বুধবার, ৭ অক্টোবর ২০২৬, ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩
বুধবার, ৭ অক্টোবর ২০২৬, ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩

আশাশুনিতে জমি দখল ও চাঁদাবাজির অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৩:১১ অপরাহ্ণ
আশাশুনিতে জমি দখল ও চাঁদাবাজির অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

আশাশুনি প্রতিনিধি: আশাশুনিতে জমি দখল, দোকানঘর ভাঙচুর ও চাঁদা দাবির অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন করেছেন মো. মিজানুর রহমান (৪৭)। বুধবার (৭ অক্টোবর) দুপুরে আশাশুনি প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব অভিযোগ তুলে ধরেন।

লিখিত বক্তব্যে মিজানুর রহমান বলেন, আশাশুনি উপজেলার বুধহাটা গ্রামের মৃত ইমান আলী গাজীর ছেলে তিনি। বুধহাটা গ্রামের মৃত তোকাজ্জেল হোসেনের ছেলে মো. মোতাহার হোসেনের কাছ থেকে ২০২০ সালে বিভিন্ন দলিলের মাধ্যমে তিনি জমি ক্রয় করেন। পরবর্তীতে ওই জমি নামজারি করে নিয়মিত খাজনা পরিশোধসহ শান্তিপূর্ণভাবে ভোগদখল করে আসছেন বলে দাবি করেন তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি অভিযোগ করেন, জমির কাগজপত্র সঠিক থাকা সত্ত্বেও স্থানীয় চাঁদাবাজ আব্দুল হাই ও তার সহযোগীরা দীর্ঘদিন ধরে তার জমি ও দোকানঘর দখলের চেষ্টা চালিয়ে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় গত ২৮ সেপ্টেম্বর রাত আনুমানিক ১টা ৩০ মিনিটের দিকে তার দোকানঘর ভাঙচুর করা হয়। খবর পেয়ে তিনি ৯৯৯ নম্বরে ফোন করলে পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে আব্দুল হাই ও তার সহযোগীরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায় বলে অভিযোগ করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, পরদিন ২৯ সেপ্টেম্বর মিস্ত্রির মাধ্যমে দোকানঘর পুনরায় নির্মাণের কাজ শুরু করলে আব্দুল হাই দ্বিতীয় দফায় লোকজন নিয়ে এসে গায়ের জোরে দোকানঘর ভাঙচুর করেন। পরবর্তীতে ৪ অক্টোবর সকালে আব্দুল হাই ও তার সহযোগীরা আবারও তার দোকানঘরে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করেন বলে অভিযোগ করা হয়।

মিজানুর রহমানের অভিযোগ, একই দিন সন্ধ্যায় বাজারের একপাশে ডেকে নিয়ে তাকে দোকান নির্মাণের জন্য ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়। চাঁদার টাকা না দিলে তার জমি ও দোকানঘর দখল করে নেওয়া হবে বলে হুমকি দেওয়া হয়। এছাড়া তাকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জড়িয়ে মিথ্যা অপপ্রচার চালানো হচ্ছে বলেও সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করেন তিনি।

তিনি বলেন, জমি ক্রয় ও ভোগদখলের যাবতীয় বৈধ কাগজপত্র তার কাছে রয়েছে। এরপরও একটি পক্ষ পরিকল্পিতভাবে তাকে হয়রানি ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করছে। এ ঘটনায় তিনি প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।

সংবাদ সম্মেলনে মিজানুর রহমান প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, “অভিযুক্তদের অব্যাহত হুমকি ও ভাঙচুরের কারণে আমি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। আমার বৈধ জমি ও দোকানঘর রক্ষায় প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ প্রয়োজন।”

তবে সংবাদ সম্মেলনে উত্থাপিত অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত আব্দুল হাই বা তার সহযোগীদের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।

 

Ads small one

তালায় ইউপি সদস্য পদে বিএনপির প্রার্থী সিরাজুল ইসলাম

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:১১ অপরাহ্ণ
তালায় ইউপি সদস্য পদে বিএনপির প্রার্থী সিরাজুল ইসলাম

তালা প্রতিনিধি: তালা সদর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডে আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ইউপি সদস্য পদে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে গাজী সিরাজুল ইসলামকে মনোনীত করা হয়েছে। বুধবার (৭ অক্টোবর) বিকেলে মাঝিয়াড়া বাজারে ওয়ার্ড বিএনপির মতবিনিময় সভায় উপস্থিত নেতাকর্মীদের মতামতের ভিত্তিতে তাঁকে এ মনোনয়ন দেওয়া হয়।
গাজী সিরাজুল ইসলাম বর্তমানে ৭ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন। দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় এবং স্থানীয় পর্যায়ে তাঁর সাংগঠনিক ভূমিকা বিবেচনায় নিয়ে তাঁকে ইউপি সদস্য প্রার্থী হিসেবে সমর্থন দেওয়া হয়েছে বলে সভায় জানানো হয়।
ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি গাজী সিরাজুল ইসলামের সভাপতিত্বে সভা সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক আব্দুর জাফর। প্রধান অতিথি ছিলেন তালা উপজেলা বিএনপির প্রকাশনা সম্পাদক ও তালা প্রেসক্লাবের সভাপতি সেলিম হায়দার।
সভায় আরও বক্তব্য দেন শিক্ষক শ্যামল চৌধুরী, বিএনপি নেতা সামছুর সমরদার, আব্দুর কাদের, শংকর দত্ত, আব্দুর হান্নান, খলিলুর রহমান, ফজলু রহমান, মালেক মোড়লসহ স্থানীয় নেতারা।
বক্তারা ৭ নম্বর ওয়ার্ডে বিএনপির সাংগঠনিক কার্যক্রম শক্তিশালী করতে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার এবং আসন্ন নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীর পক্ষে সক্রিয় ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।

বাঁশদহা ইউনিয়নে জামায়াতের যুব ও ক্রীড়া বিভাগের সভা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:০৯ অপরাহ্ণ
বাঁশদহা ইউনিয়নে জামায়াতের যুব ও ক্রীড়া বিভাগের সভা

 

সংবাদদাতা: সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ১ নম্বর বাঁশদহা ইউনিয়নে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী যুব ও ক্রীড়া বিভাগের মাসিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (৭ অক্টোবর) বাঁশদহা ইউনিয়নে এ বৈঠকের আয়োজন করা হয়।
ইউনিয়ন যুব ও ক্রীড়া বিভাগের সহসভাপতি মো. মাগফুর রহমানের সভাপতিত্বে এতে উদ্বোধনী বক্তব্য দেন মাস্টার মো. আব্দুল আহাদ। প্রধান অতিথি ছিলেন যুব ও ক্রীড়া বিভাগের উপজেলা সম্পাদক প্রভাষক আশরাফুল ইসলাম বুলু।
বক্তারা বলেন, দেশের যুবসমাজকে নৈতিকতা, শৃঙ্খলা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে গড়ে তুলতে ক্রীড়া ও সামাজিক কর্মকা- গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। যুবকদের মাদক, সন্ত্রাস ও বিভিন্ন সামাজিক অবক্ষয় থেকে দূরে রেখে সুস্থ পরিবেশে সম্পৃক্ত করার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন তারা।
বৈঠকে ইউনিয়ন যুব ও ক্রীড়া বিভাগের সাংগঠনিক কার্যক্রম, আসন্ন নানা কর্মসূচি এবং ক্রীড়া কার্যক্রম আরও সম্প্রসারণের বিষয়ে আলোচনা হয়। এতে সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের দায়িত্বশীল ও কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

কলারোয়া বেত্রবতী হাইস্কুলে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ কমিটির সভা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:০৩ অপরাহ্ণ
কলারোয়া বেত্রবতী হাইস্কুলে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ কমিটির সভা

কলারোয়া প্রতিনিধি: কলারোয়া বেত্রবতী আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে বাল্যবিবাহ ও যৌতুক প্রতিরোধ কল্পে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ কমিটির প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ঋশিল্পী শিক্ষা সহায়তা প্রকল্পের আয়োজনে বুধবার সকাল ১১টায় নবগঠিত কমিটির সভাপতি প্রধান শিক্ষক রাশেদুল হাসান কামরুল এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন ঋশিল্পী’র প্রোগ্রাম কো-অর্ডিনেটর সেলিমুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন-প্রোগ্রাম ম্যানেজার (ইএসপি) সনোজ কুমার বসু, সুপারভাইজার (ইএসপি) আমিনুল ইসলাম ও ডাবলু সরকার।

বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ কমিটির প্রথম সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন ও উপস্থিত ছিলেন কমিটির সহ-সভাপতি সহকারী শিক্ষক মশিউর রহমান, সাধারণ সম্পাদক সহকারী শিক্ষক তজিবুর রহমান, সদস্য সহকারী শিক্ষক দেবাশীষ সরদার, রীনা রানী পাল, শেখ মহিরুল ইসলাম, পপি মন্ডলসহ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আবুবকর ছিদ্দিক, আনারুল ইসলাম, নাছরিন সুলতানা, সাইফুল আলম, সমীর কুমার সরকার, জাকিয়া পারভীন, অফিস সহায়ক ফারুক হোসেন, এরশাদ আলী।

সভায় বক্তারা বাল্যবিবাহ ও যৌতুক প্রতিরোধে শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অভিভাবকসহ সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখার আহবান জানান। পাশাপাশি অভিভাবক সমাবেশ ও উঠান বৈঠকের মাধ্যমে বাল্যবিবাহের কুফল তথা ক্ষতিকর বিষয়গুলো তুলে ধরার প্রতি গুরুত্বারোপ করা হয়। সেই সাথে শ্রেণিকক্ষে পাঠদানের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের বাল্যবিবাহ ও যৌতুকবিরোধী মনোভাব তৈরিতে সহায়কমূলক আলোচনা করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।