রবিবার, ৩১ মে ২০২৬, ১৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
রবিবার, ৩১ মে ২০২৬, ১৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

সরকারি কর্মচারীদের জন্য আসছে ‘মেগা সুখবর’

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৩১ মে, ২০২৬, ৯:৩৫ পূর্বাহ্ণ
সরকারি কর্মচারীদের জন্য আসছে ‘মেগা সুখবর’

দীর্ঘ এক দশকেরও বেশি সময় পর সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নতুন জাতীয় বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের পথে এগোচ্ছে সরকার। বহুল আলোচিত নবম জাতীয় পে-স্কেল আগামী ১ জুলাই থেকে কার্যকর করার লক্ষ্যে জোর প্রস্তুতি চলছে। চূড়ান্ত গেজেট প্রকাশ ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে আরও কিছু সময় লাগলেও নতুন অর্থবছরের প্রথম দিন থেকেই বেতন বৃদ্ধির সুবিধা কার্যকর করার বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পাশাপাশি স্বায়ত্তশাসিত ও আধা-স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের কর্মীরাও নতুন বেতন কাঠামোর আওতায় আসবেন। একইসঙ্গে অবসরপ্রাপ্ত পেনশনভোগীদের জন্যও থাকছে বড় ধরনের সুখবর। বিশেষ করে কম পেনশন পাওয়া অবসরপ্রাপ্তদের ক্ষেত্রে পেনশন সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর প্রস্তাব আলোচনায় রয়েছে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, উচ্চ মূল্যস্ফীতি, জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি এবং সরকারি চাকরিতে বেতন বৈষম্য কমানোর চাপে সরকার নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নের দিকে এগোচ্ছে। তবে এর ফলে সরকারের রাজস্ব ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে, যা সামাল দিতে আগামী বাজেটে বিশেষ বরাদ্দ রাখার পরিকল্পনা করা হয়েছে।

গত ২১ মে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনির নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত উচ্চপর্যায়ের পুনর্গঠিত কমিটির বৈঠকে নবম পে-স্কেল নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়। বৈঠকে জাতীয় বেতন কমিশন, বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস পে কমিশন এবং সশস্ত্র বাহিনী বেতন কমিটির সুপারিশ পর্যালোচনা করা হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, তিনটি প্রতিবেদনের মধ্যে দুটি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। বিশেষ করে বেতন বৃদ্ধি, ভাতা কাঠামো এবং বাজেট সক্ষমতার বিষয়গুলো গুরুত্ব পেয়েছে। তৃতীয় প্রতিবেদনটি পরবর্তী বৈঠকে আলোচনার জন্য রাখা হয়েছে।

সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, আইনি ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে আগস্ট বা সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময় লাগলেও জুলাই থেকেই নতুন বেতন কাঠামোর সুবিধা কার্যকর হবে। পরে গেজেট প্রকাশ হলে চাকরিজীবীরা জুলাই থেকে বকেয়াসহ বর্ধিত সুবিধা পাবেন।

সর্বশেষ, অষ্টম জাতীয় বেতন কাঠামো কার্যকর হয়েছিল ২০১৫ সালে। এরপর এক দশকের বেশি সময় পেরিয়ে গেছে। এ সময়ে খাদ্য, বাসাভাড়া, চিকিৎসা, শিক্ষা ও পরিবহন ব্যয়সহ প্রায় সব খাতে ব্যয় বহুগুণ বেড়েছে। ফলে সরকারি চাকরিজীবীদের প্রকৃত আয় উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। বিশেষ করে নিম্ন গ্রেডের কর্মচারীরা সবচেয়ে বেশি চাপের মুখে পড়েছেন। এ কারণে নতুন পে-স্কেলে নিম্ন আয়ের কর্মীদের বেতন বৃদ্ধিকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।

নতুন পে-স্কেলের আওতায় প্রশাসন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, বিচার বিভাগ, সশস্ত্র বাহিনী এবং স্বায়ত্তশাসিত ও আধা-স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অন্তর্ভুক্ত হবেন। এ ছাড়া এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বিষয়েও ইতিবাচক আলোচনা চলছে।

পে-কমিশনের আলোচনায় বর্তমানে দুটি বিকল্প গুরুত্ব পাচ্ছে। প্রথমটি হলো অধিকাংশ গ্রেডে মূল বেতন ৫০ শতাংশ বৃদ্ধি এবং দ্বিতীয়টি হলো ১১ থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীদের ক্ষেত্রে বেতন দ্বিগুণ করার ব্যবস্থা।

প্রস্তাব অনুযায়ী, চতুর্থ গ্রেডের অধ্যক্ষদের বর্তমান ৫০ হাজার টাকার বেসিক বেড়ে ৭৫ হাজার টাকা হতে পারে। ষষ্ঠ গ্রেডের সহকারী অধ্যাপকদের ৩৫ হাজার ৫০০ টাকার বেসিক বেড়ে ৫৩ হাজার ২৫০ টাকা হতে পারে। সপ্তম গ্রেডের প্রধান শিক্ষক ও উপাধ্যক্ষদের ২৯ হাজার টাকা থেকে বেড়ে ৪৩ হাজার ৫০০ টাকা এবং নবম গ্রেডের প্রভাষকদের ২২ হাজার টাকা থেকে ৩৩ হাজার টাকায় উন্নীত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

অপরদিকে, নিম্ন গ্রেডের কর্মীদের জন্য আরও বেশি সুবিধার আলোচনা চলছে। ১১তম গ্রেডের শিক্ষকদের বর্তমান ১২ হাজার ৫০০ টাকার বেসিক দ্বিগুণ হলে ২৫ হাজার টাকায় পৌঁছাতে পারে। ১৬তম গ্রেডের অফিস সহকারীদের ৯ হাজার ৩০০ টাকার বেতন বেড়ে ১৮ হাজার ৬০০ টাকা এবং ২০তম গ্রেডের অফিস সহায়কদের ৮ হাজার ২৫০ টাকার বেতন বেড়ে ১৬ হাজার ৫০০ টাকা হতে পারে।

নবম পে-স্কেলের সবচেয়ে আলোচিত দিকগুলোর একটি হলো পেনশন কাঠামোর পরিবর্তন। বর্তমানে যেসব অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারী ২০ হাজার টাকার কম পেনশন পাচ্ছেন, তাদের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ পর্যন্ত পেনশন বৃদ্ধির প্রস্তাব আলোচনায় রয়েছে। এর মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে কম পেনশন পাওয়া লাখো অবসরপ্রাপ্ত ব্যক্তি আর্থিকভাবে উপকৃত হতে পারেন।

সরকারি ব্যয় নিয়ন্ত্রণে রাখতে নবম পে-স্কেল একসঙ্গে বাস্তবায়ন না করে তিন ধাপে বাস্তবায়নের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। প্রথম ধাপে আগামী অর্থবছরে মূল বেতনের অর্ধেক বৃদ্ধি কার্যকর হবে। দ্বিতীয় বছরে বাকি অংশ এবং তৃতীয় বছরে বিভিন্ন ভাতা ও অন্যান্য আর্থিক সুবিধা যুক্ত করা হবে।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের সূত্র বলছে, নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নে প্রথম বছরেই অতিরিক্ত ৩০ থেকে ৩৫ হাজার কোটি টাকা প্রয়োজন হতে পারে। এ কারণে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে একটি বিশেষ থোক বরাদ্দ রাখার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

অর্থনীতিবিদদের মতে, সরকারি চাকরিজীবীদের আয় বাড়লে বাজারে ভোগব্যয় বৃদ্ধি পাবে, যা অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। তবে সরকারের ব্যয় বৃদ্ধি, রাজস্ব আহরণের চাপ এবং মূল্যস্ফীতির সম্ভাব্য প্রভাবও বিবেচনায় রাখতে হবে।

দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর নবম জাতীয় পে-স্কেল বাস্তবায়নের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছেছে সরকার। প্রস্তাবিত কাঠামো অনুযায়ী সবচেয়ে বেশি সুবিধা পেতে পারেন নিম্ন আয়ের কর্মচারী ও স্বল্প পেনশনভোগীরা। একই সঙ্গে সরকারি চাকরিতে দীর্ঘদিনের বেতন বৈষম্য কমানোর একটি বড় সুযোগ তৈরি হচ্ছে। এখন সরকারি ঘোষণা ও চূড়ান্ত গেজেট প্রকাশের অপেক্ষায় রয়েছেন লাখো সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী ও পেনশনভোগী।

Ads small one

শ্যামনগরে বিদ্যুৎ বিভ্রাট ও লোডশেডিংয়ের প্রতিবাদে মানববন্ধন ও সমাবেশ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৩১ মে, ২০২৬, ১১:১২ পূর্বাহ্ণ
শ্যামনগরে বিদ্যুৎ বিভ্রাট ও লোডশেডিংয়ের প্রতিবাদে মানববন্ধন ও সমাবেশ

সুন্দরবনাঞ্চল (শ্যামনগর) প্রতিনিধি: ঘন ঘন বিদ্যুৎ বিভ্রাট ও দীর্ঘ সময়ের লোড শেডিংয়ের প্রতিবাদে সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলায় মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার(৩০মে)বিকাল ৫টায় শ্যামনগর পৌরসভার প্রধান সড়কে এ কর্মসূচির আয়োজন করে শ্যামনগর উপজেলাবাসী,উপজেলা স্বেচ্ছাসেবী এসোসিয়েশন ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন সমূহ।

মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন শরুব ইয়ুথ টীমের পরিচালক এস এম জান্নাতুল নাঈম, সিডিওর পরিচালক গাজী আল ইমরান, উপকূলীয় যুব উন্নয়ন সংস্থার পরিচালক মোঃ জাহিদ হোসেন, ভূরুলিয়া ইয়ুথ সোসািটির পরিচালক রুহুল আমীন, নিরাপদ উপকূল চাই নিউচার সভাপতি মোমিনুর রহমান, শ্যামনগর ব্লাড ব্যাংকের সভাপতি সাইফুদ্দীন সিদ্দিক, উপজেলা রিপোর্টাস ক্লাব সভাপতি এস কে সিরাজ প্রমুখ। সমাবেশে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি,ব্যবসায়ী, শিক্ষাথী সহ অন্যান্য পেশাজীবিরা উপস্থিত ছিলেন।

বক্তারা বলেন গ্রীস্ম কালের শুরুতেই শ্যামনগর পৌরসভা সহ গ্রামাঞ্চলে মাত্রাতিরিক্ত বিদ্যুতের লোডশেডিং হচ্ছে।  দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ বন্ধ থাকার পরও ভূতুড়ে বিল হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার ক্ষতি হচ্ছে।  হাসপাতালে রোগীদের ভোগান্তি হচ্ছে। এতে জনজীবন দুর্বিষহ হয়ে পড়ছে।  বক্তারা এ সময় কয়েকটি দাবী তুলে ধরেন। দাবী সমূহের মধ্যে রয়েছে বিদ্যুতের ভূতুড়ে বিল তৈরী বন্ধ করা,পাওয়ার স্টেশন ৩৩ কেভি থেকে ১০০কেভিতে উন্নীত করণ,বিদ্যুৎ অফিসে অনৈতিক বাণিজ্য বন্ধ করা, গ্রাহক সেবায় হট লাইন চালু করা সহ অন্যান্য দাবী।  এ সময় তারা শ্যামনগর আঞ্চলিক কার্যালয়ের ডিজিএম, এজিএমকে প্রত্যাহারের দাবী জানান।

এদিকে পল্লী বিদ্যুৎ শ্যামনগরের ডিজিএম জিয়াউল হক বলেন, শ্যামনগরে পৌনে এক লাখ গ্রাহকের জন্য মাত্র ২২ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছে।  তবে প্রায় ৭৫ কিলোমিটার দীর্ঘ বিদ্যুৎ লাইনে প্রাকৃতিক দূর্যোগ ও বিভিন্ন কারণে লাইন ফল্ট হওয়ায় সাময়িকভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহে বিঘ্ন ঘটছে।  তিনি বলেন শ্যামনগর -কালিগঞ্জ এর মধ্যবতী স্থানে একটি গ্রিড উপকেন্দ্র স্থাপন করা হলে এ সমস্যার সমাধান হবে আশা করা যায়।

পাঁচ দিনের ভারত সফরে মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৩১ মে, ২০২৬, ১০:২৭ পূর্বাহ্ণ
পাঁচ দিনের ভারত সফরে মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট

অনলাইন ডেস্ক: মিয়ানমারের জান্তা প্রধান থেকে দেশটির প্রেসিডেন্ট হওয়ার দুই মাসেরও কম সময়ের মধ্যে আনুষ্ঠানিক সফরে শনিবার (৩০ মে) ভারতে গিয়েছেন মিন অং হ্লাইং। প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর এটিই তার প্রথম বিদেশ সফর।

পাঁচ দিনের এ সফরে প্রেসিডেন্ট হ্লাইং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে বৈঠক করবেন। খবর রয়টার্স ও দ্য প্রিন্টের।

 

সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে মিয়ানমারের নির্বাচিত সরকারকে হটিয়ে ক্ষমতা দখল করেছিলেন জেনারেল হ্লাইং। তারপর থেকে গত পাঁচ বছর ধরে মিয়ানমারের সামরিক নেতৃত্ব থেকে মুখ ঘুরিয়ে রেখেছিল প্রতিবেশী কয়েকটি দেশ।

 

কিন্তু বিতর্কিত নির্বাচনের মধ্য দিয়ে মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর হ্লাইং আঞ্চলিক সম্পৃক্ততা আবার ফিরে পাচ্ছেন; তার ভারত সফর এমনটিই তুলে ধরছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

বিশ্লেষকের বরাত দিয়ে রয়টার্স জানিয়েছে, ভারতের জন্য হ্লাইংয়ের এ সফর মিয়ানমারের ওপর চীনের বিশাল প্রভাব কমানোর একটা সুযোগ।

 

মিয়ানমারে গুরুত্বপূর্ণ বিরল খনিজমাটির মজুতে প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করতে ও ভারতের পূর্বাঞ্চলীয় সীমান্ত বরাবর নিরাপত্তা জোরদার করতে দেশটির সঙ্গে কাজ করছে নয়াদিল্লি।

ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল শুক্রবার সাংবাদিকদের জানান, ভারত ও মিয়ানমারের মধ্যে সম্পর্কের পরিধির অংশ সব বিষয় আলোচনায় আসবে।

 

ব্রাসেলস ভিত্তিক থিঙ্ক ট্যাঙ্ক ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইসিস গ্রুপের মিয়ানমার বিষয়ক জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা রিচার্ড হোসে রয়টার্সকে বলেছেন, প্রেসিডেন্ট হিসেবে বেসামরিক পোশাক পরার পর মিন অং হ্লাইং ওই অঞ্চলজুড়ে কূটনৈতিক সম্পৃক্ততা বাড়াতে চাইছেন। থাইল্যান্ড ও আরও কিছু সদস্য দেশের সমর্থন নিয়ে তিনি আসিয়ানের সঙ্গে আরও স্বাভাবিক মিত্রতা আশা করছেন। তিনি শিগগিরই শি জিনপিংয়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে বেইজিং সফরে যেতে পারেন।

খুলনার সোনাডাঙ্গায় মিলল নানী ও দুই নাতির মরদেহ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৩১ মে, ২০২৬, ১০:২২ পূর্বাহ্ণ
খুলনার সোনাডাঙ্গায় মিলল নানী ও দুই নাতির মরদেহ

অনলাইন ডেস্ক: খুলনা মহানগরীর সোনাডাঙ্গা থানার সুজুকি কর্নার সংলগ্ন দারুল আমান মহল্লার একটি ভাড়া বাসা থেকে এক বৃদ্ধা ও তার দুই নাতির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার (৩০ মে) সন্ধ্যায় মরদেহগুলো উদ্ধার করা হলে পুরো এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

 

নিহতরা হলেন বেবি (৬৫), তার নাতি মুস্তাকিম (৭) ও শামীম (১২)।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘ সময় ধরে বাসার দরজা বন্ধ থাকায় প্রতিবেশীদের মধ্যে সন্দেহের সৃষ্টি হয়। পরে তারা খোঁজ নিতে গিয়ে ঘরের ভেতরে তিনজনের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। এরপর খবর দিলে সোনাডাঙ্গা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে।

 

ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় উৎসুক জনতার ভিড় জমে। স্থানীয়দের দাবি, ঘটনার পর থেকে রাকিব খান নামে এক যুবককে এলাকায় দেখা যাচ্ছে না। তবে তার সঙ্গে ঘটনার কোনো সংশ্লিষ্টতা রয়েছে কি না, সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিত কোনো তথ্য জানায়নি পুলিশ।

 

সোনাডাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. রফিকুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। ঘটনাস্থল থেকে বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে এবং মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত চলছে।

 

পুলিশ আরও জানায়, মরদেহগুলোর সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করা হয়েছে এবং ময়নাতদন্তের জন্য সেগুলো খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন ও তদন্তের অগ্রগতির ভিত্তিতে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।

 

এ ঘটনায় এলাকায় শোক ও উদ্বেগের পরিবেশ বিরাজ করছে। পুলিশ বলছে, ঘটনার রহস্য উদঘাটনে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।