শুক্রবার, ১ মে ২০২৬, ১৮ বৈশাখ ১৪৩৩
শুক্রবার, ১ মে ২০২৬, ১৮ বৈশাখ ১৪৩৩

সাতক্ষীরায় প্রায় ছয় কোটি টাকার ক্রিস্টাল মেথ আইসসহ ভারতীয় মালামাল আটক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১ মে, ২০২৬, ৭:১২ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় প্রায় ছয় কোটি টাকার ক্রিস্টাল মেথ আইসসহ ভারতীয় মালামাল আটক

পত্রদূত রিপোর্ট: শুক্রবার (০১ মে ২০২৬) সাতক্ষীরা ৩৩ বিজিবি ব্যাটালিয়ন এর অধীনস্থ কাকডাঙ্গা, মাদরা, বৈকারী ও কালিয়ানী বিওপি এর টহলদল দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় মাদক ও চোরাচালান বিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ভারতীয় ক্রিস্টাল মেথ আইস, মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ ও শাড়ি আটক করেছে।

সাতক্ষীরা ৩৩ বিজিবি ব্যাটালিয়ন হেডকোয়াটার জানায়, কাকডাঙ্গা বিওপির পৃথক দুইটি বিশেষ আভিযানে কলারোয়া থানার কেড়াগাছি ও গেড়াখালী হতে ৩ লাখ ৬০ হাজার টাকার ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ ও শাড়ি আটক করে।

 

মাদরা বিওপির বিশেষ আভিযানে কলারোয়া থানার উত্তর ভাদিয়ালী হতে ৪ লাখ ৫০ হাজার টাকার ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ আটক করে। বৈকারী বিওপির বিশেষ আভিযানে সাতক্ষীরা সদর থানার কালিয়ানী পূর্বপাড়া হতে কোটি ৯৪ লাখ টাকার ভারতীয় ক্রিষ্টাল মেথ আইস আটক করে।

এছাড়াও, কালিয়ানী বিওপির বিশেষ আভিযানে সাতক্ষীরা সদর থানার কালিয়ানী নীলকুঠির হতে ২ কোটি ২৬ লাখ টাকার ভারতীয় ক্রিষ্টাল মেথ আইস আটক করে। আটক পন্যের সর্বমোট মূল্য ৫ কোটি ৬২ লাখ ১০ হাজার টাকা।
চোরাকারবারী কর্তৃক বর্ণিত মালামাল শুল্ককর ফাঁকি দিয়ে অবৈধভাবে ভারত হতে বাংলাদেশে পাচার করায় জব্দ করা হয়।

 

এভাবে ভারতীয় দ্রব্য সামগ্রী চোরাচালানের কারণে দেশীয় শিল্প ক্ষতিগ্রস্থ হবার পাশাপাশি দেশ উল্লেখযোগ্য রাজস্ব আয় হতে বঞ্চিত হচ্ছে। দেশের রাজস্ব ফাঁকি রোধ করে স্থানীয় শিল্প বিকাশে বিজিবি’র এরূপ দেশপ্রেমিক ও জনস্বার্থে পরিচালিত অভিযানে উপস্থিত স্থানীয় জনগন সাধুবাদ জ্ঞাপন করে এ ধরণের অভিযান অব্যাহত রাখার জন্য অনুরোধ করেন।

Ads small one

খোলপেটুয়া নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের সময় নৌকা আটক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১ মে, ২০২৬, ১১:০৮ অপরাহ্ণ
খোলপেটুয়া নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের সময় নৌকা আটক

শ্যামনগর প্রতিনিধি: ইজারা না থাকার পরও অবৈধভাবে খোলপেটুয়া নদী থেকে বালু উত্তোলনের দায়ে একটি নৌকাকে অর্থদন্ড দিয়ে ভ্রাম্যমান আদালত। বৃহস্পতিবার বিকালের দিকে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ রাশেদ হোসাইনের নেতৃত্বে পরিচালত মোবাইল কোর্টে নৌযান মালিক ওয়েজ কুরুনিকে ১৫ হাজার টাকা অর্থদন্ড দেয়া হয়।

 

এসময় পরবর্তীতে অবৈধভাবে ভাঙনকবলিত এসব এলাকা থেকে পুনরায় বালু উত্তোলন না করার অঙ্গীকার দিয়ে তিনি রেহাই পান। আশাশুনি উপজেলার ওয়েজকুরুনি খোলপেটুয়া নদী থেকে দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনে জড়িত।

এবিষয়ে নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ রাশেদ হোসাইন জানান বর্তমানে সাতক্ষীরায় কোন বালুমহাল নেই। নুতন করে ১৪৩৩ সালের জন্য কেউ জেলা প্রশাসকের দপ্তর থেকে বালুমহাল ইজারাপ্রাপ্ত হলেই কেবল বালু উত্তালনের সুযোগ পাবে।

 

যেকারনে ইজারা না থাকার পরও অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের কারনে একজন নৌযান মালিককে দুর্গাবাটি এলাকা হতে আটকের পর ১৫ হাজার টাকা অর্থদন্ড প্রদান করা হয়েছে।

সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে পরিত্যক্ত আগ্নেয়াস্ত্র ও গুলি উদ্ধার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১ মে, ২০২৬, ১১:০১ অপরাহ্ণ
সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে পরিত্যক্ত আগ্নেয়াস্ত্র ও গুলি উদ্ধার

শ্যামনগর প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার শ্যামনগরে সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় একনলা একটি বন্দুক ও পাঁচ রাউন্ড শর্টগানের গুলি উদ্ধার করেছে পুলিশ। সাতক্ষীরার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার(ক্রাইম এন্ড অপস) আমিনুর রহমানের নেতৃত্বে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ২৭ এপ্রিল রাতে কালিঞ্চি এলাকা থেকে উক্ত অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার করা হয়। এসময় ঘটনাস্থল থেকে ২০ বোতল উইনকোরেস্ক সিরাপও উদ্ধার করে আভিযানিক দলের সদস্যরা। তিনদিন আগেই বিশেষ অভিযানে ঐ অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার হলেও গণমাধ্যম কর্মীরা বিষয়টি শুক্রবার জানতে পারে।

শ্যামনগর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ খালেদুর রহমান জানান, গত ২৭ এপ্রিল রাত সাড়ে ১১টার দিকে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী কালিন্দি নদীর চর থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় অস্ত্র-গুলিসহ সিরাপ উদ্ধার করা হয়। অভিযানের খবরে চোরাচালানের সাথে জড়িতরা সেগুলো ফেলে পালিয়ে যেয়ে থাকতে পারে। এঘটনায় মামলা রুজু হওয়অর পর উপ-পরিদর্শক আবু সাইদ মামলা তদন্ত করছে।

এদিকে পরানপুর বিজিবি ক্যাম্পের সদস্যরা সীমান্তবর্তী শৈলখালী এলাকা থেকে একটি নম্বরবিহীন মটর সাইকেল (স্পেলেন্ডার)সহ ১৮০ পিছ ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করেছে। অভিযানকালে হয়তোবা চোরাচালানে জড়িতরা মটরসাইকেল ফেলে পালিয়ে যায়। তবে মটর সাইকেলের ইঞ্জিন নং থাকায় তার মালিকানা নিশ্চিতের মাধ্যমে অপরাধীকে সনাক্ত করার চেষ্টা চলছে।

 

শ্রমিক বন্দনা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১ মে, ২০২৬, ১০:৪৫ অপরাহ্ণ
শ্রমিক বন্দনা

মো. জাহিদুর রহমান
যাঁর হাতে কোনো রাজদন্ড নেই,
নেই ক্ষমতার অহংকার।
যাঁর ঘামে ভিজেই দাঁড়িয়ে থাকে শহর,
গড়ে ওঠে সভ্যতা।
ভোরের আলো ফোটার আগেই যে বেরিয়ে পড়ে ঘর থেকে।
ধুলো, রোদ, বৃষ্টি আর ক্লান্তির ভেতর দিয়েই
যে প্রতিদিন লিখে যায় জীবনের কাব্য-
সে শ্রমিক।

শ্রমিকের ঘামে যে লবণ,
তাতে মিশে থাকে তাঁর নীরব কান্না,
তাঁর অপূর্ণ চাওয়া, অদেখা সংগ্রাম,
তবু সে থেমে থাকে না।
সে জানে, থেমে গেলে-
থেমে যাবে পৃথিবীর চাকা।
তাঁর চোখে থাকে স্বপ্ন—
খুব বড় নয়, খুব ছোটও নয়।
একমুঠো ভাত, সন্তানের মুখে হাসি,
আর একটু নিরাপদ আশ্রয়।

আজ শ্রমিক দিবসে কৃতজ্ঞতা জানাই
সেই হাতগুলোর প্রতি, যে হাত
নীরবে গড়ে তোলে আমাদের ভবিষ্যৎ।