বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৯ বৈশাখ ১৪৩৩
বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৯ বৈশাখ ১৪৩৩

আশাশুনিতে ৩৭০১ পরীক্ষার্থী, কেন্দ্রগুলোতে প্রস্তুতি সভা সম্পন্ন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২০ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:৫১ অপরাহ্ণ
আশাশুনিতে ৩৭০১ পরীক্ষার্থী, কেন্দ্রগুলোতে প্রস্তুতি সভা সম্পন্ন

আশাশুনি প্রতিনিধি: সারাদেশের ন্যায় আজ মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) থেকে শুরু হচ্ছে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা। সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার ১০টি কেন্দ্রে এবার ৩ হাজার ৭০১ জন পরীক্ষার্থী এই পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে। পরীক্ষা সুষ্ঠু ও নকলমুক্ত পরিবেশে সম্পন্ন করতে সোমবার কেন্দ্রগুলোতে কক্ষ পরিদর্শকদের নিয়ে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, এবার আশাশুনির ৫টি এসএসসি কেন্দ্র, ৪টি দাখিল এবং ১টি কারিগরি কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীরা পরীক্ষায় বসবে।
আশাশুনি সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ৭৭৩জন, বুধহাটা বিবিএম কলেজিয়েট স্কুল কেন্দ্রে ৬১৯ জন, দরগাহপুর এসকেআরএইচ স্কুল এন্ড কলেজ কেন্দ্রে ৪৬৫ জন, বড়দল আফতাব উদ্দীন কলেজিয়েট স্কুল কেন্দ্রে ৪৫২ জন এবং বিছট নিউ মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ২৫৭ জন। আশাশুনি আলিয়া মাদ্রাসা কেন্দ্রে ৩১৬ জন, গুনাকরকাটি খাইরিয়া আজিজীয়া কামিল মাদ্রাসা কেন্দ্রে ৩৩২ জন, প্রতাপনগর আবু বক্কর ছিদ্দিক ফাজিল মাদ্রাসা কেন্দ্রে ১৮৫ জন এবং মদিনাতুল উলুম বহুমুখী ফাজিল মাদ্রাসা কেন্দ্রে ২৫০ জন। সুন্দরবন টেকনিক্যাল এন্ড বিএম কলেজ কেন্দ্রে ৫২ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিচ্ছে।
পরীক্ষা শুরুর আগের দিন সকালে ৫টি এসএসসি পরীক্ষা কেন্দ্রে কক্ষ পরিদর্শকদের সঙ্গে কর্মকর্তাদের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। পৃথক এই সভাগুলোতে সভাপতিত্ব করেন সংশ্লিষ্ট কেন্দ্র সচিবরা।
সভায় আশাশুনি সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের সচিব মাজহারুল ইসলাম, বুধহাটা বিবিএম কলেজিয়েট স্কুলের মোহিত কুমার দাশ, দরগাহপুরের গৌরপদ মন্ডল, বড়দলের মো. বাবলুর রহমান এবং বিছট কেন্দ্রের শান্তি রঞ্জন দাশ নিজ নিজ কেন্দ্রে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।
সভায় বক্তারা বলেন, সরকারি নির্দেশনা যথাযথভাবে পালন করে সম্পূর্ণ নকলমুক্ত ও সুন্দর পরিবেশে পরীক্ষা গ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে। যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এবং পরীক্ষা কেন্দ্রে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে কক্ষ পরিদর্শকদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়। পরীক্ষায় জালিয়াতি রোধে কেন্দ্রগুলোতে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে বলেও সভায় জানানো হয়।

Ads small one

সাতক্ষীরা জেলা প্রতিবেশ উন্নয়ন ফোরামের সংবাদ সম্মেলন, ১৩ দফা সুপারিশ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৬, ৩:০৫ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরা জেলা প্রতিবেশ উন্নয়ন ফোরামের সংবাদ সম্মেলন, ১৩ দফা সুপারিশ

বিশ্বজুড়ে জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা ও মধ্যপ্রাচ্যকেন্দ্রিক ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনার প্রভাব সরাসরি এসে পড়ছে বাংলাদেশের অর্থনীতি ও জ্বালানি নিরাপত্তায়- যা সকল স্তরে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে, সৃষ্টি করেছে অস্থিরতা। উদ্বেগ তুলে ধরে “পরিবেশ ও প্রতিবেশ ফোরাম-সাতক্ষীরা” এই বিষয়ে উদ্বেগে প্রকাশ করে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে সরকারের দৃষ্টি আকর্ষন করা হয় এবং তা কার্যকর সমাধানের উপায় হিসাবে নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে রুপান্তরের জন্য আহবান জানানো হয়েছে।

 

বলা হয়, ইরান যুদ্ধকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক উত্তেজনা এবং হরমুজ প্রণালীর অনিশ্চয়তা বাংলাদেশের মতো আমদানিনির্ভর দেশের জন্য বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি করেছে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বিভিন্ন স্তরের পেশাজীবি ও বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে জ্বালানী সাশ্রয়ী নীতি ঘোষণা, সংকট মোকাবেলায় অগ্রাধিকার ভিত্তিক কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ, এখনই একই সাথে জ্বালানী সংকটের সময় বিকল্প জ্বালানি হিসাবে নবায়নাযাগ্য জ্বালানী বিশেষ করে সৌরশক্তি ওপর বিশেষ গুরুত্ব প্রদান করে কৌশলগতভাবে দ্রুত বিনিয়োগ বাড়ানের দাবি এবং জ্বালানী রুপান্ত উপকরনের উপর থেকে সকল প্রকার কর রেয়াত প্রদান করার অনুরোধ জানানো হয়।

বুধবার (২২ এপ্রিল ২০২৬) বেসরকারী উন্নয়ন সংস্থা স্বদেশ, ‘ক্লিন’ এবং ‘বিডব্লিউজিইডি’ এর সহযোগিতায় “প্রতিবেশ ও উন্নয়ন ফোরাম- সাতক্ষীরা” এর পক্ষ থেকে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য উপস্থাপন করেন স্বদেশের নির্বাহী পরিচালক মাধব চন্দ্র দত্ত। এসময় উপস্থিত ছিলেন, ফেরামের সভাপতি আব্দুল হামিদ। আরও উপস্থিত আছেন ফোরাম সদস্য ক্রিসেন্ট সংস্থার পরিচালক আবু জাফর সিদ্দীকি, সাংবাদিক বরুন ব্যানার্জী, আসাদুজ্জামান মধু, মৃত্যুঞ্জয় রায় প্রমুখ।

সংবাদ সম্মেলনে সাতক্ষীরা জেলা তথা দক্ষিণ অঞ্চলে জ্বালানী তেল তথা পেট্রলের অভাব এবং তার দুর করার জন্য আশু পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য স্থানীয় প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষন করা হয়। প্রেসবিজ্ঞপ্তি

ভোমরা স্থলবন্দর দিয়ে কাঁচা তুলা আমদানি কমেছে প্রায় অর্ধেক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:২৩ পূর্বাহ্ণ
ভোমরা স্থলবন্দর দিয়ে কাঁচা তুলা আমদানি কমেছে প্রায় অর্ধেক

অনলাইন ডেস্ক: সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দর দিয়ে চলতি অর্থবছরের প্রথম নয় মাসে কাঁচা তুলা আমদানি গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ৫০ শতাংশ কমেছে।

 

মূলত দেশীয় টেক্সটাইল মিলগুলোয় চাহিদা কমে যাওয়া এবং অর্থনৈতিক সংকটের প্রভাবে আমদানির এ নিম্নমুখী প্রবণতা দেখা দিয়েছে বলে জানান ব্যবসায়ী ও আমদানিকারকরা।

ভোমরা কাস্টম হাউজের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জুলাই-মার্চ পর্যন্ত এ বন্দর দিয়ে ৮১৩ টন কাঁচা তুলা আমদানি হয়েছে, যার বাজারমূল্য ৪৫ কোটি ৯১ লাখ টাকা। অথচ গত ২০২৪-২৫ অর্থবছরের একই সময়ে আমদানির পরিমাণ ছিল ১ হাজার ৫৫৬ টন, যার মূল্য ছিল ৮৫ কোটি ৮৫ লাখ টাকা। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে আমদানি কমেছে ৭৪৩ টন।

বন্দরের তুলা আমদা‌নিকা‌রক প্রতিষ্ঠান মেসার্স সুন্দরবন এজে‌ন্সির স্বত্বা‌ধিকারী প‌রি‌তোষ কুমার জানান, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর থেকে স্থানীয় মিলগুলোয় চাহিদা উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে।

 

অন‌্যদি‌কে ভার‌তেও গত অর্থবছরের তুলনায় চল‌তি অর্থবছর তুলার দাম কমেছে প্রায় ২০ শতাংশ। গত বছর ভার‌তে যে কাঁচা তুলা প্রতি পাউন্ড ১১৪ টাকা দ‌রে বি‌ক্রি হয়েছে, তা এ বছর বি‌ক্রি হচ্ছে ৯৫ টাকায়। অর্থাৎ প্রতি পাউন্ডে দাম কমেছে ১৯-২০ টাকা।

 

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, গত এক-দেড় বছর দেশের পোশাক ও সুতা উৎপাদনকারী খাতগুলো নানা সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার কারণেই কাঁচামাল হিসেবে তুলা আমদানির পরিমাণ কমে গেছে।

হজ পালনে যা জানা জরুরি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:২৬ পূর্বাহ্ণ
হজ পালনে যা জানা জরুরি

হজ একটি ফরজ ইবাদত। এটি ইসলামের পাঁচটি স্তম্ভের অন্যতম। তাই প্রত্যেক শারীরিক ও আর্থিকভাবে সক্ষম প্রাপ্তবয়স্ক মুসলমানের জন্য জীবনে অন্তত একবার হজ পালন করা আবশ্যক। এই মহান ইবাদত যথাযথভাবে আদায় করার জন্য নির্দিষ্ট কিছু নিয়ম-নীতি রয়েছে, যা জানা অত্যন্ত জরুরি।
এই আলোচনায় সংক্ষিপ্তভাবে হজের প্রস্তুতি থেকে শুরু করে তাওয়াফ, সাঈ, আরাফাতে অবস্থানসহ গুরুত্বপূর্ণ প্রতিটি রীতিনীতি ধারাবাহিকভাবে সহজ ও স্পষ্টভাবে তুলে ধরা হয়েছে।
একই সফরে ভিন্ন ইহরামে হজ ও উমরাহ পালন করাকে হজে তামাত্তু বলে। বাংলাদেশ থেকে যারা হজে যান তারা সাধারণত তামাত্তু হজ পালন করেন। হজ তামাত্তুর নিয়মগুলো নিচে দেওয়া হলো:

ইহরাম পরিধান: মিকাতে বা মিকাতের পূর্বে ইহরাম পরিধান করা (যাত্রার প্রথমে মক্কায় গেলে বাংলাদেশ বিমানবন্দরে ইহরাম পরিধান করে নেয়া।

কাবায় গমন: মক্কা পৌঁছে হোটেলে লাগেজ রেখে সামান্য বিশ্রাম নেয়া। এরপর অজু করে মুআল্লিমের সঙ্গে কাবায় যাওয়া।

তাওয়াফ: সাতবার কাবার চারপাশ প্রদক্ষিণ করা। সম্ভব হলে হাজরে আসওয়াদ চুম্বন করা।

সম্ভব না হলে হাজরে আসওয়াদের দিকে হাত দিয়ে ইশারা করে হাতে চুম্বন করা।
রমল ও ইজতিবা করা: তাওয়াফের সময় দ্রুত হাঁটা (রমল করা) এবং ইহরামের চাদর ডান হাতের নিচে এনে বাম কাঁধে রাখা যাতে ডান কাঁধ ও বাহু খোলা থাকে (ইজতিবা করা)। এগুলো তাওয়াফের সুন্নত।

সাঈ: সাফা ও মারওয়া পাহাড়ের মাঝে সাতবার সাঈ করা, সাফা থেকে শুরু করে মারওয়ায় গিয়ে শেষ করা।

হলক বা কসর করা: মাথা মুণ্ডানো (হলক) বা চুল কাটা (কসর)।

বি: দ্র: এই রীতিগুলো সম্পন্ন করার পর, হজের পূর্বে সময় থাকলে হাজিরা ইহরাম খুলে মদিনায় যেতে পারেন।

নোট:
হজে কিরান: একই সফরে একই ইহরামে হজ ও উমরাহ পালন করাকে হজে কিরান বলে। হজে কিরানের ক্ষেত্রে উপরের সব রীতি মানতে হয়। কেবল ইহরাম খুলে হালাল হওয়া যায় না।

হজে ইফরাদ: এক সফরে শুধু হজ করা এবং উমরাহ না করা। এমন হজের ক্ষেত্রে উপরের রীতিগুলো প্রযোজ্য নয়।

হজের মূল কাজসমূহ
হজের মূল কাজগুলো ৮ জিলহজ থেকে ১২ জিলহজ পর্যন্ত পালন করতে হয়। এ সময়ের কাজগুলো হলো-

৮ জিলহজ:
হোটেল বা কাবা শরিফে ইহরাম পরিধান করা এবং মক্কা থেকে মিনায় গমন করা। এখানে জোহর, আসর, মাগরিব, এশা এবং পরের দিন ফজর, মোট পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করা।
৯ জিলহজ:
এদিন সকালে মিনা থেকে আরাফার ময়দানে চলে যাওয়া। সেখানে জোহর ও আসর একত্রে আদায় করে নেয়া। মনোযোগ দিয়ে খুতবা শোনা এবং সূর্যাস্ত পর্যন্ত তালবিয়া, তাহমিদ, দোয়া-দরুদ ও ইস্তেগফার পাঠ করা। সূর্যাস্তের পর মুজদালিফায় চলে এসে মাগরিব ও এশা একত্রে আদায় করা। ফজরের পর ফের মিনার উদ্দেশ্যে রওনা হয়ে যাওয়া।

১০ জিলহজ:
মুজদালিফা থেকে মিনায় চলে যাওয়া এবং বড় শয়তান অর্থাৎ জামরাতে আকাবায় সাতটি পাথর নিক্ষেপ করা। পাথর নিক্ষেপের পর কোরবানি সম্পন্ন করে মাথা মুণ্ডন অথবা চুল খাটো করা। মাথা মুণ্ডন শেষ হলে তাওয়াফে জিয়ারত করা।
১১ জিলহজ:
শয়তানের তিনটি স্তম্ভে ৭টি করে ২১টি পাথর নিক্ষেপ করা।

১২ জিলহজ:
শয়তানের তিনটি স্তম্ভে পুনরায় ৭টি করে ২১টি পাথর নিক্ষেপ করা। ১২ তারিখের পর থেকে হাজিরা স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারবেন।