শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩

আজ আইসক্রিম দিবস: জানেন কি সে ইতিহাস?

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬, ৮:০৫ অপরাহ্ণ
আজ আইসক্রিম দিবস: জানেন কি সে ইতিহাস?

আখলাকুর রহমান

মানুষের জীবনটা আসলে এক অদ্ভুত ধাঁধা। এই যেমন ধরুন, সাতক্ষীরার প্রখর গ্রীষ্মে যখন মাথার ওপর সূর্যটা ঠিক যেন একটা জ্বলন্ত কড়াইয়ের মতো খাড়া হয়ে থাকে, তখন আমরা সবাই ছায়া খুঁজি, একটুখানি শীতলতা খুঁজি। প্রকৃতির এই তীব্র দাবদাহের মধ্যে মানুষের তৈরি সবচেয়ে শ্রেষ্ঠ আবিষ্কার কী, তা কি আপনারা জানেন? এটার উত্তর কোনো রকেট সায়েন্স নয়, উত্তরটা খুবই সরল এবং সুস্বাদু-আইসক্রিম। আজ জুলাই মাসের তৃতীয় রবিবার, বিশ্ব আইসক্রিম দিবস। দিনটি যখন এসেছেই, তখন আমার প্রিয় সাতক্ষীরার পাঠকদের জন্য আইসক্রিমের কিছু চমৎকার এবং আনন্দময় ইতিহাস না বললেই নয়। আপনারা হয়তো ভাবছেন, এই হিমশীতল বস্তুটি বুঝি সেদিনের আধুনিক কোনো কারখানার সৃষ্টি। কিন্তু ইতিহাস ঘাঁটলে দেখা যায়, মানুষের এই ঠান্ডার প্রতি মোহ হাজার বছরের পুরোনো।

গল্পের শুরুটা করা যাক আজ থেকে প্রায় আড়াই হাজার বছর আগের পারস্য সাম্্রাজ্য থেকে। তখনকার দিনে তো আর আমাদের ঘরের কোণের মতো আধুনিক রেফ্রিজারেটর ছিল না। পারস্যের রাজারা গরমের দিনে পাহাড়ি বরফ আনিয়ে তার ওপর আঙুরের রস, জাফরান এবং নানা পদের ফল ছড়িয়ে এক বিশেষ ধরনের খাবার খেতেন। এটাকে ঠিক আজকের আইসক্রিম বলা না গেলেও, হিমায়িত মিষ্টান্ন বা ডেজার্টের আদিপুরুষ বলাই যায়। রোমান সম্্রাট নিরোর একটা মজার কান্ড ছিল। তিনি তাঁর দাসদের পাঠাতেন আল্পস পর্বতমালায়, শুধুমাত্র সেখান থেকে তাজা বরফ কুড়িয়ে আনার জন্য। সেই বরফ এনে তাতে মধু এবং ফলের রস মিশিয়ে তিনি পরম তৃপ্তিতে খেতেন। ভেবে দেখুন, এক বাটি বরফ-মিষ্টির জন্য মানুষের কী বিপুল আয়োজন!

তবে আমরা আজকে যে ক্রিমি এবং মোলায়েম আইসক্রিম খাই, তার পেছনে সবচেয়ে বড় অবদান কিন্তু চীনের। প্রায় দুই হাজার বছর আগে চীনের তাং রাজবংশের রাজারা দুধ আর চালের গুঁড়োর মিশ্রণকে বরফে জমিয়ে এক ধরনের খাবার তৈরি করতেন, যা বর্তমান আইসক্রিমের খুব কাছাকাছি। এই গোপন রেসিপিটি কিন্তু দীর্ঘদিন প্রাচীর ঘেরা চীনেই বন্দি ছিল। ত্রয়োদশ শতাব্দীতে বিখ্যাত পরিব্রাজক মার্কো পোলো যখন চীন ভ্রমণ শেষে ইতালিতে ফিরে গেলেন, তখন তিনি সঙ্গে করে নিয়ে গেলেন আইসক্রিম তৈরির এই জাদুকরী কৌশল। ব্যস, ইউরোপের রাজপরিবারে হইচই পড়ে গেল। ইতালির রাজকন্যা ক্যাথরিন ডি মেডিসি যখন ফ্রান্সের রাজাকে বিয়ে করলেন, তখন তিনি নিজের সঙ্গে করে শেফ নিয়ে গিয়েছিলেন, যেন ফ্রান্সে গিয়েও তিনি এই রাজকীয় খাবারের স্বাদ থেকে বঞ্চিত না হন।

আইসক্রিমের ইতিহাস ঘাটলে দেখা যায়, এটি দীর্ঘদিন ছিল শুধু রাজা-বাদশাহদের বিলাসী খাদ্য। সাধারণ মানুষের এই অমৃত ছোঁয়ার সাধ্য ছিল না। কিন্তু আমেরিকা আবিষ্কারের পর এবং শিল্প বিপ্লবের ছোঁয়ায় আইসক্রিম আমূল বদলে গেল। জ্যাকব ফুসেল নামের এক ভদ্রলোক যখন প্রথম বাণিজ্যিকভাবে আইসক্রিম তৈরি শুরু করলেন, তখন এটি সাধারণ মানুষের হাতের নাগালে চলে এলো। এরপর এলো আইসক্রিম কোনের যুগ। ১৯০৪ সালের সেন্ট লুইস বিশ্ব মেলায় এক আইসক্রিম বিক্রেতার বাটি ফুরিয়ে গিয়েছিল। পাশেই এক সিরিয়ান ভদ্রলোক ওয়াফেল বিক্রি করছিলেন। তিনি বুদ্ধি করে তাঁর ওয়াফেলটিকে কোণের মতো মুড়িয়ে তার ওপর আইসক্রিম বসিয়ে দিলেন। এভাবেই জন্ম নিল আমাদের অতি পরিচিত এবং ভালোবাসার আইসক্রিম কোণ, যা খেতে কোনো বাটি বা চামচের প্রয়োজন হয় না।

আমাদের এই সাতক্ষীরা অঞ্চলে গরমের দিনে যখন ‘আইসক্রিম’ বলে কোনো ফেরিওয়ালা ডাক দেন, তখন ছোট-বড় সবার মনেই এক তীব্র চঞ্চলতা তৈরি হয়। শৈশবের সেই কাঠি আইসক্রিম, লাল-সবুজ রঙের বরফ গলা পানি, কিংবা আজকের দিনের আধুনিক কুলফি—সবকিছুর মধ্যেই লুকিয়ে থাকে এক অদ্ভুত ভালো লাগা। জীবনটা আসলে খুব জটিল কিছু নয়। কখনো কখনো এক কাপ ভ্যানিলা কিংবা চকোলেট আইসক্রিম মানুষের সমস্ত ক্লান্তি এবং দুঃখকে এক পলকে ভুলিয়ে দিতে পারে। তাই এই বিশেষ দিবসে সাতক্ষীরার সমস্ত ব্যস্ত মানুষকে আমার অনুরোধ, জীবনের সব জটিলতা কিছুক্ষণের জন্য ভুলে যান। বাজার থেকে নিজের পছন্দের আইসক্রিম কিনে এনে মুখে পুরে দিন, এবং অনুভব করুন কীভাবে ফ্রিজের ঠান্ডার মাঝেও এক চিলতে অকৃত্রিম ও উষ্ণ আনন্দ লুকিয়ে থাকে। শুভ আইসক্রিম দিবস, সবার জীবন আইসক্রিমের মতোই মিষ্টি আর শীতল হোক।

লেখা : আখলাকুর রহমান, উদ্যোক্তা

Ads small one

দর্শক খরায় বিশ্বকাপের তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ, টিকিটের দামে ছাড় দিয়েও মিলছে না ক্রেতা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৬, ২:২১ পূর্বাহ্ণ
দর্শক খরায় বিশ্বকাপের তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ, টিকিটের দামে ছাড় দিয়েও মিলছে না ক্রেতা

সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনার কাছে ইংল্যান্ড এবং স্পেনের কাছে ফ্রান্সের বিদায়ের পর দুই দলের সমর্থকদের মাঝেই যেন বিশ্বকাপের আমেজ অনেকটাই স্তিমিত হয়ে পড়েছে। তারই সরাসরি প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশ সময় রবিবার রাত ৩টায় মায়ামি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিতব্য দুই ইউরোপীয় জায়ান্টের মধ্যকার তৃতীয় স্থান নির্ধারণী বা ব্রোঞ্জ মেডেল ম্যাচে। ম্যাচটি মাঠে গড়ানোর আগমুহূর্তেও ফিফার অফিসিয়াল সাইটগুলোতে হাজার হাজার টিকিট অবিক্রিত পড়ে রয়েছে।

ফিফার টিকিট পোর্টাল এবং অফিসিয়াল রিসেল প্ল্যাটফর্মগুলোর তথ্য অনুযায়ী, ইংল্যান্ড ও ফ্রান্সের এই ম্যাচটি ঘিরে এখনও প্রায় ৭,০০০ টিকিট অবিক্রিত অবস্থায় তালিকাভুক্ত রয়েছে। সাধারণ ক্যাটাগরিতে ১,২৪৬টি টিকিট অবিক্রিত আছে, যার একেকটির মূল্য হাঁকা হচ্ছে ৮৬৫ মার্কিন ডলার (প্রায় ৬৫৭ পাউন্ড) থেকে ১,১২৫ মার্কিন ডলার (প্রায় ৮৫৫ পাউন্ড) পর্যন্ত।

সবচেয়ে বড় চমক দেখা গেছে অফিসিয়াল রিসেল বা পুনঃবিক্রয় প্ল্যাটফর্মে। সেখানে প্রায় ৫,৮৬৪টি টিকিট বিক্রির জন্য জমা পড়ে আছে। সমর্থকরা তাদের কেনা টিকিট নামমাত্র মূল্যে বিক্রি করে দিতে চাইছেন। সবচেয়ে সস্তা ক্যাটাগরি-৩-এর টিকিটগুলো ফেস ভ্যালু ৪৫৫ ডলারে পাওয়া যাচ্ছে (এর সঙ্গে ফিফার ১৫ শতাংশ অতিরিক্ত ফি যুক্ত হবে)।

ম্যাচের আকর্ষণ ও দর্শক আগ্রহ কমে যাওয়ায় সবচেয়ে বড় ধাক্কা লেগেছে প্রিমিয়াম বা ক্যাটাগরি-১-এর টিকিটগুলোতে। যে টিকিটগুলোর মূল ক্রয়মূল্য ছিল ১,১২৫ ডলার, সেগুলো এখন প্রায় অর্ধেক বা বিশাল ডিসকাউন্টে মাত্র ৬৫৯ ডলারে রিসেল প্ল্যাটফর্মে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।

মেসিদের মুখোমুখি হওয়ার আগে বড় ধাক্কা স্পেনের, অনুশীলন বাতিল

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৬, ২:১০ পূর্বাহ্ণ
মেসিদের মুখোমুখি হওয়ার আগে বড় ধাক্কা স্পেনের, অনুশীলন বাতিল

উত্তর আমেরিকা বিশ্বকাপের মহারণে নামার ঠিক আগের দিন বড়সড় ধাক্কা খেলো স্পেন শিবির। নিউজার্সির বৈরী আবহাওয়ার কারণে শেষ মুহূর্তের চূড়ান্ত প্রস্তুতি আর ঠিকঠাকভাবে সম্পন্ন করতে পারলো না লুইস দে লা ফুয়েন্তের শিষ্যরা। প্রবল বৃষ্টি ও লাগাতার বজ্রপাতের কারণে শনিবারের (১৮ জুলাই) নির্ধারিত শেষ দিনের পুরো অনুশীলন সেশনটিই বাতিল করতে বাধ্য হয়েছে স্প্যানিশ ফুটবল ফেডারেশন।

নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, শনিবার নিউজার্সির হুইপ্যানিতে স্থানীয় সময় সকাল ১১টায় (বাংলাদেশ সময় রাত ৯টায়) স্পেনের অনুশীলনে নামার কথা ছিল। স্প্যানিশরা এই সেশনের জন্য বেছে নিয়েছিল নিউইয়র্ক রেড বুলসের সাবেক অনুশীলন কেন্দ্র এবং বর্তমানে এনডব্লিউএসএল ক্লাব গথাম এফসির ভবিষ্যৎ ট্রেনিং কমপ্লেক্সটি। কিন্তু সকাল থেকেই শুরু হয় তীব্র বজ্রঝড়। প্রথমে অনুশীলন কিছুটা পিছিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিলেও পরিস্থিতির কোনও উন্নতি না হওয়ায় শেষ পর্যন্ত পুরো সেশনই বাতিল ঘোষণা করা হয়। মাঠে প্রবেশের অপেক্ষায় থাকা সংবাদকর্মীদেরও নিরাপত্তার স্বার্থে তাৎক্ষণিকভাবে নির্ধারিত কর্মক্ষেত্রের ভবনের ভেতরে চলে যাওয়ার নির্দেশ দেয় কর্তৃপক্ষ।

যুক্তরাষ্ট্রে বজ্রঝড় নিয়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা কতটা নিখুঁত ও কঠোর, তা প্রকাশ পেয়েছে মাঠের এক কর্মকর্তার দেওয়া তথ্যে। সংবাদমাধ্যমকে তিনি জানান, অনুশীলন বা ম্যাচ ভেন্যুর ৮ মাইলের মধ্যে কোথাও বজ্রপাত শনাক্ত হলেই নিয়ম অনুযায়ী মাঠের সব ধরনের কার্যক্রম সঙ্গে সঙ্গে স্থগিত করা হয়। এরপর প্রতি ৩০ মিনিট পরপর পরিস্থিতি গভীরভাবে মূল্যায়ন বা পর্যবেক্ষণ করা হয়।

বজ্রপাতের এই ঝুঁকি যখন পুরোপুরি কেটে যায়, তখনই কেবল নিরাপত্তা বিভাগ থেকে ‘অল ক্লিয়ার’ সংকেত দেওয়া হয়। এই সবুজ সংকেত পাওয়ার পরই খেলোয়াড়রা মাঠে প্রবেশের অনুমতি পান। তবে শনিবার সকালে হুইপ্যানির পরিস্থিতি এতটাই ঝুঁকিপূর্ণ ছিল যে স্পেনকে মাঠে নামার অনুমতি দেওয়াই সম্ভব হয়নি।

চলতি বিশ্বকাপজুড়ে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোর ভেন্যুগুলোতে একই বজ্রঝড়-সংক্রান্ত কঠোর নিরাপত্তা নীতিমালা অনুসরণ করা হচ্ছে। এর আগে এই নিয়মের মারপ্যাঁচে পড়ে চলমান টুর্নামেন্টের একাধিক ম্যাচের সময়সূচিতে বড় ধরনের ধাক্কা লেগেছিল। কোনও কোনও ম্যাচ দীর্ঘ সময় স্থগিতও রাখতে হয়েছিল।

বাংলাদেশ সময় রবিবার (১৯ জুলাই) দিবাগত রাত ১টায় (স্থানীয় সময় সন্ধ্যা) নিউজার্সির বিখ্যাত মেটলাইফ স্টেডিয়ামে বিশ্বসেরার মুকুটের লড়াইয়ে মুখোমুখি হবে স্পেন ও আর্জেন্টিনা। যেখানে আর্জেন্টিনা দল তাদের প্রস্তুতি ঠিকঠাক সারতে পেরেছে, সেখানে অনুশীলনের এই ঘাটতি স্পেনের জন্য কতটা ভোগান্তি বাড়াবে তা বলা মুশকিল। তবে ফুটবলপ্রেমীদের মনে এখন সবচেয়ে বড় শঙ্কা— নিউজার্সির এই বৈরী আবহাওয়া ফাইনালকেও কোনও বিঘ্নের মুখে ফেলে কি না!

বিলাসবহুল ট্রাঙ্কে চড়ে ফাইনালের মঞ্চে পৌঁছাবে বিশ্বকাপ ট্রফি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৬, ২:০৬ পূর্বাহ্ণ
বিলাসবহুল ট্রাঙ্কে চড়ে ফাইনালের মঞ্চে পৌঁছাবে বিশ্বকাপ ট্রফি

বিশ্বকাপ ট্রফি শুধু ফুটবলের সবচেয়ে কাঙ্ক্ষিত পুরস্কারই নয়, এটি মর্যাদা ও ঐতিহ্যেরও প্রতীক। সেই ট্রফিকে ফাইনালের মঞ্চে নিয়ে যেতে এবারও বিশেষ ট্রাঙ্ক তৈরি করেছে ফরাসি বিলাসবহুল ফ্যাশন প্রতিষ্ঠান লুই ভিতোঁ। ২০১০ সাল থেকে টানা পঞ্চম বিশ্বকাপে এই দায়িত্ব পালন করছে প্রতিষ্ঠানটি।

নিউইয়র্ক-নিউ জার্সি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিতব্য বিশ্বকাপ ফাইনালের আগে বিশেষভাবে তৈরি লুই ভিতোঁর এই ট্রাঙ্কে করেই মাঠে আনা হবে বিশ্বকাপ ট্রফি।

বিশেষ এই ট্রাঙ্কের সামনে রয়েছে সোনালি রঙের ইংরেজি অক্ষর ‘ভি’। যা একদিকে ভিক্টরি তথা জয় -এর প্রতীক, অন্যদিকে ভিতোঁর আলাদা পরিচয় বহন করছে। ট্রাঙ্কজুড়ে রয়েছে লুই ভিতোঁর পরিচিত নকশা এবং সোনালি আবরণযুক্ত পিতলের কর্নার প্রটেক্টর।

এটি টানা পঞ্চম বিশ্বকাপ যেখানে ট্রফির জন্য বিশেষ ট্রাঙ্ক তৈরি করেছে লুই ভিতোঁ। এর আগে ২০১০, ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২২ বিশ্বকাপেও একই দায়িত্ব পালন করেছিল ফরাসি এই বিলাসবহুল ব্র্যান্ড।