বুধবার, ৭ অক্টোবর ২০২৬, ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩
বুধবার, ৭ অক্টোবর ২০২৬, ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩

আশাশুনিতে বীর মুক্তিযোদ্ধা মাহমুদ আলী গাজীকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:২২ অপরাহ্ণ
আশাশুনিতে বীর মুক্তিযোদ্ধা মাহমুদ আলী গাজীকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন

আশাশুনি প্রতিনিধি: আশাশুনি উপজেলার দরগাহপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ দরগাহপুর গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. মাহমুদ আলী গাজীকে (৭৯) রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন করা হয়েছে। রোববার (৪ অক্টোবর) সকাল ১০টায় দরগাহপুর রহমানিয়া জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে তাঁকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়।
বীর মুক্তিযোদ্ধা মাহমুদ আলী গাজী দক্ষিণ দরগাহপুর গ্রামের মৃত মোজাহার আলী গাজীর ছেলে। তিনি বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন শারীরিক সমস্যায় ভুগছিলেন। ৩ অক্টোবর বিকেল পাঁচটার দিকে নিজ বাড়িতে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে তিনি শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন।
রাষ্ট্রীয় মর্যাদা প্রদানের সময় আশাশুনি উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মিঠুন মৈত্র উপস্থিত ছিলেন। আশাশুনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) প্রতিনিধি উপপরিদর্শক (এসআই) ফিরোজের নেতৃত্বে এবং জেলা পুলিশের এসআই মফিজুর রহমানের পরিচালনায় পুলিশের একটি চৌকস দল মরহুম বীর মুক্তিযোদ্ধাকে গার্ড অব অনার প্রদান করে।
অনুষ্ঠানে আশাশুনি উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের পক্ষ থেকে বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আব্দুল করিম, দরগাহপুর ইউনিয়ন মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ আরব আলী, বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. মুনছুর আলম, দরগাহপুর ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক মো. ইসলাম উদ্দিন গোলদার, দরগাহপুর ইউনিয়ন জামায়াতের আমীর মো. আব্দুল গনি, ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি শেখ জুলফিকার হায়দার ও প্যানেল চেয়ারম্যান শেখ আসাদুজ্জামান মুকুলসহ স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন। পরে জানাজা শেষে বীর মুক্তিযোদ্ধা মাহমুদ আলী গাজীকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।

Ads small one

জমিদার বাড়ির দালান আর বনেদি পরিবারের আঙিনা থেকে বেরিয়ে দুর্গাপূজার আজ সর্বজনীন রূপ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:৫০ পূর্বাহ্ণ
জমিদার বাড়ির দালান আর বনেদি পরিবারের আঙিনা থেকে বেরিয়ে দুর্গাপূজার আজ সর্বজনীন রূপ

প্রকাশ ঘোষ বিধান

বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব দুর্গাপূজার রূপান্তর এক দীর্ঘ এবং চিত্তাকর্ষক ইতিহাস। জমিদার বাড়ির দালান আর বনেদি পরিবারের আঙিনা থেকে বেরিয়ে দুর্গাপূজা আজ রূপ নিয়েছে সর্বজনীন উৎসবে, যা বাঙালি সংস্কৃতির এক মহত্তম বিবর্তন।

 

প্রাচীনকালে দুর্গাপূজা ছিল মূলত ধনী, বিত্তশালী এবং জমিদারদের পারিবারিক উৎসব। ১৬১০ সালে কলকাতার বড়িশার সাবর্ণ রায়চৌধুরী পরিবারের পুজো এবং পরবর্তীতে শোভাবাজার রাজবাড়িতে রাজা নবকৃষ্ণ দেবের পুজো এর বড় উদাহরণ। এসব পুজোয় সাধারণ মানুষের প্রবেশাধিকার ছিল সীমিত, মূলত বাবু সংস্কৃতি ও সামাজিক প্রতিপত্তি প্রদর্শনের মাধ্যম ছিল এই উৎসব।

 

জমিদারদের এই একাধিপত্য ভাঙতেই জন্ম নেয় বারোয়ারি পুজো। বারোয়ারি শব্দটির উৎপত্তি বারো ইয়ার বা ১২ জন বন্ধু থেকে। ১৭৯০ সালে হুগলির গুপ্তিপাড়ায় বারো জন বন্ধু মিলে চাঁদা তুলে যে বারো-ইয়ারি বা বারোয়ারি পূজার সূচনা করেছিলেন, সময়ের নিয়মে তা-ই আজ বিশ্বমঞ্চে ইউনেসকোর হেরিটেজ স্বীকৃতি পাওয়া সর্বজনীন শারদোৎসবে পরিণত হয়েছে।

 

শুরুতে দুর্গাপূজা ছিল মূলত রাজা, মহারাজা এবং প্রভাবশালী জমিদারদের আভিজাত্য প্রকাশের মাধ্যম। সাধারণ মানুষের সেখানে প্রবেশাধিকার থাকলেও, পূজা আয়োজনে তাদের কোনো প্রত্যক্ষ ভূমিকা ছিল না। এটি ছিল মূলত ব্যক্তিগত বা পারিবারিক স্তরের উৎসব।

 

জমিদারদের একক আধিপত্য ভেঙে ১৭৯০ সালে গুপ্তিপাড়ায় বারো জন বন্ধু মিলে প্রথম সমবেতভাবে চাঁদা তুলে পূজা শুরু করেন। এই বারো-ইয়ারি শব্দ থেকেই বারোয়ারি শব্দের উৎপত্তি। এর ফলে দুর্গাপূজা প্রথম সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছায় এবং সর্বসাধারণের অংশগ্রহণের পথ উন্মুক্ত হয়।

 

জমিদার বাড়ির পুজোয় অংশ নিতে না পেরে তারা সাধারণ মানুষের কাছ থেকে চাঁদা তুলে এই বিকল্প আয়োজন করেন।বারোয়ারি পূজা সমষ্টিগত হলেও শুরুর দিকে সমাজের সব স্তরের মানুষের সমান অধিকার বা অবারিত প্রবেশ সব জায়গায় ছিল না। এটি পারিবারিক গণ্ডি থেকে পুজোকে বাইরে এনেছিল বটে, কিন্তু তখনও সমাজের সব স্তরের মানুষের সমান অধিকার বা সিদ্ধান্ত নেওয়ার স্বাধীনতা এখানে ছিল না।

 

বিংশ শতাব্দীর শুরুতে,১৯১০ সালে কলকাতার ভবানীপুরের বলরাম বসু ঘাট রোডে ধর্মোৎসাহিনী সভা প্রথম আনুষ্ঠানিক সর্বজনীন দুর্গাপূজার আয়োজন করে। বিশেষ করে ১৯১৯ সালে কলকাতার বাগবাজারের (তৎকালীন নেবুবাগান) পূজায় জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবার জন্য মণ্ডপ উন্মুক্ত করা হয়। স্বাধীনতা সংগ্রামের আবহে এই পূজাই সর্বজনীন দুর্গোৎসব নামে পরিচিতি পায়, যা ছিল আক্ষরিক অর্থেই সবার উৎসব। বিংশ শতকের শুরুতে বারোয়ারি রূপটি আরও গণতান্ত্রিক হয়ে সর্বজনীন রূপ ধারণ করে, যেখানে ধর্ম, বর্ণ বা শ্রেণি নির্বিশেষে সমাজের প্রতিটি মানুষের স্থান নিশ্চিত হয়।

 

আজকের দিনে দাঁড়িয়ে বারোয়ারি এবং সর্বজনীন শব্দ দুটিকে অনেকে এক করে ফেললেও, ইতিহাসের পাতায় বারোয়ারি পুজো ছিল সর্বজনীনতার দিকে এগিয়ে যাওয়ার প্রথম শক্তিশালী ধাপ। বিংশ শতকের শুরুতে বারোয়ারি রূপটি আরও গণতান্ত্রিক হয়ে সর্বজনীন রূপ ধারণ করে, যেখানে সনাতনীদের মধ্যে ধর্ম, বর্ণ বা শ্রেণি নির্বিশেষে সমাজের প্রতিটি মানুষের স্থান নিশ্চিত হয়।

 

১৯৪৭ সালে দেশভাগের পর বাংলায় অভিজাত ও বিত্তশালী জমিদারদের প্রভাব কমতে শুরু করলে বারোয়ারি পুজো পূর্ণাঙ্গভাবে সর্বজনীন রূপে আত্মপ্রকাশ করে। বারোয়ারি পুজোয় মূলত উদ্যোক্তা ও চাঁদাদাতাদের প্রাধান্য থাকত, কিন্তু সর্বজনীন শব্দটির অর্থ হলো—যা সবার জন্য উন্মুক্ত। এখানে জাতি, ধর্ম, বর্ণ বা ধনী-দরিদ্রের কোনো ভেদ থাকে না।

 

আজকের সর্বজনীন পূজা আর কেবল ধর্মীয় আচারের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। এটি এখন বিশ্ব বাঙালিকে এক সুতোয় বাঁধার এক বিশাল সামাজিক উৎসব এবং এক অপরূপ প্রকাশ্য আর্ট গ্যালারি।

লেখক : সাংবাদিক ও কলামিস্ট

সাতক্ষীরায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানভিত্তিক সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার সূচি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৬, ১:২৮ পূর্বাহ্ণ
সাতক্ষীরায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানভিত্তিক সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার সূচি

দেশব্যাপী চলমান শিক্ষা প্রতিষ্ঠানভিত্তিক সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার পরবর্তী ধাপগুলোর নতুন সময়সূচী প্রকাশ করেছে সাতক্ষীরা জেলা তথ্য অফিস। জেলা তথ্য অফিসার মোঃ জাহারুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া জেলা, বিভাগীয় ও জাতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতার সময়সূচী নি¤œরূপ: প্রাথমিক বিদ্যালয়, কিন্ডার গার্টেন স্কুল, মাধ্যমিক ও কারিগরি বিদ্যালয়: ৭ ও ৮ অক্টোবর। মাদ্রাসা (এবতেদায়ী, দাখিল, আলিম, ফাজিল ও কামিল): ১৩, ১৪ ও ১৫ অক্টোবর। কলেজ (উচ্চমাধ্যমিক, সমমান, স্নাতক ও স্নাতকোত্তর): ১৩, ১৪ ও ১৫ অক্টোবর। বিভাগীয় পর্যায়:প্রাথমিক বিদ্যালয়, কিন্ডারগার্টেন, মাধ্যমিক ও কারিগরি বিদ্যালয়: ১৩, ১৪ ও ১৫ অক্টোবর। মাদ্রাসা: ২৫ ও ২৬ অক্টোবর। কলেজ: ২৭ ও ২৮ অক্টোবর। বিশ্ববিদ্যালয়: পরবর্তীতে সময়সূচী নির্ধারণ করা হবে। জাতীয় পর্যায়:প্রাথমিক বিদ্যালয়, কিন্ডারগার্টেন, মাধ্যমিক ও কারিগরি বিদ্যালয়: ২৭, ২৮ ও ২৯ অক্টোবর। মাদ্রাসা: ৩০ ও ৩১ অক্টোবর। কলেজ: ৩০ ও ৩১ অক্টোবর। বিশ্ববিদ্যালয়: পরবর্তীতে সময়সূচী নির্ধারণ করা হবে। প্রতিযোগিতা সংক্রান্ত যেকোনো তথ্যের জন্য জেলা তথ্য অফিস, সাতক্ষীরার ওয়েবসাইট (www.info.satkhira.gov.bd) অথবা ফোন নম্বরে (০২৪৭৭৭৪০০৯৩) যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। প্রেসবিজ্ঞপ্তি

একাধিকবার নোবেল পেয়েছিলেন কারা?

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৪২ পূর্বাহ্ণ
একাধিকবার নোবেল পেয়েছিলেন কারা?

একবার নোবেল পুরস্কার পাওয়াই যেকোনো বিজ্ঞানী, লেখক বা গবেষকের জন্য জীবনের সর্বোচ্চ প্রাপ্তি হিসেবে গণ্য হয়। তবে মেধার এমন কিছু অনন্য ও বিস্ময়কর ব্যতিক্রমী দৃষ্টান্ত রয়েছে, যেখানে একই ব্যক্তি বা সংস্থা একাধিকবার এই মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন।

নোবেল কমিটির ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, এ পর্যন্ত মাত্র পাঁচজন ব্যক্তি এবং দুটি সংস্থা একাধিকবার নোবেল পুরস্কার পাওয়ার নজিরবিহীন গৌরব অর্জন করেছেন।

দুইবার নোবেলজয়ী পাঁচ অনন্য বিজ্ঞানী ও ব্যক্তিত্বব্যক্তিগত যোগ্যতায় বিজ্ঞানের ভিন্ন ভিন্ন শাখায় বা একই শাখায় দুইবার নোবেল পেয়ে বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন পাঁচ কিংবদন্তি:

মারি ক্যুরি (পদার্থবিজ্ঞান ও রসায়ন)
ইতিহাসের প্রথম ব্যক্তি হিসেবে দুইবার নোবেল জয়ের রেকর্ড গড়েন ফরাসি বিজ্ঞানী মারি ক্যুরি। ১৯০৩ সালে তেজস্ক্রিয়তা নিয়ে গবেষণার জন্য পদার্থবিজ্ঞানে যৌথভাবে এবং ১৯১১ সালে বিশুদ্ধ রেডিয়াম পৃথকীকরণের জন্য এককভাবে রসায়নে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন তিনি। দুটি ভিন্ন বিজ্ঞান শাখায় নোবেল পাওয়ার এই অনন্য রেকর্ড আজ পর্যন্ত কেউ ভাঙতে পারেনি।

লিনাস পলিং (রসায়ন ও শান্তি)
মার্কিন রসায়নবিদ লিনাস পলিং ইতিহাসের একমাত্র ব্যক্তি, যিনি দুটি ভিন্ন বিভাগে এককভাবে (কারো সঙ্গে ভাগ না করে) নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন। ১৯৫৪ সালে রাসায়নিক বন্ধনের প্রকৃতির ওপর গবেষণার জন্য তিনি রসায়নে নোবেল পান। পরবর্তীতে বিশ্বজুড়ে পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষার বিরুদ্ধে জোরালো আন্দোলনের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৯৬২ সালে তাকে নোবেল শান্তি পুরস্কারে ভূষিত করা হয়।

জন বারডিন
মার্কিন এই পদার্থবিজ্ঞানী ইতিহাসের প্রথম ব্যক্তি, যিনি একই বিভাগে (পদার্থবিজ্ঞান) দুইবার নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। ১৯৫৬ সালে ট্রানজিস্টর আবিষ্কারের জন্য এবং ১৯৭২ সালে অতিপরিবাহিতা বা সুপারকন্ডাক্টিভিটির মৌলিক তত্ত্ব প্রমাণের জন্য তিনি দুইবারই পদার্থবিজ্ঞানে যৌথভাবে নোবেল পান।

ফ্রেডরিক সেঙ্গার
ব্রিটিশ প্রাণরসায়নবিদ ফ্রেডরিক সেঙ্গার রসায়ন শাস্ত্রে দুইবার নোবেল জয়ের বিরল কৃতিত্ব দেখান। ১৯৫৮ সালে ইনসুলিনের গঠন আবিষ্কারের জন্য তিনি প্রথমবার রসায়নে নোবেল পান। এরপর ১৯৮০ সালে ডিএনএ সিকোয়েন্সিং বা নিউক্লিক অ্যাসিডের বেস সিকোয়েন্স নির্ধারণের পদ্ধতি আবিষ্কারের জন্য দ্বিতীয়বার রসায়নে নোবেল লাভ করেন।

ব্যারি শার্পলেস
তালিকার সর্বশেষ সংযোজন মার্কিন রসায়নবিদ কে. ব্যারি শার্পলেস। ২০০১ সালে চিরল অনুঘটক জারণ বিক্রিয়া আবিষ্কারের জন্য তিনি প্রথম রসায়নে নোবেল পান। এর দীর্ঘ ২১ বছর পর, ২০২২ সালে ‘ক্লিক কেমিস্ট্রি’ এবং বায়োঅর্থোগোনাল রসায়নের অভূতপূর্ব উন্নয়নের জন্য দ্বিতীয়বারের মতো রসায়নে যৌথভাবে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন তিনি।

ব্যক্তিগত রেকর্ডের বাইরে বৈশ্বিক মানবিক সংকটে অবদানের জন্য দুটি আন্তর্জাতিক সংস্থাকে একাধিকবার নোবেল শান্তি পুরস্কার দেওয়া হয়েছে:

রেড ক্রস
আন্তর্জাতিক রেড ক্রস কমিটি নোবেল ইতিহাসের সর্বোচ্চ ৩ বার (১৯১৭, ১৯৪৪ এবং ১৯৬৩ সালে) বিশ্ব শান্তিতে অনন্য অবদানের জন্য নোবেল পুরস্কার লাভ করে। বিশেষ করে প্রথম ও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় যুদ্ধবন্দী ও আহতদের সেবায় নিয়োজিত থাকার কারণে সংস্থাটিকে এই সম্মান দেওয়া হয়।

জাতিসংঘ শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশনার
বিশ্বজুড়ে বাস্তুচ্যুত ও শরণার্থীদের অধিকার রক্ষায় কাজ করার স্বীকৃতিস্বরূপ এই সংস্থাটি দুইবার (১৯৫৪ এবং ১৯৮১ সালে) নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করে।
সূত্র: বিএসএস