রবিবার, ৯ আগস্ট ২০২৬, ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
রবিবার, ৯ আগস্ট ২০২৬, ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩

একটি প্রতিষ্ঠানের অধ্যায়ের সমাপ্তি, সাংবাদিকতার নয়

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২ আগস্ট, ২০২৬, ৫:০১ অপরাহ্ণ
একটি প্রতিষ্ঠানের অধ্যায়ের সমাপ্তি, সাংবাদিকতার নয়

সচ্চিদানন্দ দে সদয়

প্রথম আলোর সাতক্ষীরা প্রতিনিধি হিসেবে দীর্ঘ কর্মজীবনের পর কল্যাণ ব্যানার্জী বয়সসীমা-সংক্রান্ত নীতিমালা অনুযায়ী অবসরে গেছেন। সংবাদপত্রের একটি প্রতিষ্ঠানে তাঁর দায়িত্বের এখানেই সমাপ্তি। কিন্তু সাংবাদিকতার সঙ্গে তাঁর পথচলা থেমে যায়নি। তিনি এখনও সক্রিয়ভাবে সংবাদ পেশায় যুক্ত আছেন, বর্তমানে কাজ করছেন ডেইলি স্টার-এর সঙ্গে। ফলে এটি কোনো সাংবাদিকের বিদায় নয়; বরং একটি প্রতিষ্ঠানে তাঁর দীর্ঘ ও গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের সমাপ্তি। তবু ঘটনাটি গুরুত্বের দাবি রাখে। কারণ একটি জাতীয় দৈনিকে দীর্ঘদিন কাজ করা কোনো সাংবাদিক কেবল সংবাদ পাঠান না; তিনি একটি জনপদের স্মৃতি, পরিবর্তন, সংকট ও সম্ভাবনার ধারাবাহিক সাক্ষী হয়ে ওঠেন।

 

একটি জেলার সামাজিক, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও পরিবেশগত বাস্তবতা সম্পর্কে যে গভীর বোধ বছরের পর বছর মাঠে কাজ করার মাধ্যমে তৈরি হয়, সেটি সহজে অর্জন করা যায় না। সাংবাদিকতার প্রকৃত শক্তি প্রযুক্তি, ক্যামেরা বা পরিচয়পত্রে নয়; এর শক্তি নিহিত থাকে বিশ্বাস যোগ্যতায়। আর বিশ্বাস যোগ্যতা তৈরি হয় সময়, সততা, ধৈর্য ও দায়িত ¡বোধের সমন্বয়ে।

 

একজন অভিজ্ঞ সাংবাদিক জানেন, কোন তথ্য প্রকাশের আগে আরও একবার যাচাই করতে হয়, কোন অভিযোগের বিপরীত পক্ষের বক্তব্য নেওয়া জরুরি এবং কোন সংবাদটি তাৎক্ষণিক আলোড়নের চেয়ে দীর্ঘমেয়াদে জনস্বার্থে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। এই অভিজ্ঞতার কোনো শর্টকাট নেই। সাতক্ষীরার মতো একটি জেলার বাস্তবতা আরও জটিল। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব, উপকূলীয় মানুষের জীবন সংগ্রাম, নদী ও পরিবেশের সংকট, সীমান্ত-সংক্রান্ত নানা বিষয়, কৃষি, মৎস্য, দুর্যোগ ও স্থানীয় প্রশাসনের কার্যক্রমÑএসব নিয়ে ধারা বাহিকভাবে কাজ করতে হলে কেবল সংবাদ লেখার দক্ষতা যথেষ্ট নয়; প্রয়োজন এলাকার মানুষের আস্থা ও দীর্ঘ মাঠ-অভিজ্ঞতা। একজন অভিজ্ঞ জেলা প্রতিনিধির সবচেয়ে বড় শক্তি এখানেই।

 

অবশ্য কোনো প্রতিষ্ঠান কখনোই একজন মানুষকে ঘিরে দাঁড়িয়ে থাকে না। নতুন মানুষ আসবেন, নতুন দৃষ্টিভঙ্গি যোগ হবে, সাংবাদিকতা এগিয়ে যাবে। এটাই স্বাভাবিক নিয়ম। কিন্তু একই সঙ্গে এটাও সত্য, একজন অভিজ্ঞ সংবাদকর্মী একটি প্রতিষ্ঠান ছেড়ে গেলে তাঁর সঙ্গে কিছু প্রাতিষ্ঠানিক স্মৃতি, কিছু সম্পর্ক, কিছু অভিজ্ঞতাও সরে যায়। নতুনরা সে সব গড়ে তুলবেন, তবে তার জন্য সময় প্রয়োজন।

 

বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যমে বয়সসীমা বা অবসরের নীতিমালা নতুন কোনো বিষয় নয়। বড় প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের নিজস্ব নীতির ভিত্তিতে এ ধরনের সিদ্ধান্ত নেয়। এটি প্রশাসনিক বাস্তবতা। কিন্তু একজন সাংবাদিকের পেশাগত জীবন কেবল একটি প্রতিষ্ঠানের চাকরির মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না। যাঁদের লেখনী, সততা ও পেশাগত দক্ষতার প্রতি মানুষের আস্থা রয়েছে, তাঁরা অন্য কোনো সংবাদমাধ্যমে বা অন্য ভূমিকায় থেকেও সমাজের জন্য অবদান রাখতে পারেন। কল্যাণ ব্যানার্জীর বর্তমান পেশাগত অবস্থান সেই বাস্তবতারই একটি উদাহরণ। এই ঘটনা আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন সামনে আনে।

 

আমরা কি অভিজ্ঞ সাংবাদিকদের অভিজ্ঞতাকে যথাযথভাবে কাজে লাগাতে পারছি? একটি জেলা থেকে জাতীয় পর্যায়ে সংবাদ পাঠানোর ক্ষেত্রে যে বিচক্ষণতা, তথ্যসূত্র গড়ে তোলার সক্ষমতা এবং জনস্বার্থকে অগ্রাধিকার দেওয়ার মানসিকতা প্রয়োজন, তা নতুন প্রজন্মের কাছে কীভাবে পৌঁছাবে? সংবাদ মাধ্যমের ভবিষ্যৎ নির্ভর করে কেবল নতুন মুখের ওপর নয়; বরং অভিজ্ঞতা ও নবীন শক্তির সমন্বয়ের ওপর। বর্তমান সময়ে সাংবাদিকতা কঠিন এক সন্ধিক্ষণ অতিক্রম করছে।

 

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের বিস্তার তথ্যপ্রবাহকে সহজ করেছে, কিন্তু একই সঙ্গে বাড়িয়েছে গুজব, বিভ্রান্তি ও যাচাইহীন তথ্যের ঝুঁকি। এই সময়ে অভিজ্ঞ সাংবাদিকদের ভূমিকা আরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। কারণ তাঁরা জানেন, দ্রুত হওয়ার চেয়ে নির্ভুল হওয়া কেন বেশি জরুরি। জেলা সাংবাদিকতার ক্ষেত্রেও নতুন কিছু চ্যালেঞ্জ তৈরি হয়েছে। অনেক জায়গায় সংবাদ মাধ্যমের সংখ্যা বেড়েছে, কিন্তু সব ক্ষেত্রে পেশাদার সাংবাদিকতার চর্চা সমানভাবে শক্তিশালী হয়নি। পরিচয়পত্র পাওয়া সহজ হলেও বিশ্বাস যোগ্যতা অর্জন সহজ নয়।

 

সংবাদ সংগ্রহের চেয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উপস্থিতি অনেকের কাছে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। এই বাস্তবতায় অভিজ্ঞ সাংবাদিকদের উপস্থিতি নতুনদের জন্য একটি মানদ- তৈরি করে। তবে অভিজ্ঞতার মূল্যায়ন করতে গিয়ে নতুনদের সম্ভাবনাকেও খাটো করা উচিত নয়। প্রতিটি প্রজন্মই সাংবাদিকতায় নতুন চিন্তা, নতুন প্রযুক্তি ও নতুন দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে আসে। প্রয়োজন এমন একটি পরিবেশ, যেখানে অভিজ্ঞতা পথ দেখাবে এবং নতুনরা সেই পথকে আরও প্রসারিত করবে। প্রতিযোগিতা থাকবে, কিন্তু সেটি হবে পেশাগত উৎকর্ষ অর্জনের প্রতিযোগিতা; ব্যক্তিগত বিরোধের নয়।

 

একটি জেলার সাংবাদিকতার মান নির্ধারণ হয় না সেখানে কতটি প্রেসক্লাব আছে, কতটি অনলাইন পোর্টাল আছে বা কতজন পরিচয় পত্রধারী ব্যক্তি আছেনÑতা দিয়ে। এর মান নির্ধারণ হয় কতটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশিত হচ্ছে, কতটা তথ্যনির্ভর সংবাদ প্রকাশ পাচ্ছে, কতটা নিরপেক্ষভাবে মানুষের কথা তুলে ধরা হচ্ছে এবং কতটা সাহসের সঙ্গে জনস্বার্থের প্রশ্ন উত্থাপন করা হচ্ছেÑতা দিয়ে। কল্যাণ ব্যানার্জীর প্রথম আলো থেকে অবসর সেই অর্থে একটি উপলক্ষ। এই উপলক্ষ আমাদের মনে করিয়ে দেয়, একজন সাংবাদিকের প্রকৃত পরিচয় তাঁর প্রতিষ্ঠান নয়, তাঁর কাজ। একটি প্রতিষ্ঠানে দায়িত্ব শেষ হতে পারে, কিন্তু সাংবাদিকতার দায় শেষ হয় না।

 

সত্য অনুসন্ধান, মানুষের কথা বলা এবং ক্ষমতার জবাবদিহি নিশ্চিত করার দায়িত্ব একজন পেশাদার সাংবাদিক সারাজীবন বহন করেন। সাংবাদিকতার ইতিহাসে ব্যক্তি আসবেন, ব্যক্তি যাবেন; প্রতিষ্ঠানও সময়ের সঙ্গে পরিবর্তিত হবে। কিন্তু টিকে থাকবে পেশার মৌলিক মূল্যবোধÑসত্য, নিরপেক্ষতা, দায়িত্ববোধ এবং জনস্বার্থ। এই মূল্যবোধ যত শক্তিশালী হবে, ততই শক্তিশালী হবে জেলা সাংবাদিকতা।

 

তাই কল্যাণ ব্যানার্জীর প্রথম আলো থেকে অবসরকে কেবল একজন সাংবাদিকের বিদায় হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। এটি একটি প্রতিষ্ঠানে দীর্ঘ কর্মজীবনের সমাপ্তি, কিন্তু সাংবাদিকতার নয়। বরং এটি মনে করিয়ে দেয়Ñঅভিজ্ঞতাকে সম্মান জানিয়ে নতুন প্রজন্মকে আরও দক্ষ, দায়িত্বশীল ও অনুসন্ধানী করে গড়ে তোলাই এখন সময়ের দাবি। কারণ শক্তিশালী জেলা সাংবাদিকতা শুধু একটি পেশার প্রয়োজন নয়; এটি একটি গণতান্ত্রিক সমাজেরও অপরিহার্য শর্ত।

লেখক: সংবাদকর্মী

 

Ads small one

সখিপুরের কাজিমহল্লা মাদ্রাসায় ১১ বস্তা চাল দিলেন আলফা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৯ আগস্ট, ২০২৬, ৬:৩৭ অপরাহ্ণ
সখিপুরের কাজিমহল্লা মাদ্রাসায় ১১ বস্তা চাল দিলেন আলফা

Oplus_131072

কে এম রেজাউল করিম, দেবহাটা: সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলার সখিপুর ইউনিয়নের কাজিমহল্লা মাদ্রাসার খাদ্য সংকট মোকাবিলায় মানবিক সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে ম্যান ফর ম্যান ফাউন্ডেশন। ম্যান ফর ম্যান ফাউন্ডেশনের প্রধান উপদেষ্টা ও দেবহাটা উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আল ফেরদৌস আলফার পক্ষ থেকে মাদ্রাসাটিতে ১১ বস্তা চাল প্রদান করা হয়েছে।

শনিবার (৮ আগস্ট) বিকেলে চাল হস্তান্তরকালে উপস্থিত ছিলেন ম্যান ফর ম্যান ফাউন্ডেশনের কেন্দ্রীয় সভাপতি, কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক, উপজেলা সভাপতি এবং কেন্দ্রীয় পরিচালকবৃন্দ। এ সময় সংগঠনের নেতৃবৃন্দ মাদ্রাসার সার্বিক কার্যক্রম ও শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন বিষয়ে খোঁজখবর নেন।

ম্যান ফর ম্যান ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে বলা হয়, সমাজের অসহায়, দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোই তাদের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। শুধু ব্যক্তিগত উদ্যোগ নয়, সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে সমাজের মানুষের মৌলিক প্রয়োজন পূরণে সহযোগিতা করাই সংগঠনটির উদ্দেশ্য।

মাদ্রাসায় খাদ্য সহায়তা পৌঁছে দেওয়ায় সংশ্লিষ্টরা আল ফেরদৌস আলফা ও ম্যান ফর ম্যান ফাউন্ডেশনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তারা বলেন, এ ধরনের সহযোগিতা শুধু একটি প্রতিষ্ঠানের খাদ্য সংকটই মোকাবিলা করে না, বরং সমাজে মানবিকতা, সহমর্মিতা ও পারস্পরিক সহযোগিতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করে।

স্থানীয়রা বলেন, বর্তমান সময়ে বিভিন্ন সামাজিক ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের নানা সংকট মোকাবিলায় সমাজের বিত্তবান ও সামর্থ্যবান ব্যক্তিদের এগিয়ে আসা প্রয়োজন। মানুষের বিপদে পাশে দাঁড়ানোর এমন উদ্যোগ সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

ম্যান ফর ম্যান ফাউন্ডেশনের প্রধান উপদেষ্টা আল ফেরদৌস আলফার পক্ষ থেকে দেওয়া এ সহায়তাকে মানবিক ও প্রশংসনীয় উদ্যোগ হিসেবে দেখছেন স্থানীয়রা।

সংগঠনটির মূলমন্ত্র—“জীবন প্রতিযোগিতার নয়, জীবন সহযোগিতায়”-এই বার্তাকেই সামনে রেখে মানুষের পাশে দাঁড়ানোর প্রত্যয় ব্যক্ত করেন সংশ্লিষ্টরা।

 

 

 

সাতক্ষীরা সীমান্তে বিজিবির অভিযানে প্রায় তেইশ লক্ষ টাকার মালামাল আটক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৯ আগস্ট, ২০২৬, ৬:৩২ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরা সীমান্তে বিজিবির অভিযানে প্রায় তেইশ লক্ষ টাকার মালামাল আটক

পত্রদূত রিপোর্ট: রবিবার (০৯ আগস্ট ২০২৬) সাতক্ষীরা ৩৩ বিজিবি ব্যাটালিয়ন এর অধীনস্থ গাজীপুর, তলুইগাছা, মাদরা, কাকডাঙ্গা ও চান্দুরিয়া বিওপি এবং বাঁকাল চেকপোষ্ট এর টহলদল দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় চোরাচালান বিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ ও ঔষধ আটক করেছে।

সাতক্ষীরা ৩৩ বিজিবি ব্যাটালিয়ন জানায়, গাজীপুর বিওপির আভিযানে সাতক্ষীরা সদর থানার ঘেরের পাড় হতে ১ লাখ ২০ হাজার টাকার ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ আটক করে। তলুইগাছা বিওপির আভিযানে সাতক্ষীরা সদর থানার শালবাগান হতে ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকার ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ আটক করে।

 

কাকডাঙ্গা বিওপির আভিযানে কলারোয়া থানার ভাদিয়ালি হতে ২ লাখ ১০ হাজার টাকার ভারতীয় ঔষধ আটক করে। মাদরা বিওপির আভিযানে কলারোয়া থানার আম বাগান হতে ৮ লাখ ০৪ হাজার টাকার ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ আটক করে। চান্দুরিয়া বিওপির আভিযানে কলারোয়া থানার কাঁদপুর হতে ৩ লাখ ১৬ হাজার ৫০০ টাকার ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ আটক করে।

এছাড়াও, বাঁকাল চেকপোষ্ট এর আভিযানে সাতক্ষীরা সদর থানার আলিপুর হাটখোলা হতে ৯০ হাজার টাকার ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ আটক করে। আটক পন্যের সর্বমোট মূল্য ২২ লাখ ৯০ হাজার ৫০০ টাকা।

বিজিবি আরো জানায়, চোরাকারবারী কর্তৃক বর্ণিত মালামাল শুল্ককর ফাঁকি দিয়ে অবৈধভাবে ভারত হতে বাংলাদেশে পাচার করায় জব্দ করা হয়। এভাবে ভারতীয় দ্রব্য সামগ্রী চোরাচালানের কারণে দেশীয় শিল্প ক্ষতিগ্রস্থ হবার পাশাপাশি দেশ উল্লেখযোগ্য রাজস্ব আয় হতে বঞ্চিত হচ্ছে।

 

দেশের রাজস্ব ফাঁকি রোধ করে স্থানীয় শিল্প বিকাশে বিজিবি’র এরূপ দেশপ্রেমিক ও জনস্বার্থে পরিচালিত অভিযানে উপস্থিত স্থানীয় জনগন সাধুবাদ জ্ঞাপন করে এ ধরণের অভিযান অব্যাহত রাখার জন্য অনুরোধ করেন।

 

 

 

সাতক্ষীরায় সেবা বান্ধব পুলিশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৯ আগস্ট, ২০২৬, ৬:২০ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় সেবা বান্ধব পুলিশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধন

পত্রদূত রিপোর্ট: রবিবার (০৯ আগস্ট ২০২৬) সকাল ৯ টায় সাতক্ষীরা ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারের আয়োজনে ‘পুলিশের মোটিভেশন ট্রেনিং ও নৈতিক উন্নয়ন সংক্রান্ত’ প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়।

 

জনবান্ধব, সেবামুখী ও নৈতিক মূল্যবোধসম্পন্ন পুলিশ বাহিনী গড়ে তোলার লক্ষ্যে ৫ দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সাতক্ষীরা ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারের কমান্ড্যান্ট (ভারপ্রাপ্ত) এ.এস.এম. হাফিজুর রহমান।

উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধন করেন পুলিশ সুপার আবু সালেহ মোঃ আশরাফুল আলম।

উদ্বোধনী বক্তব্যে প্রধান অতিথি বলেন, এই প্রশিক্ষণের মূল উদ্দেশ্য হলো পুলিশ সদস্যদের মধ্যে জনসেবার মানসিকতা, সততা, শৃঙ্খলা, মানবিকতা, পেশাদারিত্ব ও নৈতিক মূল্যবোধ আরও সুদৃঢ় করা।

 

জনগণের প্রতি আরও আন্তরিক, দায়িত্বশীল ও মানবিক আচরণের মাধ্যমে পুলিশ ও জনগণের মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ ও আস্থাভাজন সম্পর্ক গড়ে তোলা। তিনি প্রশিক্ষণলব্ধ জ্ঞান ও মূল্যবোধ কর্মক্ষেত্রে যথাযথভাবে প্রয়োগের জন্য সকল প্রশিক্ষণার্থী’র প্রতি আহ্বান জানান।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল), মোঃ শাহীনুর চৌধুরীসহ বিভিন্ন পদমর্যাদার প্রশিক্ষক ও প্রশিক্ষণার্থী পুলিশ সদস্যবৃন্দ।