শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩

সুখের শুরু দৃষ্টিভঙ্গিতে/ সচ্চিদানন্দ দে সদয়

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬, ৪:৫৮ অপরাহ্ণ
সুখের শুরু দৃষ্টিভঙ্গিতে/ সচ্চিদানন্দ দে সদয়

সচ্চিদানন্দ দে সদয়

মানুষের জীবন কখনোই সরলরেখায় চলে না। আনন্দের পাশাপাশি আসে বেদনা, সাফল্যের পাশে থাকে ব্যর্থতা, প্রাপ্তির সঙ্গে থাকে অপ্রাপ্তি। জীবনের এই বৈচিত্র্যই মানুষকে অভিজ্ঞ করে, পরিণত করে এবং বাস্তবতার সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেয়। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় হলোÑএকই পরিস্থিতিতে মানুষের প্রতিক্রিয়া এক রকম হয় না। কেউ সামান্য সমস্যায় ভেঙে পড়েন, আবার কেউ বড় সংকটের মধ্যেও আশার আলো খুঁজে পান। এই পার্থক্যের মূল জায়গাটি হলো মানুষের চিন্তা ও দৃষ্টিভঙ্গি।

 

আমাদের জীবনে কতটা সুখ থাকবে, তা অনেকাংশেই নির্ভর করে আমরা জীবনকে কীভাবে দেখি তার ওপর। কারণ বাইরের সব পরিস্থিতি আমাদের নিয়ন্ত্রণে থাকে না। অর্থনৈতিক সংকট, সামাজিক বাধা, মানুষের আচরণ কিংবা অনাকাক্সিক্ষত ঘটনাÑএসব অনেক কিছুই আমাদের ইচ্ছার বাইরে ঘটে। কিন্তু এসব ঘটনার প্রতি আমাদের প্রতিক্রিয়া কেমন হবে, সেটি অনেকটাই আমাদের নিজের হাতে। একই বৃষ্টিকে কেউ দুর্ভোগ মনে করেন, আবার কেউ প্রকৃতির সৌন্দর্য হিসেবে উপভোগ করেন। একই ব্যর্থতাকে কেউ অপমান মনে করেন, আবার কেউ সেটিকে শিক্ষা ও নতুন শুরুর সুযোগ হিসেবে গ্রহণ করেন। অর্থাৎ বাস্তবতা এক হলেও মানুষের উপলব্ধি ভিন্ন হতে পারে। আর এই উপলব্ধির পার্থক্যই একজন মানুষকে সুখী কিংবা অসুখী করে তোলে।

 

বর্তমান সময়ে মানুষের অসুখী হওয়ার অন্যতম বড় কারণ হলোÑঅন্যের সঙ্গে নিজের জীবনকে তুলনা করা। আমরা প্রায়ই ভুলে যাই, প্রত্যেক মানুষের জীবনযাত্রার পথ আলাদা। কারও সাফল্য দ্রুত আসে, কারও আসে দীর্ঘ সংগ্রামের পর। কেউ অল্প বয়সে প্রতিষ্ঠিত হন, আবার কেউ জীবনের পরবর্তী সময়ে নিজের অবস্থান তৈরি করেন। তাই অন্যের জীবনের সঙ্গে নিজের জীবনকে তুলনা করলে হতাশা তৈরি হওয়াই স্বাভাবিক। বিশেষ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের যুগে এই সমস্যা আরও বেড়েছে। ফেসবুক, ইনস্টাগ্রামসহ বিভিন্ন মাধ্যমে মানুষ সাধারণত নিজের জীবনের সুন্দর মুহূর্তগুলোই তুলে ধরে। সেখানে হাসি আছে, সাফল্য আছে, অর্জন আছে; কিন্তু সেই হাসির আড়ালের কষ্ট, ব্যর্থতা ও সংগ্রামের গল্প খুব কমই দেখা যায়। ফলে আমরা অন্যের জীবনের একটি অংশ দেখে নিজের পুরো জীবনকে বিচার করতে শুরু করি। এই ভুল তুলনা মানুষের মনে অপ্রাপ্তির অনুভূতি বাড়ায়।

 

মনে হয়, সবাই এগিয়ে যাচ্ছে, শুধু আমিই পিছিয়ে আছি। অথচ বাস্তবতা হলোÑপ্রত্যেক মানুষই কোনো না কোনো সংগ্রামের মধ্য দিয়ে এগিয়ে চলেছেন। যাকে আমরা সফল মনে করি, তার জীবনেও থাকতে পারে অজানা চাপ, দুশ্চিন্তা ও কঠিন লড়াই। অন্যের সাফল্যে হিংসা করা সহজ, কিন্তু সেই সাফল্যকে সম্মান করা এবং নিজের জন্য অনুপ্রেরণা হিসেবে গ্রহণ করা একটি পরিণত মানসিকতার পরিচয়। কারণ হিংসা প্রথমে অন্যকে নয়, নিজের মনকেই অশান্ত করে। অন্যের ভালো দেখে আনন্দিত হতে পারলে নিজের মধ্যেও তৈরি হয় ইতিবাচক শক্তি। সমাজে অনেক সময় একটি ভুল ধারণা তৈরি হয়Ñঅন্যের এগিয়ে যাওয়া মানেই নিজের পিছিয়ে পড়া। এটি সত্য নয়। একজনের সাফল্য আরেক জনের ব্যর্থতার কারণ নয়।

 

পৃথিবীতে প্রত্যেক মানুষের জন্য আলাদা সুযোগ ও সম্ভাবনা রয়েছে। তাই অন্যের অর্জন থেকে শিক্ষা নিয়ে নিজের পথ তৈরি করাই হওয়া উচিত লক্ষ্য। সুখের আরেকটি বড় বাধা হলো অতিরিক্ত প্রত্যাশা। আমরা অনেক সময় বাস্তবতার চেয়ে কল্পনার জগতে বেশি বসবাস করি। চাই সবকিছু আমাদের পরিকল্পনা অনুযায়ী ঘটুক। কিন্তু জীবন সব সময় আমাদের ইচ্ছামতো চলে না। তাই বাস্তবতাকে গ্রহণ করার ক্ষমতাও জীবনের বড় শিক্ষা। এর অর্থ এই নয় যে মানুষ স্বপ্ন দেখবে না বা উন্নতির চেষ্টা করবে না। বরং স্বপ্ন, লক্ষ্য ও পরিশ্রম মানুষের এগিয়ে যাওয়ার শক্তি। তবে সেই সঙ্গে প্রয়োজন ধৈর্য ও বাস্তবতা বোঝার ক্ষমতা।

 

অযৌক্তিক প্রত্যাশা মানুষকে হতাশ করে, আর বাস্তবসম্মত লক্ষ্য মানুষকে সফলতার পথে এগিয়ে নেয়। ব্যর্থতার ক্ষেত্রেও আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তন করা প্রয়োজন। আমাদের সমাজে ব্যর্থতাকে অনেক সময় নেতিবাচকভাবে দেখা হয়। পরীক্ষায় ভালো ফল না হলে, চাকরি না পেলে কিংবা ব্যবসায় ক্ষতি হলে অনেকে মনে করেন সব শেষ। অথচ ব্যর্থতা জীবনের স্বাভাবিক অংশ। পৃথিবীর বহু সফল মানুষ জীবনে একাধিকবার ব্যর্থ হয়েছেন। কিন্তু তাঁরা ব্যর্থতাকে নিজেদের পরিচয় বানাননি; বরং সেখান থেকে শিক্ষা নিয়ে এগিয়ে গেছেন। জীবনের প্রতিটি অভিজ্ঞতা আমাদের কিছু না কিছু শেখায়।

 

কোনো ব্যর্থতা শেখায় নতুন পরিকল্পনা করতে, কোনো সংকট শেখায় নিজের শক্তি চিনতে, কোনো সম্পর্কের ভাঙন শেখায় মানুষকে বুঝতে। তাই কঠিন সময়কে শুধু দুর্ভাগ্য হিসেবে না দেখে শিক্ষার সুযোগ হিসেবে গ্রহণ করা প্রয়োজন। পরিবার, শিক্ষা ও সামাজিক পরিবেশ একজন মানুষের চিন্তাভাবনা গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। শিশুকে ছোটবেলা থেকেই অন্যের সঙ্গে তুলনা না করে নিজের যোগ্যতা অনুযায়ী এগিয়ে যেতে উৎসাহ দেওয়া উচিত। কারণ আত্মবিশ্বাসী মানুষই জীবনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে পারে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেও শুধু ফলাফল নয়, শিক্ষার্থীর মানসিক বিকাশ, সৃজনশীলতা, সহমর্মিতা ও মূল্যবোধের ওপর গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।

 

একজন শিক্ষার্থীর সফলতা শুধু নম্বরে সীমাবদ্ধ নয়; তার চরিত্র, চিন্তা ও মানবিক গুণাবলিও সমান গুরুত্বপূর্ণ। একটি সুন্দর সমাজ গড়ে ওঠে তখনই, যখন মানুষ শুধু নিজের সাফল্য নিয়ে ব্যস্ত থাকে না; অন্যের সুখ-দুঃখকেও গুরুত্ব দেয়। অন্যের সাফল্যে অভিনন্দন জানানো, বিপদে পাশে দাঁড়ানো এবং ব্যর্থ মানুষকে উৎসাহ দেওয়াÑএসব ছোট ছোট মানবিক আচরণ সমাজকে আরও সুন্দর করে। মানসিক শান্তি কোনো বাহ্যিক সম্পদের বিষয় নয়। অনেক অর্থবান মানুষও অশান্তিতে থাকেন, আবার সীমিত সামর্থ্যের মানুষও সুখী জীবন যাপন করেন। কারণ সুখের সঙ্গে মানুষের চিন্তার গভীর সম্পর্ক রয়েছে। যে ব্যক্তি নিজের প্রাপ্তির মূল্য বুঝতে পারেন, তিনি সীমিত সুযোগের মধ্যেও আনন্দ খুঁজে নিতে পারেন। সবশেষে বলা যায়, জীবনের সব সমস্যা দূর করা সম্ভব নয়। প্রতিকূলতা থাকবে, ব্যর্থতা আসবে, অপ্রাপ্তিও থাকবে। কিন্তু এসবের মধ্যেও ভালো থাকার ক্ষমতাই হলো জীবনের বড় প্রজ্ঞা।

 

অন্যের সাফল্যে হিংসা নয়, অনুপ্রেরণা; ব্যর্থতায় হতাশা নয়, শিক্ষা; অপ্রাপ্তিতে আফসোস নয়, প্রাপ্তির প্রতি কৃতজ্ঞতাÑএই মানসিকতাই মানুষকে সত্যিকারের সুখী করে। জীবনের সবচেয়ে বড় সত্য হলো, সুখ কোনো নির্দিষ্ট জায়গায় পাওয়া যায় না। সুখের শুরু আমাদের নিজের ভেতর থেকে, আমাদের চিন্তা ও দৃষ্টিভঙ্গি থেকে।ঘটনা নয়, ঘটনার ব্যাখ্যাই অনেক সময় আমাদের সুখ বা দুঃখের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। তাই পৃথিবীকে বদলানোর আগে বদলাতে হবে নিজের দেখার চোখ। কারণ সুখের শুরু বাইরের কোনো অর্জনে নয়, সুখের শুরু আমাদের নিজের দৃষ্টিভঙ্গিতে।

লেখক: সংবাদকর্মী

 

Ads small one

শ্রমজীবী মানুষের অধিকার নিশ্চিত না হলে জুলাই বিপ্লব সার্থক হবে না: আতিকুর রহমান

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬, ৭:৪২ অপরাহ্ণ
শ্রমজীবী মানুষের অধিকার নিশ্চিত না হলে জুলাই বিপ্লব সার্থক হবে না: আতিকুর রহমান

সংবাদদাতা: বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সভাপতি অ্যাডভোকেট আতিকুর রহমান বলেছেন, দেশের শ্রমজীবী মানুষের অধিকার নিশ্চিত না হলে জুলাইয়ের বিপ্লব সার্থক হবে না। শ্রমজীবী মানুষ আজও নির্যাতিত ও নিষ্পেষিত। তাদের মুক্তির জন্য শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনকে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে।

তিনি বলেন, ইসলামী শ্রমনীতিই শ্রমজীবী মানুষের স্থায়ী মুক্তির পথ দেখাতে পারে। তাই ইসলামী শ্রমনীতির আন্দোলনকে জোরদার করতে শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনকে আরও শক্তিশালী আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়ন ও বর্তমান বাজারদরের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ন্যূনতম মজুরি ২৮ হাজার টাকা নির্ধারণের জন্য তিনি সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।

শনিবার (১৮ জুলাই) সকালে কাজী শামসুর রহমান মিলনায়তনে বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের উদ্যোগে আয়োজিত সাতক্ষীরা জেলা ইউনিট সভাপতি-সভানেত্রী সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন সাতক্ষীরা জেলার সহ-সভাপতি মাওলানা আবু বকর সিদ্দিকের সভাপতিত্বে সম্মেলনে প্রধান বক্তা ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও খুলনা অঞ্চল পরিচালক অধ্যক্ষ মুহা. ইজ্জতউল্লাহ এমপি।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক এমপি, বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সহ-সভাপতি ও খুলনা অঞ্চল পরিচালক মাস্টার শফিকুল আলম, জামায়াতে ইসলামীর খুলনা অঞ্চল টিম সদস্য মুহাদ্দিস রবিউল বাশার এমপি, সাতক্ষীরা জেলা জামায়াতের আমির ও শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের প্রধান উপদেষ্টা উপাধ্যক্ষ শহিদুল ইসলাম মুকুল, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের খুলনা অঞ্চলের সহকারী পরিচালক খান গোলাম রসূল, অঞ্চল টিম সদস্য মো. আজিজুর রহমান ও মো. আলফিদা হোসেন।

সাতক্ষীরা জেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সেক্রেটারি আব্দুল গফফারের সঞ্চালনায় সম্মেলনে বক্তব্য দেন সাবেক জেলা সভাপতি ও শ্রমিক নেতা শেখ নূরুল হুদা, অ্যাডভোকেট আব্দুস সোবহান মুকুল, অ্যাডভোকেট আজিজুল ইসলাম, অধ্যাপক আব্দুল জলিল, জাহিদুর রহমান, খোরশেদ আলম, মাওলানা রুহুল আমীন, অধ্যাপক আব্দুল ওহাব সিদ্দিকী, মাওলানা আব্দুর রহমান, তরিকুজ্জামান তুষার, ফিরোজ আওয়াল, মাওলানা রুহুল কুদ্দুস, মাস্টার মেহেরুল্লাহ, মাস্টার সালাউদ্দিন আহমেদ, অধ্যাপক শাহজাহান আলী, মাওলানা রুহুল আমীর, মাস্টার আমিনুর রহমান, মাস্টার আব্দুর রশীদ, মাওলানা রবিউল ইসলাম, ট্রেড ইউনিয়ন সভাপতি আব্দুর রহমান, মাওলানা মশিউর রহমান, হাফিজুর রহমান, মেহেরুল্লাহ, বেকারহান উদ্দিন, মিজানুর রহমান, মশিউর রহমান, হাফেজ আব্দুর রব, শহীদুল ইসলাম, ফজলে মাহমুদ, আবু হুরায়রা, আইউব আলীসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

অ্যাডভোকেট আতিকুর রহমান আরও বলেন, অতিতে শ্রমিক আন্দোলনে সৎ নেতৃত্বের অভাবে শ্রমিক সমাজ সীমাহীন জুলুম-নির্যাতনের শিকার হয়েছে। এ সংকট দূর করতে শ্রমিকদেরই এগিয়ে আসতে হবে। শ্রমিকরা বারবার রাজনৈতিকভাবে ব্যবহৃত হয়েছে, কিন্তু তাদের অধিকার নিশ্চিত হয়নি।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন শ্রমজীবী মানুষের অধিকার আদায় ও ইসলামী শ্রমনীতি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আন্দোলন করছে। শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত, শ্রমিকদের হক আদায় এবং বৈষম্য দূর করতে সবাইকে নিরলসভাবে কাজ করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, সমাজতন্ত্র ও জাতীয়তাবাদ—কোনোটিই শ্রমিকদের অধিকার নিশ্চিত করতে পারেনি। তাই আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের মাধ্যমে প্রত্যেককে উন্নত নৈতিক চরিত্র গড়ে তুলতে হবে। একই সঙ্গে সমাজে দখলবাজি ও চাঁদাবাজি বন্ধে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি।

 

পাইকগাছায় কৃষি প্রণোদনার চারা বিতরণ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬, ৭:৩৯ অপরাহ্ণ
পাইকগাছায় কৃষি প্রণোদনার চারা বিতরণ

কপিলমুনি (খুলনা) প্রতিনিধি: পাইকগাছা উপজেলায় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্যোগে কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় উপজেলার একটি পৌরসভা ও ১০টি ইউনিয়নের ৫১৭টি পরিবারের মধ্যে মোট ২৫৮৫টি বিভিন্ন প্রজাতির ফলজ, বনজ এবং ঔষধি গাছের চারা বিতরণ করা হয়েছে।

শনিবার দিনব্যাপী আয়োজিত এই কর্মসূচির মাধ্যমে স্থানীয় কৃষকদের পরিবেশগত সচেতনতা এবং অর্থনৈতিক স্বাবলম্বিতার প্রতি উৎসাহিত করার লক্ষ্যে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়। এসকল চারা বিতরণ করেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোঃ একরামুল হোসেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা এসএম মনিরুল হুদা, উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ ও উপকারভোগীরা। স্থানীয় কৃষকেরা এই উদ্যোগে খুশি হয়েছেন এবং কৃষি বিভাগের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।

ম্যান ফর ম্যান ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে পাঁচটি মাদ্রাসায় শিক্ষা উপকরণ বিতরণ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬, ৭:৩৭ অপরাহ্ণ
ম্যান ফর ম্যান ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে পাঁচটি মাদ্রাসায় শিক্ষা উপকরণ বিতরণ

Oplus_131072

দেবহাটা প্রতিনিধি: সমাজে ধর্মীয় শিক্ষা বিস্তার, এতিম ও সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়ানো এবং মানবিক মূল্যবোধ জাগ্রত করার লক্ষ্যে মানবিক সংগঠন ম্যান ফর ম্যান ফাউন্ডেশন ব্যাপক পরিসরে শিক্ষা সহায়তা কার্যক্রম পরিচালনা করেছে।

শনিবার (১৮ জুলাই ২০২৬) সকালে সংগঠনটির উদ্যোগে দেবহাটা উপজেলার পাঁচটি মক্তব, হাফিজিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানায় পবিত্র আল-কুরআন শরীফ এবং শিক্ষার্থীদের জন্য প্রয়োজনীয় শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করা হয়। এ সময় প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং সংগঠনের স্বেচ্ছাসেবীরা উপস্থিত ছিলেন।

এদিন যে পাঁচটি প্রতিষ্ঠানে কুরআন শরীফ ও শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করা হয়, সেগুলো হলো- গোপাখালি রহিমপুর বাইতুল্লাহ জামে মসজিদ মক্তব, টাউনশ্রীপুর হাফিজিয়া মাদ্রাসা, খানপাড়া হাফিজিয়া মাদ্রাসা, দাদুল কুরআন হাফিজিয়া মাদ্রাসা (চক মোহাম্মাদীপুর) এবং মঈন আদ্-দীন চক মোহাম্মদআলীপুর এতিমখানা ও হাফিজিয়া মাদ্রাসা।