মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬, ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬, ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩

এআই দিয়ে মাদক কারবারির জার্সি বদল, এসআইকে শোকজ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১ জুলাই, ২০২৬, ১২:২৬ পূর্বাহ্ণ
এআই দিয়ে মাদক কারবারির জার্সি বদল, এসআইকে শোকজ

ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার হওয়া এক মাদক কারবারির গায়ে থাকা আর্জেন্টিনা ফুটবল দলের জার্সি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তি ব্যবহার করে ব্রাজিলের জার্সিতে পরিবর্তন করে গণমাধ্যমে ছবি পাঠানোর ঘটনায় বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের (বিএমপি) মিডিয়া উইংয়ের উপ-পরিদর্শক (এসআই) তানজিল আহমেদকে কারণ দর্শানোর নোটিশ করা হয়েছে।

 

মঙ্গলবার (৩০ জুন) বিএমপি কমিশনার মো. আশিক সাঈদের নির্দেশে তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ করা হয়।

এর আগে, সোমবার (২৯ জুন) নগরীর মোহাম্মদপুর কলোনি এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৮০০ পিস ইয়াবাসহ রাসেল হাওলাদার (৩৫) নামে এক মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করে কাউনিয়া থানা পুলিশ। গ্রেপ্তারের সময় তার গায়ে আর্জেন্টিনা ফুটবল দলের জার্সি ছিল। তবে পরে বিএমপির মিডিয়া উইং থেকে এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে ওই জার্সিকে ব্রাজিল ফুটবল দলের জার্সিতে পরিবর্তন করে ছবি গণমাধ্যমের হোয়াটসঅ্যাপে গ্রুপে পাঠানো হয়।

বিষয়টি প্রকাশ্যে এলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়। পরে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নির্দেশে প্রকৃত ছবি ও সঠিক তথ্যসহ নতুন করে ওই হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে ও বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের পেজে পোস্ট করা হয়।

 

ঘটনার বিষয়ে এসআই তানজিল আহমেদ জানান, তিনি এটি দুষ্টুমির ছলে করেছিলেন। এ ঘটনায় তিনি দুঃখ প্রকাশ করেছেন।

বিএমপি কমিশনার মো. আশিক সাঈদ জানান, শোকজের জবাব পাওয়ার পর বিষয়টি পর্যালোচনা করে পরবর্তী প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Ads small one

চামচ নয়- হাত দিয়ে খাওয়া অধিকতর স্বাস্থ্যকর

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১ জুলাই, ২০২৬, ১২:১২ পূর্বাহ্ণ
চামচ নয়- হাত দিয়ে খাওয়া অধিকতর স্বাস্থ্যকর

আমরা হাত দিয়ে খাবার খেতেই অভ্যস্ত বেশি। তবে অনেক দেশে সংস্কৃতির অংশ হিসেবে চপস্টিক বা কাঁটাচামচ দিয়ে খাওয়া হয়। অনেকে মনে করেন, হাত দিয়ে খাওয়া স্বাস্থ্যকর অভ্যাস নয়। তবে বিজ্ঞান বলছে, এই ধারণার ভিত্তি নেই। বরং চামচের চাইতে হাত দিয়ে খাওয়াটাই বেশি স্বাস্থ্যসম্মত। তবে খাওয়ার আগে হাত ভালো করে ধুয়ে নিতে হবে অবশ্যই।

টাইমস অব ইন্ডিয়ার একটি প্রতিবেদন জানাচ্ছে, কোন কোন কারণে চামচের বদলে হাত দিয়ে খাবার খাওয়া উচিত।

গবেষণা বলছে, হাত দিয়ে খাবার খাওয়ার অভ্যাস শরীর ও মস্তিষ্ককে এমনভাবে সক্রিয় করে, যা হজমশক্তি, মনোযোগ এবং সামগ্রিক স্বাস্থ্য উন্নত করতে পারে। তাই এই প্রাচীন অভ্যাসকে এখন শুধু ঐতিহ্য নয়, বরং একটি স্বাস্থ্যকর জীবনধারা হিসেবেও দেখা হচ্ছে।

১। আঙুলের সাহায্যে খাবার গ্রহণ করলে সেটা ইতিবাচক প্রভাব ফেলে হজমে। খাবার স্পর্শ করলে আঙুলের ত্বকে অবস্থিত স্নায়ু খাবারের ধরন মস্তিষ্ককে জানিয়ে দেয় এবং সেই অনুযায়ী পরিপাকতন্ত্র হজমের জন্য প্রয়োজনীয় পরিপাক রস নিঃসরণের জন্য প্রস্তুতি নিয়ে থাকে।

২। হাতে এক ধরনের ব্যাকটেরিয়া থাকে যা ক্ষতিকারক নয় এবং হাত পরিষ্কার করার পরেও এটি হাতে রয়ে যায়। পরিবেশের বিভিন্ন ক্ষতিকারক জীবাণু থেকে শরীরকে রক্ষা করে এই ব্যাকটেরিয়া। ফলে হাত দিয়ে খেলে সুস্বাস্থ্য বজায় থাকে।

৩। হাত দিয়ে খাওয়া এক ধরনের পেশির ব্যায়াম- যা রক্ত সঞ্চালন বাড়ায়।

৪। যখন আমরা হাত দিয়ে খাই, তখন সাধারণত ধীরে ধীরে খাওয়া হয়। চামচের সাহায্যে খেলে দ্রæত খাওয়া হয়। ধীরে খাওয়া খাবার ভালোভাবে হজম করতে সাহায্য করে।

৫। হাত দিয়ে খাবার খেলে পরিমিত খাওয়া সম্ভব হয়। এতে স্থুলতা থেকে দূরে থাকা সম্ভব হয়।

মানব শরীরে অসংখ্য উপকারী ব্যাকটেরিয়া রয়েছে, যা হজম ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতায় ভূমিকা রাখে। পরিষ্কার হাত দিয়ে খাবার খেলে স্বাভাবিকভাবে কিছু উপকারী মাইক্রোফ্লোরা শরীরে প্রবেশ করতে পারে, যা অন্ত্রের ব্যাকটেরিয়ার ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করতে পারে বলে কিছু গবেষণায় ধারণা পাওয়া যায়। তবে এটি এখনো পুরোপুরি প্রতিষ্ঠিত বৈজ্ঞানিক সিদ্ধান্ত নয়, গবেষণা চলমান।

ডট বিডি ও ডট বাংলা ডোমেইন সেবা দিচ্ছে আম্বার আইটি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১ জুলাই, ২০২৬, ১২:০৭ পূর্বাহ্ণ
ডট বিডি ও ডট বাংলা ডোমেইন সেবা দিচ্ছে আম্বার আইটি

ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান (আইএসপি) আম্বার আইটি লিমিটেড এখন বিটিসিএলের অনুমোদিত পুনর্বিক্রেতা (রিসেলার) হিসেবে টপ লেভেল কান্ট্রি ডোমেইন ডট বিডি ও ডট বাংলা ডোমেইন নিবন্ধন ও ব্যবস্থাপনা সেবা প্রদান করছে।
অনলাইনে দেশীয় পরিচয় ও ডিজিটাল উপস্থিতি শক্তিশালী করতে ডট বিডি এবং ডট বাংলা ডোমেইনের ব্যবহার দিন দিন বাড়ছে। এই চাহিদার কথা বিবেচনায় রেখে আম্বার আইটি গ্রাহকদের জন্য সহজ, নিরাপদ এবং ঝামেলামুক্ত ডোমেইন নিবন্ধন সেবা চালু করেছে।

আম্বার আইটির মাধ্যমে ডট বিডি ও ডট বাংলা ডোমেইন নিবন্ধনের ক্ষেত্রে গ্রাহকরা দ্রুত অ্যাক্টিভিশন সুবিধা পাবেন। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেওয়ার প্রক্রিয়াও তুলনামূলক সহজ করা হয়েছে। মোবাইল আর্থিক সেবা (এমএফএস) ও ব্যাংকের মাধ্যমে অনলাইনে টাকা পরিশোধের সুবিধা থাকায় যেকোনও জায়গা থেকে সহজে আবেদন করা যাবে।

এছাড়া ডোমেইনের সঙ্গে বিনামূল্যে ডিএনএস হোস্টিং ও ব্যবস্থাপনা সুবিধা পাওয়া যাবে। গ্রাহকদের সুবিধার্থে ডোমেইন নবায়ন, মেয়াদ এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সম্পর্কে নিয়মিত এসএমএস ও ই-মেইল নোটিফিকেশন পাঠানো হবে। ডোমেইন ব্যবস্থাপনার জন্য থাকছে ব্যবহারবান্ধব গ্রাহক প্যানেল, যার মাধ্যমে গ্রাহকরা নিজেরাই প্রয়োজনীয় কাজ সম্পন্ন করতে পারবেন।

এছাড়া ডট কম ডট বিডি, ডট কম ডট নেট, ডট কম ডট ইনফো, ডট কম ডট ওআরজি ইত্যাদি ডেমেইনও আম্বার আইটি থেকে নিবন্ধন করা যাবে। সাথে ডিএনএস হোস্টিং, ওয়েব হোস্টিং ও ইমে-ইল সার্ভিসও দেওয়া হয়। ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, উদ্যোক্তা এবং বিভিন্ন সংগঠন এখন দ্রুত, সহজ ও নির্ভরযোগ্য উপায়ে নিজেদের নামে দেশীয় ডোমেইন নিবন্ধন করতে পারবেন।

অনলাইনে জুয়া খেললে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১ জুলাই, ২০২৬, ১২:০৩ পূর্বাহ্ণ
অনলাইনে জুয়া খেললে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড

অনলাইন জুয়া, বেটিং, ম্যাচ ফিক্সিং, স্পট ফিক্সিং, ভিপিএন বা মিরর সাইট ব্যবহার করে জুয়া পরিচালনা এবং ক্রিপ্টোকারেন্সির মাধ্যমে জুয়ার অর্থ লেনদেনের শাস্তির বিধান রেখে ‘জুয়া প্রতিরোধ বিল, ২০২৬’ জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে।
মঙ্গলবার সংসদের বৈঠকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বিলটি পাসের প্রস্তাব করেন। পরে বিরোধী দলের সদস্যদের আনা জনমত যাচাই, বাছাই কমিটিতে পাঠানো ও সংশোধনী প্রস্তাবগুলো কণ্ঠভোটে নিষ্পত্তির পর বিলটি পাস হয়।

বিদ্যমান পাবলিক গ্যাম্বলিং অ্যাক্ট, ১৮৬৭ রহিত করে নতুন আইনটি করা হচ্ছে। সংবিধানের ১৮(২) অনুচ্ছেদে জুয়া নিরোধে রাষ্ট্রের কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের নীতির কথাও বিলের উদ্দেশ্য ও কারণ অংশে উল্লেখ করা হয়েছে।

বিলে বলা হয়েছে, সাধারণ জুয়ার অপরাধে কোনো ব্যক্তি সর্বোচ্চ দুই বছরের কারাদণ্ড বা সর্বোচ্চ দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন। আর অনলাইন জুয়া বা দূরবর্তী জুয়ার অপরাধে সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের কারাদণ্ড বা সর্বোচ্চ এক কোটি টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।

এছাড়া অনলাইন বেটিংয়ের অপরাধে সর্বোচ্চ সাত বছরের কারাদণ্ড বা সর্বোচ্চ পাঁচ কোটি টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড হতে পারে।

জুয়ার স্থান পরিচালনা, নিয়ন্ত্রণ বা ব্যবহারের জন্য সর্বোচ্চ পাঁচ বছর কারাদণ্ড ও চার লাখ টাকা অর্থদণ্ডের পাশাপাশি আদালতের আদেশে সংশ্লিষ্ট ভবন, কক্ষ, যানবাহন, সার্ভার অবকাঠামো বা সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা যাবে। জুয়ার সামগ্রী সংরক্ষণ, প্রস্তুত, সরবরাহ, বিক্রি, বিতরণ, আমদানি বা ব্যবহারের জন্য সর্বোচ্চ তিন বছর কারাদণ্ড ও ১০ লাখ টাকা অর্থদণ্ড এবং আদালতের মাধ্যমে এসব সামগ্রী বাজেয়াপ্ত বা ধ্বংসের নির্দেশ দেওয়ার ক্ষমতা রাখা হয়েছে। বাজিকর হিসেবে কার্যক্রম পরিচালনার জন্য সর্বোচ্চ সাত বছর কারাদণ্ড ও পাঁচ কোটি টাকা অর্থদণ্ডের বিধান রয়েছে।

ম্যাচ ফিক্সিংয়ের জন্য সর্বোচ্চ সাত বছর কারাদণ্ড ও এক কোটি টাকা অর্থদণ্ড এবং স্পট ফিক্সিংয়ের জন্য সর্বোচ্চ পাঁচ বছর কারাদণ্ড ও ৫০ লাখ টাকা অর্থদণ্ড নির্ধারণ করা হয়েছে। আদালত দোষী ব্যক্তিকে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য অথবা স্থায়ীভাবে সংশ্লিষ্ট খেলাধুলা, প্রতিযোগিতা বা ক্রীড়া কার্যক্রমে অংশগ্রহণে অযোগ্য ঘোষণা করতে পারবেন। একইভাবে জুয়ার বিজ্ঞাপন, বিভ্রান্তিকর প্রচারণা, মিথ্যা লাভের প্রতিশ্রুতি, স্পন্সরশিপ, অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং বা রেফারেল ক্যাম্পেইন পরিচালনার জন্য ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান, গণমাধ্যম, ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম, ইনফ্লুয়েন্সার, শিল্পী, খেলোয়াড় বা সেলিব্রিটিকে সর্বোচ্চ তিন বছর কারাদণ্ড ও ৫০ লাখ টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করার বিধান রাখা হয়েছে।

ভিপিএন, প্রক্সি, মিরর সাইট, হোস্টিং, ডোমেইন সার্ভিস, ক্লাউড অবকাঠামো বা কনটেন্ট ডেলিভারি নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে জুয়া পরিচালনার জন্য সর্বোচ্চ সাত বছর কারাদণ্ড ও পাঁচ কোটি টাকা অর্থদণ্ড নির্ধারণ করা হয়েছে। ভুয়া সিম, ঘোস্ট সিম, ভুয়া এমএফএস অ্যাকাউন্ট বা বায়োমেট্রিক জালিয়াতির মাধ্যমে জুয়া পরিচালনার জন্য সর্বোচ্চ সাত বছর কারাদণ্ড ও ৫০ লাখ টাকা অর্থদণ্ড এবং সংঘবদ্ধভাবে বা অর্থপাচারের উদ্দেশ্যে এ অপরাধ সংঘটিত হলে সর্বোচ্চ ১০ বছর কারাদণ্ড ও পাঁচ কোটি টাকা অর্থদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে। জুয়ার অর্থ ব্যাংক, এমএফএস, ডিজিটাল ওয়ালেট, হাওলা, হুন্ডি বা ক্রিপ্টোকারেন্সির মাধ্যমে লেনদেন, গোপন বা বৈধ করার চেষ্টা করলে তা মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২-এর অধীন সম্পৃক্ত অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে।

আইনে বলা হয়েছে, কোনো কোম্পানি, করপোরেট সংস্থা, ডিজিটাল গ্যাম্বলিং প্ল্যাটফর্ম, হোস্টিং প্রোভাইডার, পেমেন্ট গেটওয়ে বা অন্য কোনো প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে অপরাধ সংঘটিত হলে সংশ্লিষ্ট পরিচালক, নির্বাহী কর্মকর্তা, ব্যবস্থাপক, অংশীদার বা দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে দায়ী করা যাবে, যদি না তিনি প্রমাণ করতে পারেন যে অপরাধটি তার অজ্ঞাতসারে সংঘটিত হয়েছে এবং তা প্রতিরোধে তিনি যথাসাধ্য চেষ্টা করেছেন। প্রতিষ্ঠানটিকেও পৃথকভাবে অভিযুক্ত করা যাবে এবং আদালত প্রয়োজনে তাদের নিবন্ধন, লাইসেন্স বা কার্যক্রম স্থগিত, বাতিল বা নিষিদ্ধ করতে পারবেন। একই অপরাধ পুনরায় সংঘটিত হলে সর্বোচ্চ শাস্তির দ্বিগুণ পর্যন্ত দণ্ড দেওয়ার বিধান রাখা হয়েছে।

নতুন আইনে অপরাধে ব্যবহৃত বা অপরাধ থেকে অর্জিত অর্থ, সম্পদ, ব্যাংক হিসাব, এমএফএস অ্যাকাউন্ট, ডিজিটাল ওয়ালেট, ক্রিপ্টো সম্পদ, সার্ভার, ডোমেইন, সিম, ডিভাইসসহ অন্যান্য সম্পদ বাজেয়াপ্ত করার ক্ষমতা আদালতকে দেওয়া হয়েছে। অনলাইন জুয়া, অনলাইন বেটিং এবং সাইবার স্পেসে সংঘটিত অপরাধের বিচার সাইবার ট্রাইব্যুনালে হবে, অন্য অপরাধের বিচার হবে এখতিয়ারসম্পন্ন ফৌজদারি আদালতে। আইনের অধীন সব অপরাধ আমলযোগ্য, জামিন অযোগ্য এবং আপস অযোগ্য হিসেবে গণ্য হবে। তদন্তের ক্ষেত্রে সাব-ইন্সপেক্টরের নিচের পদমর্যাদার কোনো পুলিশ কর্মকর্তা দায়িত্ব পালন করতে পারবেন না এবং প্রয়োজন হলে আদালতের অনুমতি নিয়ে অভিযুক্তের ব্যাংক হিসাব, এমএফএস অ্যাকাউন্ট, ডিজিটাল ওয়ালেট বা ক্রিপ্টো ওয়ালেট সাময়িকভাবে ফ্রিজ করা যাবে।