বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩
বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩

কলারোয়ায় দুর্নীতিবিরোধী বিতর্ক ও রচনা প্রতিযোগিতা শুরু

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৬, ১১:৫৬ অপরাহ্ণ
কলারোয়ায় দুর্নীতিবিরোধী বিতর্ক ও রচনা প্রতিযোগিতা শুরু

কলারোয়া প্রতিনিধি: গণসচেতনতা সৃষ্টি ও শিক্ষার্থীদের সততার চর্চায় উদ্বুদ্ধ করার লক্ষ্যে কলারোয়ায় ‘দুর্নীতিবিরোধী বিতর্ক ও রচনা প্রতিযোগিতা-২০২৬’-এর প্রথম পর্ব অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (২৬ জুলাই) কলারোয়া প্রাথমিক শিক্ষক মিলনায়তনে ১৬টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অংশগ্রহণে এ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।
উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির ব্যবস্থাপনায় এবং দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) সমন্বিত খুলনা কার্যালয়ের আয়োজনে এ প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক আরিফুল ইসলাম।
উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি আখতার আসাদুজ্জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা এসএম এনামুল ইসলাম, সহকারী উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা হারুন অর রশিদ মোল্লা ও একাডেমিক সুপারভাইজার তাপস কুমার দাস।
প্রতিযোগিতায় দ্বিতীয় রাউন্ডে উত্তীর্ণ হয়েছে কলারোয়া সরকারি পাইলট হাইস্কুল, কলারোয়া গার্লস হাইস্কুল, সোনাবাড়িয়া হাইস্কুল, খোরদো গার্লস হাইস্কুল, বোয়ালিয়া হাইস্কুল, বিবিআরএনএস হাইস্কুল, বুঝতলা মাদ্রাসা ও সিংহলাল মাদ্রাসা। আজ সোমবার (২৭ জুলাই) দ্বিতীয় রাউন্ডের বিতর্ক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

Ads small one

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুসরণ করে কাজ করে যাচ্ছি: বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:১৬ অপরাহ্ণ
প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুসরণ করে কাজ করে যাচ্ছি: বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী

পত্রদূত ডেস্ক: বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনা অনুসরণ করে যশোর জেলা বিএনপি কার্যালয়ে সৌরবিদ্যুৎ চালু করা হলো। এ সোলার প্যানেল চালুর পরিপ্রেক্ষিতে অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলো আগ্রহী হবে এবং কার্যালয়গুলো সৌরবিদ্যুতের আওতায় আসবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

প্রতিমন্ত্রী বুধবার দুপুরে যশোর জেলা বিএনপির কার্যালয়ে সোলার প্যানেল উদ্বোধন শেষে গণমাধ্যমকর্মীদের ব্রিফকালে এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমরা প্রাথমিকভাবে দুই কিলোওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন সোলার প্যানেল স্থাপন করেছি। ভবিষ্যতে এর পরিধি বৃদ্ধি করা হবে। এখান থেকে যেটুকু বিদ্যুৎ উৎপাদন হবে তা চাহিদার তুলনায় যথেষ্ট। চাহিদা শেষে অবশিষ্ট বিদ্যুৎ আমরা জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করতে সক্ষম হব। সরকার আশা করছে, দেশে আগামী গ্রীষ্মের আগে ন্যূনতম তিন থেকে চার হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সৌরবিদ্যুতের মাধ্যমে উৎপাদন করতে সক্ষম হবে।

জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু, সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন খোকনসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
সকালে প্রতিমন্ত্রী শারদীয় দুর্গোৎসবের শেষ দিনে যশোরের বিভিন্ন পূজাম-প পরিদর্শন এবং দশমিতে প্রতিমা বিসর্জনের প্রস্তুতিমঞ্চ পরিদর্শন করেন।

 

কলারোয়া ও তালায় শতাধিক পূজাম-প পরিদর্শন করলেন জেলা পরিষদ প্রশাসক হাবিব

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:১২ অপরাহ্ণ
কলারোয়া ও তালায় শতাধিক পূজাম-প পরিদর্শন করলেন জেলা পরিষদ প্রশাসক হাবিব

তালা ও কলারোয়া প্রতিনিধি: পূজার শেষ দিনে সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলায় ১৫টি পূজাম-প পরিদর্শন করেছেন জেলা পরিষদের প্রশাসক, সাবেক সংসদ সদস্য ও বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা হাবিবুল ইসলাম হাবিব। ১৭ থেকে ২১ অক্টোবর পর্যন্ত টানা পাঁচ দিনে তাঁর নিজ নির্বাচনী এলাকা তালা ও কলারোয়ায় ২৫২টি মন্দিরের মধ্যে প্রায় ১০০টি পূজাম-প পরিদর্শন করেন তিনি। এ ছাড়া জেলার অন্যান্য অঞ্চলের আরও প্রায় ২০টি পূজাম-প পরিদর্শন করেন।

২১ অক্টোবর সকাল সাড়ে ৯টায় নাঙ্গলঝাড়া ইউনিয়নের খাশপুর পূজাম-প পরিদর্শনের মধ্য দিয়ে দিনের কর্মসূচি শুরু করেন তিনি। পরে চন্দনপুর, কেরালকাতা ও কুশডাঙ্গা ইউনিয়নের বিভিন্ন পূজাম-প পরিদর্শন করেন।

পরিদর্শনকালে তিনি সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা বিনিময় করেন এবং পূজার সার্বিক আয়োজন, পরিবেশ ও নিরাপত্তাব্যবস্থার খোঁজখবর নেন। এ সময় পূজা উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দ ও উপস্থিত ব্যক্তিদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন তিনি।

হাবিবুল ইসলাম হাবিব বলেন, “এ বছর সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম বৃহৎ ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। দুর্গোৎসব নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণভাবে উদযাপনে আমরা সব সময় সার্বক্ষণিক আপনাদের পাশে ছিলাম এবং আগামীতেও থাকব।”

তিনি আরও বলেন, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রেখে শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে দুর্গাপূজা উদযাপন করতে হবে। এ সময় তিনি এলাকার মানুষের কাছে দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন কলারোয়া উপজেলা বিএনপির মুখপাত্র অধ্যক্ষ রইস উদ্দিন, চন্দনপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ফজলুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক আশরাফুজ্জামান মন্টু, ইউনিয়ন যুবদলের সদস্যসচিব শফিকুল ইসলাম শফি, কেরালকাতা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জহুরুল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির প্রচার সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক, চেয়ারম্যান প্রার্থী রাজু হোসেন, কুশডাঙ্গা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান আসাদ, বিএনপি নেতা আব্দুস সাত্তার, স্বেচ্ছাসেবক দলনেতা মুসা কারিম, মামুন কবির, যুবনেতা ইসারুল, বিএনপি নেতা আবদুস সালাম মধু, সাংবাদিক মারুফ হুসাইনসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও বিভিন্ন পূজা উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দ।

এর আগে তালা উপজেলায় তিন দিনে ৭০টি পূজাম-প পরিদর্শন করেন হাবিবুল ইসলাম হাবিব। ১৭, ১৯ ও ২০ অক্টোবর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের এসব পূজাম-প পরিদর্শনকালে তিনি সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন এবং প্রতিটি পূজাম-পের কর্তৃপক্ষকে নিজস্ব উদ্যোগে ৫ হাজার টাকা করে আর্থিক অনুদান প্রদান করেন। ২০ অক্টোবর বিকেল থেকে খলিলনগর ইউনিয়নের বিভিন্ন পূজাম-প পরিদর্শনের মধ্য দিয়ে দিনের কর্মসূচি শুরু করেন তিনি।

 

পরে তালা সদর, তেঁতুলিয়া, কুমিরা ও সরুলিয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন পূজাম-প পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনকালে তিনি পূজার সার্বিক আয়োজন, পরিবেশ ও নিরাপত্তাব্যবস্থার খোঁজখবর নেন এবং স্থানীয়দের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। পরিদর্শন শেষে তিনি প্রতিটি পূজাম-প কর্তৃপক্ষের হাতে তাঁর নিজস্ব তহবিল থেকে ৫ হাজার টাকা করে অনুদান তুলে দেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন তালা উপজেলা বিএনপির সভাপতি মৃণাল কান্তি রায়, সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ শফিকুল ইসলাম, সিনিয়র সহসভাপতি শেখ গোলাম মোস্তফা, জেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যাপক মোশারফ হোসেন, খলিলনগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান প্রণব ঘোষ বাবলু, বিএনপি নেতা আবুল কালাম বিশ্বাস, মাস্টার শাহাদাত হোসেন, শেখ জিল্লুর রহমান, তেঁতুলিয়া বিএনপির সভাপতি আবুল হোসেন, কুমিরা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক রবিউল ইসলাম, তালা প্রেসক্লাবের সভাপতি সেলিম হায়দার, সাধারণ সম্পাদক জোয়ারদার ফারুক হোসেন, বিএনপি নেতা রেজাউল ইসলাম রেজা, যুবদল নেতা আব্দুল করিম, সাংবাদিক আসাদুজ্জামান রাজু, ছাত্রদল নেতা রিপন হোসেনসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও পূজা উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দ।

 

বিসিএসে পুলিশ ক্যাডারে সপ্তম কলারোয়ার কৃতী সন্তান মো. হাবিবুল্লাহ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:১০ অপরাহ্ণ
বিসিএসে পুলিশ ক্যাডারে সপ্তম কলারোয়ার কৃতী সন্তান মো. হাবিবুল্লাহ

সংবাদদাতা: জেলার কলারোয়া উপজেলার জালালাবাদ গ্রামের কৃতী সন্তান মো. হাবিবুল্লাহ ৪৫তম বিসিএস পরীক্ষায় পুলিশ ক্যাডারে সপ্তম স্থান অর্জন করেছেন। গেজেট হওয়ার পর আগামী ১ নভেম্বর ২০২৬ তারিখে বাংলাদেশ পুলিশের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) হিসেবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে যোগদান করার কথা রয়েছে তাঁর।

মো. হাবিবুল্লাহ মো. আব্দুল হামিদ ও মনোয়ারা খাতুনের সর্বকনিষ্ঠ সন্তান। ছোটবেলা থেকেই অধ্যবসায়, কঠোর পরিশ্রম ও শিক্ষার প্রতি গভীর মনোযোগের মাধ্যমে তিনি নিজের ভবিষ্যৎ গড়ে তোলেন। তাঁর এই অসামান্য সাফল্যে পরিবার, স্বজন ও এলাকাবাসীর মধ্যে আনন্দ ও গর্বের পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে।

তিনি কলারোয়া জিকেএমকে পাইলট হাইস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং কলারোয়া সরকারি কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সম্পন্ন করেন। পরবর্তী সময়ে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগ থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন।

৪৫তম বিসিএসে পুলিশ ক্যাডারে সাফল্য অর্জনের আগে মো. হাবিবুল্লাহ বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক ও প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকে সিনিয়র অফিসার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। এ ছাড়া ৪৪তম বিসিএসের মাধ্যমে জাতীয় জনসংখ্যা ও প্রশিক্ষণ গবেষণা ইনস্টিটিউটে প্রভাষক এবং ৪৩তম বিসিএসের মাধ্যমে কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীন কালীগঞ্জ সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজে প্রশিক্ষক হিসেবে নিয়োগ লাভ করেন।

একাধিক সরকারি প্রতিষ্ঠানে কাজের অভিজ্ঞতা অর্জনের পর এবার দেশের গুরুত্বপূর্ণ ও মর্যাদাপূর্ণ পেশা বাংলাদেশ পুলিশের কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালনের নতুন অধ্যায়ে প্রবেশ করতে যাচ্ছেন তিনি।

গ্রামীণ জনপদ থেকে উঠে এসে মেধা, অধ্যবসায় ও নিরলস পরিশ্রমের মাধ্যমে জাতীয় পর্যায়ে এমন সাফল্য অর্জন নিঃসন্দেহে অনুকরণীয়। মো. হাবিবুল্লাহর এই অর্জন সাতক্ষীরা জেলা, বিশেষ করে কলারোয়া উপজেলার তরুণ প্রজন্মের কাছে অনুপ্রেরণার দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। তাঁর সাফল্যে এলাকার শিক্ষার্থীরা উচ্চশিক্ষা ও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নিজেদের যোগ্যতা প্রমাণে আরও উৎসাহিত হবে বলে আশা করছেন স্থানীয়রা।

মো. হাবিবুল্লাহর এই গৌরবময় অর্জনে তাঁকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা। তাঁর কর্মজীবনের সাফল্য, সততা ও নিষ্ঠার মাধ্যমে দেশ ও মানুষের সেবায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবেনÑএমন প্রত্যাশা সবার।