মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩

বিশ্ব ক্রীড়া সাংবাদিক দিবস: হারানো খেলার পুনর্জাগরণ ও ক্রীড়া সংস্কৃতির ভবিষ্যৎ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১ জুলাই, ২০২৬, ১০:৫৫ অপরাহ্ণ
বিশ্ব ক্রীড়া সাংবাদিক দিবস: হারানো খেলার পুনর্জাগরণ ও ক্রীড়া সংস্কৃতির ভবিষ্যৎ

বিশ্ব ক্রীড়া সাংবাদিক দিবস: হারানো খেলার পুনর্জাগরণ ও ক্রীড়া সংস্কৃতির ভবিষ্যৎ

সাকিবুর রহমান বাবলা

সভ্যতার বিকাশের সঙ্গে খেলাধুলা মানবজীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে উঠেছে। খেলা কেবল বিনোদনের মাধ্যম নয়; এটি একটি জাতির পরিচয়, সংস্কৃতির ধারক, সামাজিক সংহতি এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রীতির প্রতীক। আর এই বিশাল কর্মযজ্ঞকে বিশ্বের মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার দায়িত্ব পালন করেন ক্রীড়া সাংবাদিকরা। তাদের এই অসামান্য অবদানকে স্বীকৃতি দিতেই প্রতি বছর ২ জুলাই বিশ্বব্যাপী পালিত হয় ‘বিশ্ব ক্রীড়া সাংবাদিক দিবস’।

এই দিবসের পেছনে রয়েছে এক সমৃদ্ধ ইতিহাস। ১৯২৪ সালের জুলাই মাসে ফ্রান্সের প্যারিসে অলিম্পিক গেমস চলাকালে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ক্রীড়া সাংবাদিকদের সমন্বয়ে গঠিত হয় ‘ইন্টারন্যাশনাল স্পোর্টস প্রেস অ্যাসোসিয়েশন’। সাংবাদিকদের পেশাগত অধিকার রক্ষা, সাংবাদিকতার মানোন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্য নিয়ে এই সংগঠনটি যাত্রা শুরু করে। সেই ঐতিহাসিক মুহূর্তকে স্মরণীয় করে রাখতে ১৯৯৫ সাল থেকে প্রতি বছর ২ জুলাই এই দিবসটি উদযাপিত হয়ে আসছে।

বর্তমানে এআইপিএস বিশ্বের অন্যতম বড় পেশাজীবী সাংবাদিক সংগঠন। এতে ১৬০টিরও বেশি দেশের প্রায় ৯,৫০০-এর অধিক ক্রীড়া সাংবাদিক যুক্ত আছেন। পাঁচটি মহাদেশীয় অঞ্চলের মাধ্যমে পরিচালিত এই সংস্থার সদর দপ্তর সুইজারল্যান্ডের ‘অলিম্পিক রাজধানী’ হিসেবে পরিচিত লুসান শহরে অবস্থিত।

বাংলাদেশেও ১৯৯৫ সাল থেকে দিবসটি বিশেষ গুরুত্বের সাথে পালিত হচ্ছে। বাংলাদেশ ক্রীড়ালেখক সমিতি এই আন্তর্জাতিক সংস্থার সদস্য হিসেবে প্রতি বছর নানা কর্মসূচির মাধ্যমে দিবসটি উদযাপন করে। এদিন বাংলাদেশের ক্রীড়া সাংবাদিকরা বিশ্বের সাংবাদিকদের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করেন এবং পেশাগত দায়বদ্ধতা ও ক্রীড়া সংস্কৃতির বিকাশে নিজেদের নতুন করে শপথ নেন।

ক্রীড়াঙ্গনের দিকে তাকালে দেখা যায়, যুগে যুগে হাজার হাজার খেলার জন্ম হয়েছে। বর্তমানে আন্তর্জাতিক ও জাতীয় পর্যায়ে কয়েক হাজার খেলার প্রচলন রয়েছে। অলিম্পিক আন্দোলনের আওতায় ৩০টিরও বেশি প্রধান ক্রীড়া শাখা অন্তর্ভুক্ত হয়েছে এবং বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত ফেডারেশনভুক্ত খেলার সংখ্যাও শতাধিক। কিন্তু এর বাইরেও রয়ে গেছে হাজার বছরের ঐতিহ্যবাহী অসংখ্য লোকজ ও আঞ্চলিক খেলা। কালের বিবর্তনে এসব খেলার অনেকগুলোই আজ হারিয়ে যেতে বসেছে।

এই সংকটময় মুহূর্তে ক্রীড়া সাংবাদিকদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তারা কেবল ম্যাচের স্কোর বা পদক জয়ের খবর পরিবেশন করেন না, বরং তারা ইতিহাসের ধারক এবং ঐতিহ্য সংরক্ষক। হারিয়ে যেতে থাকা কোনো খেলা নিয়ে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন, গ্রামীণ ক্রীড়া উৎসবের ওপর প্রামাণ্যচিত্র বা ঐতিহ্যবাহী খেলার সামাজিক গুরুত্ব নিয়ে ধারাবাহিক লেখনী জনমত গঠন ও নীতিনির্ধারণে বড় ভূমিকা রাখতে পারে।

আধুনিক ডিজিটাল যুগে সাংবাদিকতার ক্ষেত্র আরও বিস্তৃত হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, পডকাস্ট এবং অনলাইন পোর্টালের মাধ্যমে এখন খুব সহজেই স্থানীয় কোনো খেলাকে আন্তর্জাতিক দর্শকের কাছে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব। তাই আজকের ক্রীড়া সাংবাদিক কেবল সংবাদকর্মী নন; তিনি একাধারে গবেষক, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের দূত, তিনি হতে পারেন ক্রীড়াসামাজিক পরিবর্তনের অন্যতম কারিগর।

পাশাপাশি ক্রীড়াঙ্গনে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করাও ক্রীড়া সাংবাদিকদের একটি বড় দায়িত্ব। ম্যাচ ফিক্সিং, ডোপিং, দুর্নীতি ও প্রশাসনিক অনিয়মের বিরুদ্ধে সাহসী লেখনী ক্রীড়াঙ্গনকে সুস্থ রাখতে সহায়তা করে। একই সঙ্গে তারা খেলাধুলার ইতিবাচক সেই শক্তিকে সামনে নিয়ে আসেন, যা জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করে।

বিশ্ব ক্রীড়া সাংবাদিক দিবস কেবল পেশাজীবীদের একটি দিন নয়; এটি খেলাধুলার অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যৎকে এক সুতায় গাঁথার একটি অঙ্গীকার। মাঠে খেলোয়াড়রা ইতিহাস সৃষ্টি করেন, আর সাংবাদিকরা সেই ইতিহাসকে মানুষের হৃদয়ে গেঁথে দেন। তারা বিজয়ের আনন্দ, পরাজয়ের বেদনা এবং সংগ্রামের গল্পগুলো বিশ্ববাসীর সামনে তুলে ধরেন।

আজ যখন অনেক ঐতিহ্যবাহী খেলা বিলুপ্তির ঝুঁকিতে, তখন ক্রীড়া সাংবাদিকদের কলম ও ক্যামেরাই হতে পারে সেই খেলার পুনর্জাগরণের সবচেয়ে শক্তিশালী হাতিয়ার। খেলাধুলার বৈচিত্র্য রক্ষা এবং নতুন প্রজন্মকে নিজেদের শিকড়ের সাথে পরিচয় করিয়ে দিতে ক্রীড়া সাংবাদিকতার কোনো বিকল্প নেই।

বিশ্ব ক্রীড়া সাংবাদিক দিবসে সকল ক্রীড়া সাংবাদিকের প্রতি জানাই গভীর শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা। তাদের নিরলস পরিশ্রম এবং সত্যনিষ্ঠ সাংবাদিকতা কেবল ক্রীড়াজগতকেই সমৃদ্ধ করে না, বরং বিশ্বশান্তি ও সংস্কৃতির সুরক্ষায়ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

Ads small one

আ বিউটিফুল লাই’-তে ফিরছেন মৌসুমী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:০৫ পূর্বাহ্ণ
আ বিউটিফুল লাই’-তে ফিরছেন মৌসুমী

প্রায় তিন বছর ধরে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করছেন ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেত্রী মৌসুমী। পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানোর পাশাপাশি অভিনয় থেকেও পুরোপুরি দূরে থাকেননি তিনি। যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানকালে বিভিন্ন সময় ক্যামেরার সামনে দাঁড়িয়েছেন এই অভিনেত্রী।

এবার নতুন একটি সিনেমায় যুক্ত হলেন মৌসুমী। ‘আ বিউটিফুল লাই’ নামের সিনেমাটি নির্মাণ করছেন নঈম ইমতিয়াজ নেয়ামুল। ইতোমধ্যে সিনেমাটির চিত্রনাট্য তৈরির কাজ শুরু হয়েছে। নির্মাতার পরিকল্পনা অনুযায়ী, শিগগিরই এর শুটিং শুরু হতে পারে।

সিনেমাটি প্রসঙ্গে মৌসুমী বলেন, ‘আ বিউটিফুল লাই’ মূলত একটি রোড ট্রিপের গল্প। এতে থ্রিলারের আবহ রয়েছে। গল্পের ঘটনাগুলো একটি মিথ্যাকে কেন্দ্র করে এগিয়ে যায়। সেই মিথ্যার মধ্যেই তৈরি হয় নানা উপভোগ্য মুহূর্ত।

মৌসুমীর ভাষ্য, শুরুতে টেলিফিল্ম হিসেবে নির্মাণের পরিকল্পনা থাকলেও পরবর্তী সময়ে এটি পূর্ণদৈর্ঘ্য সিনেমায় রূপ দেওয়ার কথা ভাবা হচ্ছে। শেষ পর্যন্ত যে মাধ্যমেই নির্মিত হোক, দর্শক একটি উপভোগ্য গল্প পাবেন বলে আশা করছেন তিনি।

নির্মাতা নঈম ইমতিয়াজ নেয়ামুলও শুরুতে ‘আ বিউটিফুল লাই’ টেলিফিল্ম হিসেবে নির্মাণের পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে গল্পের পরিসর ও সম্ভাবনা বিবেচনায় নিয়ে পরিকল্পনায় পরিবর্তন আনা হয়েছে। বর্তমানে পূর্ণদৈর্ঘ্য সিনেমা হিসেবে নির্মাণের জন্য চিত্রনাট্য চূড়ান্ত করার কাজ চলছে।

এর আগে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানকালে ‘কন্ট্রাক্ট ম্যারেজ’ সিনেমায় অভিনয় করেন মৌসুমী। সিনেমাটি মুক্তির আগে পরিচালক হাসান জাহাঙ্গীরের সঙ্গে মৌসুমী ও তার স্বামী অভিনেতা ওমর সানীর দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে আসে।

পরিচালকের বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগও তোলেন মৌসুমী ও ওমর সানী। তাদের দাবি ছিল, নাটক নির্মাণের কথা বলে মৌসুমীকে ‘কন্ট্রাক্ট ম্যারেজ’ প্রকল্পে যুক্ত করা হয়। পরে সেই নাটককেই সিনেমায় রূপান্তর করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তারা।

এদিকে সিনেমাটির শিল্পী জেবা জান্নাতের অভিযোগের পর ‘কন্ট্রাক্ট ম্যারেজ’-এর সেন্সর সার্টিফিকেশন আটকে দেওয়া হয়েছিল। পরে আদালতের নির্দেশে সিনেমাটি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পায়। তবে মুক্তির পর দর্শকদের মধ্যে প্রত্যাশিত সাড়া ফেলতে পারেনি সিনেমাটি।

সেই বিতর্ক ও আলোচনা-সমালোচনার পর এবার নতুন সিনেমায় মৌসুমীর যুক্ত হওয়ার খবর সামনে এলো। ‘আ বিউটিফুল লাই’ সিনেমাটির মাধ্যমে আবারও নতুন গল্পে দর্শকদের সামনে হাজির হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন এই অভিনেত্রী।

হ্যারি ও মেগান রাজপরিবারের উপাধি ব্যবহার করতে পারবেন না

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:০২ পূর্বাহ্ণ
হ্যারি ও মেগান রাজপরিবারের উপাধি ব্যবহার করতে পারবেন না

প্রিন্স হ্যারি ও তার স্ত্রী মেগান মার্কেল ব্রিটিশ রাজপরিবারের দায়িত্ব ছেড়ে ২০২০ সালে স্বাধীন জীবনযাপনের উদ্দেশ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমিয়েছিলেন। ছয় বছর পর গত আগস্টে তারা তাদের দুই সন্তান আর্চি ও লিলিবেটকে নিয়ে যুক্তরাজ্যে ফিরে বসবাস শুরু করেন।

রাজপরিবারে তাদের অবস্থান কী হবে, তা নিয়ে চলছিল গুঞ্জন। রাজা তৃতীয় চার্লস সেই গুঞ্জনের সমাপ্তি টেনেছেন। সোমবার জারি করা এক চিঠিতে জানানো হয়, রাজপরিবারের কর্মরত সদস্য হিসেবে হ্যারি ও মেগানকে বিবেচনা করা হবে না। রাজপরিবারের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা লর্ড চেম্বারলেনের জারি করা চিঠিতে বলা হয়েছে, হ্যারি-মেগানের যুক্তরাজ্যে ফিরে আসার পর তাদের অবস্থান নিয়ে বেশ কিছু নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে যেন কোনো ‘সন্দেহ বা বিভ্রান্তি’ না থাকে, সে কারণেই এই চিঠি দেওয়া হয়েছে।

রাজপরিবার থেকে জারি করা ওই চিঠিতে আরও বলা হয়, ‘২০২০ সালের জানুয়ারিতে হ্যারি ও মেগান রাজকীয় দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ান। ফলে তারা এখন আর রাজপরিবারের অফিসিয়ালি ‘এইচআরএইচ’ উপাধি ব্যবহার করতে পারবেন না।

জানা যায়, রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথ বা প্রিন্স চার্লসের সঙ্গে কোনো আলোচনা ছাড়াই হ্যারি ও মেগান আকস্মিকভাবে ২০২০ সালে সোশ্যাল মিডিয়ায় ঘোষণা করেন যে, তারা রাজপরিবারের ‘সিনিয়র’ সদস্যের পদ থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন। পরিস্থিতি সামাল দিতে রানি এলিজাবেথ তখন একটি পারিবারিক বৈঠক ডাকেন। সেখানে সিদ্ধান্ত হয় যে, হ্যারি-মেগান আর রাজপরিবারের প্রতিনিধিত্ব করতে পারবেন না এবং সরকারি কোনো অনুদান পাবেন না।

বিমান নিয়ে মন্তব্য, নোরার বিরুদ্ধে বড় অঙ্কের মামলা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:০০ পূর্বাহ্ণ
বিমান নিয়ে মন্তব্য, নোরার বিরুদ্ধে বড় অঙ্কের মামলা

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে উড়োজাহাজ নিয়ে মন্তব্য করে আইনি জটিলতায় পড়েছেন বলিউড অভিনেত্রী ও নৃত্যশিল্পী নোরা ফাতেহি। ডুন এভিয়েশন নামের একটি চার্টার্ড বিমান সংস্থাকে নিয়ে অসম্মানজনক ও ভিত্তিহীন মন্তব্য করার অভিযোগে তার বিরুদ্ধে ৩০ মিলিয়ন দিরহাম ক্ষতিপূরণ দাবি করে মানহানির মামলা করা হয়েছে।

ঘটনাটি ঘটে গত বছরের ডিসেম্বরে। মুম্বাই থেকে জয়পুর যাওয়ার পথে সেসনা সাইটেশন সিজে-২ মডেলের একটি উড়োজাহাজে ওঠার সময় ভিডিও ধারণ করেন নোরা। পরে সেই ভিডিও নিজের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে প্রকাশ করেন তিনি। ওই অ্যাকাউন্টে তার প্রায় ৪ কোটি ৭০ লাখ অনুসারী রয়েছে।

ভিডিওতে উড়োজাহাজটির আকার ও চেহারা নিয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে নোরা সেটিকে খেলনা কিংবা ‘লেগো বিমান’-এর সঙ্গে তুলনা করেন বলে অভিযোগ করেছে বিমান সংস্থাটি।

ডুন এভিয়েশনের দাবি, নোরার ওই মন্তব্য দায়িত্বজ্ঞানহীন ও ভিত্তিহীন। এর ফলে প্রতিষ্ঠানটির বাণিজ্যিক সুনাম ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি ব্যবসায়িক ক্ষতি হয়েছে। সংস্থাটি আরও দাবি করেছে, সংশ্লিষ্ট উড়োজাহাজটি তার শ্রেণির একটি মানসম্মত বিমান।

এ ঘটনায় গত এপ্রিল মাসে গান্ধীনগরের একটি আদালতে মামলা দায়ের করা হয়। মামলাটিতে ৩০ মিলিয়ন দিরহাম ক্ষতিপূরণ দাবি করা হয়েছে। আগামী ২৫ সেপ্টেম্বর মামলাটির শুনানি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

এদিকে ‘দিলবার’ ও ‘ও সাকি সাকি’র মতো জনপ্রিয় গানের মাধ্যমে পরিচিতি পাওয়া নোরা ফাতেহি সম্প্রতি ‘সারকে চুনার তেরি সারকে’ নামের একটি কন্নড় গানের কথার কারণেও সমালোচনার মুখে পড়েছিলেন।

ওই বিতর্কের পর নোরা জানিয়েছিলেন, গানটির ভাষা তিনি বুঝতে পারেননি। ভাষাগত বিষয়টি না বোঝার কারণেই এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে বলে ব্যাখ্যা দিয়ে তিনি তখন বিতর্কের অবসান ঘটানোর চেষ্টা করেন।