রবিবার, ১০ মে ২০২৬, ২৭ বৈশাখ ১৪৩৩
রবিবার, ১০ মে ২০২৬, ২৭ বৈশাখ ১৪৩৩

অন্ধদ্বীপের আজব পাঠশালা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২ মে, ২০২৬, ১২:০৭ পূর্বাহ্ণ
অন্ধদ্বীপের আজব পাঠশালা

মোঃ মামুন হাসান
এক যে ছিল দ্বীপ যার নাম অন্ধদ্বীপ। সেই দ্বীপে একটি প্রকান্ড অট্টালিকা ছিল যেখানে প্রজাদের সন্তানদের তলোয়ার চালানো আর কারিগরি বিদ্যা শেখানো হতো। অট্টালিকার প্রধান তোরণেই ঝোলানো ছিল এক মস্ত বড় আয়না। তাতে লেখা ছিল চরিত্রই মানুষের অলঙ্কার। কিন্তু সেই আয়না এতই ধুলোবালি আর কালিমাখা ছিল যে তাতে নিজের চেহারা দেখা যেত না কেবল আবছা অন্ধকার চোখে পড়ত।
সেই অট্টালিকার মহাপ্রধান ছিলেন এক অদ্ভুতুড়ে মানুষ। তার কাছে তলোয়ারবাজি জানা ওস্তাদদের চেয়ে সেইসব চন্ডাল আর দ্বারপালদের কদর ছিল বেশি যারা সারাদিন নর্দমার খবর রাখত। মহাপ্রধান মহাশয় সেইসব নিচুপদস্থ অনুচরদের সাথে নিয়ে বনের ঝোপঝাড়ে বসে আয়েশ করে লিকার চা গিলতেন আর ফন্দি আঁটতেন কীভাবে রাজভান্ডার থেকে আসা মোহরগুলো সিন্দুক অব্দি পৌঁছানোর আগেই মাঝপথে উধাও করে দেওয়া যায়।
সেই দপ্তরে মোহর গুনে রাখার দায়িত্বে ছিলেন এক কুবের বাবু। তার সাথে গলায় গলায় ভাব ছিল রণসজ্জা বিভাগের এক জাঁদরেল কর্তার। তারা দুজন মিলে রাজদরবারকে দেখাতেন যে তারা খাঁটি ইস্পাতের তলোয়ার কিনছেন কিন্তু আসলে ঝুড়ি বোঝাই করে আনতেন পচা কাঠ আর টিনের পাত। মহাপ্রধান সেই নকল মালের ওপর নিজের মোহর মেরে দিতেন আর বদলে তার থলেতে জমা হতো ভারী ভাগ।
আবার ওস্তাদদের মধ্যে একজন ছিলেন মৌনী বাবা। তিনি পাশের জনপদ থেকে প্রতিদিন আসার নামগন্ধও করতেন না। তিনি জানতেন মহাপ্রধানের অপকর্মে নীরব সমর্থন দিলে ঘরে বসেই দক্ষিণা পাওয়া যায়। তার অনুপস্থিতিই ছিল সেই অপরাধের রাজপথ।
আরেকজন ওস্তাদ ছিলেন যার নেশা ছিল কেবল মোহর আর মোহর। তিনি নবীন যোদ্ধাদের বলতেন ময়দানে লড়তে শেখার চেয়ে আমার বাড়িতে এসে তিল তিল করে সোনা দান করা বেশি জরুরি। যে সোনা দেবে না তার তলোয়ার ভোঁতা করে দেওয়া হবে। বেচারা শিক্ষার্থীরা ভয়ে তাদের শেষ সম্বলটুকুও সেই ওস্তাদের পায়ে সঁপে দিত।
এদিকে মহাপ্রধানের প্রধান সহকারী ছিলেন এক অদ্ভুত কিপটে রাম। তার কাজ ছিল সারা অট্টালিকার হাঁড়ির খবর রাখা। কে কয়টা ভাত খেল কার ঘরে ঘি কম পড়ল এইসব তিলকে তাল করে তিনি মহাপ্রধানের কানে বিষ ঢালতেন। তার মূল পেশা ছিল কানাকানি আর নেশা ছিল অন্যের পাত থেকে খাবার চুরি করা।
এরই মধ্যে একদিন অট্টালিকার পেছনে লঙ্কাকান্ড ঘটে গেল। দেখা গেল সেই কুবের বাবুর লালসায় এক পরিচারিকার সম্মান ধুলোয় মিশেছে। চারিদিকে যখন ঢি-ঢি পড়ে গেল তখন মহাপ্রধান এক সালিশি সভা ডাকলেন। সেখানে ন্যায়ের বদলে যা হলো তাকে বলে কাকস্য পরিবেদনা। মহাপ্রধান সেই কুবেরকে বাঁচাতে সব দায় পরিচারিকার ঘাড়ে চাপিয়ে দিলেন। লোকে আড়ালে বলাবলি করত মহাপ্রধান নিজেও তো এক কন্যাকল্প ওস্তাদের সাথে নিভৃতে মোহমায়ার খেলা খেলেন তাই চোরের ওপর রাগ করে তিনি গৃহত্যাগী হতে চাননি।
সবচেয়ে তাজ্জব ব্যাপার ছিল সেই অট্টালিকার শৃঙ্খলা। সেখানে দ্বারপালেরা ওস্তাদদের সম্মান করা তো দূরে থাক তাদের দিকে এমনভাবে তাকাত যেন ওস্তাদরাই তাদের ভৃত্য। কোনো পন্ডিত যদি নিজের সম্মান নিয়ে একটু উচ্চবাচ্য করতেন অমনি মহাপ্রধান হুঙ্কার দিয়ে বলতেন আমার আদরের দ্বারপালদের সাথে যারা ঝগড়া করবে তাদের এই দুর্গ থেকে বের করে দেওয়া হবে।
ফল যা হওয়ার তাই হলো। কিছু পন্ডিত বাঁচার তাগিদে মহাপ্রধান আর ওই দ্বারপালদের জুতো পালিশে লেগে গেলেন। আর যারা সত্যিকারের বিদ্যার্থী ছিল তারা দীর্ঘশ্বাস ফেলে দেখল যেখানে সরস্বতীর আসন থাকার কথা সেখানে উইপোকা আর ছুঁচোদের মিলনমেলা বসেছে।
সেই জনপদের বৃদ্ধরা আজও সেই অট্টালিকার পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় নাক চেপে ধরেন। তারা বলেন অন্ধকারে প্রদীপ জ্বালালে যদি ধোঁয়া বেশি বের হয় তবে বুঝে নিও তেলের চেয়ে কালিই ছিল বেশি।
লেখক: ইনস্ট্রাক্টর (টেক) ও বিভাগীয় প্রধান, ট্যুরিজম এন্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগ, সাতক্ষীরা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট।

Ads small one

আশাশুনিতে মাদ্রাসার টাকা ও গয়না নিয়ে উধাও স্ত্রী, দিশেহারা স্বামী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১০ মে, ২০২৬, ১১:২৮ অপরাহ্ণ
আশাশুনিতে মাদ্রাসার টাকা ও গয়না নিয়ে উধাও স্ত্রী, দিশেহারা স্বামী

আশাশুনি প্রতিনিধি: আশাশুনি উপজেলার খরিয়াটি গ্রামে স্বামীর গচ্ছিত টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার নিয়ে এক গৃহবধূর পালিয়ে যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে। খরিয়াটি হাফিজিয়া কওমি মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা ও মুহতামিম মাওলানা আব্দুস সবুর সরদার এই ঘটনায় খুলনা সোনাডাঙ্গার আতিকুর রহমান খোকন ও নিজের স্ত্রী রেশমা খাতুনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করেছেন।

মামলার বিবরণী অনুযায়ী, খুলনা সোনাডাঙ্গার আতিকুর রহমান খোকন পূর্ব পরিচয়ের সুবাদে আব্দুস সবুরের বাড়িতে যাতায়াত করতেন। গত ২৪ এপ্রিল সন্ধ্যায় আব্দুস সবুর বাড়িতে না থাকার সুযোগে রেশমা খাতুন দুই সন্তানকে ফেলে খোকনের সঙ্গে পালিয়ে যান। যাওয়ার সময় তিনি মাদ্রাসার সঞ্চয় তহবিলের নগদ ১ লাখ ৪৯ হাজার টাকা এবং ৩ ভরি ২ আনা স্বর্ণালঙ্কার নিয়ে গেছেন বলে মামলার আরজিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

বাদী আব্দুস সবুর জানান, রমজান ও ঈদুল ফিতর উপলক্ষে সংগৃহীত মাদ্রাসার টাকা ব্যাংক ছুটি থাকায় তিনি বাড়িতে রেখেছিলেন। স্ত্রী ও অর্থসম্পদ হারিয়ে এখন তিনি নিঃস্ব। মাদ্রাসার কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে এবং শিক্ষার্থীরা মাদ্রাসা ছেড়ে চলে গেছে। এক পুত্র ও এক কন্যা সন্তানকে নিয়ে তিনি এখন মানবেতর জীবন যাপন করছেন।

আদালতে সিআর ১৫৯/২৬ (আশাশুনি) নং মামলা দায়ের করার পর আসামিরা বাদীকে প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সাতক্ষীরার বিজ্ঞ আমলী ০৮ নং আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে আশাশুনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) তদন্তপূর্বক প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। বর্তমানে বাদী ও তার পরিবার চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন এবং প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করেছেন।

সম্পাদকীয়: প্রসঙ্গ: সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের ডায়রিয়া ওয়ার্ড

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১০ মে, ২০২৬, ১১:২০ অপরাহ্ণ
সম্পাদকীয়: প্রসঙ্গ: সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের ডায়রিয়া ওয়ার্ড

সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের ডায়রিয়া ওয়ার্ডের যে চিত্র সংবাদমাধ্যমে উঠে এসেছে, তাকে কেবল ‘অব্যবস্থাপনা’ বললে ভুল হবে; এটি জনস্বাস্থ্যের প্রতি চরম অবহেলার এক নিষ্ঠুর দলিল। পাঁচ শয্যার একটি ওয়ার্ডে যখন প্রতিদিন ৪০ থেকে ৪৫ জন রোগীকে চিকিৎসা নিতে হয়, তখন স্বাস্থ্যসেবার মান নিয়ে প্রশ্ন তোলাও নিরর্থক হয়ে পড়ে। সেখানে চিকিৎসা নয়, বরং এক মানবেতর পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে হচ্ছে রোগী ও তাদের স্বজনদের।
একটি জেলা শহরের প্রধান সরকারি হাসপাতালে ডায়রিয়া ওয়ার্ডের এমন জরাজীর্ণ দশা মেনে নেওয়া কঠিন। ধারণক্ষমতার চেয়ে আট-নয় গুণ বেশি রোগী যেখানে গাদাগাদি করে চিকিৎসা নিচ্ছেন, সেখানে সাধারণ স্বাস্থ্যবিধি বজায় রাখাই অসম্ভব। তার ওপর শিশুদের সঙ্গে বয়স্কদের একই স্থানে রাখা হচ্ছে, যা আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞানের ‘ক্রস ইনফেকশন’ বা সংক্রমণের ঝুঁকিকে বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। সুস্থ হতে এসে নতুন কোনো রোগ বাধিয়ে বাড়ি ফেরার এই শঙ্কা রোগীদের জন্য চরম উদ্বেগের।
হাসপাতালের পরিবেশ নিয়ে যে অভিযোগ উঠেছে, তা আরও ভয়াবহ। চারদিকে ময়লার স্তূপ আর উৎকট দুর্গন্ধের মধ্যে সুস্থ মানুষের পক্ষেই টিকে থাকা দায়, সেখানে রোগাক্রান্ত মানুষ কীভাবে আরোগ্য লাভ করবে? পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা হাসপাতালের মৌলিক দায়িত্বের মধ্যে পড়ে। জনবল সংকট বা স্থানাভাবের দোহাই দিয়ে এই নোংরা ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশকে জায়েজ করার কোনো সুযোগ নেই।
সাতক্ষীরা একটি দুর্যোগপ্রবণ এলাকা হওয়ায় এখানে মাঝে মাঝেই পানিবাহিত রোগের প্রকোপ দেখা দেয়। এটি জানা সত্ত্বেও কেন আগেভাগে ডায়রিয়া ওয়ার্ডের সক্ষমতা বাড়ানো হয়নি, সেই দায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এড়াতে পারে না।
আমরা সাতক্ষীরা-২ আসনের সংসদ সদস্য, জেলা প্রশাসক ও স্বাস্থ্য বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের এই মানবিক সংকট নিরসনে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিন। কেবল শয্যা বাড়ানোই সমাধান নয়, একই সঙ্গে ওয়ার্ডের পরিবেশ উন্নত করা এবং শিশু ও বয়স্কদের জন্য পৃথক চিকিৎসার ব্যবস্থা করা জরুরি। ডায়রিয়ার প্রকোপ আরও বাড়ার আগেই যদি এই সমস্যার স্থায়ী সমাধান না হয়, তবে পরিস্থিতি যেকোনো সময় নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে। নাগরিকের ন্যূনতম সুচিকিৎসা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতাÑকর্তৃপক্ষ আশা করি এই সত্যটি ভুলে যাবে না।

 

নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস টুর্নামেন্ট: জেলা ক্রিকেটে ছেলে ও মেয়ে দুই বিভাগেই চ্যাম্পিয়ন শ্যামনগর

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১০ মে, ২০২৬, ১১:১৪ অপরাহ্ণ
নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস টুর্নামেন্ট: জেলা ক্রিকেটে ছেলে ও মেয়ে দুই বিভাগেই চ্যাম্পিয়ন শ্যামনগর

সুন্দরবনাঞ্চল (শ্যামনগর) প্রতিনিধি: সাতক্ষীরায় অনুষ্ঠিত ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস টুর্নামেন্ট’-এ ক্রিকেটে দাপট দেখিয়েছে শ্যামনগর উপজেলা। রোববার (১০ মে) জেলা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ফাইনালে বালক ও বালিকাÑউভয় বিভাগেই চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে তারা।
ক্রিকেটের বালক বিভাগের চূড়ান্ত লড়াইয়ে শ্যামনগর বালক দল সাতক্ষীরা পৌরসভা দলকে পরাজিত করে। অন্যদিকে, বালিকা বিভাগের ফাইনালে আশাশুনি উপজেলা দলকে হারিয়ে শিরোপা জেতে শ্যামনগরের মেয়েরা। শুধু ক্রিকেট নয়, এর আগে ফুটবল মাঠেও সফল ছিল শ্যামনগরের মেয়েরা। ফুটবলের ফাইনালে তারা কালিগঞ্জ উপজেলা দলকে ২-১ গোলে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল।
টুর্নামেন্টের অন্যান্য ইভেন্টেও শ্যামনগরের জয়জয়কার দেখা গেছে। দলটির উল্লেখযোগ্য অর্জনগুলো হলোÑ ব্যাডমিন্টনে বালিকা বিভাগ একক ও দ্বৈতÑউভয় ইভেন্টে চ্যাম্পিয়ন। তায়কোয়ান্দো প্রতিযোগিতাতেও শিরোপা ঘরে তুলেছে তারা। ক্যারাতে ইভেন্টে শ্যামনগর রানার্সআপ হওয়ার কৃতিত্ব দেখিয়েছে।

 

রোববার বিকেলে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মিজ্ কাউসার আজিজ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন শ্যামনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শামসুজ্জাহান কনকসহ বিভিন্ন উপজেলার শরীরচর্চা শিক্ষক ও ক্রীড়াপ্রেমীরা।
শ্যামনগর উপজেলার এই অভাবনীয় সাফল্যে উপজেলা ক্রীড়া সংস্থা, শ্যামনগর উপজেলা প্রেসক্লাব, ফুটবল রেফারী সমিতি ও ফুটবল একাডেমিসহ বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন খেলোয়াড়দের অভিনন্দন জানিয়েছে।
ইউএনও শামসুজ্জাহান কনক এক প্রতিক্রিয়ায় বলেন, “শ্যামনগরের ছেলে-মেয়েরা ক্রীড়াঙ্গনে যে সাফল্য দেখিয়েছে, তা পুরো উপজেলার জন্য গর্বের। এই ধারা অব্যাহত রাখতে সব ধরনের সহযোগিতা করা হবে।”