আশাশুনিতে খামার কর্মচারীর রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনায় বিচারের দাবিতে মানববন্ধন
আশাশুনি প্রতিনিধি: আশাশুনির কমলাপুরে একটি পোলট্রি খামারের কর্মচারী রাফাতের (১৯) রহস্যজনক মৃত্যুকে কেন্দ্র করে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করেছেন তাঁর পরিবার ও এলাকাবাসী। একে ‘পরিকল্পিত হত্যাকা-’ দাবি করে থানায় নিয়মিত হত্যা মামলা নেওয়ার জোর দাবি জানিয়েছেন তাঁরা। পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠিয়েছে এবং একটি অপমৃত্যু মামলা রেকর্ড করেছে।
নিহত রাফাত কালিগঞ্জ উপজেলার ইউসুফপুর গ্রামের শফিকুল সরদারের ছেলে। সে আশাশুনি উপজেলার শীতলপুর গ্রামের আক্তারুজ্জামানের মালিকানাধীন কমলাপুরের একটি পোলট্রি খামারে কর্মরত ছিল।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার (১৩ জুন) রাতে রাফাত খামারেই ঘুমে ছিল। পরদিন সকালে রাফাতের পরিবারকে মোবাইল ফোনে জানানো হয় যে সে আত্মহত্যা করেছে। পরে জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ কল পেয়ে আশাশুনি থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে খামারের রোয়ার (কাঠের বা বাঁশের আড়া) সঙ্গে ওড়না পেঁচানো ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে।
এদিকে রাফাতের মৃত্যুকে হত্যাকা- দাবি করে রোববার থানা সড়কে এক বিশাল মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেন পরিবারের সদস্যসহ এলাকার সাধারণ মানুষ। মানববন্ধনে বক্তব্য দেন রাফাতের ভাই ইস্রাফিল, মা শাহানারা, খালা জাহানারা ও চাচা আলতাফ হোসেন।
বক্তারা অভিযোগ করেন, রাফাতকে পিটিয়ে বা অন্য কোনো উপায়ে হত্যা করে লাশ ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। মরদেহের শরীরে রক্তের ছাপ ছিল এবং অ-কোষ রক্তাক্ত পাওয়া গেছে, যা স্পষ্ট হত্যাকা-ের প্রমাণ। এ সময় তাঁরা জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও থানায় হত্যা মামলা দায়েরের দাবি জানান।
আশাশুনি থানা-পুলিশ জানায়, লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর সঠিক কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে এবং সে অনুযায়ী পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।












