শুক্রবার, ২১ আগস্ট ২০২৬, ৬ ভাদ্র ১৪৩৩
শুক্রবার, ২১ আগস্ট ২০২৬, ৬ ভাদ্র ১৪৩৩

আশাশুনিতে ওয়াপদা বেড়িবাঁধ কেটে পানি উত্তোলনের প্রতিবাদে মানববন্ধন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২১ আগস্ট, ২০২৬, ১০:৩৬ অপরাহ্ণ
আশাশুনিতে ওয়াপদা বেড়িবাঁধ কেটে পানি উত্তোলনের প্রতিবাদে মানববন্ধন

আশাশুনি প্রতিনিধি: আশাশুনি উপজেলার প্রতাপনগর ইউনিয়নের ৭/৯ পোল্ডারের চাকলা খেয়াঘাটের উত্তর পাশে কপোতাক্ষ নদের বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ কেটে পাইপ বসিয়ে লোনা পানি ওঠানোর প্রতিবাদে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২১ আগস্ট বেলা ১১টায় ওয়াপদা বেড়িবাঁধের ওপর ভুক্তভোগী এলাকাবাসী এই মানববন্ধনের আয়োজন করে।

মানববন্ধনে বক্তব্য দেন মো. আবুল কালাম ঢালী, নুরমান সরদার, আশিকুল আলম, আমিরুল গাজী, ইমান আলী গাজী ও ১ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আবদুর রউফ সানা।

বক্তারা বলেন, সুভদ্রাকাটি গ্রামের সাবেক মেম্বার আসলাম হোসেন গাজী দীর্ঘদিন ধরে সরকারি নীতিমালার তোয়াক্কা না করে বাঁধ কেটে লোনা পানি ঢুকিয়ে মৎস্য ঘের পরিচালনা করছেন। কোনো নিকাশি ব্যবস্থা (আউটড্রেন) না থাকায় চারপাশের ২৫০ থেকে ৩০০ বিঘা জমির ধান লোনা পানিতে নষ্ট হচ্ছে। গত ৫ আগস্ট বাঁধ কেটে পাইপ বসানোর সময় বাধা দিলে অভিযুক্ত ব্যক্তিরা স্থানীয় ইউপি সদস্যের সঙ্গে দুব্যবহার করেন। পরবর্তী সময়ে উল্টো মেম্বারের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করেন।

ইউপি চেয়ারম্যান আবু দাউদ ঢালী বিষয়টি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছেন। বাঁধ কাটা ও লোনা পানি ঢোকানো বন্ধের দাবিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), ওয়াপদা কর্তৃপক্ষ ও জেলা প্রশাসক বরাবর গণ-আবেদন করেছেন এলাকাবাসী। বাঁধ কেটে পানি ওঠানোর ফলে বাঁধের ক্ষতি হচ্ছে এবং এলাকা প্লাবিত হয়ে কৃষিজমি ও বসতবাড়ির ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।

 

Ads small one

অবক্ষয়

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২২ আগস্ট, ২০২৬, ১:২৩ পূর্বাহ্ণ
অবক্ষয়

মোঃ রহমত আলী
রঙ বদলে যাচ্ছে চাঁদ-তারা-সূর্যের,
শুধু আকাশের রঙ বদলানোর অপেক্ষা।
ঘোলা জল স্বচ্ছ হতে হতে যতক্ষণ..
গোধূলির গোলাপি মেঘ ততক্ষণে হাওয়া।

ঘাসের ডগায় জমে থাকা শিশির-বিন্দু..
ঝরে পড়তে না পড়তেই জোনাক জ্বলা সন্ধ্যা!
অবশেষে সাজানো শহরের জৌলুস ভেঙে
রঙিন সভ্যতা জঙ্গলে পৌঁছে গেছে।

অতঃপর জ্যোৎস্নার কণাও আর উঁকি দেয় না..
কোনো বৃক্ষের জীর্ণ ডালের ফাঁক থেকে।

 

কখনও হেরে যেতে হয়

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২২ আগস্ট, ২০২৬, ১:২২ পূর্বাহ্ণ
কখনও হেরে যেতে হয়

মোঃ রহমত আলী
কখনও হেরে যেতে হয়..
রোদ হেরে যায় ছায়ার কাছে
ছায়া হেরে যায় মায়ার কাছে
রাত হেরে যায় দিনের কাছে
দিন হেরে যায় রাতের কাছে
সময় হেরে যায় অসময়ের কাছে
মানুষ হেরে যায় অমানুষের কাছে

কখনও হার মানতে হয়..
নিয়ম মেনেও অনিয়মের কাছে
নীতিতে থেকেও দুর্নীতির কাছে
ন্যায়পরায়ণ হয়েও অন্যায়ের কাছে
সত্য বলেও মিথ্যাবাদীর কাছে
সততার পরেও অসৎ ব্যক্তির কাছে
সভ্যতার নামে অসভ্যতার কাছে

কখনও পরাজিত হতে হয়..
সৎ যোদ্ধা হয়েও কূটকৌশলের কাছে
মজলুম হয়েও জালিমের কাছে
নির্দোষ হয়েও অপরাধীর কাছে
যোগ্য হয়েও অযোগ্যতার কাছে
বিশ্বাসী হয়েও বিশ্বাসঘাতকের কাছে
হাসতে হাসতে কভু আপনজনের কাছে

কখনও পরাজয় মেনে নিতে হয়..
অকৃতজ্ঞ নিমকহারামের কাছে
ভাই কিংবা বন্ধুবেশে বেইমানের কাছে
রক্তের সম্পর্কের মীরজাফরের কাছে
দায়িত্বজ্ঞানহীন মানুষের কাছে
সমাজের মনুষ্যত্বহীনদের কাছে
হারামখোর বিবেকহীনদের কাছে

কখনও হেরে যেতে হয়..
আঁধার হেরে যায় আলোর কাছে
আলো হার মানে অন্ধকারের কাছে
সরলতা হেরে যায় প্রতারণার কাছে
ইনসাফ হার মানে বেইনসাফির কাছে
নিরীহ দুর্বল হেরে যায় অত্যাচারের কাছে
নিঃস্বার্থ মানুষ হার মানে স্বার্থপরের কাছে
ভালোবাসা হেরে যায় অবহেলার কাছে
মানবতা হার মানে অমানবিকতার কাছে

বড় খুকুমণি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২২ আগস্ট, ২০২৬, ১:২১ পূর্বাহ্ণ
বড় খুকুমণি

আব্দুস সাত্তার সুমন
ছোট্ট খুকু বড় হবে
ধীরে ধীরে করে,
খুকুমণি বুদ্ধির হাড়ি
বিজ্ঞান শাখায় পড়ে।

খুকুমণির বর এখন
বিদেশ গিয়ে থাকে,
খুকুমনির বর এলে
খুকু সোনা ডাকে।

খুকুমনির পিত্রালয়ে
কুমিল্লার শহর,
দুইটি ছেলে দুইটি মেয়ে
অতি দামী মোহর।

খুকুমণি অনেক ধনী
সাদা মনের মেয়ে,
খুকুমণির রূপের আলোয়
সবাই রয় চেয়ে।

যেথায় যাবে সেথায় যেন
ফুলের মতন দোলে,
চালাক চতুর খুকুমণি
বন্ধু গড়ে তোলে।

খুকুমণি বিদেশ ঘুরে
নিজের মতন করে,
সবুজ ছাতায় থাকে খুকু
সুন্দর একটি ঘরে।