সোমবার, ৮ জুন ২০২৬, ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
সোমবার, ৮ জুন ২০২৬, ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

ঐতিহ্যের নবালোক: সাতক্ষীরার জনপদ ও বৈশাখের বিশ্বজনীনতা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬, ১:৩২ পূর্বাহ্ণ
ঐতিহ্যের নবালোক: সাতক্ষীরার জনপদ ও বৈশাখের বিশ্বজনীনতা

মো. মামুন হাসান
বাঙালির বারো মাসে তেরো পার্বণ। এই অসংখ্য উৎসবের ভিড়ে যে উৎসবটি কোনো ধর্মীয় আবরণে আবদ্ধ নয় বরং যার শেকড় মিশে আছে বাংলার পলিমাটিতে সেটি হলো পহেলা বৈশাখ। আবহমান বাংলার কৃষ্টি ও সংস্কৃতির ধারক এই দিনটি সময়ের আবর্তে তার বাহ্যিক রূপ পরিবর্তন করলেও এর অন্তর্নিহিত আবেদন চিরন্তন। সেকালের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ভিত্তি আর একালের আধুনিক সুযোগ-সুবিধার মেলবন্ধনে নববর্ষ এখন এক নতুন উচ্চতায় আসীন। এটি যেমন আমাদের জাতিগত অগ্রগতির প্রমাণ দেয় তেমনি আমাদের বিশ্বদরবারে এক অনন্য স্বকীয়তায় পরিচিত করে তোলে।
সাতক্ষীরার প্রেক্ষাপটে বৈশাখ মানেই এক অন্যরকম শুভসূচনা। উপকূলবর্তী এই জনপদে বৈশাখ আসত সুন্দরবনের দুয়ার খোলার নতুন বার্তা নিয়ে। ইতিহাস পর্যালোচনায় দেখা যায় মুঘল সম্্রাট আকবরের আমলে কর আদায়ের সুবিধার্থে যে ফসলি সন প্রবর্তিত হয়েছিল তা সাতক্ষীরার কৃষিপ্রধান জনপদে এক বৈপ্লবিক পরিবর্তন এনেছিল। সেকালে সাতক্ষীরার গ্রামগঞ্জে পহেলা বৈশাখ মানেই ছিল অকৃত্রিম হালখাতা আর সৌহার্দ্যের উৎসব। ব্যবসায়ীরা লাল মলাটের নতুন খাতায় বছরের প্রথম হিসাব শুরু করতেন আর আপামর জনসাধারণ মেতে উঠত প্রাণের স্পন্দনে। সাতক্ষীরার প্রাণসায়র খালের স্মৃতিবিজড়িত পাড় কিংবা ইছামতীর তীরবর্তী মেলাগুলোতে মাটির তৈরি শিল্পকর্ম, কাষ্ঠশিল্প এবং লোকজ বাদ্যযন্ত্রের যে সমারোহ বসত তা আমাদের কারুশিল্পের সমৃদ্ধিকেই তুলে ধরত। তখন ঘরে ঘরে তৈরি হতো আমানি আর বিন্নি চালের খই যা ছিল আমাদের পুষ্টি ও ঐতিহ্যের এক চমৎকার মিশেল।
কালের বিবর্তনে পহেলা বৈশাখ এখন বিশ্বজনীন উৎসবে রূপ নিয়েছে। বিশেষ করে ইউনেস্কো কর্তৃক মঙ্গল শোভাযাত্রাকে ইনট্যানজিবল কালচারাল হেরিটেজ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার পর এই উৎসবের গুরুত্ব বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্তমান প্রজন্মের কাছে এটি কেবল নতুন বছর নয় বরং প্রযুক্তির সাথে ঐতিহ্যের এক অপূর্ব সেতুবন্ধন। ডিজিটাল যুগে সোশ্যাল মিডিয়ার কল্যাণে সাতক্ষীরার নিজস্ব পণ্য যেমন- সুন্দরবনের মধু কিংবা সাতক্ষীরার সুমিষ্ট আম বৈশাখী আয়োজনে এক নতুন মাত্রা যোগ করছে। সরকারিভাবে বৈশাখী ভাতার প্রচলন এই উৎসবকে যেমন প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি দিয়েছে তেমনি এটি আমাদের জাতীয় অর্থনীতিতেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে। সাতক্ষীরার পর্যটন ও হসপিটালিটি সেক্টরে নববর্ষের এই সময়টা এক বিশাল সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দেয় যা আমাদের স্থানীয় কর্মসংস্থান ও উন্নয়নের অন্যতম চালিকাশক্তি।
একালের বৈশাখ অনেক বেশি অন্তর্ভুক্তিমূলক। আজ আমরা যখন কারিগরি শিক্ষার মাধ্যমে কারিগরি দক্ষতাসম্পন্ন জাতি গঠনের কথা বলি তখন বৈশাখের এই অসাম্প্রদায়িক চেতনা আমাদের উদ্ভাবনী চিন্তাকে আরও শাণিত করে। সাতক্ষীরার শ্রমজীবী ও মেধাবী মানুষ আজ বৈশাখের শিক্ষাকে কাজে লাগিয়ে বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রস্তুত হচ্ছে। নতুন প্রজন্মের মাঝে এই উৎসব দেশপ্রেম ও জাতীয়তাবোধের যে বীজ বপন করে দিচ্ছে তা আগামীর উন্নত বাংলাদেশ বিনির্মাণে প্রধান শক্তি হিসেবে কাজ করবে। আমাদের লোকজ বাদ্যযন্ত্র আর আধুনিক প্রযুক্তির সুর যখন এক হয়ে বাজে তখন সাতক্ষীরার আকাশ-বাতাস এক নতুন সম্ভাবনার কথা বলে।
পহেলা বৈশাখ কেবল ক্যালেন্ডারের পাতা পরিবর্তনের দিন নয় এটি বাঙালির আত্মপরিচয় ও সাহসের নাম। আধুনিকতার আশীর্বাদে আমরা আজ বিশ্ব নাগরিক হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করছি ঠিকই কিন্তু আমাদের হৃদস্পন্দনে আজও মিশে আছে সেই মাটির গন্ধ। একালের জৌলুসের সাথে সেকালের সেই সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও সরলতার সমন্বয় আমাদের এই উৎসবকে চিরস্থায়ী মর্যাদা দান করেছে। শিক্ষা, সংস্কৃতি ও অর্থনীতির এই ত্রিমাত্রিক মেলবন্ধনেই বৈশাখ হয়ে উঠুক আমাদের জাতীয় ঐক্যের প্রতীক।
পরিশেষে, সাতক্ষীরার মাটি ও মানুষের সাহসী মুখপত্র দৈনিক পত্রদূত-এর অগণিত পাঠক, শুভানুধ্যায়ী এবং আমার প্রিয় সাতক্ষীবাসীকে জানাই বাংলা নববর্ষের অন্তহীন শুভেচ্ছা। নতুন বছর সবার জীবনে বয়ে আনুক অনাবিল শান্তি, সৃজনশীলতা ও সমৃদ্ধি। বাঙালির এই জয়যাত্রা অব্যাহত থাকুক যুগ থেকে যুগান্তরে। লেখক: ইনস্ট্রাক্টর (টেক) ও বিভাগীয় প্রধান, ট্যুরিজম ও হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগ, সাতক্ষীরা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট, সাতক্ষীরা

Ads small one

গাবুরা-বুড়িগোয়ালিনী সংযোগ খেয়াঘাট ভাঙনের মুখে, উদ্বিগ্ন স্থানীয়রা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ৮ জুন, ২০২৬, ৭:১৮ অপরাহ্ণ
গাবুরা-বুড়িগোয়ালিনী সংযোগ খেয়াঘাট ভাঙনের মুখে, উদ্বিগ্ন স্থানীয়রা

এম এ হালিম, উপকূলীয় অঞ্চল (শ্যামনগর): সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার গাবুরা ও বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়নের গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ মাধ্যম ডুমুরিয়া খেয়াঘাট বর্তমানে ভাঙনের কবলে পড়েছে বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। ঘাটের বিভিন্ন অংশে ভাঙন দেখা দেওয়ায় প্রতিদিন যাতায়াতকারী হাজারো মানুষ চরম উদ্বেগের মধ্যে রয়েছেন। স্থানীয়রা জানান, ২০০৯ সালে বুড়িগোয়ালিনী অংশের খেয়াঘাট নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়।

 

দীর্ঘদিন পার হলেও সেই ঘাটটি এখনো স্থায়ীভাবে পুননির্মাণ করা হয়নি। ফলে দুই ইউনিয়নের মানুষের যাতায়াতে নানা ধরনের দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। বর্তমানে ডুমুরিয়া ঘাটেও একই ধরনের ভাঙন শুরু হওয়ায় এলাকাবাসীর মধ্যে নতুন করে শঙ্কা দেখা দিয়েছে।

গাবুরা ইউনিয়ন যুব বিভাগের সভাপতি ইয়াসিন আরাফাত বলেন, “ডুমুরিয়া খেয়াঘাটটি গাবুরা ও বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়নের মানুষের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ২০০৯ সালে বুড়িগোয়ালিনী পাশের ঘাট ভেঙে যাওয়ার পরও সেটির স্থায়ী সমাধান হয়নি।

এখন ডুমুরিয়া ঘাটটিতে ভাঙন দেখা দিয়েছে। দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ না করা হলে দুই পাড়ের মানুষের যাতায়াত মারাত্মকভাবে ব্যাহত হবে।” স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ইয়ুথ প্লান বাংলাদেশ এর বিভাগীয় সমন্বয়কারী ইমাম হোসেন বলেন, “প্রতিদিন শিক্ষার্থী, চাকরিজীবী, ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এই ঘাট ব্যবহার করেন। ভাঙনের কারণে যেকোনো সময় বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। আমরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দ্রুত সংস্কার ও টেকসই ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানাচ্ছি।”

এলাকাবাসীর দাবি, ঘাটটি দ্রুত সংস্কার ও নদীভাঙন রোধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা না হলে বর্ষা মৌসুমে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করবে। তাই জনদুর্ভোগ কমাতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তারা।

 

 

শ্যামনগরে বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও বৃক্ষরোপন কর্মসূচি পালিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ৮ জুন, ২০২৬, ৭:১৪ অপরাহ্ণ
শ্যামনগরে বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও বৃক্ষরোপন কর্মসূচি পালিত

মুন্সিগঞ্জ (শ্যামনগর) প্রতিনিধি: “জলবায়ু পরিবর্তন: আজকের পদক্ষেপ, আগামীর নিরাপত্তা” প্রতিপাদ্য বিশেষ সামনে রেখে নকিপুর সরকারি হরিচরণ পাইলট মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয় ৮ জুন সকাল ১০ টা থেকে দিনব্যাপী বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালিত হয়েছে।

প্রাকৃতিক ভারসাম্য বজায় রেখে মানুষসহ সকল প্রাণী ও উদ্ভিদের জন্য একটি নিরাপদ ও বাসযোগ্য পরিবেশ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বিশ্ব পরিবেশ দিবস উদযাপিত হয়। এ উপলক্ষে নকিপুর সরকারি হরিচরণ পাইলট মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে পরিবেশ ও জলবায়ু সচেতনতামূলক অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের ৬ষ্ঠ থেকে ১০ম শ্রেণির প্রায় ২০০ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে।

 

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন প্রধান শিক্ষক গোবিন্দ প্রসাদ দেবনাথ।
বিশেষ অতিথি ও উপস্থিত ব্যক্তিবর্গের মধ্যে ছিলেন সহকারী প্রধান শিক্ষক কামরুজ্জামান, উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা এবং সিএরআরএন-বিফোআরএল প্রকল্পের সরোয়ার হোসেন। এছাড়াও বিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দ ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

 

বিশ্বব্যাপী জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে উপকূলীয় অঞ্চলে শিক্ষার্থীদের পরিবেশ আন্দোলনের সহায়ক হিসেবে ১৩ জন ছাত্রী ও ১২ জন ছাত্রের সমন্বয়ে ২৫ সদস্যবিশিষ্ট একটি পরিবেশ ক্লাব গঠন করা হয়। শিক্ষার্থীরা দলভিত্তিকভাবে বনজ, ফলজ ও ঔষধি গাছের বৈশিষ্ট্য, উপকারিতা এবং লবণাক্ত মাটিতে এসব গাছের অভিযোজন কৌশল নিয়ে আলোচনা ও উপস্থাপনা করে। বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হয়। রোপিত গাছ ও বিদ্যালয়ের নার্সারির নিয়মিত পরিচর্যার দায়িত্ব পরিবেশ ক্লাবের সদস্যদের প্রদান করা হয়।

 

 

 

তালায় প্রান্তিক পেশাজীবীদের ১০ দিনব্যাপী সফট স্কিল প্রশিক্ষণ শুরু

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ৮ জুন, ২০২৬, ৭:০৮ অপরাহ্ণ
তালায় প্রান্তিক পেশাজীবীদের ১০ দিনব্যাপী সফট স্কিল প্রশিক্ষণ শুরু

তালা প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার তালা উপজেলায় প্রান্তিক পেশাজীবীদের জীবনমান উন্নয়নের লক্ষ্যে ১০ দিনব্যাপী পেশাভিত্তিক সফট স্কিল প্রশিক্ষণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

সোমবার (৮ জুন) সকালে উপজেলা পরিষদ হলরুমে এ প্রশিক্ষণের উদ্বোধন করা হয়। উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের আয়োজনে ও অর্থায়নে সমাজসেবা অধিদপ্তরের “বাংলাদেশের প্রান্তিক পেশাজীবী জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন (২য় ফেইজ)” প্রকল্পের আওতায় এ প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়েছে।

সাতক্ষীরা জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপপরিচালক এস এম রফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে প্রশিক্ষণের উদ্বোধন করেন খুলনা বিভাগীয় সমাজসেবা কার্যালয়ের অতিরিক্ত পরিচালক রতন কুমার হালদার।

উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা আরিফুজ্জামানের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জান্নাতুল আফরোজ স্বর্ণা এবং উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. রাহাত খান।

প্রশিক্ষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. রোকনুজ্জামান, জয়পুরহাট জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপপরিচালক হারুন উর রশিদ, খুলনা জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের মাসুদুর রহমান, জালালপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এম. মফিদুল হক লিটু এবং ইসলামকাটি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান অধ্যাপক গোলাম ফারুক।

এ সময় বক্তব্য দেন তালা প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. সেলিম হায়দার, সাংবাদিক বি.এম. জুলফিকার রায়হান, কামরুজ্জামান মিঠু, উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের সমন্বয়কারী তৌফিক ইমরান, সহকারী অসিত রায় ও ইমদাদুল ইসলামসহ অন্যান্যরা।

প্রশিক্ষণে তালা উপজেলার বিভিন্ন এলাকার প্রান্তিক পেশাজীবীরা অংশগ্রহণ করছেন। দক্ষতা বৃদ্ধি ও জীবনমান উন্নয়নের মাধ্যমে তাদের আত্মনির্ভরশীল করে গড়ে তোলাই এ প্রকল্পের মূল লক্ষ্য বলে আয়োজকরা জানান।