Header Top Small Advertisement

17158135 - online internet banner with text your ad here on a web page web page with all pictures and informations are created by contributor himself
রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩
রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩

৩০ লাখ শিশু স্বাস্থ্যঝুঁকিতে, নির্মূল রোগও ফিরে আসার শঙ্কা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২৬, ৫:১০ অপরাহ্ণ
৩০ লাখ শিশু স্বাস্থ্যঝুঁকিতে, নির্মূল রোগও ফিরে আসার শঙ্কা

দেশে অন্তত ৩০ লাখ শিশু বর্তমানে ১১টি মারাত্মক সংক্রামক রোগের ঝুঁকিতে রয়েছে। মূল কারণ—নিয়মিত টিকা না পাওয়া বা দেরিতে টিকা পাওয়া। এর মধ্যে পোলিও ও নবজাতকের ধনুষ্টংকার রোগ একসময় পুরোপুরি নির্মূল হয়েছিল। হাম, রুবেলা, ডিপথেরিয়া, হুপিংকাশি ও রাতকানা রোগ নির্মূলের দ্বারপ্রান্তে ছিল। এছাড়া যক্ষ্মা, হেপাটাইটিস-বি, হিমোফিলাস ইনফ্লুয়েঞ্জা টাইপ-বি এবং নিউমোকক্কাল নিউমোনিয়া টিকার কারণে নিয়ন্ত্রণে ছিল।
সম্প্রতি অনুসন্ধানে দেখা গেছে, গত দেড় বছর ধরে দেশের শিশু টিকাদান কর্মসূচি ভঙ্গুর অবস্থায় চলেছে। ফলে টিকাবঞ্চিত শিশুর সংখ্যা কয়েক গুণ বেড়ে গেছে। খাত-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এই সংকটের তিনটি প্রধান কারণ রয়েছে:

১. টিকা কেনায় সংকট
২. সরবরাহ ব্যবস্থায় জটিলতা
৩. স্বাস্থ্য সহকারীদের আন্দোলনের কারণে মাঠ পর্যায়ে টিকাদান ব্যাহত

হাম রোগের প্রাদুর্ভাব বেড়ে যাওয়ায় টিকার ঘাটতি নিয়ে এখন ব্যাপক প্রশ্ন উঠেছে। স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল নিজেই স্বীকার করেছেন যে, ঠিকমতো টিকা দিতে না পারার কারণেই হাম ফিরে আসছে। তিনি বলেন, “টিকা সরবরাহ ব্যবস্থাপনার দুর্বলতার কারণে বর্তমান পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।”

টিকা বিশেষজ্ঞদের মতে, গত চার-পাঁচ বছরে টিকা না পাওয়া শিশুর সংখ্যা প্রতি বছর জন্ম নেওয়া শিশুর সমান বা তারও বেশি হয়েছে। বাংলাদেশে প্রতি বছর গড়ে প্রায় ৩৪ লাখ শিশু জন্ম নেয়। সে হিসেবে টিকাবঞ্চিত শিশুর সংখ্যা অন্তত ৩০ লাখে পৌঁছেছে।

জনস্বাস্থ্য ও টিকা বিশেষজ্ঞ ডা. তাজুল ইসলাম এ বারী বলেন, “আগে প্রতি বছর দুই থেকে তিন লাখ শিশু টিকার আওতার বাইরে থাকত। গত বছর এ সংখ্যা অনেক বেড়েছে। নিয়ম অনুযায়ী প্রতি চার বছরে অন্তত একটি বড় ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে এ ঘাটতি পূরণ করার কথা, কিন্তু তা হয়নি। ফলে অরক্ষিত শিশুর সংখ্যা ৩০ লাখের কাছাকাছি পৌঁছে হাম মহামারি আকার ধারণ করেছে।”

তিনি আরও সতর্ক করে বলেন, টিকা না পাওয়া বা দেরিতে পাওয়ার কারণে আগে নির্মূল হওয়া পোলিও ও নবজাতকের ধনুষ্টংকার আবার ফিরে আসতে পারে। নির্মূলের পথে থাকা ডিপথেরিয়া, হুপিংকাশি ও রাতকানা রোগও বাড়তে পারে। এছাড়া যক্ষ্মা, হেপাটাইটিস-বি, হিমোফিলাস ইনফ্লুয়েঞ্জা টাইপ-বি ও নিউমোকক্কাল নিউমোনিয়ার মতো রোগও নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

তিন বছরে ২৫ লাখের বেশি শিশু টিকা পায়নি
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কাছে সঠিক পরিসংখ্যান না থাকলেও সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি (ইপিআই) ড্যাশবোর্ডের তথ্য অনুসারে:

– ২০২৫ সালে টিকাদানের হার মাত্র ৫৯.৬০ শতাংশ। লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৪১ লাখ ২৮ হাজার ৬২৯ শিশু। ফলে প্রায় ১৬ লাখ ৬৮ হাজার শিশু টিকা পায়নি।
– ২০২৪ সালে টিকাদানের হার ৮৬.৭ শতাংশ, বঞ্চিত শিশু ৫ লাখ ৪৮ হাজার।
– ২০২৩ সালে টিকাদানের হার ৯৩.৬ শতাংশ, বঞ্চিত শিশু ২ লাখ ৬৮ হাজার।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, লক্ষ্যমাত্রা প্রকৃত শিশুর সংখ্যার চেয়ে কম ধরা হয় বলে শতভাগের বেশি দেখানো হয়। বাস্তবে টিকার কার্যকারিতা সর্বোচ্চ ৮৫ শতাংশ। অর্থাৎ প্রতি বছর আরও প্রায় ৬ লাখ শিশু টিকা নিয়েও অরক্ষিত থাকে।

ইপিআইয়ের সদ্য ওএসডি হওয়া উপপরিচালক ডা. মো. শাহরিয়ার সাজ্জাদ জানান, ড্যাশবোর্ডের তথ্য হালনাগাদ করা হয়নি কারণ স্বাস্থ্য সহকারীদের বেতন বকেয়া থাকায় তথ্য আপডেট ব্যাহত হয়েছে। পরবর্তীতে ওই তথ্য ড্যাশবোর্ড থেকে সরিয়ে ফেলা হয়। তিনি দাবি করেন, ২০২৫ সালে সার্বিক টিকাদানের হার ৯০ শতাংশের বেশি ছিল। কিন্তু বিশেষজ্ঞরা এ দাবিকে অসংগত বলে মনে করেন।

হামের প্রাদুর্ভাব ও জনস্বাস্থ্য বিপর্যয়
জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. বেনজির আহমেদ বলেন, “বর্তমানে দেশে হামের বড় প্রাদুর্ভাব চলছে। হাজার হাজার শিশু আক্রান্ত এবং শত শত শিশু মারা গেছে। প্রকৃত সংখ্যা সরকারি তথ্যের চেয়েও বেশি হতে পারে, কারণ অনেকে হাসপাতালে আসে না।”

তিনি বলেন, হাম অত্যন্ত সংক্রামক রোগ। এর বিরুদ্ধে গণপ্রতিরোধ গড়ে তুলতে অন্তত ৯৫ শতাংশ শিশুকে টিকার আওতায় আনা জরুরি। টিকা না পাওয়া শিশুরা শুধু নিজেরাই ঝুঁকিতে থাকে না, বরং অন্যদের মধ্যেও সংক্রমণ ছড়ায়। একজন আক্রান্ত শিশুর থেকে ১৭-১৮ জনের মধ্যে রোগ ছড়াতে পারে।

টিকা কর্মসূচি ব্যাহতের কারণ
– অন্তর্বর্তী সরকারের সময় অপারেশন প্ল্যান (ওপি) হঠাৎ বন্ধ করে দেওয়া হয়।
– নতুন প্রকল্প অনুমোদন, অর্থ ছাড় ও ক্রয় প্রক্রিয়ায় বিলম্ব।
– বাজেট ও ক্রয় পদ্ধতির আকস্মিক পরিবর্তন।
– স্বাস্থ্য সহকারীদের আন্দোলন ও বেতন বকেয়া।
– টিকা সরবরাহ ও মাঠ পর্যায়ে জনবলের অভাব।

ভিটামিন-এ ক্যাম্পেইনও বন্ধ
এক বছরেরও বেশি সময় ধরে শিশুদের ভিটামিন-এ প্লাস ক্যাম্পেইন বন্ধ রয়েছে। বছরে দুবার এ ক্যাম্পেইন হওয়ার কথা থাকলেও গত দুই বছরে মাত্র দুবার হয়েছে। ফলে শিশুদের অন্ধত্ব ও পুষ্টিহীনতার ঝুঁকি বেড়েছে।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ডা. মঞ্জুর আল মুর্শেদ চৌধুরী বলেন, “ভিটামিন-এ শিশুদের বৃদ্ধি ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। এ কর্মসূচি ব্যাহত হলে দীর্ঘমেয়াদে পুষ্টিহীনতা ও সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়বে।”

সংকটের মধ্যেও টিকার অপচয়

২০২৫-২৬ সালের প্রথম তিন মাসের তথ্য অনুসারে, বিভিন্ন টিকায় ৫ থেকে ২৮ শতাংশ ঘাটতি ছিল। একই সঙ্গে ভায়াল খুলে অপচয়ের হার ৮০ শতাংশ পর্যন্ত হচ্ছে বলে জানা গেছে।

বর্তমান চ্যালেঞ্জ
বর্তমানে দেশের অনেক এলাকায় টিকা আছে কিন্তু কর্মী নেই, আবার কোথাও কর্মী আছে কিন্তু টিকা নেই। ৬৪ জেলার মধ্যে ৩৭ জেলায় স্বাস্থ্য সহকারীদের প্রায় ৪৫ শতাংশ পদ খালি। টিকাকেন্দ্র রয়েছে প্রায় দেড় লাখ, কিন্তু পর্যাপ্ত জনবল ও লজিস্টিক সাপোর্টের অভাবে কর্মসূচি পুরোদমে চালানো যাচ্ছে না।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দ্রুত টিকাদান কর্মসূচি পুনরুদ্ধার, ভিটামিন-এ ক্যাম্পেইন চালু এবং টিকাবঞ্চিত শিশুদের জন্য বিশেষ ক্যাচ-আপ ক্যাম্পেইন চালানো না হলে দেশে পোলিও, ধনুষ্টংকারসহ বিভিন্ন নির্মূলকৃত রোগ আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে পারে।

Ads small one

কলারোয়ায় পুকুরে ডুবে শিশুর মৃত্যু 

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:০২ অপরাহ্ণ
কলারোয়ায় পুকুরে ডুবে শিশুর মৃত্যু 
নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার কলারোয়ায় পুকুরের পানিতে ডুবে উর্মি খাতুন (৬) নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
উপজেলার বামনখালি বাজার সংলগ্ন একটি পুকুরে রবিবার (১৯ এপ্রিল) দুপুরের দিকে এ ঘটনা ঘটে।
উর্মি খাতুন খুলনা জেলার পাইকগাছা উপজেলার কাটিপাড়া গ্রামের শফিকুল ইসলামের মেয়ে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উর্মি খাতুন তার বাবা-মায়ের সাথে কলারোয়া উপজেলার বামনখালী বাজারে বসবাস করতো। বাবা-মা দুজনেই দিন মজুরের কাজ করেন। রবিবার সকালে উর্মি অপর দুই শিশুর সাথে পুকুর পাড়ে খেলা করার সময় সবার অগোচরে সে পানিতে পড়ে যায়। কাজ শেষে পরিবারের সদস্যরা তাকে খুঁজতে থাকে। একপর্যায় তাকে ডুবন্ত অবস্থায় পুকুরের পানি থেকে মৃত উদ্ধার করা হয়।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে কলারোয়া থানার ওসি এইচ এম শাহীন জানান, এ ঘটনায় ইউডি মামলা হয়েছে।

সাতক্ষীরা পৌরসভায় ইজিবাইকের অনুমতি দিচ্ছে কর্তৃপক্ষ, আবেদনের শেষ সময় সোমবার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:৫৬ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরা পৌরসভায় ইজিবাইকের অনুমতি দিচ্ছে কর্তৃপক্ষ, আবেদনের শেষ সময় সোমবার

এসএম শহীদুল ইসলাম: ​সাতক্ষীরা শহর এলাকায় শৃঙ্খলা ফেরাতে নতুন করে ইজিবাইক চলাচলের অনুমতি দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছে পৌর কর্তৃপক্ষ। জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সিদ্ধান্ত ও পৌরসভার প্রশাসনিক সহায়তা কমিটির অনুমোদনক্রমে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আগ্রহী মালিকদের ২০ এপ্রিল (সোমবার) তারিখের মধ্যে আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে।

​পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আসাদুজ্জামান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ১৩ এপ্রিল থেকে আবেদন ফরম বিতরণ শুরু হয়েছে। ১০০ টাকা মূল্যের বিনিময়ে পৌরসভার লাইসেন্স শাখা থেকে এই ফরম সংগ্রহ করা যাচ্ছে।

​পৌর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, প্রকৃত মালিকদের কয়েকটি সুনির্দিষ্ট শর্ত মেনে আবেদন করতে হবে। তা হলো— আবেদনকারীকে অবশ্যই সাতক্ষীরা পৌরসভার স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে। নিজের ইজিবাইক থাকতে হবে এবং প্রমাণের জন্য দোকানের মূল ক্যাশ মেমো উপস্থাপন করতে হবে। একই ব্যক্তি একাধিক আবেদন করতে পারবেন না। নির্ধারিত সংখ্যার চেয়ে আবেদনকারী বেশি হলে স্বচ্ছতা বজায় রাখতে লটারির মাধ্যমে অনুমতিপত্র প্রদান করা হবে।

​আবেদন ফরমের সঙ্গে জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) সত্যায়িত ফটোকপি, বাড়ির হোল্ডিং ট্যাক্সের ফটোকপি, ইজিবাইক ক্রয়ের ক্যাশ মেমোর সত্যায়িত কপি এবং পাসপোর্ট সাইজের রঙিন ছবি জমা দিতে হবে।

​পৌর কর্তৃপক্ষ সতর্ক করে দিয়ে জানিয়েছে, ইজিবাইক চলাচলের অনুমতিপত্র পাওয়ার ক্ষেত্রে কোনো ধরনের অনৈতিক লেনদেন করা যাবে না। সোমবার অফিস চলাকালীন সময়ের মধ্যেই পূরণকৃত ফরম জমা দিতে হবে।

খুলনা জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:৩৮ অপরাহ্ণ
খুলনা জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

খুলনা জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির এপ্রিল মাসের সভা আজ (রবিবার) জেলা প্রশাসক হুরে জান্নাতের সভাপতিত্বে তাঁর সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় সিভিল সার্জন ডা. মোছাঃ মাহফুজা খাতুন বলেন, সারাদেশে হাম-রুবেলা সংক্রামক মূহুর্ত চলছে। আগামীকাল সারাদেশে ২০ এপ্রিল থেকে ১০ মে ২০২৬ তারিখ পর্যন্ত ৬ মাস থেকে ৫ বছরের কম বয়সী সকল শিশুকে এক ডোজ হাম-রুবেলার টিকা প্রদান করা হবে। এরই ধারাবাহিকতায় খুলনা বিভাগের সকল জেলা, উপজেলা, সিটি কর্পোরেশন এবং পৌরসভায় টিকাদান ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত হবে। তিনি বলেন, ডেঙ্গু, চিকুনগুনিয়া ও অন্যান্য মশাবাহিত রোগ থেকে পরিত্রাণ পেতে জেলার সকল দপ্তরের স্ব-উদ্যোগে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান করা প্রয়োজন।

ওজোপাডিকো লিমিটেডের প্রতিনিধি সভায় জানান, খুলনা জেলার বিদ্যুৎ চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহ পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। বর্তমান সরকারের উদ্যোগে সন্ধ্যাকালীন সাটডাউনের জন্য বিদ্যুৎ সাশ্রয় হয়েছে। নিজ নিজ দপ্তর থেকে সকলকে বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করার জন্য অনুরোধ করেন।

জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো: বদরুজ্জামান সভায় জানান, মৎস্য সংরক্ষণ বিধিমালা অনুযায়ী এক সেন্টিমিটারের চেয়ে কম ফাসের চটজাল,কারেন্ট জাল, টংজাল, কাঁথাজাল,বেড়জাল,জগত বেড়জাল ইত্যাদির ব্যবহার প্রতি বছর ফাল্গুন মাস থেকে শ্রাবন  মাস পর্যন্ত ৬ মাস এবং বেহন্দি জাল সারাবছরের জন্য নিষিদ্ধ করার বিধান রয়েছে। সেই লক্ষ্যে মৎস্য সম্পদ ধ্বংসকারী বেহন্দি ও অন্যান্য ক্ষতিকর জাল অপসারণে বিশেষ কম্বিং অপারেশন-২০২৬ পরিবর্তিত নির্দেশনা অনুযায়ী ৬ ধাপে পরিচালনা করা হয়। ইতোমধ্যে কম্বিং অপারেশন ১ম থেকে ৬ষ্ঠ ধাপ সম্পন্ন হয়েছে। খুলনা জেলায় ৪৫দিনে ২৫৭টি অভিযান ও ৫১ টি মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে ১৭৮টি বেহন্টি জাল, ১৪.২৬লক্ষ মিটার কারেন্ট জাল ও ৫৪৬টি অন্যান্য জাল জব্দ করে বিনষ্ট করা হয়েছে এবং জরিমানা আদায় করা হয়েছে।

সভায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের স্থানীয় সরকার দপ্তরের উপপরিচালক মোঃ আরিফুল ইসলাম ও বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তাসহ কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। তথ্যবিবরণী