের বিষয়ে আলোচনা হয়।

সভায় বিদেশগামী কর্মীদের দালাল বা মধ্যস্বত্বভোগীদের সঙ্গে আর্থিক লেনদেন না করার বিষয়ে সচেতনতা তৈরির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। এ লক্ষ্যে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রচার-প্রচারণা এবং সচেতনতামূলক কার্যক্রম জোরদার করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পাশাপাশি ইউনিয়ন পর্যায়ে নিরাপদ অভিবাসনবিষয়ক তথ্য প্রচার এবং সংশ্লিষ্ট কমিটির কার্যক্রম আরও সক্রিয় করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

সভায় জেলা কর্মসংস্থান ও জনশক্তি কার্যালয়ের কার্যক্রম তুলে ধরে বিদেশগামী কর্মীদের নিবন্ধন, অভিযোগ গ্রহণ এবং অভিবাসনসংক্রান্ত সেবা প্রদানের বিষয় আলোচনা করা হয়। কমিটির কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও সমন্বয় নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে নিয়মিত কার্যক্রম পরিচালনা এবং অগ্রগতি প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়।

এ ছাড়া কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের মাধ্যমে বিদেশগামী কর্মীদের দক্ষতা উন্নয়ন, বিদেশে নিরাপদ কর্মসংস্থান সম্পর্কে প্রশিক্ষণ এবং নারীদের কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। নারী ও যুব উন্নয়নবিষয়ক দপ্তরের প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের মাধ্যমে দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলা এবং আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির বিষয়েও আলোচনা হয়।

সভায় অবৈধ অভিবাসনসংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ, প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং মানবপাচার প্রতিরোধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। অভিবাসন ব্যয় নির্বাহের ক্ষেত্রে সরকার নির্ধারিত নির্দেশনা অনুসরণ এবং প্রবাসী কর্মীদের অধিকার ও সুযোগ-সুবিধা সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানোর ওপরও গুরুত্বারোপ করা হয়।

নিরাপদ অভিবাসন নিশ্চিত করা, বৈধভাবে বিদেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ানো এবং অভিবাসনপ্রত্যাশীদের প্রতারণার হাত থেকে রক্ষায় সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তর, জনপ্রতিনিধি ও কমিটির সদস্যদের সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়। সভায় গৃহীত সিদ্ধান্তগুলোর বাস্তবায়ন অগ্রগতি পর্যালোচনার জন্য প্রতি মাসের ৫ তারিখের মধ্যে সংশ্লিষ্ট কার্যক্রমের প্রতিবেদন জেলা কর্মসংস্থান ও জনশক্তি কার্যালয়ে পাঠানোর সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়।

Ads small one

হরমুজের কাছে মাইন বিস্ফোরণে তেলের ট্যাঙ্কারে আগুন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:২১ অপরাহ্ণ
হরমুজের কাছে মাইন বিস্ফোরণে তেলের ট্যাঙ্কারে আগুন

হরমুজ প্রণালির পূর্বাঞ্চলে সামুদ্রিক মাইন বিস্ফোরিত হয়ে একটি তেলবাহী ট্যাঙ্কারে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে বলে মঙ্গলবার জানিয়েছে ইরানের নৌবাহিনী।

ইরানের সরকারি বার্তা সংস্থা ইরনা-তে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে জানানো হয়, ট্যাঙ্কারটি ট্র্যাকিং সিস্টেম বন্ধ রেখে একটি সংরক্ষিত ও অনিরাপদ এলাকা দিয়ে অতিক্রম করার চেষ্টা করার সময় মাইনের সংস্পর্শে আসে। দুর্ঘটনায় জাহাজটি ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং এতে আগুন ধরে যায়।

তবে ট্যাঙ্কারটির পরিচয়, পতাকাবাহী দেশ, নাবিক কিংবা সম্ভাব্য হতাহতের বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানায়নি নৌবাহিনী।

ইরানের নৌবাহিনী স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, পূর্ব সমন্বয় ছাড়া চলাচলের চেষ্টা করা নৌযানের জন্য হরমুজ প্রণালি এখনও অনিরাপদ ও বন্ধ রয়েছে। যেসব জাহাজ নিরাপদ অতিক্রম চায়, তাদের অবশ্যই ইরানি সশস্ত্র বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করতে হবে।

যখন ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার সংঘাত নিরসনে এবং উত্তেজনা কমাতে নানা কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চলছে। তুরস্ক, সৌদি আরব, পাকিস্তান ও ইরান অঞ্চলটির নিরাপত্তা এবং দীর্ঘস্থায়ী সমাধানের লক্ষ্যে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে।

উল্লেখ্য, জ্বালানি ও পণ্য পরিবহনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই প্রণালি দিয়ে চলাচল সংক্রান্ত দ্বিমতের কারণে গত জুনে স্বাক্ষরিত একটি সমঝোতা স্মারকের পর শুরু হওয়া ওয়াশিংটন-তেহরান আলোচনা পরবর্তীতে ভেস্তে যায়।

সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

২১ লাখ ফলোয়ার, ভোট পেলেন মাত্র ৩৩টি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:১৮ অপরাহ্ণ
২১ লাখ ফলোয়ার, ভোট পেলেন মাত্র ৩৩টি

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিপুল অনুসারী থাকলে মানুষের মধ্যে প্রভাবের একটি ধারণা তৈরি হয়। কিন্তু মাঠপর্যায়ের সমর্থনের প্রশ্নে বাস্তবতা অনেক সময় বড় ধাক্কা দেয়। ঠিক তা-ই ঘটেছে ওমপ্রকাশ বিষ্ণোইয়ের ক্ষেত্রে। রাজস্থানের যোধপুর জেলার ওসিয়ান তহসিলের ইন্দন কি ধানি-২ গ্রাম পঞ্চায়েতে সরপঞ্চ পদে নির্বাচন করেছিলেন তিনি।

নিজেকে জ্যোতিষী, ইনফ্লুয়েন্সার ও ইউটিউবার হিসেবে পরিচয় দেওয়া বিষ্ণোইয়ের ইনস্টাগ্রাম, ফেসবুক ও ইউটিউব মিলিয়ে অনুসারী ২১ লাখ। অথচ ১ হাজার ৬০০ যোগ্য ভোটারের গ্রামে তিনি ভোট পেয়েছেন মাত্র ৩৩টি। এ পরাজয় শুধু তার অনুসারী ও গ্রামবাসীকেই নয়, ইনফ্লুয়েন্সার নিজেকেও চমকে দিয়েছে।

তার অনুসারীর মধ্যে ইনস্টাগ্রামে ১৪ লাখ, ফেসবুকে ২ লাখ ৩২ হাজার এবং ইউটিউবে ৫ লাখ। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক প্রচার চালালেও পঞ্চায়েত নির্বাচনে সাফল্য আসেনি। বিষ্ণোইসহ প্রার্থী ছিলেন তিনজন। অপর এক প্রার্থী শিক্ষক, পেয়েছেন ৫২৭ ভোট। জয়ী হয়েছেন গাড়ির ব্যবসায়ী এক প্রার্থী।

ব্যবসায়ীদের চিঠির জবাবে রাহুল কেন বললেন, ‘৩০ সেকেন্ডেই বিক্ষোভ থেমে যাবে’ব্যবসায়ীদের চিঠির জবাবে রাহুল কেন বললেন, ‘৩০ সেকেন্ডেই বিক্ষোভ থেমে যাবে’
এনডিটিভিকে বিষ্ণোই জানান, গ্রামের প্রতিটি শিশুর শিক্ষা নিশ্চিত করা, আশ্রয়হীন পশুর যত্ন নেওয়া এবং সরকারি প্রকল্পের সুবিধা বাসিন্দাদের কাছে পৌঁছে দেওয়া ছিল তার অগ্রাধিকার। তিনি দাবি করেন, তিনি ১ হাজার ৫০০ গরুর একটি আশ্রয়কেন্দ্র চালান এবং এ জন্য নিজের প্রায় ৩০ বিঘা জমি দান করেছেন। তিনি বলেন, নির্বাচনে দাঁড়াতে মানুষই তাকে উৎসাহ দিয়েছিল এবং তাদের সমর্থন নিয়ে তিনি আত্মবিশ্বাসী ছিলেন।

বিষ্ণোই বলেন, গ্রামবাসীরা বলেছিলেন, আপনি নির্বাচন করুন, আমরা বিপুল ব্যবধানে আপনাকে জেতাব। কিন্তু ব্যালট বাক্স খোলার পর আমি পেলাম মাত্র ৩৩ ভোট, আর ১০টি ভোট গেছে নোটায়।

তিনি আরও জানান, ভোটারদের মধ্যে তিনি টাকা বা নেশাদ্রব্য বিতরণ করেননি, প্রচারে গাড়ির বড় বহরও ব্যবহার করেননি। একই গাড়িতে চড়েই তিনি জনসংযোগ চালিয়ে গেছেন বলে দাবি করেন।

ফল নিয়ে প্রতিক্রিয়ায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের জনপ্রিয়তা ও তৃণমূলের সমর্থনের মধ্যে ফারাক স্বীকার করেন বিষ্ণোই বলেন, সামাজিক মাধ্যম এক জিনিস, মাঠের পরিস্থিতি আলাদা। আমার ৩৩ ভোটের মধ্যে ১১টি এসেছে আমার পরিবার থেকে। বাকিটা এসেছে তাদের কাছ থেকে, যারা আমার সঙ্গে পড়াশোনা করেছেন এবং আমার কাছের।

তবে নির্বাচনী পরাজয়কে স্বাভাবিকভাবেই নিচ্ছেন বিষ্ণোই। তিনি বলেন, জীবনে প্রথমবার নির্বাচনে লড়ে তিনি শিখেছেন, ভোটারদের সঙ্গে সংযোগ গড়ে তোলা কতটা গুরুত্বপূর্ণ। এই ইনফ্লুয়েন্সার হাল ছাড়বেন না বলে প্রতিজ্ঞা করেছেন। গ্রামবাসীর জীবনমান উন্নয়নে কাজ চালিয়ে যাবেন বলেও জানিয়েছেন তিনি।

সূত্র: এনডিটিভি

প্রথম স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে শ্যালিকাকে বিয়ে, এরপর যা ঘটলো মাসুদের সঙ্গে

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:১৫ অপরাহ্ণ
প্রথম স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে শ্যালিকাকে বিয়ে, এরপর যা ঘটলো মাসুদের সঙ্গে

প্রথম স্ত্রীকে সঙ্গে রেখেই নিজের শ্যালিকাকে বিয়ে করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনায় আসেন নওগাঁর এক টিকটকার ও আইনজীবীর সহকারী। এ বিয়েকে কেন্দ্র করে স্থানীয়দের ক্ষোভের মুখে পড়ে শেষ পর্যন্ত এলাকা ছাড়তে হয়েছে তাকে। অভিযোগ রয়েছে, মহাদেবপুরে তার মুখে চুন-কালি মাখিয়ে এলাকা থেকে তাড়িয়ে দেওয়া হয়।

সোমবার (২৬ অক্টোবর) রাত ১০টার দিকে মহাদেবপুর উপজেলার মাতাজি বিরাম গ্রাম এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

প্রথম স্ত্রীর সম্মতিতে শ্যালিকাকে বিয়ে করার বিষয়টি ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ার পর এলাকায় আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। এর মধ্যে ভাড়া বাসায় থাকতে না দেওয়ার হুমকি পাওয়ার অভিযোগ তুলে সোমবার সন্ধ্যায় বদলগাছী ছাড়েন মাসুদ রানা (৩৫)। পরে তিনি মহাদেবপুরে শ্বশুরবাড়িতে আশ্রয় নেন। তার সঙ্গে ছিলেন প্রথম স্ত্রী মৌসুমী (২৮) ও দ্বিতীয় স্ত্রী পূর্ণিমা (২১)।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মাসুদ রানা নওগাঁ সদর উপজেলার বাসিন্দা। তার দুই স্ত্রী মৌসুমী ও পূর্ণিমার বাড়ি মহাদেবপুর উপজেলার নারায়ণপুর গ্রামে। এর আগে মাসুদ রানা বদলগাছী সদর ইউনিয়নের বৈরাগীপাড়ায় মুসলিম উদ্দিনের বাড়িতে ভাড়া থাকতেন।

গত রবিবার (২৫ অক্টোবর) সন্ধ্যায় পূর্ণিমাকে বিয়ে করেন মাসুদ রানা। পরিবারের সম্মতি এবং প্রথম স্ত্রী মৌসুমীর অনুমতি নিয়েই এ বিয়ে হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। বিয়ের পর তারা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি প্রকাশ করলে তা ছড়িয়ে পড়ে এবং শুরু হয় নানা আলোচনা।

এরপর বদলগাছী এলাকার কয়েকজন তাদের ভাড়া বাসায় থাকতে দেওয়া হবে না বলে হুমকি দেন। এমন পরিস্থিতিতে সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে বাসার মালামাল নিয়ে বদলগাছী ছাড়েন মাসুদ রানা ও পূর্ণিমা। তারা মহাদেবপুরে শ্বশুরবাড়িতে চলে যান।

তবে সেখানেও পরিস্থিতি শান্ত থাকেনি। অভিযোগ অনুযায়ী, সোমবার রাত ১০টার দিকে মাতাজি বিরাম গ্রামে স্থানীয় কয়েকজন মাসুদ রানাকে মুখে চুন-কালি মেখে এলাকা থেকে বের করে দেন। এ ঘটনা ঘিরে এলাকায় নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

স্থানীয় কয়েকজনের দাবি, এ ধরনের বিয়ে সমাজ ও তরুণ প্রজন্মের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। তাদের ভাষ্য, এ কারণেই তারা মাসুদ রানাকে এলাকায় থাকতে দিতে চাননি।

দুই বোনকে একই সময়ে বিয়ে করার বিষয়ে ইসলামী বিধান জানতে চাইলে মাওলানা রেজাউল করিম বলেন, পবিত্র কোরআনের সূরা আন-নিসার ২৩ নম্বর আয়াতে দুই বোনকে একই সময়ে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ করার নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। তার ভাষ্য, একজন নারীর সঙ্গে বৈবাহিক সম্পর্ক বহাল থাকা অবস্থায় তার বোনকে বিয়ে করা যায় না। তবে বৈবাহিক সম্পর্ক বিচ্ছিন্ন হওয়ার পর শরিয়তের বিধান অনুযায়ী বিষয়টি বিবেচনা করা যেতে পারে।

নিজের সিদ্ধান্তের ব্যাখ্যায় মাসুদ রানা বলেন, তার শ্যালিকা পূর্ণিমার অন্য কোথাও বিয়ে হলে তাদের আগে ধারণ করা ভিডিওগুলোকে কেন্দ্র করে পূর্ণিমা হয়রানির শিকার হতে পারেন বলে তিনি আশঙ্কা করেছিলেন। এ কারণেই প্রথম স্ত্রী মৌসুমীর সম্মতি ও সহযোগিতায় পূর্ণিমাকে বিয়ে করেছেন বলে দাবি করেন তিনি।

ঘটনার বিষয়ে জানতে মহাদেবপুর থানার ওসি ওমর ফারুকের সঙ্গে একাধিকবার ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি।