মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩

‘এক গ্রাম, এক শিল্প’: গ্রামীণ অর্থনীতিতে নতুন বিপ্লবের রূপরেখা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন, ২০২৬, ১১:৪৫ অপরাহ্ণ
‘এক গ্রাম, এক শিল্প’: গ্রামীণ অর্থনীতিতে নতুন বিপ্লবের রূপরেখা

সম্পাদকীয়

একটি দেশের টেকসই ও সুষম অর্থনৈতিক উন্নয়নের মূল চাবিকাঠি লুকিয়ে থাকে তার গ্রামীণ জনপদের বিকাশের মধ্যে। বাংলাদেশ বিগত কয়েক দশকে নগরায়ণ ও শিল্পায়নে অভূতপূর্ব সাফল্য অর্জন করলেও, গ্রামীণ অর্থনীতির চিরাচরিত কাঠামোকে আধুনিক ও স্বাবলম্বী করার ক্ষেত্রে এখনও নানামুখী চ্যালেঞ্জ রয়ে গেছে। এই বাস্তবতায় সম্প্রতি খুলনা বিভাগীয় কমিশনারের সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত সেমিনারে আলোচিত ‘এক গ্রাম, এক শিল্প’ (ওয়ান ভিলেজ, ওয়ান প্রোডাক্ট বা ওভিওপি মডেলের আদলে) ভাবনার বাস্তবায়ন গ্রামীণ অর্থনীতিতে এক নতুন দিগন্তের উন্মোচন করতে পারে। সরকারের এই উদ্যোগটি প্রাথমিকভাবে পাইলট বা পরীক্ষামূলক প্রকল্প হিসেবে শুরু হলেও এর সুদূরপ্রসারী অর্থনৈতিক ও সামাজিক তাৎপর্য রয়েছে।

‘এক গ্রাম, এক শিল্প’ ধারণার মূল সৌন্দর্য নিহিত রয়েছে গ্রামীণ জনশক্তির সর্বোচ্চ উপযোগিতা নিশ্চিত করার মধ্যে। আমাদের গ্রামে বিপুল পরিমাণ অব্যবহৃত বা লক্ষ্যহীন শ্রম রয়েছে, যা সঠিক নির্দেশনার অভাবে জাতীয় উৎপাদনে অবদান রাখতে পারছে না। বিশেষ করে গ্রামীণ নারীরা যদি বাড়ির আঙিনায় হাঁস-মুরগি, গবাদিপশু পালন কিংবা শাকসবজি চাষের মতো ক্ষুদ্র উদ্যোগকে একটি পরিকল্পিত কাঠামোর আওতায় এনে শিল্প হিসেবে গড়ে তুলতে পারেন, তবে তা গ্রামীণ নারীর ক্ষমতায়ন ও দারিদ্র্য বিমোচনে যুগান্তকারী ভূমিকা রাখবে। তাছাড়া, ১০ বছর বয়স থেকেই শিশুদের অর্থনৈতিক সচেতনতা ও কর্ম ব্যবস্থাপনার সাথে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার যে দর্শন এই উদ্যোগে রয়েছে, তা ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে কর্মবিমুখ তাত্ত্বিক শিক্ষার পরিবর্তে বাস্তবমুখী ও উৎপাদনশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে সাহায্য করবে। শিক্ষা ও কর্মকে একে অপরের পরিপূরক করে তোলার এই চিন্তা আধুনিক যুগের চাহিদা।

তবে, সেমিনারে প্রধান অতিথি খুলনা বিভাগীয় কমিশনার মো. আবদুল্লাহ হারুন যথার্থই বলেছেনÑযেকোনো নতুন উদ্যোগ নেওয়া সহজ, কিন্তু তার বাস্তবায়ন করা অত্যন্ত কঠিন। ‘এক গ্রাম, এক শিল্প’ প্রকল্পকে কেবল সরকারি ফাইলের লাল ফিতায় বন্দি না রেখে মাঠপর্যায়ে সফল করতে হলে ত্রিবিধ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হবে। প্রথমত, প্রতিটি গ্রামের ভৌগোলিক ও প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য বিবেচনা করে সঠিক পণ্য বা খাতটি বেছে নেওয়া। দ্বিতীয়ত, গ্রামে উৎপাদিত কাঁচামাল বা কৃষি পণ্যকে প্রক্রিয়াজাতকরণের (অ্যাগ্রো-প্রসেসিং) জন্য প্রয়োজনীয় প্রযুক্তি, হিমাগার ও ক্ষুদ্র শিল্প অবকাঠামো গড়ে তোলা। এবং তৃতীয়ত, মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য এড়িয়ে উৎপাদকের উৎপাদিত পণ্য যাতে সরাসরি শহুরে বাজার বা পর্যটন শিল্পের সাথে যুক্ত হতে পারে, তার জন্য একটি নিরবচ্ছিন্ন সাপ্লাই চেইন বা রুট তৈরি করা।

এই বিশাল কর্মযজ্ঞ কেবল সরকারের একার পক্ষে বা একক কোনো দপ্তরের মাধ্যমে বাস্তবায়ন করা অসম্ভব। এর জন্য পরিবেশ অধিদপ্তর, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর নগর ও গ্রামীণ পরিকল্পনা ডিসিপ্লিন, সমাজসেবা কার্যালয়, প্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীসহ সরকারি-বেসরকারি সকল স্টেকহোল্ডারদের সমন্বিত অংশগ্রহণ প্রয়োজন। একই সঙ্গে স্থানীয় ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের জন্য সহজ শর্তে ঋণ এবং প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।

গ্রাম বাঁচলে বাংলাদেশ বাঁচবেÑএই চিরন্তন সত্যকে ধারণ করে গ্রামীণ সম্পদ, শ্রম এবং প্রযুক্তির মেলবন্ধন ঘটানোর এখনই সময়। ‘এক গ্রাম, এক শিল্প’ উদ্যোগটি যদি প্রতিটি গ্রামের নিজস্ব ঐতিহ্য ও কাঁচামালকে ব্র্যান্ডিং করতে পারে, তবে তা শুধু গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর জীবনমানই উন্নত করবে না, বরং দেশের অভ্যন্তরীণ বাজারকে শক্তিশালী করে জাতীয় প্রবৃদ্ধিতে বড় অবদান রাখবে। আমরা আশা করি, খুলনা বিভাগ থেকে শুরু হওয়া এই দূরদর্শী উদ্যোগটি সব বাধা পেরিয়ে দ্রুত দেশব্যাপী সফল রূপ লাভ করবে।

Ads small one

খুলনায় অতিবৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত, দুস্থ ও অসহায় পরিবারের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২১ জুলাই, ২০২৬, ৬:৫৮ অপরাহ্ণ
খুলনায় অতিবৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত, দুস্থ ও অসহায় পরিবারের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ

খুলনায় অতিবৃষ্টির কারণে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হওয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত, দুস্থ ও অসহায় পরিবারের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠান আজ (মঙ্গলবার) দিঘলিয়া উপজেলার যোগীপোল ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন খুলনা বিভাগীয় কমিশনার মো: আবদুল্লাহ হারুন।

অনুষ্ঠানে বিভাগীয় কমিশনার যোগীপোল ও আড়ংঘাটা ইউনিয়নের ক্ষতিগ্রস্ত, দুস্থ ও অসহায় ৭৫টি পরিবারের মাঝে ১০ কেজি করে চাল বিতরণ করেন।

বিভাগীয় কমিশনার বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জলাবদ্ধতায় ক্ষতিগ্রস্ত সকল পরিবারের পাশে আছেন এবং সার্বক্ষণিক খোঁজ-খবর রাখছেন। তারই নিদের্শনায় দুর্যোগে আক্রান্ত পরিবারের মাঝে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করা হচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্তরা যেন সরকারি সহায়তা পায় এবং তাদের পাশে থাকতে বিভাগীয় প্রশাসনকে নিদের্শনা প্রদান করেছেন। তিনি বলেন, সরকার সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। এবং দ্রুত জলাবদ্ধতা নিরসণে কাজ করে যাচ্ছে সরকার।

খুলনা জেলা প্রশাসক হুরে জান্নাতের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিানে দিঘলিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুজন দাশ গুপ্ত, জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মো: আব্দুল করিম সহ স্থানীয় জনসাধারণ উপস্থিত ছিলেন। দিঘলিয়া উপজেলা প্রশাসন এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

পরে খুলনা জেলা প্রশাসক হুরে জান্নাত দিঘলিয়া উপজেলার সেনহাটি ইউনিয়নের বেলেঘাট পশ্চিমপাড়ায় অতিবৃষ্টির কারণে জলাবদ্ধতা পরিদর্শন করেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত ৭৫টি পরিবারের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেন। তথ্যবিবরণী

দলীয় এমপির ভিডিও ভাইরাল ইস্যুতে যা বললো জামায়াত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২১ জুলাই, ২০২৬, ৬:২১ অপরাহ্ণ
দলীয় এমপির ভিডিও ভাইরাল ইস্যুতে যা বললো জামায়াত

সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) গাজী নজরুল ইসলামের এক তরুণীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ মুহূর্তের একটি সিসিটিভি ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত খবর পর্যবেক্ষণ করছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটি বলছে, প্রকৃত ঘটনার তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহের পর সাংগঠনিক নিয়ম অনুযায়ী প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

মঙ্গলবার (২১ জুলাই) দলটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের এক বিবৃতিতে এ কথা জানান।

বিবৃতিতে তিনি বলেন, অতি সম্প্রতি সাতক্ষীরা-৪ আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত খবরের দিকে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নজর রাখছে।

তিনি জানান, বিষয়টি নিয়ে গাজী নজরুল ইসলামের নিজের বক্তব্য, তার প্রথম ও দ্বিতীয় স্ত্রী এবং দ্বিতীয় স্ত্রীর বাবার ভিডিও বক্তব্য ইতোমধ্যে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে।

এহসানুল মাহবুব জুবায়ের আরও বলেন, বিষয়টি নিয়ে আরও খোঁজখবর ও প্রকৃত ঘটনার তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহের পর বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সাংগঠনিক নিয়ম অনুযায়ী প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।

তালা বাজার বণিক সমিতির সংবাদ সম্মেলন, সন্ত্রাসী হামলা ও হত্যার হুমকির অভিযোগ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২১ জুলাই, ২০২৬, ৫:০১ অপরাহ্ণ
তালা বাজার বণিক সমিতির সংবাদ সম্মেলন, সন্ত্রাসী হামলা ও হত্যার হুমকির অভিযোগ

তালা প্রতিনিধি: তালা বাজারকে অশান্ত করার ষড়যন্ত্র, সাধারণ ব্যবসায়ীদের ওপর সন্ত্রাসী হামলা এবং কথিত আন্ডারগ্রাউন্ড মাফিয়া চক্রের তৎপরতার অভিযোগ তুলে তালা বাজার বণিক সমিতির উদ্যোগে মঙ্গলবার (২১ জুলাই) দুপুরে তালা ডাকবাংলো হলরুমে এক জরুরি সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে তালা বাজার বণিক সমিতির কোষাধ্যক্ষ মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন।

লিখিত বক্তব্যে তিনি অভিযোগ করেন, গত ২০ জুন শাহাপুর গ্রামের বাসিন্দা মো. সাগর তার সিডিআই মোটরসাইকেলটি মেরামতের জন্য মেলা বাজার পাম্পসংলগ্ন ফাহিমের গ্যারেজে জমা দেন। দীর্ঘ সময় বিভিন্ন যন্ত্রাংশ আনার আশ্বাস দেওয়ার পর ফাহিম দাবি করেন, মোটরসাইকেলটি চুরি হয়ে গেছে। পরে অনুসন্ধানে জানা যায়, ফাহিম নিজেই মোটরসাইকেলটি চুরি করে ভাঙারি ব্যবসায়ী আব্দুল মাজেদের কাছে কেজি দরে বিক্রি করেছেন বলে অভিযোগ করা হয়। বিষয়টি নিয়ে বণিক সমিতি একাধিকবার সালিশের উদ্যোগ নিলেও ফাহিম উপস্থিত হননি বলে দাবি করা হয়।

তিনি আরও জানান, গত ১৯ জুলাই বণিক সমিতির সভাপতি এস এম নুরুল ইসলাম, কার্যনির্বাহী সদস্য মো. আলমগীর হোসেন এবং কোষাধ্যক্ষ আব্দুল্লাহ আল মামুন ফাহিমের গ্যারেজে গিয়ে অভিযোগকারী সাগরের উপস্থিতিতে তার বক্তব্য গ্রহণ করেন। এ সময় ফাহিমের বাবা, খলিলনগর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মো. আব্দুল জলিল উপস্থিত থেকে বিষয়টির সিদ্ধান্ত বণিক সমিতির ওপর ছেড়ে দেন বলে লিখিত বক্তব্যে উল্লেখ করা হয়।

অভিযোগ করা হয়, একপর্যায়ে সভাপতি ও কার্যনির্বাহী সদস্য সাময়িকভাবে ঘটনাস্থল থেকে সরে গেলে কয়েকজন বহিরাগত যুবক সেখানে প্রবেশ করে। তাদের মধ্যে একজন অস্ত্র প্রদর্শন করে নিজেকে “খুলনার গ্রেনেড বাবু” পরিচয় দিয়ে কোষাধ্যক্ষ আব্দুল্লাহ আল মামুনকে হত্যার হুমকি দেয়। এ সময় ফাহিম একটি ভারী সাইলেন্সার রেঞ্চ দিয়ে আঘাত করতে গেলে তা লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে পাশে থাকা মামুন হাওলাদার নামে একজন আহত হন।

এ সময় স্থানীয় ব্যবসায়ীরা ঘটনাস্থলে ছুটে এলে হামলাকারীরা মোটরসাইকেল ফেলে অন্য মোটরসাইকেলে করে পালিয়ে যায়। যাওয়ার সময় তারা গুলি করে হত্যার হুমকিও দেয় বলে অভিযোগ করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে আরও দাবি করা হয়, পুলিশি তদন্ত ও স্থানীয় জনতার সহায়তায় ফাহিমকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং ঘটনায় ব্যবহৃত দুটি মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়েছে। তদন্তে “গ্রেনেড বাবু” পরিচয়দানকারী ব্যক্তি খুলনা অঞ্চলের কথিত মাফিয়া “গ্রেনেড বাবু”র সহযোগী “কালা তুহিন” বলে জানতে পেরেছেন বলে দাবি করেন বক্তারা। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় ৪০টিরও বেশি মামলা রয়েছে এবং তিনি ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক আসামি বলেও অভিযোগ করা হয়। এছাড়া, তিনি জামিনে মুক্ত হয়ে খলিলনগর ইউনিয়নের সদস্য আব্দুল জলিলের আশ্রয়ে থেকে মাদক ও চোরাচালান কার্যক্রম পরিচালনা করছিলেন বলেও অভিযোগ তোলা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে বণিক সমিতির পক্ষ থেকে প্রশাসনের কাছে তিন দফা দাবি জানানো হয়। দাবিগুলো হলো: ফাহিমকে রিমান্ডে নিয়ে ঘটনার মূল রহস্য উদঘাটন, ইউপি সদস্য আব্দুল জলিলকে অবিলম্বে গ্রেপ্তার এবং কালা তুহিন ও তার সহযোগীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে তালা বাজারের ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।

বণিক সমিতির নেতারা অভিযোগ করেন, সম্প্রতি তালা বাজার ও আশপাশের এলাকায় বাইরের বিভিন্ন সন্ত্রাসী চক্রের সদস্যরা অবস্থান নিয়ে নানা অপরাধমূলক কর্মকান্ডে জড়িয়ে পড়েছে। এসব কর্মকান্ড রোধে প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপ কামনা করেন তারা।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন তালা বাজার বণিক সমিতির সভাপতি এস এম নুরুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক স, ম ইয়াছিন উল্লাহ,বণিক সমিতির নেতা ফারুক হোসেন, মেহেদী হাসান, আলমগীর হোসেন, হারুনসহ সমিতির অন্যান্য কর্মকর্তা ও সদস্যরা।