আশাশুনিতে আবাসিক এলাকায় অবৈধ রাইস মিল, ঝুঁকিতে জনস্বাস্থ্য
আশাশুনি প্রতিনিধি: সরকারি নীতিমালা তোয়াক্কা না করে আশাশুনি উপজেলার বিভিন্ন আবাসিক এলাকায় গড়ে উঠেছে একের পর এক অটো রাইস মিল। পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র, ফায়ার সার্ভিসের অনুমোদন ও খাদ্য অধিদপ্তরের লাইসেন্স ছাড়াই এসব মিল চলায় একদিকে কৃষিজমি নষ্ট হচ্ছে, অন্যদিকে বাড়ছে তীব্র স্বাস্থ্যঝুঁকি।
বুধহাটা ইউনিয়নের বাসিন্দারা জানান, মিলের ধোঁয়া ও তুষের ছাইয়ে গাছপালা পুড়ে যাচ্ছে এবং শিশুদের শ্বাসকষ্ট ও চোখের সমস্যা দেখা দিচ্ছে। প্রতিটি মিলে আধুনিক ‘সাইক্লোন প্রযুক্তি’ থাকার নিয়ম থাকলেও অধিকাংশ চাতালে তা নেই। ফলে উড়ন্ত ছাই ও কালো ধোঁয়ায় পরিবেশ বিষাক্ত হয়ে উঠছে।
আশাশুনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কৃষ্ণা রায় জানান, যেসব রাইস মিল পরিবেশ ছাড়পত্র ও লাইসেন্স ছাড়া চলছে, সেগুলোর তালিকা করা হচ্ছে এবং অচিরেই আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পরিবেশ অধিদপ্তরের জেলা সহকারী পরিচালক জানান, আবাসিক এলাকায় চাতাল স্থাপন নিয়মবহির্ভূত, লিখিত অভিযোগ পেলে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হবে।












