শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

সাতক্ষীরার মাছখোলায় রাস্তার অভাবে দুর্ভোগে অর্ধশতাধিক পরিবার, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬, ৫:২১ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরার মাছখোলায় রাস্তার অভাবে দুর্ভোগে অর্ধশতাধিক পরিবার, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি

সংবাদদাতা: স্বাধীনতার দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও সাতক্ষীরা সদর উপজেলার মাছখোলা পশ্চিম মাঝেরপাড়ার বাসিন্দাদের ভাগ্যে জোটেনি একটি চলাচলের পথ। সামান্য বৃষ্টিতেই কোমর সমান পানি আর কাদা মাড়িয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে অবহেলিত এই এলাকার সাধারণ মানুষকে। যাতায়াতের সুনির্দিষ্ট কোনো রাস্তা না থাকায় চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন স্থানীয় অর্ধশতাধিক পরিবার। এই মানবিক সংকট থেকে মুক্তি পেতে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক (ডিসি) এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগীরা।

স্থানীয় ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর অভিযোগ, লতিফ হাজীর মিলের অপর পাশের এই অবহেলিত এলাকায় নির্বাচনের সময় এলেই স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা রাস্তা পাকা করার বড় বড় আশ্বাস দেন। কিন্তু ভোট শেষ হওয়ার পর সেই প্রতিশ্রুতির কথা আর কেউ মনে রাখেন না। বর্তমান বর্ষা মৌসুমে এলাকার চিত্র অত্যন্ত করুণ। কাদা আর জলাবদ্ধতার কারণে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছে স্কুল-কলেজগামী কোমলমতি শিক্ষার্থী, গর্ভবতী নারী এবং বয়োবৃদ্ধরা। হঠাৎ কেউ গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে হাসপাতালে নেওয়ার মতো ন্যূনতম কোনো পথও অবশিষ্ট নেই।

এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, জনস্বার্থে এলাকার প্রতিটি বাসিন্দা রাস্তার জন্য নিজেদের পৈতৃক জমি ছেড়ে দিয়েছেন। স্থানীয় বাসিন্দাদের এই দুর্ভোগ লাঘবে ২ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মিজানুর রহমান এবং স্থানীয় প্রতিনিধি শাহিনুর রহমান নিজ উদ্যোগে রাস্তাটিতে মাটি কাটার কাজ শুরু করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু এক অনাকাঙ্খিত বাধা ও স্থানীয় কিছু জটিলতার মুখে সেই উন্নয়নমূলক কাজ বন্ধ হয়ে যায়। ফলে সামান্য কিছু প্রতিবন্ধকতার কারণে জিম্মি হয়ে পড়েছে অর্ধশতাধিক পরিবারের মৌলিক অধিকার।

ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষ ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “আমরা এলাকার সবাই নিজের জমি ছেড়ে দেওয়ার পরেও কেন অর্ধশত মানুষের যাতায়াত বন্ধ থাকবে? আমরা এই অবর্ণনীয় কষ্ট ও দুর্ভোগ থেকে মুক্তি চাই।” এলাকার সার্বিক উন্নয়ন ও শিশুদের নিরাপদ যাতায়াতের কথা বিবেচনা করে একটি আধুনিক ও পরিকল্পিত রাস্তার জোর দাবি জানিয়েছেন তারা।

 

Ads small one

কেউ চলে গেলে

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬, ৮:০৬ অপরাহ্ণ
কেউ চলে গেলে

আহমেদ সাব্বির
কেউ চলে গেলে
কেউ মনে রাখে না
যারা মনে রাখে
তারা মনে রাখে।

প্রয়োজন ফুরিয়ে যায়
অশীতিপর বসন্তের মতো।

শীত চলে যায়
পড়ে থাকে ঝরা পালক
ভ্রমণক্লান্ত পরিযায়ী ওম
পাহাড়ের নিঃসঙ্গতায়
স্মৃতি হয়ে ছড়িয়ে থাকে
জীবনতৃষ্ণাসম
অদৃশ্য অন্তর্জাল।

কেউ চলে গেলে
কেউ মনে রাখে না।

 

ধিক্ এই ভ- সমাজ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬, ৮:০১ অপরাহ্ণ
ধিক্ এই ভ- সমাজ

বিপুল চন্দ্র রায়
হে বিধাতা!
একি ঘোর তিমিরে নিমজ্জিত আজ ধরা?
সর্বত্র ভেজাল আজি, বিষাক্ততায় বিশ্ব ভরা।
হায় রে মানুষ! চেনা বড় দায় স্বার্থের নেশায়,
নৈতিকতা বিসর্জিয়া ওড়ে অহমিকার ফানুস।

মগজে কুটিল ফন্দি তাদের মনে ঘোরে অবিরাম,
লুপ্ত আজ অকৃত্রিম মায়া, স্নেহের মেলেনি দাম।
অন্নে বিষ, রক্তে ভেজাল, কলুষিত প্রাণের ছায়া,
অর্থের লোভে বিবেক বিকায় জীর্ণ এ কোন মায়া!

আচ্ছন্ন নিখিল ভুবন আজ মর্ত্যভীতিতে,
কপটতাই কি স্থান পেল তবে শ্রেষ্ঠ নীতিতে?
সত্যের টুঁটি চেপে ধরে আজ ভ- অমানুষ,
স্বার্থের টানে চেনা দায় কে প্রকৃত মানুষ!

ধিক্ এই ভ- সমাজ! ধিক্ এই দানবীয় উল্লাস!
যূপকাষ্ঠে বলী আজ মানবতার শেষ নিশ্বাস।
হে বিধাতা, এই দুর্ভেদ্য পাপে হানো বজ্রাঘাত,
ছিঁড়ে যাক নরপশুদের ওই লোলুপ-রক্তিম হাত।

দয়া নয় প্রভু, আজ নেমে আসুক মহা দ-,
চূর্ণ হোক মিথ্যে মুখোশধারী ওই ভ-!
দিকে দিকে বেজে উঠুক সাম্যের শুভ শঙ্খধ্বনি,
কলুষতামুক্ত হোক আবার আমাদের এই ধরণী।

 

বেলা অবেলার শেষে

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬, ৮:০০ অপরাহ্ণ
বেলা অবেলার শেষে

মোঃ রহমত আলী
গল্প শেষ, তবু স্বল্প রয়ে গেছে,
সমাধির উপরে অযথাই ফুল,
জীবদ্দশায় মূল্যহীন যা,
মৃত্যুর পরে তুল্য কি তা,
বেলা অবেলায় হারিয়ে যেতে বাধ্য
সময়ের সাথে জীবনের মূল্য।

কাহিনী যখন শুরু হয়েছিল,
তখন তো স্মৃতিশক্তি হীন,
আর এখন শেষ বেলাতেও
স্মৃতির স্মরণে বুদ্ধি লোপপ্রাপ্ত।
জীবন থেকে চিরতরে হারিয়ে
যে সময়ের স্রোত বয়ে গেছে
তা ধরা না ধরার আফসোস হায়।

বেলা অবেলা শেষে, বিদায় বেলা!
সাথী যা আমল তা কি কাজের?
হিসাব শুরু শেষের পর, শুরু থেকে।