বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩

ঐতিহ্যের নবালোক: সাতক্ষীরার জনপদ ও বৈশাখের বিশ্বজনীনতা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬, ১:৩২ পূর্বাহ্ণ
ঐতিহ্যের নবালোক: সাতক্ষীরার জনপদ ও বৈশাখের বিশ্বজনীনতা

মো. মামুন হাসান
বাঙালির বারো মাসে তেরো পার্বণ। এই অসংখ্য উৎসবের ভিড়ে যে উৎসবটি কোনো ধর্মীয় আবরণে আবদ্ধ নয় বরং যার শেকড় মিশে আছে বাংলার পলিমাটিতে সেটি হলো পহেলা বৈশাখ। আবহমান বাংলার কৃষ্টি ও সংস্কৃতির ধারক এই দিনটি সময়ের আবর্তে তার বাহ্যিক রূপ পরিবর্তন করলেও এর অন্তর্নিহিত আবেদন চিরন্তন। সেকালের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ভিত্তি আর একালের আধুনিক সুযোগ-সুবিধার মেলবন্ধনে নববর্ষ এখন এক নতুন উচ্চতায় আসীন। এটি যেমন আমাদের জাতিগত অগ্রগতির প্রমাণ দেয় তেমনি আমাদের বিশ্বদরবারে এক অনন্য স্বকীয়তায় পরিচিত করে তোলে।
সাতক্ষীরার প্রেক্ষাপটে বৈশাখ মানেই এক অন্যরকম শুভসূচনা। উপকূলবর্তী এই জনপদে বৈশাখ আসত সুন্দরবনের দুয়ার খোলার নতুন বার্তা নিয়ে। ইতিহাস পর্যালোচনায় দেখা যায় মুঘল সম্্রাট আকবরের আমলে কর আদায়ের সুবিধার্থে যে ফসলি সন প্রবর্তিত হয়েছিল তা সাতক্ষীরার কৃষিপ্রধান জনপদে এক বৈপ্লবিক পরিবর্তন এনেছিল। সেকালে সাতক্ষীরার গ্রামগঞ্জে পহেলা বৈশাখ মানেই ছিল অকৃত্রিম হালখাতা আর সৌহার্দ্যের উৎসব। ব্যবসায়ীরা লাল মলাটের নতুন খাতায় বছরের প্রথম হিসাব শুরু করতেন আর আপামর জনসাধারণ মেতে উঠত প্রাণের স্পন্দনে। সাতক্ষীরার প্রাণসায়র খালের স্মৃতিবিজড়িত পাড় কিংবা ইছামতীর তীরবর্তী মেলাগুলোতে মাটির তৈরি শিল্পকর্ম, কাষ্ঠশিল্প এবং লোকজ বাদ্যযন্ত্রের যে সমারোহ বসত তা আমাদের কারুশিল্পের সমৃদ্ধিকেই তুলে ধরত। তখন ঘরে ঘরে তৈরি হতো আমানি আর বিন্নি চালের খই যা ছিল আমাদের পুষ্টি ও ঐতিহ্যের এক চমৎকার মিশেল।
কালের বিবর্তনে পহেলা বৈশাখ এখন বিশ্বজনীন উৎসবে রূপ নিয়েছে। বিশেষ করে ইউনেস্কো কর্তৃক মঙ্গল শোভাযাত্রাকে ইনট্যানজিবল কালচারাল হেরিটেজ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার পর এই উৎসবের গুরুত্ব বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্তমান প্রজন্মের কাছে এটি কেবল নতুন বছর নয় বরং প্রযুক্তির সাথে ঐতিহ্যের এক অপূর্ব সেতুবন্ধন। ডিজিটাল যুগে সোশ্যাল মিডিয়ার কল্যাণে সাতক্ষীরার নিজস্ব পণ্য যেমন- সুন্দরবনের মধু কিংবা সাতক্ষীরার সুমিষ্ট আম বৈশাখী আয়োজনে এক নতুন মাত্রা যোগ করছে। সরকারিভাবে বৈশাখী ভাতার প্রচলন এই উৎসবকে যেমন প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি দিয়েছে তেমনি এটি আমাদের জাতীয় অর্থনীতিতেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে। সাতক্ষীরার পর্যটন ও হসপিটালিটি সেক্টরে নববর্ষের এই সময়টা এক বিশাল সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দেয় যা আমাদের স্থানীয় কর্মসংস্থান ও উন্নয়নের অন্যতম চালিকাশক্তি।
একালের বৈশাখ অনেক বেশি অন্তর্ভুক্তিমূলক। আজ আমরা যখন কারিগরি শিক্ষার মাধ্যমে কারিগরি দক্ষতাসম্পন্ন জাতি গঠনের কথা বলি তখন বৈশাখের এই অসাম্প্রদায়িক চেতনা আমাদের উদ্ভাবনী চিন্তাকে আরও শাণিত করে। সাতক্ষীরার শ্রমজীবী ও মেধাবী মানুষ আজ বৈশাখের শিক্ষাকে কাজে লাগিয়ে বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রস্তুত হচ্ছে। নতুন প্রজন্মের মাঝে এই উৎসব দেশপ্রেম ও জাতীয়তাবোধের যে বীজ বপন করে দিচ্ছে তা আগামীর উন্নত বাংলাদেশ বিনির্মাণে প্রধান শক্তি হিসেবে কাজ করবে। আমাদের লোকজ বাদ্যযন্ত্র আর আধুনিক প্রযুক্তির সুর যখন এক হয়ে বাজে তখন সাতক্ষীরার আকাশ-বাতাস এক নতুন সম্ভাবনার কথা বলে।
পহেলা বৈশাখ কেবল ক্যালেন্ডারের পাতা পরিবর্তনের দিন নয় এটি বাঙালির আত্মপরিচয় ও সাহসের নাম। আধুনিকতার আশীর্বাদে আমরা আজ বিশ্ব নাগরিক হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করছি ঠিকই কিন্তু আমাদের হৃদস্পন্দনে আজও মিশে আছে সেই মাটির গন্ধ। একালের জৌলুসের সাথে সেকালের সেই সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও সরলতার সমন্বয় আমাদের এই উৎসবকে চিরস্থায়ী মর্যাদা দান করেছে। শিক্ষা, সংস্কৃতি ও অর্থনীতির এই ত্রিমাত্রিক মেলবন্ধনেই বৈশাখ হয়ে উঠুক আমাদের জাতীয় ঐক্যের প্রতীক।
পরিশেষে, সাতক্ষীরার মাটি ও মানুষের সাহসী মুখপত্র দৈনিক পত্রদূত-এর অগণিত পাঠক, শুভানুধ্যায়ী এবং আমার প্রিয় সাতক্ষীবাসীকে জানাই বাংলা নববর্ষের অন্তহীন শুভেচ্ছা। নতুন বছর সবার জীবনে বয়ে আনুক অনাবিল শান্তি, সৃজনশীলতা ও সমৃদ্ধি। বাঙালির এই জয়যাত্রা অব্যাহত থাকুক যুগ থেকে যুগান্তরে। লেখক: ইনস্ট্রাক্টর (টেক) ও বিভাগীয় প্রধান, ট্যুরিজম ও হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগ, সাতক্ষীরা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট, সাতক্ষীরা

Ads small one

সুন্দরবন রক্ষায় বাঘ সংরক্ষণের বিকল্প নেই: আলোচনা সভার বক্তারা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬, ৬:১৩ অপরাহ্ণ
সুন্দরবন রক্ষায় বাঘ সংরক্ষণের বিকল্প নেই: আলোচনা সভার বক্তারা

নিজস্ব প্রতিনিধি: বিশ্ব বাঘ দিবস উপলক্ষে সাতক্ষীরার শ্যামনগরে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার সকাল ১১টায় উপজেলার বুড়িগোয়ালিনী সিপিজি কার্যালয়ে এ আলোচনা সভার আয়োজন করে সাতক্ষীরা সহ-ব্যবস্থাপনা কমিটি (সিএমসি) ও সুন্দরবন পশ্চিম বন বিভাগ।

সিএমসি সভাপতি মাহামুদা বেগমের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন বনভিবাগের বুড়িগোয়ালিনী স্টেশন কর্মকর্তা (এসও) এরফান উদ্দিন। সিএমসি সদস্য আবু ফরিদের সঞ্চালনায় বক্তব্য দেন ফরেস্ট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আয়ুব আলী, কলাগাছিয়া বনবিভাগ কেন্দ্রের ইনচার্জ সুলজ কুমার দ্বীপ, ফরেস্ট জামে মসজিদের ইমাম রেজাউল করিম, সিপিজি সদস্য পঞ্চি রানী ও রুহুল আমিন, সিএমসি সদস্য আব্দুর রশিদ এবং উপকূল প্রেসক্লাবের সভাপতি আব্দুল হালিম।

বক্তারা বলেছেন, রয়েল বেঙ্গল টাইগার শুধু বাংলাদেশের জাতীয় গর্ব নয়, সুন্দরবনের পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষার অন্যতম প্রধান উপাদান। তাই সুন্দরবন ও বাঘ রক্ষায় সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি স্থানীয় জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে।

দেবহাটায় দুর্নীতি প্রতিরোধ বিষয়ক রচনা ও বিতর্ক প্রতিযোগিতার সমাপনী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬, ৫:৫২ অপরাহ্ণ
দেবহাটায় দুর্নীতি প্রতিরোধ বিষয়ক রচনা ও বিতর্ক প্রতিযোগিতার সমাপনী

সংবাদদাতা: দুর্নীতি বিরোধী শপথের প্রদীপ্ত স্বাক্ষরে নতুন সূর্য শিখা জ্বলবেই এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে গণসচেতনতা সৃষ্টি ও সততা চর্চায় শিক্ষার্থীদের উদ্বুদ্ধ করার লক্ষ্যে দুর্নীতি প্রতিরোধ বিষয়ক রচনা ও বিতর্ক প্রতিযোগিতার সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়েছে।

 

বুধবার (২৯ জুলাই) দেবহাটা সরকারি বি.বি.এম.পি ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে দুর্নীতি দমন কমিশন, সমন্বিত জেলা কার্যালয় খুলনার আয়োজনে ও দেবহাটা উপজেলা প্রশাসন ও দেবহাটা উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির ব্যবস্থাপনায় উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি চন্দ্রকান্ত মল্লিকের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন এবং পুরস্কার বিতরণ করেন দেবহাটা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিলন সাহা।

অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা জেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি বিশিষ্ট সমাজসেবক আলহাজ্ব ডাঃ আবুল কালাম বাবলা, দেবহাটা থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আব্দুল আলিম,
সাতক্ষীরা জেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট মুহা: মুনিরুদ্দীন, দেবহাটা সরকারি বি. বি. এম.পি ইনস্টিটিউশনের প্রধান শিক্ষক মদন মোহন পাল প্রমূখ।

অনুষ্ঠানে বিচারকের দায়িত্ব পালন করেন দেবহাটা কলেজের সহযোগী অধ্যাপক মোঃ আকবর আলী, দেবহাটা উপজেলা শিক্ষা অফিসার ভারপ্রাপ্ত মোঃ শাহজাহান আলী, কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার জয়দেব কুমার পাল, দেবহাটা কলেজের সহকারী অধ্যাপক মির্জা মুহসিন আলী, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা নাসরিন জাহান, দেবহাটা উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সহ-সভাপতি রফিকুল ইসলাম খান, সাধারণ সম্পাদক মোঃ আব্দুল্লাহ আল আজাদ প্রমুখ।

 

ফাইনালে বিতর্কের বিষয় ছিল- দুর্নীতি দমনের জন্য আইন ব্যবস্থার পাশাপাশি সামাজিক দেবহাটা সরকারি বি.বি.এম.পি ইনস্টিটিউশন সরকারি বি.বি.এম.পি ইনস্টিটিউশন এবং বিতর্কের বিপক্ষ দল হিসাবে অংশ নেয় পারুলিয়া এসএস মাধ্যমিক বিদ্যালয়। বিতর্ক প্রতিযোগিতায় দেবহাটা সরকারি বি.বি.এম.পি ইনস্টিটিউশন উপজেলা পর্যায়ে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে। বিতর্কে শ্রেষ্ঠ বক্তার পুরস্কার লাভ করেন আফরিনা আলম পাপড়ি

রচনা ও বিতর্ক প্রতিযোগিতায় দেবহাটা উপজেলার ১৬ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অংশ নেয়। এ সময় প্রশাসনিক কর্মকর্তা, দেবহাটা উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সদস্য সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
সমগ্র অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার মিজানুর রহমান।

 

 

 

দেবহাটায় মাসিক আইন-শৃঙ্খলা ও উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সভা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬, ৫:৪৬ অপরাহ্ণ
দেবহাটায় মাসিক আইন-শৃঙ্খলা ও উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সভা

মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধে কঠোর অবস্থানের আহ্বান

দেবহাটা প্রতিনিধি: দেবহাটা উপজেলা আইন-শৃঙ্খলা ও উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (২৯ জুলাই) বেলা ১১টায় উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মিলন সাহা।

সভায় বক্তব্য রাখেন দেবহাটা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল আলিম, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সাইফুল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক শেখ সিরাজুল ইসলাম, সাবেক সদস্য সচিব মহিউদ্দিন সিদ্দিকী, উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা অলিউল ইসলাম, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের আহ্বায়ক আব্দুল বারী মোল্লা, সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা প্রদীপ কুমার, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা তরিফুল ইসলাম, পল্লী বিদ্যুতের প্রকৌশলী মাসুম বিল্লাহ, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা নাসরিন জাহান, সখিপুর ইউপি চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম, নওয়াপাড়া ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মোনায়েম হোসেন, দেবহাটা রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি আর. কে. বাপ্পা, সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান কাজল, দেবহাটা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক বায়েজিদ বোস্তামি উজ্জ্বল, দেবহাটা বিজিবির নায়েব সুবেদার সোলাইমান হোসেন, উপজেলা ইমাম সমিতির সভাপতি হাফেজ আব্দুস সাত্তার, উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক ইমরান ফরহাদ, জুলাই যোদ্ধা মুজাহিদ বিন ফিরোজসহ বিজিবি, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা ও জনপ্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

সভায় সীমান্ত দিয়ে মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবিকে আরও কঠোর অবস্থান গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। একই সঙ্গে পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে মাদক, সন্ত্রাস, চুরি ও অন্যান্য অপরাধমূলক কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে চলমান অভিযান অব্যাহত রাখার বিষয়ে জানানো হয়। দেশের বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় আইন-শৃঙ্খলার অবনতি যেন না ঘটে, সে লক্ষ্যে সবাইকে সতর্ক ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানানো হয়।

সভাপতির বক্তব্যে ইউএনও মিলন সাহা বলেন, উপজেলার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং সার্বিক উন্নয়ন কার্যক্রম আরও গতিশীল করতে প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট সকলকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।