রবিবার, ৩১ মে ২০২৬, ১৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
রবিবার, ৩১ মে ২০২৬, ১৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

পাঁচ দিনের ভারত সফরে মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৩১ মে, ২০২৬, ১০:২৭ পূর্বাহ্ণ
পাঁচ দিনের ভারত সফরে মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট

অনলাইন ডেস্ক: মিয়ানমারের জান্তা প্রধান থেকে দেশটির প্রেসিডেন্ট হওয়ার দুই মাসেরও কম সময়ের মধ্যে আনুষ্ঠানিক সফরে শনিবার (৩০ মে) ভারতে গিয়েছেন মিন অং হ্লাইং। প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর এটিই তার প্রথম বিদেশ সফর।

পাঁচ দিনের এ সফরে প্রেসিডেন্ট হ্লাইং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে বৈঠক করবেন। খবর রয়টার্স ও দ্য প্রিন্টের।

 

সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে মিয়ানমারের নির্বাচিত সরকারকে হটিয়ে ক্ষমতা দখল করেছিলেন জেনারেল হ্লাইং। তারপর থেকে গত পাঁচ বছর ধরে মিয়ানমারের সামরিক নেতৃত্ব থেকে মুখ ঘুরিয়ে রেখেছিল প্রতিবেশী কয়েকটি দেশ।

 

কিন্তু বিতর্কিত নির্বাচনের মধ্য দিয়ে মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর হ্লাইং আঞ্চলিক সম্পৃক্ততা আবার ফিরে পাচ্ছেন; তার ভারত সফর এমনটিই তুলে ধরছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

বিশ্লেষকের বরাত দিয়ে রয়টার্স জানিয়েছে, ভারতের জন্য হ্লাইংয়ের এ সফর মিয়ানমারের ওপর চীনের বিশাল প্রভাব কমানোর একটা সুযোগ।

 

মিয়ানমারে গুরুত্বপূর্ণ বিরল খনিজমাটির মজুতে প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করতে ও ভারতের পূর্বাঞ্চলীয় সীমান্ত বরাবর নিরাপত্তা জোরদার করতে দেশটির সঙ্গে কাজ করছে নয়াদিল্লি।

ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল শুক্রবার সাংবাদিকদের জানান, ভারত ও মিয়ানমারের মধ্যে সম্পর্কের পরিধির অংশ সব বিষয় আলোচনায় আসবে।

 

ব্রাসেলস ভিত্তিক থিঙ্ক ট্যাঙ্ক ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইসিস গ্রুপের মিয়ানমার বিষয়ক জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা রিচার্ড হোসে রয়টার্সকে বলেছেন, প্রেসিডেন্ট হিসেবে বেসামরিক পোশাক পরার পর মিন অং হ্লাইং ওই অঞ্চলজুড়ে কূটনৈতিক সম্পৃক্ততা বাড়াতে চাইছেন। থাইল্যান্ড ও আরও কিছু সদস্য দেশের সমর্থন নিয়ে তিনি আসিয়ানের সঙ্গে আরও স্বাভাবিক মিত্রতা আশা করছেন। তিনি শিগগিরই শি জিনপিংয়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে বেইজিং সফরে যেতে পারেন।

Ads small one

রহস্যময় অন্ধকার কোঠা ও গুপ্তধনের লোককথা ঘিরে চাঞ্চল্য

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৩১ মে, ২০২৬, ১১:৪৭ পূর্বাহ্ণ
রহস্যময় অন্ধকার কোঠা ও গুপ্তধনের লোককথা ঘিরে চাঞ্চল্য
জুলফিকার আলী
সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার সীমান্তবর্তী এক ঐতিহাসিক জনপদ সোনাবাড়িয়া। প্রায় দুই শত বছর আগের গোটা সোনাবাড়িয়াজুড়ে আজও ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে জমিদার শাসনের নানা প্রাচীন নিদর্শন। আর এই ঐতিহ্যের সবচেয়ে বড় ধারক হয়ে দাঁড়িয়ে আছে ‘সোনাবাড়িয়া মঠ মন্দির’। প্রায় ৬০ ফুট উঁচু, টেরাকোটা ফলক খচিত এই শ্যামসুন্দর মন্দিরটি আজও কালের সাক্ষী হয়ে টিকে আছে। তবে যথাযথ সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে ঐতিহ্যবাহী এই প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনটি এখন চরম জরাজীর্ণ। দ্রুত কোনো পদক্ষেপ না নিলে এর অবশিষ্ট অংশটুকুও চিরতরে বিলীন হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
​পুকুরের ‘টাকার মেঠে’ ও সুরঙ্গ রহস্য
​এই মঠ মন্দিরকে ঘিরে স্থানীয়ভাবে প্রচলিত রয়েছে কিছু রোমাঞ্চকর ও গা ছমছমে রহস্য। এলাকার প্রবীণদের দাবি, মন্দিরের সামনের বিশাল পুকুরটিতে একটি লোহার শিকল দিয়ে বাঁধা ‘টাকার মেঠে’ বা জালা (গুপ্তধনের পাত্র) ছিল। অমাবস্যা ও পূর্ণিমার রাতে ওই মেঠে থেকে টাকাগুলো বের হয়ে পুকুরের পানিতে কিলবিল করে ভাসতো, যা তৎকালীন সময়ে অনেকেই নিজ চোখে দেখেছেন। এ ছাড়াও লোকমুখে প্রচলিত রয়েছে, পুকুরের মাঝ বরাবর একটি গোপন সুরঙ্গ পথ ছিল, যা দিয়ে সরাসরি মঠ মন্দিরের ভেতরে যাতায়াত করা যেত।
​আশ্চর্য অন্ধকার কোঠা ও স্বয়ংক্রিয় কষ্টিপাথর
​মন্দিরের ভেতরে রয়েছে এক রহস্যময় কক্ষ, যা স্থানীয়দের কাছে ‘অন্ধকারা কোঠা’ নামে পরিচিত। বিস্ময়কর ব্যাপার হলো, একসাথে ১০টি টর্চ লাইট জ্বালালেও সেই কোঠার ভেতরের অন্ধকার দূর করা যেত না; আলোর তীব্রতা ভেদ করে সেখানে শুধু ঘুটঘুটে অন্ধকারই দেখা যেত। তবে ওই কোঠার ভেতরে আসলে কী ছিল, তা আজও এক রহস্য।
​প্রবীণরা জানান, ওই কোঠার মধ্যে একটি অলৌকিক কষ্টিপাথর ছিল, যা প্রতি শনি ও মঙ্গলবারে আপনা-আপনি ঘুরতো। আর এই অলৌকিক দৃশ্য দেখতে ও পূজা করতে তখন সনাতন ধর্মাবলম্বীরা ভিড় জমাতেন। ধারণা করা হয়, কোনো কারণে ওই কোঠার পবিত্রতা নষ্ট হওয়ায় অলৌকিক কষ্টিপাথরটি শিকল কেটে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পুকুরে পড়ে যায়। বর্তমানে সেই শিকলের মাত্র দুটি আংটা বা কড়া মন্দিরের কোঠায় ঝুলন্ত অবস্থায় রয়েছে। স্থানীয় অনেকেরই বিশ্বাস, সেই ‘টাকার মেঠে’ বা গুপ্তধনের পাত্রটি আজও পুকুরের তলদেশে লুকিয়ে আছে।
​ইতিহাস ও অলৌকিক জনশ্রুতি
​বিভিন্ন ঐতিহাসিক সূত্র থেকে জানা যায়, বাংলা ১২০৮ সালে রানী রাশমনি এই মঠ মন্দিরটি প্রতিষ্ঠা করেন। তবে এই মঠ মন্দিরের ইতিহাস নিয়ে স্থানীয় মানুষের মুখে মুখে রয়েছে নানা রোমাঞ্চকর অলৌকিক জনশ্রুতি। প্রচলিত আছে, সোনাবাড়িয়ার এক বেলগাছ তলায় রাতের আঁধারে মাটি ফুঁড়ে একাধিক শিব মূর্তি বের হয়েছিল। পরবর্তীতে রানী রাশমনি স্বপ্নে আদিষ্ট হয়ে স্নানের সময় নদী থেকে একটি ভাসমান পাথরের শিবমূর্তি উদ্ধার করেন এবং এই অলৌকিক ঘটনাকে স্মরণীয় করে রাখতেই তিনি এই মঠ মন্দিরটি নির্মাণ করেন।
​স্থাপত্যশৈলী ও কাঠামোগত সৌন্দর্য
​আম, কাঁঠাল, নারকেল, মেহগনি, সেগুন ও দেবদারু গাছের বাগান দিয়ে ঘেরা প্রায় ১৫ একর জমির ওপর অবস্থিত এই মন্দির প্রাঙ্গণ। মূল মন্দিরটির দৈর্ঘ্য ২০ ফুট এবং প্রস্থ ১৫ ফুট। বিশালাকৃতির এই মঠ মন্দিরটি তৈরি করা হয়েছে ছোট ছোট পাতলা ইট ও চুন-সুরকি দিয়ে। এর দেয়ালজুড়ে রয়েছে নজরকাড়া টেরাকোটা ফলকের কারুকাজ।
​মন্দিরের সামনে রয়েছে একটি বিশাল পুকুর। পুকুরের পাশ দিয়ে ভেতরে ঢোকার জন্য ছিল একটি বড় তোরণ, যার ওপর নির্মিত হয়েছিল নহবতখানা। মন্দিরের পূর্ব পাশ দিয়ে উত্তর-দক্ষিণে লম্বা ১২টি ঘরে একসময় ১২টি শিবলিঙ্গ ছিল। এ ছাড়াও মূল মঠ মন্দিরের দোতলায় ঝুলন্ত দোলনায় থাকত সোনার তৈরি রাধাকৃষ্ণের মূর্তি।
​বৌদ্ধ ধর্মের সংযোগ ও ভিন্নমত
​মন্দিরের ইতিহাস নিয়ে এলাকার প্রবীণদের কাছ থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন ও চমৎকার একটি তথ্য পাওয়া যায়। অনেকের মতে, প্রাচীনকালে বৌদ্ধধর্ম প্রচারের উদ্দেশ্যে গৌতম বুদ্ধের অনুসারীরা এখানে প্রথম একটি মঠ বা উপাসনালয় তৈরি করেছিলেন। কিন্তু পরবর্তীতে এই অঞ্চলে বৌদ্ধ ধর্মের প্রচার ও প্রসারে সুবিধা করতে না পেরে তারা সোনাবাড়িয়া ত্যাগ করেন। এরপর মঠটি বেশ কিছুকাল পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে থাকে। বহু বছর পর সনাতন ধর্মাবলম্বীরা এই পরিত্যক্ত কাঠামোটি পুনরায় নির্মাণ ও সংস্কার করে এটিকে মন্দিরে রূপান্তরিত করেন।
​বর্তমান দশা ও জেলা প্রশাসকের হস্তক্ষেপ কামনা
​কালের বিবর্তনে এবং যথাযথ যত্নের অভাবে হারিয়ে গেছে মন্দিরের সেই জৌলুস। চুরি হয়ে গেছে মূল্যবান কষ্টিপাথর ও সোনার মূর্তি। ধসে পড়েছে নহবতখানাসহ অনেক কক্ষ। বর্তমানে দেয়ালের টেরাকোটা খসে পড়ছে এবং পুরো ভবনটিই চরম ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে।
​এলাকাবাসী ও ইতিহাস সচেতন মহলের দাবি, দক্ষিণবঙ্গের এই অনন্য প্রাচীন স্থাপত্য ও পর্যটন সম্ভাবনাকে বাঁচিয়ে রাখতে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের দ্রুত হস্তক্ষেপ প্রয়োজন। এই ঐতিহাসিক মঠ মন্দিরটি রক্ষার্থে ও এর রহস্য উদ্ঘাটনে অতি দ্রুত সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসকের জোরালো হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এখনই সংস্কার করা না হলে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে সোনাবাড়িয়ার এই গৌরবময় ইতিহাস কেবলই রূপকথা হয়ে থাকবে।

৭ দিনের ঈদের ছুটি শেষ হচ্ছে আজ, কাল থেকে খুলবে অফিস

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৩১ মে, ২০২৬, ১১:৪১ পূর্বাহ্ণ
৭ দিনের ঈদের ছুটি শেষ হচ্ছে আজ, কাল থেকে খুলবে অফিস

অনলাইন ডেস্ক: পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে টানা ৭ দিনের সরকারি ছুটি শেষ হচ্ছে আজ রোববার (৩১ মে)। দীর্ঘ বিরতির পর সোমবার (১ জুন) থেকে খুলবে সরকারি-বেসরকারি অফিস, আদালত, ব্যাংক-বিমা প্রতিষ্ঠান এবং দেশের পুঁজিবাজার।

 

এবার ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে ২৫ মে থেকে ৩১ মে পর্যন্ত সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়। এর সঙ্গে সাপ্তাহিক ছুটি যুক্ত হওয়ায় সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা টানা সাত দিনের ছুটি পেয়েছেন। দীর্ঘ ছুটি শেষে সোমবার থেকে কর্মস্থলে ফিরবেন চাকরিজীবীরা।

ঈদের ছুটি শেষে দেশের সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, আধা স্বায়ত্তশাসিত এবং বেসরকারি অফিস, ব্যাংক-বিমা কোম্পানি, আর্থিক প্রতিষ্ঠান এবং শেয়ারবাজারে নিয়মিত কার্যক্রম শুরু হবে। ঈদের আগে সীমিত পরিসরে কিছু ব্যাংক শাখা খোলা থাকলেও সোমবার থেকে দেশের সব ব্যাংকে স্বাভাবিক লেনদেন চলবে। একইসঙ্গে ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও নিয়মিত লেনদেন শুরু হবে।

 

অন্যদিকে ঈদের ছুটি শেষে ঢাকামুখী মানুষের ফিরতি যাত্রা শুরু হয়েছে। শনিবার ও রোববার দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে সড়ক, রেল ও নৌপথে কর্মজীবী মানুষ ঢাকায় ফিরছেন। ফলে রাজধানীর সড়কগুলোতেও ধীরে ধীরে যানবাহনের চাপ বাড়তে শুরু করেছে।

তবে প্রতি বছরের মতো এবারও ঈদের পর প্রথম কর্মদিবসে অফিসপাড়ায় কর্মব্যস্ততা তুলনামূলক কম থাকতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। অনেক কর্মী সহকর্মীদের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময়ে সময় কাটান এবং অনেক প্রতিষ্ঠানও প্রথম দিন সীমিত পরিসরে কার্যক্রম পরিচালনা করে।

 

ঈদের ছুটির পর ব্যাংকগুলোতে প্রথম কর্মদিবসে সাধারণত জরুরি প্রয়োজন ছাড়া লেনদেনের চাপ কম থাকে। তবে ছুটির পর জমে থাকা বিভিন্ন আর্থিক ও বাণিজ্যিক কার্যক্রম দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য সপ্তাহজুড়ে ব্যস্ততা বাড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

শ্যামনগরে বিদ্যুৎ বিভ্রাট ও লোডশেডিংয়ের প্রতিবাদে মানববন্ধন ও সমাবেশ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৩১ মে, ২০২৬, ১১:১২ পূর্বাহ্ণ
শ্যামনগরে বিদ্যুৎ বিভ্রাট ও লোডশেডিংয়ের প্রতিবাদে মানববন্ধন ও সমাবেশ

সুন্দরবনাঞ্চল (শ্যামনগর) প্রতিনিধি: ঘন ঘন বিদ্যুৎ বিভ্রাট ও দীর্ঘ সময়ের লোড শেডিংয়ের প্রতিবাদে সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলায় মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার(৩০মে)বিকাল ৫টায় শ্যামনগর পৌরসভার প্রধান সড়কে এ কর্মসূচির আয়োজন করে শ্যামনগর উপজেলাবাসী,উপজেলা স্বেচ্ছাসেবী এসোসিয়েশন ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন সমূহ।

মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন শরুব ইয়ুথ টীমের পরিচালক এস এম জান্নাতুল নাঈম, সিডিওর পরিচালক গাজী আল ইমরান, উপকূলীয় যুব উন্নয়ন সংস্থার পরিচালক মোঃ জাহিদ হোসেন, ভূরুলিয়া ইয়ুথ সোসািটির পরিচালক রুহুল আমীন, নিরাপদ উপকূল চাই নিউচার সভাপতি মোমিনুর রহমান, শ্যামনগর ব্লাড ব্যাংকের সভাপতি সাইফুদ্দীন সিদ্দিক, উপজেলা রিপোর্টাস ক্লাব সভাপতি এস কে সিরাজ প্রমুখ। সমাবেশে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি,ব্যবসায়ী, শিক্ষাথী সহ অন্যান্য পেশাজীবিরা উপস্থিত ছিলেন।

বক্তারা বলেন গ্রীস্ম কালের শুরুতেই শ্যামনগর পৌরসভা সহ গ্রামাঞ্চলে মাত্রাতিরিক্ত বিদ্যুতের লোডশেডিং হচ্ছে।  দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ বন্ধ থাকার পরও ভূতুড়ে বিল হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার ক্ষতি হচ্ছে।  হাসপাতালে রোগীদের ভোগান্তি হচ্ছে। এতে জনজীবন দুর্বিষহ হয়ে পড়ছে।  বক্তারা এ সময় কয়েকটি দাবী তুলে ধরেন। দাবী সমূহের মধ্যে রয়েছে বিদ্যুতের ভূতুড়ে বিল তৈরী বন্ধ করা,পাওয়ার স্টেশন ৩৩ কেভি থেকে ১০০কেভিতে উন্নীত করণ,বিদ্যুৎ অফিসে অনৈতিক বাণিজ্য বন্ধ করা, গ্রাহক সেবায় হট লাইন চালু করা সহ অন্যান্য দাবী।  এ সময় তারা শ্যামনগর আঞ্চলিক কার্যালয়ের ডিজিএম, এজিএমকে প্রত্যাহারের দাবী জানান।

এদিকে পল্লী বিদ্যুৎ শ্যামনগরের ডিজিএম জিয়াউল হক বলেন, শ্যামনগরে পৌনে এক লাখ গ্রাহকের জন্য মাত্র ২২ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছে।  তবে প্রায় ৭৫ কিলোমিটার দীর্ঘ বিদ্যুৎ লাইনে প্রাকৃতিক দূর্যোগ ও বিভিন্ন কারণে লাইন ফল্ট হওয়ায় সাময়িকভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহে বিঘ্ন ঘটছে।  তিনি বলেন শ্যামনগর -কালিগঞ্জ এর মধ্যবতী স্থানে একটি গ্রিড উপকেন্দ্র স্থাপন করা হলে এ সমস্যার সমাধান হবে আশা করা যায়।